সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 19, 2023

জাতীয় সংসদে ‘আয়কর বিল-২০২৩’ পাস হয়েছে

সংসদ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সংসদ ভবন, ১৮ জুন, ২০২৩ : আয়কর ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে আজ ‘আয়কর বিল-২০২৩’ পাস হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলটি বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিলের বিরোধিতা করে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধীদল জাতীয় পার্টির সদস্য মো. ফখরুল ইমাম, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, রওশন আরা মান্নান, ডা. রুস্তম আলী ফরাজী ও কাজী ফিরোজ রশীদ ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু। এ সময় সরকারি দল ও বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্যের কয়েকটি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। বিলের উপর আনীত বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আয়কর ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এ বিলটি আনা হয়েছে। বিলটি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। সংসদীয় কমিটিতেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। এ বিল পাস হলে সংশ্লিষ্ট সবাই উপকৃত হবে। রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়বে। তাই বিলটি পাস হওয়া দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় সহজবোধ্য করে আইনটি করা হচ্ছে। রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে। কিন্তু কারও ওপর জোর করে চাপিয়ে দিয়ে সেটা করা যাবে না। ২০০৯ সালে রাজস্ব আদায় ছিল ৫৯ হাজার কোটি টাকা। এখন সেটা ৬ গুণ বেড়েছে। এখানে সরকার খুব খারাপ করেছে তা নয়। আবার খুব ভালো করেছে সেটাও না। সংসদে পাস হওয়া বিলে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বিভিন্ন সুপারিশ আমলে নেওয়া হয়েছে। সংসদীয় কমিটি তাদের প্রতিবেদনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানত বাধ্যতামূলক ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করে। এর পরিবর্তে কমিটি উল্লিখিত পরিমাণের ব্যাংকে মেয়াদী বা স্থায়ী আমানত থাকা ব্যাংক আমানতকারীদের জন্য রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আয়কর বিলে মোট আয়ের দুই-তৃতীয়াংশ বা চার লাখ ৫০ হাজার টাকা বেতনভোগী ব্যক্তিদের করযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। আর সংসদীয় কমিটি বেতনভোগী ব্যক্তির আয়ের এক-তৃতীয়াংশ বা চার লাখ ৫০ হাজার টাকা করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব করেছে। সংসদ এসব প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। সংসদে পাস হওয়া বিলে কোম্পানি, ফার্ম, ব্যক্তি সমিতি এবং ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারের তহবিলগুলোকে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী জমা দিতে হবে, যা প্রস্তাবিত বিলে দুই কোটি টাকা ছিল। সেভিংস সার্টিফিকেট এবং ডিবেঞ্চারের জন্য ট্যাক্স রেয়াত বিষয়ে পাস হওয়া আইনে তথ্য স্পষ্ট করা হয়েছে। পাস হওয়া বিলে বিদেশ ভ্রমণের সময় সম্পদ বিবরণী বাধ্যতামূলক জমা দেয়ার বিষয়ে প্রস্তাবিত ধারা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া পাস হওয়া আইনে গুলশান বনানী, বারিধারা, মতিঝিল ও দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকার সঙ্গে আরও নতুন এলাকার নাম যোগ করা হয়েছে। এসব এলাকায় ফ্ল্যাট বা ভবনে বিনিয়োগের ওপর বিশেষ করের হার কিছু ক্ষেত্রে বাড়ানো হয়েছে।

Read More »

ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : পুরোপুরি প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ব্যাংকের কোন শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ বা সশরীরে লেনদেনের কোন ব্যবস্থা থাকবে না। প্রচলিত ব্যাংকগুলোতে এখনো টাকা লেনদেন, হিসাব দেখার মতো কিছু সেবা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে করা যায়। কিন্তু নতুন যে ব্যাংক চালুর কথা বলা হচ্ছে, সেখানে সকল কাজ হবে প্রযুক্তি নির্ভর। কিন্তু ব্যাংকটি আমানত গ্রহণ, ঋণ দেয়া থেকে অন্যান্য সকল কাজই করবে। গত বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন ব্যাংক গঠনে আগ্রহীরা প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন। বর্তমানে দেশে প্রচলিত ধারার ব্যাংক রয়েছে মোট ৬১টি। শাখার পাশাপাশি এসব অনেক ব্যাংকের রয়েছে অনলাইন সেবা। ডিজিটাল ব্যাংক শুধুমাত্র মোবাইল, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করেই করা যাবে। লেনদেন কীভাবে হবে মোবাইল বা অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা এই ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন। তাদের সশরীরে ব্যাংকের কোন শাখায় যেতে হবে না। ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম ইত্যাদি থাকবে না। তবে প্রধান একটি কার্যালয় থাকতে পারে। তাদের এটিএম কার্ড বা এজেন্ট ব্যাংকিংও থাকবে না। তবে ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড বা অন্য প্রযুক্তিনির্ভর সেবা থাকবে। জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নিজস্ব তথ্যাদি আপলোড করে একজন হিসাব খুলতে পারবেন। একইভাবে ঋণ নেয়ার জন্যও প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোড করে ঋণের আবেদন করতে পারবেন। যারা বেতন-ভাতা বা ব্যবসার টাকা গ্রহণ করবেন, তারা অনলাইনে নিজের হিসাব নিতে পারবেন। ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা চালু হলে গ্রাহক যেকোনো স্থানে বসেই লেনদেন করতে পারবে আবার অন্যদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠিয়ে দেয়ার পাশাপাশি অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ বা এজেন্টদের সেবা ব্যবহার করে নগদ অর্থ উত্তোলন করা যাবে। ডিজিটাল ব্যাংক ছোট আকারের ঋণ দিতে পারবে, বড় বা মাঝারি শিল্পে কোন ঋণ দিতে পারবে না। বৈদেশিক বাণিজ্যের লেনদেনের জন্য ঋণপত্রও খুলতে পারবে না এসব ব্যাংক। প্রযুক্তিনির্ভর সেবা হওয়ায় এসব ব্যাংকের কোনো কোনো সেবা দিন রাত ২৪ ঘণ্টাই পাওয়া যাবে। প্রচলিত ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সাথে পার্থক্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার খোরশেদ মকসুদ বলেন, প্রচলিত ব্যাংক সময় নির্ভর, অনেক সেবার জন্য সশরীরে যেতে হয়। ঋণ নেয়া, আমানত খোলা, স্টেটমেন্ট নেয়ার জন্য অনেক সময় ব্যাংকে যেতে হয়। সেখানে গিয়ে কাগজপত্রে স্বাক্ষর করতে হয়। কিন্তু এসব ব্যাংকে সেসব করতে হবে না। কিন্তু সব ধরনের সেবাই পাওয়া যাবে। লেনদেনের সকল বিষয় হবে ভার্চুয়ালি। গ্রাহকদের সুবিধা-অসুবিধা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যান্য দেশে যেভাবে ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু হয়েছে, বাংলাদেশেও সেটা চালু হলো ব্যাংকে যেতে না হওয়ায় গ্রাহকদের সময় সাশ্রয় হবে। অনেক সময় সেবা নিতে গ্রাহকদের ব্যাংকে গিয়ে সিরিয়ালে বসে থাকতে হয়। কিন্তু এখানে সেটা করতে হবে না। তাদের ব্যাংকে যাতায়াতের সময়ও বাঁচবে। ব্যাংকের শাখা খুলতে না হওয়ায় সেখানে ভাড়া-কর্মীদের পেছনে ব্যয় অনেক কমে যাবে। ফলে ব্যাংকগুলো সাশ্রয়ে কম খরচে গ্রাহকদের সেবা দিতে পারবে। বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে গ্রাহক অ্যাকাউন্ট খুলতে এবং ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবেন। চব্বিশ ঘণ্টার যেকোনো সময় এই ব্যাংকের সেবা নেয়া যাবে। অন্যদিকে প্রযুক্তি ব্যবহারে অনেকের দক্ষতার অভাব এবং প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক মোবাইল ফোন না থাকায় তাদের এ ধরনের ব্যাংকিংয়ের সেবা নেয়া কঠিন হয়ে পড়বে। ক্ষুদ্র বিক্রেতাদের ‘ক্যাশলেস লেনদেনে’ উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হলেও এখনো অনেকে নগদ লেনদেনে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষ, নগর জীবনের বাইরের মানুষকে এই সেবার আওতায় আনা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলছেন, বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সাথে যেভাবে মানুষজন অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে, তাতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার সাথেও কয়েক বছরের মধ্যেই মানুষ খাপ খাইয়ে নেবে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার খোরশেদ মকসুদ বলেন নতুন প্রজন্ম প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের তুলনায় এ ধরনের ব্যাংকিং-এ বেশি আগ্রহী। সিঙ্গাপুর, ফিলিপিনের মতো দেশেও দেখা গেছে, প্রচলিত ব্যাংকের তুলনায় ডিজিটাল ব্যাংক মানুষ বেশি পছন্দ করছে।‘’ তিনি বলছেন, ‘’আস্তে আস্তে অনেক কিছুই ক্যাশলেস হয়ে যাচ্ছে। আমরাও অনেক কেনাকাটায় নগদ টাকার পরিবর্তে মোবাইল ফাইন্যান্সিং সার্ভিস ব্যবহার করি, মোবাইল ফোনের কিউআর কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করি। এভাবেই ব্যাংকের অনেক সেবা পুরোপুরি ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছে। ব্রাঞ্চ ব্যাংকিংয়ের যে খরচ, সেটা ভবিষ্যতে অনেক ব্যাংক নিতে পারবে না।‘’ বাংলাদেশে যেখানে অনেক সময় প্রচলিত অনেক ব্যাংক নিয়ে অভিযোগ ওঠে, গ্রাহকের দিক থেকে আস্থার সংকট তৈরি হয়, সেখানে এসব ডিজিটাল ব্যাংকের ওপর গ্রাহকরা কতটা আস্থা রাখতে পারবে? চলমান৷…. 

Read More »

রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সিরজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৮ জুন) রবিবার বেলা ১২ টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড রংপুর মেডিকেল কালেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠানিক শাখা ও সরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের আয়োজনে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড রংপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড রংপুর মেডিকেল কালেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠানিক শাখা কমিটির মোঃ আশিকুর রহমান নয়ন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী তুহিন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু মোঃ রিয়াজ মাহামুদ সুজন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি সাংবাদিক অজয় সরকার দুলু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু জাকারিয়া জাকির, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপতাল কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ শাহিনুর ইসলাম শাহিন, রংপুর মহানগর যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন সাজু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড মেডিকেল কালেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠানিক শাখা কমিটির সভাপতি মোঃ হুমায়ন কবির নোমান।

Read More »

রংপুর সিটি কর্পোরেশনে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর মহানগর এলাকায় এক লাখ ২৯ হাজার ৫শ’ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো কার্য্যক্রম শুরু করেছেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের। এ উপলক্ষে গতকাল রোববার সকালে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান প্রধান অতিথি থেকে ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এবিএম আবু হানিফ, জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীন ও সিভিল সার্জন মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর। এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ মোঃ মাহাবুবার রহমান মঞ্জু, প্যানেল মেয়র-২ মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, সাবেক প্যানেল মেয়র-২ ও কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ মাহামুদুর রহমান টিটু, কাউন্সিলর মোঃ লিটন পারভেজ, সচিব উম্মে ফাতিমা, রাজস্ব কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায়, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মাহামুদ হাসান মৃর্ধা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান ইবনে তাজ, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর কবীর শান্তসহ রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় ও জেলা স্বাস্থ্যসহ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে নীল রংয়ের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল রংয়ে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সর্বমোট এক লাখ ২৯ হাজার ৫শ’ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উক্ত ক্যাম্পেইন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে রংপুর মহানগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে ২৯৭টি কেন্দ্রে ৪৪জন সুপারভাইজার, ৫৯৪জন স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পরিদর্শণ করেন সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Read More »