সর্বশেষ
সর্বশেষ

Month: September 2026

আগামী ৫০ বছরের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) ‘দ্য ফার্স্ট ওপেন হার্ট সার্জারি ডে’ ও ‘কার্ডিওভাস্কুলার সার্জিক্যাল কনফারেন্স অব এনআইসিভিডি-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্ত মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে হবে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) ‘দ্য ফার্স্ট ওপেন হার্ট সার্জারি ডে’ ও ‘কার্ডিওভাস্কুলার সার্জিক্যাল কনফারেন্স অব এনআইসিভিডি-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। দেশে হৃদরোগ চিকিৎসার আধুনিকায়নে যেসকল প্রথিতযশা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ নিরন্তর শ্রম দিয়েছেন, অনুষ্ঠানে তাদের অবদানকে মন্ত্রী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রারম্ভিক পর্যায়ে দক্ষ সার্জন গড়ে তুলতে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করায় বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র জাপানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, আমরা কেউ চিরদিন থাকব না, এ দেশ থাকবে এবং এ দেশের মানুষ থাকবে; তাই আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে প্রদান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তবে একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সামগ্রিক আর্থিক সঙ্গতির বিষয়টিকেও বাস্তবসম্মতভাবে বিবেচনায় রাখতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে হৃদরোগ ও জন্মগত হৃদরোগের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ রোগ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা না গেলে ভবিষ্যতে উৎপাদনশীল কর্মক্ষম জনসংখ্যার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। হৃদরোগ চিকিৎসার ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সরকার ইতোমধ্যে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাল্ব এবং স্টেন্ট (রিং)-এর ওপর ট্যাক্স মওকুফ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা সম্প্রসারিত হওয়ায় বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশেই কমে এসেছে। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এবং জনকল্যাণে বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারের পাশাপাশি এ সকল মানবিক কাজে সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে হৃদরোগের সব ধরনের উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে। বিগত সময়ের অনিয়ম কাটিয়ে বর্তমান সরকার জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার অংশ হিসেবে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। আলোচনার পূর্বে মন্ত্রী একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছ রোপণ করেন। উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালে ডা. জন হেইশাম গিবনের হাত ধরে বিশ্বে ওপেন হার্ট সার্জারির সূচনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার এনআইসিভিডিতে কার্ডিও-পালমোনারি বাইপাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়। ঐতিহাসিক এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিবছর দেশে ১৮ সেপ্টেম্বর ‘দ্য ফার্স্ট ওপেন হার্ট সার্জারি ডে’ হিসেবে উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক, বিশিষ্ট কার্ডিয়াক সার্জন, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। Ref. UNB

Read More »

গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ : আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ – আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক রচিত ‘জামায়াতে-ইসলামী : ইটস হিস্ট্রি এন্ড পলিটিক্স’- শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি আজ এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে কোনো ব্যক্তি বা দলের সব বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া জরুরি নয়। একইভাবে কোনো সমালোচনা পছন্দ না হলেই তা প্রত্যাখ্যান করাও সঠিক নয়। অন্যের মত ও সমালোচনা গ্রহণ করার মানসিকতা গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের বইটি তার কাছে শুধু সাহিত্য বা গবেষণাধর্মী গ্রন্থ নয় উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, এটি একজন মানুষের জীবনদর্শন, চিন্তা, চেতনা এবং একটি সমাজকে দেখার অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। বইটিতে আবদুর রাজ্জাকের চিন্তা ও দর্শনের প্রতিফলন ঘটেছে। বইটির আলোচনায় উঠে আসা ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওপর থেকে কোনো ইসলামিক শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া নয়; বরং সমাজ থেকে ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করাই ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সঠিক পথ। নতুন প্রজন্মের প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সামনে এগিয়ে যেতে হলে সমাজকে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান একটি প্রজন্মের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে এনেছে। আবদুর রাজ্জাকের বইয়েও পরিবর্তন ও রাজনৈতিক চিন্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে। বইটিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সে সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আবদুর রাজ্জাকের মূল্যায়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তার অবস্থান এবং জাতির কাছে দেওয়া বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তার সেই অবস্থান আরও আগে স্পষ্টভাবে সামনে এলে এ বিষয়ে অনেক প্রশ্নের অবসান হতে পারত বলে তিনি উল্লেখ করেন। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের সাংগঠনিক ভূমিকা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করলেও তার কর্ম, চিন্তা, দর্শন ও আদর্শের কারণে তিনি নিজস্ব একটি অবস্থান তৈরি করেছিলেন। সমাজ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে তার প্রতি যে শ্রদ্ধা ছিল, তা তাঁর সাংগঠনিক পদমর্যাদার চেয়েও বড় ছিল। আবদুর রাজ্জাক মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালানোর জন্য উৎসাহিত করতেন উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরে মানবাধিকারের বিষয়কে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলার একটি মাধ্যম হিসেবে তিনি বিবেচনা করেছিলেন। আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত স্মৃতিচারণ করে আইনমন্ত্রী বলেন, লন্ডনে গেলে কখনো তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চা পান করেছেন, কখনো টেলিফোনে কথা বলেছেন। জীবনের শেষ দিকে হাসপাতালে থাকা অবস্থায় আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশের মাটিতে দাফন হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তার সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। অনুষ্ঠানে বইটির গুরুত্ব তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের এই বই পাঠ করা উচিত। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক রচিত বইটি প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্স অ্যান্ড গভর্নমেন্টের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রিয়াজ, ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক রাইট টু ফ্রিডম-এর প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন ড্যানিলোভিচ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী এবং দ্য ডেইলি স্টার-এর কনসালটিং এডিটর ও বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গঠিত মিডিয়া রিফর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ। Ref. BSS

Read More »

১১ দলীয় ঐক্যের ৭ দফার পাশাপাশি নতুন দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ঢাকা থেকে রংপুরমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধসহ সাত দফার পাশাপাশি এবার যোগ হয়েছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি। তিন হাজারেরও বেশি গাড়িবহরে সজ্জিত লংমার্চে পথিমধ্যে পাঁচ জেলায় হবে সমাবেশ। এরই মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জেলা ও মহানগর জামায়াত অফিসে লংমার্চের সবশেষ প্রস্তুতি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ। এতে বক্তব্য রাখেন সমাবেশের সভাপতি রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির উপদেষ্টা ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, রংপুর-দিনাজপুর সহকারী অঞ্চল পরিচালক মমতাজ উদ্দিন, রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল, মহানগর জামায়াত আমির এ টি এম আজম খান, মহানগর সেক্রেটারি আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি এনামুল হক প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে এ টি এম আজহার বলেন, ‘জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের বরণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। সাত দফা দাবির পাশাপাশি রংপুরের মানুষের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে রংপুর পার্টে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত করা হয়েছে। এটা হচ্ছে এই অঞ্চলের মানুষের বাঁচা-মরার দাবি। এই দাবি বাস্তবায়ন করেই ঘরে ফিরবে ১১ দল।’ তিনি বলেন, ‘অন্য দাবিগুলো হলো— গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সংস্কার কাউন্সিল গঠন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জ্বালানি ও সার সঙ্কট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, দলীয়করণ বন্ধ করা, দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা।’ তিনি আরো বলেন, ‘চট্রগ্রামের লংমার্চে আমাদের টার্গেট ছিল এক হাজার গাড়ি, কিন্তু হয়েছে দেড় হাজারেও বেশি। রংপুরের লংমার্চ নিয়ে আমরা বিপুল সাড়া পাচ্ছি। গাড়ি তালিকাভুক্ত শুরু হয়েছে। আশা করছি, তিন হাজারেরও বেশি গাড়ি বহরে যুক্ত থাকবে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গাড়ি তালিকাভুক্ত করেছেন, এখনো করছেন।’ মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান বলেন, ‘শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হবে। সেখানে উদ্বোধনী সভা চলবে সকাল ৮টা পর্যন্ত। এরপর যাত্রা করে গাজীপুরের ভোগরাপাড়া, টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ, সিরাজগঞ্জ চৌরাস্তা, বগুড়ার চারমাথা ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৫টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ হবে।’ রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল বলেন, ‘লংমার্চের গাড়িবহর ছাড়াও বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন। আশা করছি, পাঁচ লাখের বেশি লোকের সমাগম হবে।’  এদিকে এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে রংপুর জিলা স্কুল মাঠ। পুরো নগরীজুড়ে টানানো হয়েছে ৩০০ মাইক। ৩৫টি স্থানে দেয়া হয়েছে এলইডি স্কিন। ৩০টি স্থানে লংমার্চের সাথে থাকা গাড়ি রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। লংমার্চ ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে মহানগর পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের স্বেচ্ছাসেবকরা মাঠে কাজ করবে। সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন উপস্থিত থাকবেন। 

Read More »

রংপুরে গুপ্তপাড়া ওয়াকফ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আবু তাহেরকে বিদায়ী সংবর্ধনা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর নগরীর গুপ্তপাড়া ওয়াকফ জামে মসজিদের দীর্ঘদিনের মুয়াজ্জিন মো. আবু তাহেরকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছেন এলাকাবাসী ও মসজিদের মুসল্লিরা।শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জুমার নামাজের পর গুপ্তপাড়া ওয়াকফ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এ বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে সুমধুর কণ্ঠে আজান দিয়ে মুসল্লিদের আল্লাহর ঘরের দিকে আহ্বান জানিয়ে আসেন মুয়াজ্জিন আবু তাহের। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর তাকে ঘোড়ার গাড়িতে করে গুপ্তপাড়া এলাকা ঘুরিয়ে বিদায় জানান মুসল্লি ও এলাকাবাসী। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুপ্তপাড়া ওয়াকফ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. রবিউল ইসলাম, আয়োজনের প্রধান আমিন মিয়া, আয়োজক ও এলাকাবাসীর পক্ষে মোহাম্মদ মশিউর রহমান প্রিন্স, খোরশেদ, রিমুন, রাশেদ, লিপু, বিদ্যুৎ, হাসান, ফিলিপস, স্বাধীন, জাবেদ, রোমিও, রকিব, বিপ্লবসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লিরা।এদিকে, দীর্ঘদিনের এই মুয়াজ্জিন অসুস্থ থাকায় তার চিকিৎসা ও সহযোগিতার জন্য এলাকাবাসীর উদ্যোগে অনুদান সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে মো. আবু তাহেরের হাতে তুলে দেওয়া হয়।এ সময় এলাকাবাসী তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং দীর্ঘদিনের সেবার জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Read More »

স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের আস্থা বেড়েছে, বাড়ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ-রংপুরে রাশেদ খান

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর (রাজনৈতিক) উপদেষ্টা রাশেদ খান রাশেদ খাঁন বলেছেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আগের তুলনায় বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সরকারি হাসপাতালগুলোতে। ফলে এসব হাসপাতালে রোগীর উপস্থিতি ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণের চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।রাশেদ খাঁন বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বর্তমান সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এসব খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং চিকিৎসাসেবার পরিধি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে। মানুষ এখন সরকারি হাসপাতালেই তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসাসেবা নিতে আগ্রহী হচ্ছেন।তিনি বলেন, অতীতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর কারণে দেশের অনেক মানুষ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বর্তমানে সেই পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকার স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।রাশেদ খাঁন আরও বলেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসার ব্যয় অনেক মানুষের সাধ্যের বাইরে। তাই সাধারণ মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসাস্থল সরকারি হাসপাতালগুলোকে আরও আধুনিক, সক্ষম ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে দেশের মানুষ কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।তিনি বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আরও উন্নত পর্যায়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে রংপুর বিভাগের মানুষ যাতে নিজ অঞ্চলেই প্রয়োজনীয় ও উন্নত চিকিৎসাসেবা পান, সে লক্ষ্যেও কাজ করা হবে।পরিদর্শনকালে রাশেদ খাঁন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। তিনি চিকিৎসা কার্যক্রম, রোগীদের সেবার মান, হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ এবং বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান, বিএনপি নেতা লিটন পারভেজ, বাদল হোসেন, রাজীব চৌধুরী, রাকিব, জুনায়েদ চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।রাশেদ খাঁন বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের হয়রানি বন্ধ, চিকিৎসাসেবার পরিবেশ উন্নত করা এবং হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করতে হবে। এজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

Read More »

রংপুরে ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: সরকার ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রংপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। কর্মসূচি থেকে রংপুর মহানগরীর ছয়টি থানা এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংসে স্প্রেকরণ ও পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাবে সংগঠনের নেতা-কর্মীকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর পার্কের মোড় এলাকা থেকে এই কার্যক্রমের শুরু করা হয়। জাতীয়তাবাদী যুবদল রংপুর মহানগর কমিটির উদ্যোগে এবং তাজহাট থানা যুবদল এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এসময় মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক নুরুন্নবী চৌধুরী মিলন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন, সদস্য সচিব আতিকুল ইসলাম লেলিনসহ মহানগর, তাজহাট থানা ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী দিনে ডেঙ্গু মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করতে ড্রেনে ফগার মেশিনের মাধ্যমে স্প্রে করার পাশাপাশি ফুটপাতে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিস্কার, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে সর্বস্তরের মানুষকে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। যুবদল নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সরকারি ও দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রংপুর মহানগর যুবদল পাড়া মহল্লায় এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। যাতে করে সকলের সমন্বিত অংশগ্রহণ এবং প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গু মশার বিস্তার ও রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ করা পরিছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব হয়।এদিকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে হারাগাছ থানা যুবদল ও একই দিন বিকেলে পরশুরাম থানা যুবদল এই কর্মসূচি কর্মসূচি পালন করবে। এছাড়া ২০ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে কোতোয়ালি থানা যুবদল এবং বিকেলে হাজীরহাট থানা যুবদল একই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। রংপুর মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও জরুরি। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুললেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। আমরা সচেতনতার বার্তা ছড়ানোসহ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

Read More »

বাজুস রংপুর জেলা শাখার নতুন প্রশাসকের সঙ্গে নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রংপুর জেলা শাখায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাজুস কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খানের নির্দেশক্রমে ইকবাল উদ্দিন মজুমদারকে রংপুর জেলা শাখার নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রংপুর নগরীর দেওয়ানবাড়ি রোডস্থ বাজুস কার্যালয়ে নতুন প্রশাসক ইকবাল উদ্দিন মজুমদারের সঙ্গে জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের পরিচিতি সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনী বিভিন্ন নীতিমালা ও কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাজুস রংপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি, রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি ও বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিস্ট্রিক্ট মনিটরিংয়ের সদস্য মো. এনামুল হক সোহেল। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাজুস রংপুর জেলা শাখার সদস্য আলহাজ্ব মো. আবু জাফর লিটন, মো. আলমগীর হোসেন বাদশা, আলহাজ্ব আব্দুল হালিম বুলু, মো. সাঈদ আলী, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু, মো. রবিউল আলম রবি, মো. আরেফুল হক লাইজু, সুমন বসাক, মো. শাহীন, মো. নুর ইসলাম বাবু, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. শাহীন উদ্দিন বকসী, মো. মশিয়ার রহমান, মো. আবু হান্নান ও শ্রী বিশ্বজিত চক্রবর্তী।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাজুস রংপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা আবু নূর মো. আহসান হামিদ, শ্রী রবীন্দ্র প্রসাদ বাবলু, আলহাজ্ব মো. শফিকুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান জুয়েল, মো. মোশারফ হোসেন মঞ্জু, শ্রী মানিক চন্দ্র রায়, মো. মোখলেছার রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় সভায় নতুন প্রশাসক ইকবাল উদ্দিন মজুমদার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় বাজুসের নেতৃবৃন্দও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।আলোচনা শেষে বাজুস রংপুর জেলা শাখার নতুন প্রশাসক ইকবাল উদ্দিন মজুমদারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

Read More »

প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে – খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

ঢাকা, ২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) 2026 – নতুন করে শিল্পকারখানায় সরাসরি বিনিয়োগ করে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পথে যাচ্ছে না সরকার। শিল্প পরিচালনা ও বিনিয়োগে বেসরকারি খাতকে আরো সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা হবে। প্রয়োজন ও যৌক্তিকতার ভিত্তিতে সরকার অংশীদার বা শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্তির জন্য বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের চলমান, অননুমোদিত ও নতুন প্রস্তাবিত প্রকল্প পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী একথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ ব্যয় করাই মূল উদ্দেশ্য হতে পারে না। প্রতিটি প্রকল্প অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা ও জনগণের কল্যাণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছে, তা বিবেচনায় নিতে হবে। প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে কেবল বরাদ্দ ও ব্যয়ের পরিমাণ নয়, প্রত্যাশিত ফলাফল, বাস্তবায়নযোগ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মূল্যায়ন করতে হবে। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের সুফল যেন জনগণের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়, ব্যয় ও গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা হয়। সরকারি শিল্পকারখানার উৎপাদন সক্ষমতা, পুরোনো কারখানার সংস্কার, বেসরকারি অংশীদারত্বের সুযোগ এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। পরে বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম বলেন, দেশের বস্ত্র ও পাট খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বাজার সম্প্রসারণে মনোযোগ দিতে হবে। ঐতিহ্যবাহী শিল্পের স্বকীয়তা ধরে রেখে আধুনিক শিল্প ব্যবস্থার সঙ্গে এর সমন্বয় ঘটাতে হবে। সভায় তাঁতশিল্পের উন্নয়ন ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের তাঁতশিল্প অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ খাতের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও তাঁতিদের টিকিয়ে রাখতে সহজ শর্তে অর্থায়ন, বাজার সম্প্রসারণ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। তাঁতিদের স্বল্প সুদে ঋণ সহায়তা দিয়ে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী পণ্যের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। টাঙ্গাইল শাড়ি ও মসলিনের সম্ভাবনা বাড়াতে প্রকল্প গ্রহণ নিয়ে সভায় বিশেষভাবে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ির দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। মসলিনের সংরক্ষণ, গবেষণা, উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণেও বিশেষ গুরুত্ব প্রয়োজন। বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও প্রকল্প পরিচালকরা।

Read More »

হাটহাজারীতে আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম হাটহাজারী / চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণকালে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিএমএইচে গিয়ে চিকিৎসাধীন আহত সেনা কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আহত সেনা কর্মকর্তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আহত সেনা কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সাহস ও সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী। গেল বুধবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিকভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত এবং একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। পরে আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনায় নিহত দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। Ref. UNB

Read More »

আইনি কাঠামোর বাইরে পদক্ষেপ বা ক্রসফায়ারের সুযোগ নেই : আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আইনের কাঠামোর বাইরে কোনো পদক্ষেপ বা ‘ক্রসফায়ার’-এর সুযোগ নেই। গতসোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। খুলনা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে খুলনা জেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইনের কাঠামোর বাইরে কোনো পদক্ষেপ বা ক্রসফায়ারের সুযোগ নেই। সন্ত্রাস দমনের জন্য ক্রসফায়ারের কোনো প্রয়োজন নেই এবং প্রচলিত আইনই এর জন্য যথেষ্ট।’ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে এবং বিচারপ্রার্থী জনগণ যেন দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা পান, সেদিকে প্রশাসনকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’ সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা খুলনা জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত বর্তমান চিত্র মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ ও সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল, আমির এজাজ খান, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী, খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি। খুলনা বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ৯টায় খুলনা জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার সব পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আইনমন্ত্রী। এ সময় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করে আদালতে মামলা জট কমানোর জন্য বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সভায় জেলা ও দায়রা জজ চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজীসহ অন্য বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন। Ref. UNB

Read More »