সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: January 24, 2023

বিয়ের কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক, সাবেক ইউএনওর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

স্থানীয় প্রতিনিধি/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিয়ের কথা বলে কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে টাঙ্গাইলের বাসাইলের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ারা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা সুলতানা এ আদেশ দেন। কলেজছাত্রীর দায়ের করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই কলেজছাত্রীর আইনজীবী মো. রাসেল রানা। মনজুর হোসেন রাজবাড়ীর পাংশা থানার চরঝিকড়ী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত আছেন। মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে বাসাইলে ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ফেসবুকে মির্জাপুরের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয় মনজুর হোসেনের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলে মনজুর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাকে নিয়ে ভারতে বেড়াতে যান। টাঙ্গাইল শহরে বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে কয়েক মাস বসবাসও করেন। পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে মনজুর হোসেন তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২১ জুন আদালতে মামলা করেন ওই কলেজছাত্রী। মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইনের ৪৯৩ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন বিচারক। আইনজীবী মো. রাসেল রানা বলেন, ‘রবিবার পিবিআই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। শুনানি শেষে বিচারক সোমবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। যেকোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন অভিযুক্ত ইউএনও।’

Read More »

অবশেষে ঘুম ভাঙল বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের

সিনিয়র রিপোর্টার/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ অবশেষে ঘুম ভাঙল বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের। জেলা জজ আদালতে বিচারক ও আইনজীদের মধ্যে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার পরিপ্রেক্ষিতে এবার বৈঠক ডেকেছে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক এই সংস্থাটি। বৈঠকে দেশের ৬৪ জেলা বারের সভাপতি ও সম্পাদককে ডাকা হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি ঐ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় আদালত অবমাননা মামলার শুনানিকালে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চকে গতকাল সোমবার এই তথ্য জানান আইনজীবী নেতারা। একই জেলার আদালত অবমাননার আরেক মামলায় হাইকোর্ট এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ ও আদালতের বিচারকাজের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। এই আহ্বানের বিষয়টি অনুধাবন করেই সম্প্রতি বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও রাষ্ট্রের শীর্ষ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বার কাউন্সিলের সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, বার কাউন্সিলের আইনানুযায়ী এক্সটেনডেড সভা আহবান করতে হয়। সেই সভায় আইনজীবী পেশার মান উন্নয়ন, বেনোভোলেন্ট ফান্ডসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু করোনার কারণে গত কয়েক বছর এই বৈঠক ডাকা হয়নি। এখন পুনরায় এই বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বৈঠকে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন আদালতে বার ও বেঞ্চের মধ্যে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনাগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে আইনজীবীরা আদালতে কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন—সেই বিষয়ে জেলা বারের নেতাদের বক্তব্য শুনব। সেই বক্তব্যের ভিত্তিতে আমরা আমাদের মতামত তুলে ধরব। যাতে বার ও বেঞ্চের মধ্যে একটা সুসম্পর্ক বজায় থাকে। বিচারাঙ্গনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বার ও বেঞ্চ একে অপরের পরিপূরক। একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তাই বার ও বেঞ্চের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। যাতে কোনো ধরনের ভুল বার্তা বিচারপ্রার্থী জনগণের কাছে না যায়। বিগত কয়েক মাসে দেশের পিরোজপুর, খুলনা, মানিকগঞ্জ ও ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা আদালতে বিচারকদের সঙ্গে আইনজীবীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগী বিচারকরা প্রধান বিচারপতির কাছে নাালিশ করেন। এসব নালিশ আবেদন নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে পাঠান প্রধান বিচারপতি। হাইকোর্ট অভিযুক্ত আইনজীবীদের তলবের পাশাপাশি আদালত অবমাননার রুল জারি করে। রুলের শুনানিতে হাইকোর্ট অভিযুক্ত আইনজীবীদের বারবার এই বার্তা দিয়েছেন যে, বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষায় কঠোর আদেশ দিতে পিছপা হবে না আদালত। অভিযুক্ত আইনজীবীদের পক্ষের কৌঁসুলিরা বলেছেন, আইনজীবীদের সঙ্গে নিম্ন আদালতের বিচারকরা দুর্ব্যবহার করেন। এ ধরনের ঘটনায় আইনজীবীদের তলবের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিচারককেও জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত। পিরোজপুর ও খুলনার ঘটনায় অভিযুক্ত আইনজীবীরা নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে পার পেয়েছেন। ঐ দুটি মামলার শুনানিতে উষ্মা প্রকাশ করে হাইকোর্ট বলেছে, দিনদিন যেন এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে আদালত পেশিশক্তি প্রদর্শনের জায়গা নয়। আইনজীবীদের অসম্মানজনক আচরণের কারণে যদি আদালত ও বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা উঠে যায় তখন কেউ বাঁচতে পারবেন না। বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না বলেন, কী কারণে বার ও বেঞ্চের মধ্যে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বারবার ঘটছে—সেটা আগে বের করা দরকার। মূল কারণ চিহ্নিত করা না গেলে এ ধরনের ঘটনা রোধ করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, আমি যখন বার কাউন্সিলের সদস্য ছিলাম তখন এ ধরনের ঘটনা নিরসনে সমষ্টিগতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে পরিস্থিতির অবনতি না হয়। আমাদের নেওয়া উদ্যোগ তখন ফলপ্রসূ হয়েছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা জজ শারমিন নিগারের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে অশ্লীল বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, এ ধরনের স্লোগান তো কমলাপুরের কুলিরাও ব্যবহার করেন না। এগুলো কি কোনো ভাষা। শ্রমিকরাও তো এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করেন না। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ মন্তব্য করে। এর আগে তলব আদেশে হাইকোর্টে হাজির হন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ ২১ আইনজীবী। তাদের পক্ষে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমতাজউদ্দিন ফকির বলেন, তিন আইনজীবীর আদালত অবমাননার রুলের সঙ্গে এদের রুলের বিষয়টিও শুনানির জন্য রাখা হোক। আদালত বলেন, দুটি ঘটনা তো এক নয়। এটি তো অশ্লীল। আর আগেরটি ছিল দাম্ভিকতা ও বেয়াদবি। কালো পোশাকধারী কোনো ব্যক্তি এমন ভাষা ব্যবহার করতে পারেন? এটা তো আদালত অবমাননাকর। সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুন নূর দুলাল বলেন, আমাদের সময় দিন। সেখানে প্রকৃত ঘটনা কী ঘটেছে এবং সেটা কতটা অশ্লীল—তা-ও খতিয়ে দেখা দরকার। আদালত বলেন, গত দিনও সময় দিয়েছি। আজকেও সময় দিচ্ছি। কিন্তু আমরা এ ধরনের ঘটনায় খুবই উদ্বিগ্ন। বার সভাপতি বলেন, বিচার বিভাগ আমাদের সবার। আদালত বলেন, যদি তা-ই হয়, তাহলে যে গালি দিয়েছে সেটা আপনাদের গায়েও লাগে। বার সভাপতি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসলে কী ঘটেছে—সেটা আমরা দেখব। আদালত বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আমরা অধস্তন আদালতের অভিভাবক। আমাদের দায়িত্ব আছে। বার সম্পাদক বলেন, আমাদের অভিভাবকও সুপ্রিম কোর্ট। অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, উনারা সময় চেয়েছেন, সময়টা দিন। বৈঠক আহ্বান করেছে বার কাউন্সিল। সেখানে আলোচনা হবে। দরকার হলে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাব। আদালত বলেন, আমরা ইচ্ছা করলে

Read More »

গনঅভ্যূন্থান দিবসে রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ গনঅভ্যূন্থান দিবসে রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল মঙ্গলবার ( ২৪ জানুয়ারী) বিকালে দলিয় কার্যালয়ে গনঅভ্যূন্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপেিত্ব বক্তব্য রাখেন রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবুল কাশেম, রংপুর মহানগর আওয়ামী নেতা কায়সার রাশেদ খান শরীফ, নবী উল্লাহ পান্না, নওশাদ রশিদ, এ্যাড. দিলশাদ ইসলম মুকুল, শাহদৎ হোসেন, সফিকুল ইসলাম রাহেল , সাইফুল ইসলাম, হাজীর হাট থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আতোয়ার রহমান, মহনগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন, মগানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসিফ, মহানগর মহিলা আওয়মীলীগের সভাপতি মমতাজ বেগম, সাধারণ সম্পাদক ইসমোত আরা বন্যা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »

২৪ ঘন্টার ভিতরে রমেক হাসপাতালের পরিচালককে বদলি

২৪ ঘন্টার ভিতরে রমেক হাসপাতালের পরিচালককে বদলি স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম : রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরিফুল হাসানকে বদলি করা হয়েছে। তাকে রমেক হাসপাতালকে থেকে বদলি করে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আলমগীর কবীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- রমেক হাসপাতাল পরিচালক ডা. শরিফুল হাসানকে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) রংপুর বিভাগে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। একই প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মহিউদ্দিনকে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম বিভাগে, ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহকে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রাপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকস্যাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ফৌজদারহাটে, ঢাকা মহাখালীর নিপসম এপিওডেমিলজি বিভাগ থেকে ডা. কাজী শফিকুল হালিমকে পরিচালক (এমবিডিসি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালীতে, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়মিত পরিচালক ডা. শীতল চৌধুরীকে পরিচালক পদে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ঢাকা বিভাগীয় উপরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এবিএম আবু হানিফকে ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্টে পরিচালক হিসেবে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে। এদিকে পরিচালক ডা. শরিফুল হাসানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে আন্দোলন করছে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতি। আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে সোমবার দুপুরে পরিচালকের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা পরিচালকের অপসারণের দাবিতে স্লোগান দেন। পরে হাসপাতালের স্বাস্থ্য কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগে স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা। একই সঙ্গে পরিচালক ডা. শরিফুল হাসানকে অপসারণে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামও দেন বিক্ষুদ্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসক ও কর্মচারীরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের উপ-পরিচালক ও দুই সহকারী পরিচালকসহ তিনজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এরা হলেন- উপ-পরিচালক আবদুল মোকাদ্দেম, সহকারী পরিচালক মোস্তফা জামান চৌধুরী ও সহকারী পরিচালক আরশাদ হোসেন।

Read More »