সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: December 2, 2024

বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী সংযুক্ত আরব আমিরাত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বাংলাদেশে  নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের(ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হামুদি আজ বলেছেন, তার দেশ বেসামরিক বিমান চলাচল, বন্দর ও লজিস্টিকসে বাংলাদেশের সাথে অভিজ্ঞতা  ভাগাভাগি করতে এবং প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। তিনি বাংলাদেশের সাথে পারস্পরিক অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারে তার দেশের প্রতিশ্রুতির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে  আজ বলা হয়েছে, দেশের ৫৩তম ইউনিয়ন ডে  উদযাপন উপলক্ষে সম্প্রতি ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাস আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আল হামুদি একথা বলেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য প্রত্যক্ষ বিনিয়োগে আগ্রহী।’ রাষ্ট্রদূত একটি উন্নত ও অধিকতর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে একত্রে কাজ করতে তার সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন উল্লেখ সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশ এই বছর কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করছে, যা  উভয় দেশের  ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক  হিসেবে চিহ্নিত । রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা আমাদের ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বের জন্য মুখিয়ে আছি।’ রাষ্ট্রদূত সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত ১.২ মিলিয়ন বাংলাদেশী প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করে বলেন, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশের  অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ। এ ছাড়াও সরকারের উপদেষ্টা, রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক মিশন প্রধান, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

Read More »

ভাল কাজের মাধ্যমে আমাদেরকে জনগণের সমর্থন আদায় করতে হবে : তারেক রহমান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভাল কাজের মাধ্যমে জনসমর্থন আদায়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন, আমরা এখনি ক্ষমতায় চলে গেছি, কিন্তু তা নয়। ক্ষমতায় যেতে হলে জনসমর্থন প্রয়োজন। তাই, ভাল কাজের মাধ্যমে আমাদেরকে জনগণের সমর্থন আদায় করতে হবে। জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, তাদের আস্থা ধরে রাখতে হবে। নেতাদের চালচলনে মানুষ যেন কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজ সোমবার বিকালে একইসাথে বিএনপি’র খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক বিভাগীয়  প্রশিক্ষণ কর্মশালায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে এবং ময়মনসিংহে শহরের টাউন হলের তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে প্রশিক্ষণ কর্মশালার আযোজন করা হয়। খুলনায় বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আনিদ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মিডিয়ার সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ আলমগীর পাভেল, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, বিএনপি’র তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, বিএনপির সহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী প্রমুখ। কর্মশালায় খুলনা বিভাগের ১১টি ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। ময়মনসিংহে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ও নির্বাহী কমিটির সদস্য (দপ্তরে সংযুক্ত) আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ঈসমাইল জবি উল্লাহ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম, বিএনপি’র কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. মাহাদী আমিন প্রমুখ বক্তৃতা করেন। এ ছাড়াও  ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, সাবেক সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা হাবীবা, ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ময়মনসিংহে সোমবার সকাল ৯টায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ময়মনসিংহ বিভাগের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৫১২ জন ডেলিগেট এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায়, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিভিন প্রশ্নের উত্তর দেন। ‘দেশের মানুষের চিন্তাধারার পরিবর্তন হয়েছে’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘এ কারণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে অনেক কঠিন হবে। যা দেশের ইতিহাসে আগে কখনও অনুষ্ঠিত হয়নি। তাই নেতাকর্মীদের এমন আচরণ করতে হবে যেন দেশের জনগণ আগামী দিনে বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে বলেই সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে  ৩১ দফা দিয়েছে। জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষের কাছে তা  পৌঁছে দিতে হবে।’ তারেক রহমান  দলীয় নেতাকর্মীদেরকে এ বিষয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান  কর্মশালায় এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘একটি দেশকে শক্তিশালী করতে হলে প্রাইমারি শিক্ষার প্রতি জোর দিতে হবে। শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে হবে। শিশুদের আদব-কায়দা শেখাতে হবে। আমাদের সমাজে যাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে তাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হবে।’ আগামীতে কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশে চাঁদাবাজি আছে, তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সিন্ডিকেট ভাঙতে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’ এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই দেশ সকল মানুষের জন্য। গত কিছুদিন ধরে সমাজের কিছু ব্যক্তি সংস্কারের কথা বলছে। ৫ মাস আগেও তারা এগুলো বলেননি। কিন্তু বিএনপি দু’বছর আগে থেকেই সংস্কারের কথা বলে আসছে।  তারেক রহমান বলেন, বিএনপি দেশ ও দেশের মানুষের কথা সবসময়ই চিন্তা করে থাকে। এর আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে কৃষকদের পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ এবং ২৫ বিঘা জমির খাজনা মওকুফের বিষয়টি  তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগামীতে জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করতে পারলে প্রত্যেক কৃষককে একটি করে কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে সার ও উন্নত মানের বীজ  তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। এক বিঘা জমি চাষ করতে যদি একজন কৃষককে ২০ হাজার টাকা সাপোর্ট দেওয়া যায় তাহলে তারা ৪০ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবে। এটা তাদের জন্য হবে বড় পাওয়া। এছাড়াও প্রত্যেক পরিবারকে দেওয়া হবে ফ্যামেলি কার্ড।’ তিনি  বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপনারা সংগ্রাম করে যেভাবে টিকে ছিলেন, তার থেকে সহজ হবে এই কাজটা জনগণের ঘরে পৌঁছে দেওয়া। এতো কঠিন পথ যদি আপনারা পাড়ি দিয়ে আসতে সক্ষম হয়ে থাকেন। তাহলে একটু কষ্ট করলেও ৩১ দফা আমরা জনগণের মাঝে নিয়ে যেতে পারি। এই কাজ আপনারা খুব সহজে সকলকে সাথে নিয়ে করতে সক্ষম হবেন।’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নেতাকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য ফার্মার্স কার্ড তৈরি করব। ফ্যামিলি কার্ডটি হবে পরিবারের মা বা স্ত্রীর নামে। এতে তার পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা বাড়বে। একই সঙ্গে কৃষকদের জন্য ফার্মার্স কার্ড করা হবে। যা প্রতি মৌসুমে কৃষকের সার-বীজ বা আর্থিক সহযোগিতা প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করবে। তারেক রহমান বলেন, নারীর যোগ্যতা ও মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করা উচিৎ। এটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা উচিত। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে নারীদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করব। প্রান্তিক মানুষকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মিনিমাম সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। এটি সব শ্রেণিপেশার মানুষ পাবে। ফ্যামিলি কার্ডটি পরিবারের মা বা স্ত্রীর নামে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তার মর্যাদা বাড়বে। আর যে অর্থ সাশ্রয় করবে সেই অর্থ সন্তানের স্বাস্থ্য ও লেখাপড়ায় ব্যয় করবে। এতে ভবিষ্যৎ সুন্দর একটি প্রজন্ম তৈরি হবে। সঞ্চিত অর্থ ৫ থেকে ১০ বছর পর তার অর্থনৈতিক শক্তি হবে। এতে পরিবারে তার আত্মমর্যাদা বাড়বে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সম্পদ দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য। বিশেষ কোনো ব্যক্তির জন্য নয়। দেশের সম্পদ কীভাবে কাজে লাগানো যায় সেটি আমরা চেষ্টা করব।

Read More »

জুলাই বিপ্লবোত্তর বিচার বিভাগ মানবাধিকার রক্ষায় বদ্ধ পরিকর : প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিমকোর্ট রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, জুলাই বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা প্রদানে বদ্ধ পরিকর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত আজ সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে প্রধান বিচারপতি একথা উল্লেখ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক  প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সোমবার সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া ডি চিনচেত্রুও সৌজন্য সাক্ষাত করেন। পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ও স্পেনের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া স্পেনের রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে স্পেন বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত। এছাড়া বাংলাদেশের বিচার বিভাগের আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত।’ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘আজকের এই সাক্ষাতকালে প্রধান বিচারপতি স্পেনের রাষ্ট্রদূতকে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বিচার বিভাগের আধুনিকায়ন ও বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ হতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। প্রধান বিচারপতি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে ছাত্র-জনতার স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সংঘটিত জুলাই বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা প্রদানে বদ্ধ পরিকর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

Read More »

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন একটি ‘অপপ্রচার’ : কূটনীতিকদের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

কূটনীতিক প্রদিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :  ঢাকা,পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বিশেষ করে কিছু ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের বক্তব্যকে ‘অপপ্রচার’ অভিহিত  করে বাংলাদেশে ব্যাপক সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তৌহিদ হোসেন আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে এক কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের তিনি বলের, ‘মিডিয়ার একটি অংশ, বিশেষ করে ভারতের গণমাধ্যম এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমরা কূটনীতিকদের আশ্বস্ত করেছি যে, বাংলাদেশে এমন একটি সমাজ ব্যবস্থা যেখানে সর্বদা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে।’  পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ঢাকায় বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজায় রাখার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।  উপদেষ্টা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা স্বীকার করেন। তবে জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনাগুলো সামাজিক আদর্শের প্রতিফলন নয়।  তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এ ধরনের ঘটনা একেবারে অস্বীকার করছি না, তবে সেগুলো বিচ্ছিন্ন এবং বিভিন্ন আমলেই বিক্ষিপ্তভাবে ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কেউ এটিকে ব্যাহত করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ  করা হবে।  ব্রিফিংকালে তৌহিদ বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করে, চাঞ্চল্য সৃষ্টির পরিবর্তে গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানান।  তিনি কূটনীতিকদের সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের অটল অঙ্গীকারের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি আমাদের সমাজে গভীরভাবে প্রোথিত। সরকার এটা বজায় রাখতে এবং যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’ সংবেদনশীল বিষয়ে ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিবেদনের আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা ঐক্য ও অন্তর্ভুক্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রতিফলিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। হোসেন বলেন, সরকার কূটনীতিকদের জানিয়ে দিয়েছে যে ধর্মীয় সম্প্রীতি সমাজের অংশ এবং সরকার তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, দেশটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে এমন ধারণা দেওয়ার জন্য দেশে এবং বিশ্বব্যাপী প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং মিডিয়ার একটি অংশ, বিশেষত ভারত, এই প্রচারে যুক্ত রয়েছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা যে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর দ্বারা বিশ্বব্যাপী (সরকারের বিরুদ্ধে) প্রচারণা চলছে।’ উপদেষ্টা বলেন, কেউ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে সরকার তা শক্ত হাতে  মোকাবেলা করবে। এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা কূটনীতিকদের কাছে ভারত সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি তবে মিডিয়ার বিষয়গুলো উঠে এসেছে। তিনি বলেন, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের একজন প্রতিনিধিও ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। এক প্রশ্নের জবাবে হোসেন বলেন, ইসকনের সাবেক নেতা চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তা কূটনীতিকদের জানানো হয়েছে।  তিনি বলেন, সরকার দেশে কোনো সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করবেনা  এবং  তারা সব নাগরিককে সমান চোখে দেখেন। ‘দেশে কোনো সমস্যা নেই- আমরা এমনটা বলছি না। সমস্যা আছে এবং আমরা সেই সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করছি’ উল্লেখ করে হোসেন বলেন, সরকার অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানে সফল হয়েছে। তৌহিদ ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তবে ভারতের সাথে নির্ধারিত ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) এই মাসে অনুষ্ঠিত হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মনে হয়, এটি অনুষ্ঠিত হবে।’ ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে ভারতের সাথে একটি স্বাভাবিক, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা আমাদের লক্ষ্য’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ভারত সরকারকে বাংলাদেশে একটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী  পাঠাতে  পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধ  প্রত্যাখ্যান করেন তৌহিদ। তিনি বলেন, ‘এগুলো মমতার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসূচক মন্তব্য। আমি এ ধরনের পরামর্শের কোন ভিত্তি দেখি না।’

Read More »

কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে ভূমি নিবন্ধন দ্রুত ও সহজে করার সিদ্ধান্ত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (কেইপিজেড) পরিচালনা পর্ষদ ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া দ্রুততর করা এবং বন্ড লাইসেন্সিং পদ্ধতি সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিল্প পার্কটিকে বিদেশি বিনিয়োগের একটি কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার ঢাকায় তেজগাঁও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে কেইপিজেড পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত নয় বছরের মধ্যে এটি ছিল সরকার প্রধানের সভাপতিত্বে পরিচালিত কেইপিজেড পরিচালনা পর্ষদের প্রথম বৈঠক। বৈঠকে ভূমি অধিগ্রহণ, বন্দর ও কাস্টমস, শ্রম আইন এবং বিনিয়োগকারী সহায়তা ব্যবস্থাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটি দ্রুততম সময়ে কেইপিজেডকে বাকি ভূমি হস্তান্তর সম্পন্ন করা, অনুমোদিত অর্থনৈতিক অপারেটর মডেল চালু করা, বন্ড লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজ করা এবং শ্রম আইন সংক্রান্ত আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার মতো নির্বাহী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।  কমিটি সর্বসম্মতভাবে প্রশাসনিক ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং দ্রুত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কেইপিজেডকে সরাসরি সিএও’র প্রশাসন থেকে সরিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) আওতায় নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো বিনিয়োগকারীরাদের কাছে বাংলাদেশে ব্যবসায় সম্ভাবনার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘আমাদের বর্তমান বিনিয়োগকারীদের সমর্থন করতে হবে যাতে তারা আমাদের দূত হয়ে উঠতে পারে। একটি পরীক্ষামূলক উদাহরণ হিসেবে, বিডায় একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে, যা কেইপিজেডের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধান করবে’। আমরা উদাহরণ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম। আর আজকের সফল বৈঠক প্রমাণ করে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে,’ তিনি বলেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, ‘আজকের সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে নতুন ধরনের সরকার পরিচালনার উদাহরণ, যা সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমরা আশা করি যে একটি দ্রুত সংস্কার ব্যবস্থা অনেক বিনিয়োগ সমস্যাকে অচিরেই অপ্রাসঙ্গিক করে তুলবে।’ ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের মাধ্যমে পরিচালিত কেইপিজেডে বর্তমানে ৪৮টি আধুনিক শিল্প ইউনিটে ৩৪,০০০-এর বেশি বাংলাদেশির কর্মসংস্থান হয়েছে। ২,৫০০ একর এলাকায় ৫২ শতাংশ সবুজ জায়গা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

Read More »

ডেঙ্গুতে মৃত্যুটা বেশি কারণ দেরিতে হাসপাতালে আসা : স্বাস্থ্য মহাপরিচালক

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকা, দেরি করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসার কারণেই ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুটা বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েচেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর। তিনি বলেন, ‘ আমরা মৃত্যুর কারণ জানার জন্য ডেথ রিভিউ শুরু করেছি। আমাদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসার জন্য দেরিতে হাসপাতালে যাওয়ায় মৃত্যু বেশি। রোগীরা একেবারেই শেষ পর্যায়ে হাসপাতালে আসছেন। তখন সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না।’ আজ সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যাপক জাফর বলেন, ‘দেরিতে হাসপাতালে আসার কারণে ডেঙ্গু রোগী খুব অল্প সময়ে শকে চলে যাচ্ছে। রোগীদের পেটে ও ফুসফুসে পানি আসছে। এমন একটা সময়ে তারা হাসপাতালে আসছেন, যখন আর তাদের জন্য কিছু করা যাচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গুতে বেশি মারা যাচ্ছে ঢাকায়, যাদের বয়স ২০ থেকে ৪০ বছর। তবে চট্টগ্রামে শিশু ও বৃদ্ধদের মৃত্যুহার তুলনামূলক বেশি। এর কারণ হলো ডেঙ্গু হলে মানুষ গুরুত্ব কম দিচ্ছে, তাই মৃত্যুটা বাড়ছে।’ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ডেঙ্গুর পাশাপাশি দেশে চিকনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। জিকা ও চিকনগুনিয়া নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তার কারণ নেই। জিকা ভাইরাসে আক্রান্তদের ৯০ শতাংশর ক্ষেত্রেই কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। এছাড়া এই রোগে মৃত্যু হার শূন্য। তবে এ বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. হালিমুর রশিদ বলেন, ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশগুলোতে হয়ে থাকে। সাধারণত ডেঙ্গু রোগটি শহরাঞ্চলের একটি রোগ, তবে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশেও বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। সবমিলিয়ে এ বছর এখন পর্যন্দ (১ ডিসেম্বর) ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯২ হাজার ৩৫১ জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৯৪ জন। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু রাজধানী ঢাকায় বেশি উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে সর্বমোট মৃত্যুর ১ হাজার ১৬৩ জনই ছিলেন ঢাকার বাসিন্দা, তবে এ বছর রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৩৯ জনের। গত বছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ১২৪ জনের, এ বছর মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। গত বছর খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ২০৬ জনের, এ বছর মারা গেছে ২৭ জন।  এছাড়া বরিশালে গত বছর ১২৫ জন এবং এ বছর ৫৬ জন, ময়মনসিংহে গত বছর ৬০ জন এবং এ বছর ১৩ জন, রাজশাহীতে গত বছর ১৬ জন এবং এ বছর ৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত  হয়ে মারা গেছেন। এ বছর সিলেটে ডেঙ্গুতে কোন মৃত্যু হয়নি। গত বছর সেখানে ১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। রংপুরে গত বছর ১০ জন মারা গিয়েছিল, এ বছর মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।

Read More »

খুব শিগগিরই মোংলা বন্দর শিপিং কেন্দ্রে পরিণত হবে- চেয়ারম্যান মংলা বন্দর কতৃপক্ষ

ডেস্ক রিপোর্ট / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : খুলনা, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা, মুনাফা ও সেবা বৃদ্ধির প্রত্যয় নিয়ে এর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ধুমধাম ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল সূর্যোদয়ের সময় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে দিবসটির উদ্বোধন করেন। এছাড়া খুলনার মোংলা বন্দর ভবন, প্রধান ফটক, জেটি, জাহাজ ও মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) কার্যালয় ভবন ও প্রধান ফটকে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। জেটিতে নোঙর করা সব দেশি-বিদেশি জাহাজ দুপুর ১২.০১ মিনিটে একযোগে বাঁশি বাজায়। এ উপলক্ষে এমপিএ চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমানের নেতৃত্বে একটি র‌্যালি এমপিএ প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে বন্দর এলাকার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণের পর জেটির প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত মোংলা বন্দর অনেক সংগ্রাম এবং বিপত্তির মধ্য দিয়ে গেছে উল্লেখ করে একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, এখন এটি দেশের অন্যতম ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর। চালনা বন্দও কর্তৃপক্ষের আইন অনুসারে, ১৯৮৭ সালে এর নাম চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং পরে এর নাম পরিবর্তন করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ করা হয়। আলোচনা সভায় এমপিএ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, খুব শিগগিরই মোংলা বন্দর শিপিং কেন্দ্রে পরিণত হবে। চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পুরোদমে চলছে উলে¬খ করে এমপিএ চেয়ারম্যান বলেন, বিদেশি জাহাজ নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য বন্দর চ্যানেলে ৬৯টি নেভিগেশন বয়া স্থাপন করা হয়েছে। মোট ৪৭টি জাহাজ জেটি, মুরিং, বয়া ও নোঙ্গরসহ বন্দরের ডকে  ভেড়ানোর সুবিধা ভোগ করছে। এছাড়া হিমায়িত খাবার সংরক্ষণের জন্য ১৬১টি রেফার প্লাগ পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং ১৩৬টি আধুনিক হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট এবং টাগবোটের মধ্যে ৩২টি হেল্পিং ভেসেল সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে। পরে প্রধান অতিথি ৩২ জন এমপিএ কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং ২৯টি বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের মধ্যে তাদের অসাধারণ পারফরমেন্সের জন্য সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে  ২ ডিসেম্বর, ২০২৩ থেকে ১ ডিসেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত  পিআরএল ছুটি সম্পন্ন করা এমপিএ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এমপিএ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কিবরিয়া হক, সদস্য কাজী আবেদ হোসেন, ড. এ কে এম আনিসুর রহমান, কালাচাঁদ সিংহ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালক মো. নুরুজ্জামান।

Read More »

জানুয়ারি মাসে শতভাগ প্রাথমিকে বই দিতে পারব- রংপুরে গণশিক্ষা উপদেষ্টা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: জানুয়ারিতে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা শতভাগ বই পাবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর পিটিআই-এ এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা জানুয়ারি মাসে শতভাগ প্রাথমিকে বই দিতে পারব। আগে যেমন উৎসব করে দিতাম এবার উৎসব না হলেও বই দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আমাদের অনেক বই ছাপানো হয়েছে। জানুয়ারি মাসে প্রাথমিকের সব বই দিয়ে দেব। তিনি বলেন, প্রাথমিকে খুব পরিবর্তন করার মতো কিছু করার ছিল না। ফলে আমরা তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বইয়ের সিলেবাসে কিছুটা পরিবর্তন এনেছি। আমাদের পাঠ্যপুস্তকগুলোতে ছাত্র-জনতার যে অভ্যুত্থান ঘটে গেল তার প্রতিফলন থাকবে গল্পের আকারে, বিভিন্ন ছবির আকারে থাকবে। ঝুলে থাকা এনআইডি আবেদন ১৪ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির আল্টিমেটাম ইসির তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে সমাজে বিভিন্ন মনোভাব প্রচলিত আছে। অনেকে মনে করেন, বাচ্চাদের সব কিছু শিখিয়ে ফেলতে পারে কিন্তু আমরা তা মনে করি না। প্রত্যেকে মনে করে প্রাথমিক শিক্ষার মান হচ্ছে সাক্ষর করে গড়ে তোলা। আসলে সাক্ষর মানে তার নিজভাষায় বইয়ের লেখা পড়তে পারা। আমাদের মূল টার্গেট কিভাবে বাচ্চাদের আরও শিক্ষা দিতে পারি। যেন পঞ্চম শ্রেণির বাচ্চা তার মাতৃভাষা শিখতে পারে। এবং যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগ এসব করতে পারে। আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রাইমারি ভৌত অবকাঠামোর অনেকটা উন্নত হয়েছে উল্লেখ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষকদের ইন জেনারেলের মান অনেক বেড়েছে। যদিও প্রাইমারি স্কুলগুলো জাতীয়করণ করা হয় ২০১৩ সালে, সে ক্ষেত্রে শিক্ষকরা আগে নিয়োগ পেয়েছে। কিন্তু তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সরকারি স্কুলে। সেক্ষেত্রে মানের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে। আমাদের নিজস্ব ট্রেনিং চালু আছে, ফলে একজন শিক্ষকের সম্ভাবনা থাকে তাহলে নিজেকে ট্রেইন করে নিয়ে পারফরমেন্স ভালো করার সুযোগ রয়েছে।’

Read More »

রংপুরে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: উগ্র সন্ত্রাসী ও জঙ্গী সংগঠন ইসকন কর্তৃক মসজিদ ও আদালতের স্থাপনা ভাঙচুর ও ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ এবং আদালতস্রাঙ্গণে শহীদ এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার বিচার ও দেশবিরোধী উগ্র সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবিতে রংপুরে হেফাজতে ইসলাম রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর নগরীর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে শুরু হয়ে পায়রাচত্বর, জাহাজ কোম্পানী মোড় ও প্রেসক্লাব ঘুরে কাচারি বাজারস্থ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। সেখানে ‘উগ্রবাদী জঙ্গী সংগঠন ইসকন নিষিদ্ধের দাবি’ জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে আবার একই জায়গায় এসে মিছিলটি শেষ হয়। এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মুহাম্মাদ ইউনুছ ও রংপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক হাফেজ ইদ্রীস আলীসহ জাতীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের পরাজিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ ভারতের মাধ্যমে হিন্দুদের একটি অংশকে ব্যবহার করে এদেশে শান্তি বিনষ্টের ঘৃণ্য অপচেষ্টা করছে। ভারতের প্রত্যক্ষ মদদেই ইসকন বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা বলেন, বাংলাদেশে ইসকনের ইতিহাসের পুরোটাই মারামারি, হানাহানি এবং উগ্রতায় ভরপুর। বিভিন্নভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় ভূমি দখল, মন্দির দখল ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা অহরহই ঘটিয়ে চলেছে তারা। সমাবেশে বলা হয়, দেশের সকল শ্রেণীর মানুষের পাশাপাশি সরকার ও বিভিন্ন সংস্থাগুলো যখন জানাচ্ছে যে, বর্তমানে হিন্দুরা পূর্বের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি নিরাপত্তায় রয়েছে, তখন ভারতের ইশারায় ইসকন মিথ্যা তথ্য ও গুজব রটিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর ষড়যন্ত্র করছে। বক্তারা বলেন, আমরা মনে করি, ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে ইসকনের মাধ্যমে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে চট্টগ্রামের আদালত পাড়ায় মুসলমানদের পবিত্রতম স্থান মসজিদ ভাংচুর করে সংখ্যাগরিষ্ট নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। পূর্বপরিকল্পিত ছক অনুযায়ীই আদালতপ্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও জবাই করে শহীদ করেছে ইসকন সদস্যরা। দাবি জানিয়ে তারা বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের জোরালো দাবি, এমন ভয়াবহ অবস্থায় অনতিবিলম্বে ইসকনের সকল কার্যক্রম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে, চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং মসজিদ ভাঙচুরের ঘটনায় দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সমাবেশে হেফাজত নেতারা বলেন, বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসনকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সরকার যদি ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে গরিমসি করে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ ভয়, তাহলে আগামীতে ধারাবাহিক আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন হেফাজত নেতৃবৃন্দ।

Read More »

রংপুরে সমবায় ব্যাংক মার্কেটে মেসার্স কাইয়ুম ফ্রেন্ডশীফ শোরুম উদ্বোধন

জালাল উদ্দিন/য্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে সমবায় ব্যাংক মার্কেটে মেসার্স কাইয়ুম ফ্রেন্ডশীফ শোরুম উদ্বোধন ও দোয়ামাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১লা ডিসেম্বর) রবিবার বাদ আছর রংপুর প্রেসক্লাব সংলগ্ন সমবায় ব্যাংক মার্কেটের নিচ তলায় মেসার্স কাইয়ুম ফ্রেন্ডশীফ (চায়না বাংলা সুজ) শোরুম উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সিআইপি মোঃ আলোমগীর হোসেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম মিজু, মেসার্স কাইয়ুম ফ্রেন্ডশীফ এর প্রোপাইটর মোঃ আব্দুল কাইয়ুম জাদু মিয়া, সমবায় ব্যাংক মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির আহবায়ক মোঃ মোশারফ হোসেন, সদস্য সচিব মিজানুর তালুকদার সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ শোয়েব।

Read More »