সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 29, 2024

জনগণের আস্থাই বিচার বিভাগের সবচাইতে বড় সম্পদ : প্রধান বিচারপতি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ‘জনগণের আস্থাই বিচার বিভাগের সবচাইতে বড় সম্পদ, আর সেই আস্থা প্রতিফলিত হয় গণমাধ্যমের হাত ধরে।’ প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, বিচার ব্যবস্থায় যদি কোনো অনিয়ম কিংবা দুর্নীতি হয় তা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া জরুরি। কেননা এতে বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতার জায়গাটি নিশ্চিত হয়। শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাংবাদিকতায় বজলুর রহমান স্মৃতিপদক-২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘গণমাধ্যমের সঙ্গে আমাদের বিচার বিভাগের সম্পর্ক চিরকালই আন্তরিকতা ও ঘনিষ্ঠতার রঙে রঙিন হয়ে আছে। জনগণের আস্থাই বিচার বিভাগের সবচাইতে বড় সম্পদ, আর সেই আস্থা প্রতিফলিত হয় গণমাধ্যমের হাত ধরে। একইসঙ্গে বিচার বিভাগ একটি সংবেদনশীল ক্ষেত্রও বটে।’ ‘ফলে আদালত ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা গণমাধ্যমের কাছ থেকে দায়িত্বশীলতা ও সচেতনতা প্রত্যাশা করি। কেননা একটি অপ্রকাশযোগ্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ বা তথ্যের ভুল ব্যাখ্যা সমগ্র বিচার ব্যবস্থার জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে’, বলেন তিনি। ওবায়দুল হাসান বলেন, ‘গণমাধ্যম এখন আর কেবল সেই প্রাচীন মুদ্রিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গণমাধ্যমের প্রকার এখন নানাভাবে বিস্তৃত। টেলিভিশন, মুদ্রিত পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা বা পোর্টাল, রেডিওর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এখন শক্তিশালী গণমাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেই বেশিরভাগ সংবাদ জেনে নিতে পারছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যক্তি-উদ্যোগে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা অনেক ক্ষেত্রেই প্রশ্নবিদ্ধ। তাই এ বিষয়ে আমি সকলের সচেতনতা প্রত্যাশা করছি।’ // ডিএস//

Read More »

রংপুরে পরকীয়া প্রেমের জেরে এক প্রেমিকের হাতে অপর প্রেমিক খুন গ্রেপ্তার ২

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে পরকীয়া প্রেমের জেরে সাদ্দাম হত্যকান্ডের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হলো, নগরীর হাজীরহাট রনচন্ডী এলাকার তমিজ উদ্দিনের স্ত্রী শাহের বানু ওরফে শাহনাজ (৩০) ও একই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম (৩৬)। শুক্রবার (২৮ জুন) তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।বিকেলে নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানান, স্বামী বয়স্ক হওয়ায় শারীরিক চাহিদা পূরণ না পারায় প্রতিবেশী নাতি মঞ্জুরুল ইসলামের সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে শাহনাজ। বছরখানেক আগে প্রতিবেশী সাদ্দাম হোসেনের সাথেও শাহনাজ পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। তিনি সাদ্দামকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এরই এক পর্যায়ে শাহনাজ বিষয়টি মঞ্জুরুলকে জানায় এবং যে কোন মূল্যে তাকে পথ থেকে সরিয়ে দিতে বলে। ২৬ জুন রাতে রাত ২টার দিকে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় শাহনাজের বাড়ির উঠানে সাদ্দামকে দেখতে পায় মঞ্জুরুল। বাড়ির লোকদের কাছে ধরা পড়ার ভয়ে তারা সেখান থেকে বেরিয়ে মাঠের দিকে যেতে থাকে। সাদ্দাম পেছন থেকে হাসুয়া নিয়ে মঞ্জুরুলকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে সাদ্দাম কাদায় পা পিছলে পড়ে যায়। সুযোগ বুঝে সাথে থাকা দা দিয়ে সাদ্দামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে মঞ্জুরুল এবং হত্যাকান্ডের পর তা শাহনাজকে জানায়। উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন বলেন, শাহনাজের স্বামীর বয়স প্রায় ৭৫ বছর এবং তার স্বামী ছেলেকে নিয়ে আলাদা ঘরে থাকতো। একাই একটি ঘরে থাকায় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছিল শাহনাজ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামীদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি তারা সেখানেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেবে।

Read More »