সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: December 19, 2022

পর্যায়ক্রমে সকল অবৈধ দখল উদ্ধার করা হবে : মেয়র আতিক

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম : ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২ : নিজ উদ্যোগে অবৈধ দখল ছেড়ে দেয়ার আহবান জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, পর্যায়ক্রমে সকল অবৈধ দখল উদ্ধার করা হবে। তিনি বলেন, ‘যারা মাঠ, ফুটপাত ও খালের পাড়ে অবৈধভাবে দখল করেছে তাদের বলতে চাই নিজেরা অবৈধ দখল সরিয়ে নিন। নইলে বুলডোজার যখন যাবে তখন কিন্তু আর সীমানা মাপা হবে না- যে কতখানি দখল করেছেন কতখানি বৈধ জায়গা। আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।’ আজ গুলশানে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্কের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের নামকরণ করা হয়েছে ‘শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্ক’। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, ‘আমরা ২৪টি পার্ক ও মাঠ নির্মাণ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। মাঠ ও পার্কগুলো উন্মুক্ত করার পর এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্কটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সাথে একটি চুক্তি করে দায়িত্ব দেয়া হবে।’ সারফেস ড্রেন ও খাল দূষণের কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘গুলশান, বারিধারা, বনানী, নিকেতন এসব লেকগুলোতে মাছ ছাড়তে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে পানির দূষণের কারণে মাছ ছাড়তে পারিনি। জীব ও বৈচিত্র আনতে পারিনি। কারণ অভিজাত এলাকায় অভিজাত শ্রেণীর মানুষরাই তাদের বাড়ির পয়:বর্জ্যরে লাইন সরাসরি যুক্ত করে দিয়েছেন লেকে। এসব এলাকায় যাদের অবৈধভাবে লাইন দিয়ে রেখেছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে অভিযান শুরু করব। আমরা তালিকা তৈরি করেছি এখানে কেউ ছাড় পাবেন না।’ হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানে সিটি কর্পোরেশন অফিসে যেতে নিষেধ করে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো কেউ হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে সিটি কর্পোরেশন অফিসে যাবেন না। কারণ সবখানের মতো সিটি কর্পোরেশনেও কিছু অসৎ ব্যক্তি রয়েছে। তারা তখন সাধারণ জনগণকে দেখিয়ে দেয় আকাশের যত তারা সিটি কর্পোরেশনের তত ধারা। ট্যাক্স পরিশোধ করাটাই কঠিন হিসেবে তারা মানুষকে দেখায়। এর ফলে তারা অবৈধ সুবিধা নেয়। সে কারণে সেই ভোগান্তির মধ্যে না গিয়ে অনলাইনে সিটি কর্পোরেশনের ট্যাক্স পরিশোধ করবেন। তাহলে কোন ভোগান্তি হবে না এবং অসাধু যারা আছে তারাও কোন ফায়দা নিতে পারবে না। অনলাইনেই সবকিছু সুন্দরভাবে দেয়া আছে বিস্তারিত সেখান থেকেই আপনি আপনার সিটি কর্পোরেশনের ট্যাক্স প্রদান করতে পারবেন।’ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি এমপি, এ কে এম রহমতুল্লাহ এমপি, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, স্থানীয় কাউন্সিলর মফিজুর রহমান ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান।

Read More »

খাদ্য উৎপাদনের জন্য আবাদি জমি সংরক্ষণ করুন : প্রধানমন্ত্রী

খাদ্য উৎপাদনের জন্য আবাদি জমি সংরক্ষণ করুন : প্রধানমন্ত্রী সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম : ঢাকা, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য উৎপাদনের জন্য আবাদি জমি সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, দেশ ইতিমধ্যে অপরিকল্পিত শিল্পায়নের জন্য প্রচুর পরিমাণে ভালো মানের ও উর্বর জমি হারিয়েছে। তিনি বলেন, ‘অপরিকল্পিত শিল্পায়ন, নগরায়ণ এবং আবাসনের কারণে বিপুল পরিমাণ উর্বর আবাদি জমি হারিয়ে গেছে, কারণ, পূর্ববর্তী সরকারগুলো এতে মনোযোগ দেয়নি। আমরা এই ধরনের জমি আর হারাতে চাই না এবং সে কারণেই আমরা এটি সংরক্ষণের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমআরএইউ), গাজীপুরের ২৫তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে কথা বলেন। বিএসএমআরএইউ-এর বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন। ‘কোন আবাদি জমি, যা সারা বছর তিন ধরনের ফসল উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়, শিল্পায়নের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কউ যদি এই ধরনের জমিতে শিল্প স্থাপন করে, তবে, তারা (সরকার থেকে) কোন সুবিধা পাবে না এবং আমরা এই লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা নিচ্ছি।’ ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ খুবই ছোট একটি দেশ কিন্তু মানুষের বিপুল সংখ্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য উৎপাদন নিরাপদ করতে আমাদের বিদ্যমান আবাদি জমি রক্ষা করতে হবে।’ পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞানীদের গবেষণা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে গবেষণালব্ধ মেধাস্বত্ত (ইন্টালেকচুয়াল প্রপার্টি রাইট) যেন সঠিক উপায়ে সংরক্ষিত হয় তা নিশ্চিত করার এবং তাঁর সরকারের প্রতিষ্ঠিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলায় তাঁর আহ্বান পুণর্ব্যক্ত করেন। কৃষি যেমন যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে তেমনি দক্ষ কৃষি উৎপাদন কর্মীও আমাদের তৈরী করতে হবে পাশাপাশি সরকার শিল্পায়কেও গুরুত্ব দেয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। আরো বক্তব্য রাখেন বিএসএমআরইউ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়। সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত বিএসএমআরএইউ বাংলাদেশের ১৩তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এটি গাজীপুরের সালনায় অবস্থিত। এটি ১৯৯৮ সালে সরকার প্রবর্তিত একটি আইনের মাধ্যমে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে (’৯৬ পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনামলে) দানাদার শস্য মাত্র ১ কোটি ৬৯ লাখ মেট্রিক টনের মত উৎপন্ন হোত সেখানে বর্তমানে ৪ কোটি ৭২ লাখ মেট্রিক টনের মত চালসহ দানাদার শস্য উৎপাদন করতে সক্ষম হচ্ছি। এটা কিন্তু গবেষণার ফসল। গবেষণা করেই আমরা এটা করতে সক্ষম হয়েছি।

Read More »

ভুয়া নামে জমি বেচা কেনা ও ভূমি কর ফাঁকি রোধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর : (ঢাকা, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২) ভুয়া বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নামে জমি ক্রয়বিক্রয় এবং ভূমি উন্নয়ন কর ফাঁকি রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এই ব্যাপারে গতকাল রবিবার সকালে সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ‘যৌথ-মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর’ (আরজেএসসি)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। আরজেএসসি নিবন্ধক শেখ শোয়েবুল আলম এনডিসি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো: জাহিদ হোসেন পনির, পিএএ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং আরজেএসসি-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই সমঝোতা স্মারক সাক্ষরের ফলে ভূমিসেবা সিস্টেম এবং আরজেএসসি সিস্টেমের মধ্যে আন্তঃসংযোগ এবং সমলয় স্থাপন হবে। কাগুজে কিংবা ভুয়া যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম দেখিয়ে নামে জমি ক্রয়বিক্রয়ের মাধ্যমে বেআইনি কাজ করার অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। এছাড়া অনেকে সময় দেখা যায় ‘বাণিজ্যিক কিংবা শিল্প কাজে ব্যবহৃত জমি’ ভূমি উন্নয়ন কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে দলিলাদিতে ‘আবাসিক ও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত জমি’ দেখিয়ে তাতে লাভজনক বৃহৎ ব্যবসা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে। এর ফলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় রাষ্ট্র। বিভিন্ন ভূমিসেবা যেমন ই-নামজারি কিংবা ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনায় আরজেএসসি এখতিয়ারভক্ত কোম্পানি কিংবা প্রতিষ্ঠানের প্রযোজ্য তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ হবার ফলে এখন ভুয়া ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে জমি ক্রয়বিক্রয় এবং ভূমি উন্নয়ন কর ফাঁকি রোধ করা সম্ভব হবে। ফলে সরকারের কোষাগারে ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ অতিরিক্ত বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জমা হবে, যা এতদিন হতোনা! এছাড়া, ভূমি এবং আরজেএসসি সিস্টেমের স্বয়ংক্রিয় আন্তঃসংযোগ ব্যবস্থার কারণে ই-নামজারি করার সময় করণিক ভুল হবেনা, কেননা আরজেএসসি সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য যাচাই করা হবে সংশ্লিষ্ট নামজারির পূর্বে। প্রসঙ্গত, প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর কেমন হবে তা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে এবং প্রয়োজন হলে তা পূনঃনির্ধারন করা হয়। সর্বশেষ পূনঃনির্ধারণ করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণের মূল ভিত্তি জমির ব্যবহারের ধরণ। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দেখা যায়, সাধারণ অকৃষি জমি ক্ষেত্রে যে এলাকায় বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত জমির ভূমি উন্নয়ন করের হার ৩০০ টাকা এবং শিল্প কাজে ব্যবহৃত জমির ভূমি উন্নয়ন করের হার ১৫০ টাকা, সেখানে আবাসিক ও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত জমির ভূমি উন্নয়ন করের হার মাত্র ৬০ টাকা। অন্যদিকে কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর উল্লেখযোগ্য ভাবে কম। ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির কোনও ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হয়না। সাধারণ ক্ষেত্রে ২৫ বিঘার অধিক হতে ১০ একর পর্যন্ত কৃষি জমির জন্য প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৫০ পয়সা। কৃষি জমি ১০ একরের ঊর্ধ্বে হলে প্রতি শতাংশ ১ টাকা। এলাকা এবং ব্যবহার-ভেদে অকৃষি ও কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর কমবেশি হতে পারে যা এই সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। উল্লেখ্য, আরজেএসসি পাবলিক কোম্পানি, প্রাইভেট কোম্পানি, বিদেশি কোম্পানি, ট্রেড অর্গানাইজেশন (বাণিজ্য সংগঠন), সোসাইটি (সমিতি), পার্টনারশিপ ফার্ম (অংশীদারি কারবার) ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রদান করে এবং প্রযোজ্য আইনের বিধি মোতাবেক পরিচালনা নিশ্চিত করে।

Read More »