সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 7, 2026

লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের উদ্যোগে বেলবাড়ী এতিমখানায় শিক্ষার্থীদের জায়নামাজ ও খাবার বিতরণ

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫ এ২ বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘অক্টোবর সেবা পক্ষ-২০২৬’ উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের আয়োজনে রংপুরের পাগলাপীর দেবীপুর বেলবাড়ী কেরামতিয়া হাফিজিয়া এতিমখানায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জায়নামাজ, গাছের চারা ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এলাকার অসচ্ছল মানুষের জন্য বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা সেবার আয়োজন করা হয়। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাদ জোহর বেলবাড়ী কেরামতিয়া হাফিজিয়া এতিমখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে জায়নামাজ ও গাছের চারা বিতরণ করেন রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা অফিসার মোছা. নুসরাত ফাতেমা। লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের প্রেসিডেন্ট লায়ন মঞ্জিল মুরাদ লাভলু, এমজেএফ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কনভেনশন কো-চেয়ারম্যান, রিজিওনাল চেয়ারপার্সন হেডকোয়ার্টার ও লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান লায়ন মো. এনামুল হক সোহেল, এমজেএফ; অক্টোবর সেবা পক্ষ-২০২৬-এর চেয়ারম্যান ও নর্থ বেঙ্গল কো-অর্ডিনেটর একেএম বানিউল আদম বাবু, এমজেএফ; লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আহসানুল হাবিব মিলন, এমজেএফ; ট্রেজারার উম্মে হাবিবা মাহফুজা স্মৃতি; আইপিপি লায়ন নাসরিন হক ববি, এমজেএফ; ক্লাব পরিচালক মাহামুদ এলাহী বিপ্লব, মোছা. জেবুন্নেছা জেবিন, লায়ন শরিফুল ইসলাম বাবু, এমজেএফ, মো. নুরুজ্জামান, মো. আরমান ও মো. রোজাফ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লায়ন লেলিন, লায়ন টিটু, লায়ন জেসমিন আক্তার, লায়ন নুরজাহান ইসলাম রুনি, জলঢাকা লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি মোছা. সুমাইয়া সার্থক, বেলবাড়ী কেরামতিয়া হাফিজিয়া এতিমখানা কমিটির সেক্রেটারি সাহাজল ইসলাম বাবলুসহ লিও সদস্যরা। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণের পাশাপাশি এলাকার অসচ্ছল মানুষের জন্য বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়। এ সেবা প্রদান করেন চিকিৎসক ডা. মাসুদা। লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ‘অক্টোবর সেবা পক্ষ-২০২৬’-এর বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Read More »

একনেক রামপাল সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

ঢাকা, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) রামপাল সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত ও একটি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে সাতটি প্রকল্প। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন; রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর উন্নয়ন; রংপুর সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্বাসন; এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনে সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ। একনেক সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃজন, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধনীও অনুমোদন করা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও আটটি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পটি তৃতীয় সংশোধনীতে অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণের একটি রেল প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে। ফ্রান্সের প্যারিসে ক্রয় করা চ্যান্সারি ভবনটি ব্যবহারোপযোগী করতে সংস্কার ও আধুনিকায়নের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পও একনেক সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। এর একটি হলো ভজনপুর (নিজবাড়ী)-আটোরখাড়ি-ময়নাগুড়ি-আমতলী-মিরগড়-পঞ্চগড় (জেড-৫০৬০) সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণ এবং অন্যটি থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী। এদিকে ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত একটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় জয়পুরহাট জেলার নন্দাহার ও হারাবতী নদী এবং নুনগোলা ও খাড়োয়া খাল পুনঃখনন করা হবে।

Read More »

বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি রংপুর জেলা শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর. সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষে বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি রংপুর জেলা শাখার আয়োজনে জরুরী মতবিনিময় সাভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার রাতে নগরীর কাচারী বাজার সংলগ্ন সমিতির কার্যালয়ে জরুরী মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি রংপুর জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হক মুন্নার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহীম হক ব্যাপারীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি রংপুর জেলা শাখার সহ সভাপতি আলহাজ্ব তানবীর হোসেন আশরাফী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম বানিউল আদম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরন্নবী লাকু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হোটেল মালিক শহিদ আখতার সোহেল, মোঃ আব্দুল কাভিইউ পাপ্পু, মোঃ মামুন, মোঃ আঙ্গুর , মোঃ মামুন, মোঃ মাসুদার রহমান, মোঃ মাসুম মিয়া, মোঃ হাফিজুল ইসলাম, মোঃ আসলাম, মোঃ মশিউর রহমান, মোঃ বাবলু, মোঃ খালেক, মোঃ হাসান মাহামুদ, মোঃ মাসুম, মোঃ দেলোয়ার, প্রমুখ। মতবিনিময় সভার আগে সংগঠনের সদস্য নুর হোটেলের প্রোপাইটর মোঃ বাবু’র মৃত্যুতে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১মিনিট নিরবতা পালন ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

Read More »

ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৭ অক্টোবর ২০২৬ খৃ. – রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের (ডিসিএইচ ট্রাস্ট) একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় রাষ্ট্রপতি ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের (ডিসিএইচ ট্রাস্ট) সেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসেবায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরো বাড়ানোর আহ্বান জানান । আজ বুধবার বঙ্গভবনে ট্রাস্টের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. মাহমুদর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ট্রাস্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তিনি নিজেও অনেক দরিদ্র রোগীকে ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানটি তাদের চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা করেছে। প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করা হলে রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় প্রতিনিধিদল আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিতব্য ‘Disaster Preparedness and Resilient Bangladesh: Leading the Future’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির আমন্ত্রণপত্র তাঁর হাতে তুলে দেন। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেন। প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের প্রকল্প ও গবেষণা পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা, পরিচালক প্রফেসর ডা. ওমর শরীফ ইবনে হাসান ও জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক ওয়াকার হোসেন তপন। এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও জনবিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন। সুত্র. বাসস

Read More »

গঠনমূলক সমালোচনা, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

বঙ্গভবন- মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৭ অক্টোবর) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এইচএসটিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে ব্যাহত করে।’ বৈঠকে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতিকে জানান। শিক্ষক পদে শূন্য পদ পূরণ, ছাত্রীদের আবাসন সংকট নিরসনসহ অন্যান্য বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য। এ সময় রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধিদলকে এসব সমস্যা সমাধানে তার সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে দেশের তুলনামূলকভাবে কম উন্নত উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি শিক্ষার মান বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতিকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। সুত্র. বাসস

Read More »

সরকারের ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ

ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ খৃ. – দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার যে ২০টি উদ্যোগ নিয়েছিল, তার মধ্যে সাতটির বাস্তবায়ন হয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল, চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম, সমন্বিত বিনিয়োগসেবা এবং বিদেশি বিনিয়োগে নতুন প্রণোদনা। একইসাথে বিভিন্ন দেশ ও খাত থেকে সম্ভাব্য ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের একটি পাইপলাইনও তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এখন সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ চলতি বছরের ১৬ মার্চ এই ২০টি উদ্যোগের ঘোষণা দেয়। লক্ষ্য ছিল বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা, বিনিয়োগকারীদের সেবা সহজ করা এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথ তৈরি করা। ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সেসময় বলেছিলেন, ‘বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের যে লক্ষ্য, এই পরিকল্পনা তারই অংশ। আমরা বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে অবকাঠামো, সেবার মান এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের পাইপলাইন তৈরিতে গুরুত্ব দিয়েছি। কিছু পরিবর্তন ইতিমধ্যে এসেছে। তবে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে।’ ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) নাহিয়ান রহমান রোচি বাসসকে বলেন, ২০টি উদ্যোগকে তিনটি বড় স্তম্ভের অধীনে নেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- শক্তিশালী অবকাঠামো, বিনিয়োগে সহায়তা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন। অবকাঠামোর ক্ষেত্রে বড় প্রকল্প: বাস্তবায়িত উদ্যোগগুলোর অন্যতম ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এটি চালু হলে ৭০০’র বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা প্রায় ৪৪ শতাংশ বাড়বে। চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এই শিল্পাঞ্চলে এক লাখের বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হতে পারে। প্রকল্পটির বিনিয়োগ পাইপলাইনের পরিমাণ প্রায় ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সক্রিয় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগও বাস্তবায়িত হয়েছে। এখন কাস্টমস ছাড়পত্র ও ব্যাংকিং সেবাও সার্বক্ষণিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং ব্যবসায়ীদের বিলম্বজনিত সমস্যা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক ছাতার নিচে বিনিয়োগসেবা: বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা আরও সহজ করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নতুন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ সহায়তা, জমি, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের সুযোগ সম্পর্কে সমন্বিত সেবা পাওয়ার কথা। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) সম্পন্ন হওয়াও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা থাকবে। এর ফলে উৎপাদন, অবকাঠামো, ইলেকট্রনিকস এবং উচ্চমূল্য সংযোজনকারী শিল্পে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী-ব্যবসায়ী সংলাপে ৭৫ শতাংশ অগ্রগতি: বিনিয়োগকারীদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে প্রধানমন্ত্রী ও ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের ব্যবস্থাও চালু হয়েছে। প্রথম দুই দফা সংলাপে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা ২৮টি সমস্যা তুলে ধরেন। এর মধ্যে ২১টি বিষয়ে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ উত্থাপিত সমস্যার প্রায় ৭৫ শতাংশের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আনতে সপ্তম উদ্যোগ হিসেবে এফডিআই প্রণোদনা কর্মসূচিও অনুমোদন করা হয়েছে। এর আওতায় বিদেশি বিনিয়োগ দেশে আনতে সক্ষম যোগ্য ব্যক্তিকে দেশে আনা বিদেশি বিনিয়োগের ইক্যুইটির ১ দশমিক ২৫ শতাংশ সমপরিমাণ প্রণোদনা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুমোদিত হয়েছে। এখন একটি পৃথক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ চলছে। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে কর্মসূচিটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। বাকি ১৩ উদ্যোগও এগোচ্ছে: ইনভেস্ট বাংলাদেশের ২০ উদ্যোগের বাকি ১৩টিও বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, প্রথম সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ), বাংলাবিজ বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ, চীনের গুয়াংজুতে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যালয় স্থাপন এবং দেশব্যাপী শিল্প খাতের ম্যাপিং। চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) কাঠামোর আওতায় পরিচালনার জন্য আগামীকাল বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে একটি কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বন্দর ও লজিস্টিকস অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ড এই কনসেশন ব্যবস্থায় যুক্ত থাকবে। চুক্তিটি বাংলাদেশের বন্দর ও লজিস্টিকস অবকাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালন সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পিপিপি কাঠামোর আওতায় এনসিটির পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক মানের পরিচালন পদ্ধতি যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করবে। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার হওয়ায় এর সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ানো আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এনসিটি পরিচালনায় নতুন এ ব্যবস্থার ফলে ভবিষ্যতে দেশের বন্দর ও লজিস্টিকস খাতে আরও বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি হতে পারে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। এটি চালু হলে বিমানবন্দরের বার্ষিক কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ২ লাখ টন থেকে বেড়ে ৫ লাখ টনে দাঁড়াবে। অর্থাৎ সক্ষমতা বাড়বে ১৫০ শতাংশ। এ টার্মিনাল থেকে ৬ হাজারের বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানও হবে। ১৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগের পাইপলাইন: নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও অগ্রগতি হচ্ছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি করেছে। এর মধ্যে ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ ইতিমধ্যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। দেশভিত্তিক সম্ভাব্য বিনিয়োগের মধ্যে চীন থেকে ৬০ কোটি ডলার, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০ কোটি ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ কোটি ডলার এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০ কোটি ডলার আসতে পারে। খাতভিত্তিক হিসাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রায় ৩০ কোটি ডলার করে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে রয়েছে ২০ কোটি ডলার করে বিনিয়োগের সম্ভাবনা। নতুন বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত করতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ এফডিআই হিটম্যাপও তৈরি করেছে। এতে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উন্নতমানের বস্ত্র, ওষুধশিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে অটোমোটিভ যন্ত্রাংশ, হালকা প্রকৌশল, জুতা এবং চামড়াজাত পণ্যকে দ্রুত বিনিয়োগ প্রবেশের উপযোগী খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুত সেবা পেতে নতুন প্যাকেজ: বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা আরও দ্রুত করতে বাংলাবিজের আওতায় তিন দিনের ‘বিজনেস স্টার্টার প্যাকেজ’ চালুর কাজ চলছে। পাশাপাশি ১৪ দিনের ‘বিজনেস রেডিনেস প্যাকেজ’ তৈরি করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিনিয়োগের শুরু থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করার লক্ষ্য রয়েছে। নাহিয়ান রহমান রোচি জানান, পাঁচটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের অধীনে ১০ হাজার একরের বেশি শিল্প জমিতে ৪৪টি বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে একটি পোর্টফোলিও তৈরির কাজও চলছে। একই সঙ্গে চীনে বিনিয়োগ প্রচার ও যোগাযোগ বাড়াতে গুয়াংজুতে ইনভেস্ট বাংলাদেশের একটি কার্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের কয়েকটি বড় সমস্যা হচ্ছে অবকাঠামোর ঘাটতি, বিচ্ছিন্ন সেবা, অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা এবং

Read More »