সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 18, 2026

ঢাকার শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপন/স্থানান্তরের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২ কার্তিক (১৮ অক্টোবর) ২০২৬ খৃ. – বাংলাদেশ সচিবালয়ের বর্তমান অবস্থানে ১৭.৫৭ একর জায়গায় মোট ১৩টি ভবন আছে, তন্মধ্যে ৮টি ভবন স্বাধীনতা-পূর্বকালে নির্মিত। সচিবালয়ের পুরোনো ১ ও ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবনসমূহ ১৯৩৭ হইতে ১৯৩৯ সালে, ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হওয়ায় ভূমিকম্প সহনীয় হিসেবে নির্মিত হয়নি। ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় উক্ত স্থাপনাসমূহে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, ভবনসমূহে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারযোগ্য পর্যাপ্ত স্পেস না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। ভবনসমূহে পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়াশ-ব্লক নেই, ধারণক্ষমতার অধিকসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক ব্যবহৃত হওয়ায় স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যমান বাংলাদেশ সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮.৭৬ লক্ষ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত অফিস স্পেসের চাহিদা এবং সচিবালয়ের কমপাউন্ডের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থান সংকুলানের জন্য আরো প্রায় ১০ লক্ষ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন। এ বিষয়ে একনেক সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে, লুই আই কান-এর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর কর্তৃক ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করা হয়। প্রণীত নকশা অনুযায়ী শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠের প্রায় ৩১.৫৮ একর জায়গায় মোট প্রায় ৩৩.১৬ লক্ষ বর্গফুট স্পেস সংবলিত ৩টি বেজমেন্টসহ (২০০টি ভূ-উপরিস্থ পার্কিংসহ ৩,৮০০টি গাড়ি পার্কিং) ১৪টি ১২ তলা ভবন [মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ২টি মাল্টিপারপাস হল, ১টি ক্যাফেটেরিয়া, ১টি ডাকঘর ইত্যাদি] নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প এলাকায় প্রায় ৩০% জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধারের সংস্থান রাখা হয়েছে। আজ মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছে।

Read More »

তৃণমূলে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার – স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২ কার্তিক (১৮ অক্টোবর): তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং কার্যক্রম শুরু করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এলক্ষ্যে স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দ্রুত নতুন চিকিৎসক ও মিডওয়াইফ নিয়োগ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। মন্ত্রী আজ রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‘ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে স্তন ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে। শুধু শহর নয়, গ্রামাঞ্চলেও নারীরা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সচেতনতা ও চিকিৎসার অভাবে অনেক নারী সময়মতো রোগ শনাক্ত করতে পারেন না। ফলে যথাযথ চিকিৎসার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন অনেকে। স্তন ক্যান্সার একজন নারীর শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তাঁর মানসিক সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়ও গভীর প্রভাব ফেলে। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শুধু সভা-সেমিনার আয়োজন কিংবা টেলিভিশনে প্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত সচেতনতা তৈরি সম্ভব নয়। এজন্য চিকিৎসকদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। চিকিৎসকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনারা দেশের সবচেয়ে মেধাবী সন্তান। বছরে অন্তত দুই-তিন দিন নিজের গ্রামে ফিরে যান। স্থানীয় নারীদের একত্র করে স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ এবং কীভাবে এরোগ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়, তা শেখান। এটি মানবতার সেবা এবং মহৎ কাজ। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, একসময় দেশে সংক্রামক ব্যাধিতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটলেও বর্তমানে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ থেকে ৭৩ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের মতো রোগ মোকাবিলায় প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ সহকারী জানান, দেশে প্রতি এক লাখ নারীর মধ্যে ১৫ জনের স্তন ক্যান্সার শনাক্ত হয়। আক্রান্ত নারীদের প্রায় ৬৩ শতাংশ কোনো ধরনের স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আসেন না। ফলে অনেকক্ষেত্রে রোগটি দেরিতে শনাক্ত হয়, যা চিকিৎসাকে জটিল করে তোলে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

রংপুর মেডিকেল মোড়ে মাদকমুক্ত সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর মেডিকেল মোড় ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাদ এশা মেডিকেল মোড় জামে মসজিদ মাঠে ‘মেডিকেল মোড় শান্তি সুরক্ষা কমিটি’ ও ‘সমৃদ্ধ রংপুর’-এর সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. শামসুজ্জামান সামু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র সদস্য মো. সুলতান আলম বুলবুল, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনজুর আহমেদ আজাদ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. খোন্দকার মাহফুজ এলাহী খসরু। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরপিএমপি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (চলতি দায়িত্ব) মিলন কুমার চ্যাটার্জী, মেডিকেল মোড় ব্যবসায়ী সমিতি লিমিটেডের সভাপতি খোন্দকার মারুফ এলাহী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া। সভাটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করেন মেডিকেল মোড় ব্যবসায়ী সমিতি লিমিটেডের সহ-সভাপতি খোন্দকার মারুফ ইলাহী বিপ্লব ও সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুর রহমান লিটন। এতে মেডিকেল মোড়ের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করেন। সভায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাকে মাদকমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে হাসপাতালের দক্ষিণ গেট সংস্কার করে রোগী ও তাদের স্বজনদের যাতায়াতের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।###

Read More »

রংপুরে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল ঘোষণা

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, প্রিপেইড মিটার অপসারণ ও প্রকল্প বাতিলসহ তিন দফা দাবি আদায়ে আগামী ৩০ নভেম্বর সোমবার রংপুরে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বাত্মক অর্ধদিবস হরতালের ঘোষণা দিয়েছে বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলা কমিটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আহসানুল আরেফিন তিতু। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন বাবলু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মীরজা বাবর বাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সোহেল, সদস্য শফিউল আযম, শহিদুল ইসলাম সুমন, নুরপুর অঞ্চল কমিটির আহ্বায়ক শান্ত মিয়াসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার অপসারণ ও প্রকল্প বাতিল, নতুন গ্রাহকদের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার প্রদান, নেসকোর দুর্নীতি ও সেবার নামে গ্রাহক হয়রানি বন্ধ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, জনস্বার্থবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রংপুরবাসী আন্দোলন করে আসছে। দাবি আদায়ে জেলা প্রশাসকের কাছে একাধিকবার স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সর্বশেষ ‘স্তব্ধ রংপুর’ প্রতীকী কর্মসূচি ও নেসকোর প্রধান কার্যালয় ঘেরাও করা হলেও কর্তৃপক্ষ জনগণের দাবি উপেক্ষা করে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, রংপুর দেশের অন্যতম দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চল। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন এমনিতেই কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম, অব্যাহত লোডশেডিং, অতিরিক্ত বিল ও প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তারা অভিযোগ করেন, প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নতুন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও নেসকো কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া এবং দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৩০ নভেম্বর সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রংপুরে সর্বাত্মক অর্ধদিবস হরতাল পালন করা হবে। ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র-জনতাসহ রংপুরের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ কামনা করেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের নেতৃবৃন্দ।

Read More »