সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 20, 2024

আয়কর আইনজীবী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ – এনবিআর

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বিসিএস কর একাডেমি আয়কর আইনজীবী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে শিক্ষাগত যোগ্যতার চাহিদা পূরণ করে পরীক্ষায় পাস করে আপনিও হতে পারেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর আইনজীবী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ৩২৭ এবং আয়কর বিধিমালা ১৯৮৪–এর বিধি ৩৭ অনুযায়ী কর আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত ছকে অনলাইনে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। যোগ্যতা— দেশে/বিদেশের যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন/ কর/হিসাববিজ্ঞান বিষয়সহ বাণিজ্যে ডিগ্রি/উচ্চতর অডিটিংসহ ব্যাংকিং বিষয়ে ডিগ্রি/ ডিপ্লোমা ইন ট্যাকসেশনসহ যেকোনো বিষয়ে ডিগ্রি/উচ্চতর অডিটিংসহ ব্যাংকিং ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে। যেভাবে আবেদন— পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা এই ওয়েবসাইটে (http://besta.teletalk.com.bd) আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা— ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন শুরু, আবেদনের শেষ সময় ২৯ সেপ্টেম্বর। আবেদন ফি— আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সার্ভিস চার্জসহ মোট ৩৩৫ টাকা আবেদন ফি বাবদ জমা দিতে হবে। লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস— আয়কর আইন ২০২৩, অর্থ আইন ২০২৪, আয়কর বিধিমালা ১৯৮৪, উৎসে কর বিধিমালা ২০২৪,  এডিআর বিধিমালা ২০২৪, দানকর আইন ১৯৯০,  আয়কর আইন ও বিধির বাস্তব প্রয়োগ, হিসাব বিজ্ঞান, বাংলা ও ইংরেজি। লিখিত পরীক্ষার সময় ও পাস নম্বর— লিখিত পরীক্ষার সময় তিন ঘণ্টা। পূর্ণমান ১০০ এবং পাস নম্বর ৫০। মৌখিক পরীক্ষার পূর্ণ মান ৫০ এবং পাস নম্বর ২৫। লিখিত পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে টেলিটকের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রয়োজনীয় কাগজ সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও মার্কশিট, বর্তমান পেশা সম্পর্কে প্রার্থীর স্ব-ঘোষণাপত্র; সাম্প্রতিক সময়ে তোলা প্রার্থীর দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।

Read More »

পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : Family Courts Ordinance, 1985 রহিতপূর্বক সময়োপযোগী করিয়া উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন বর্তমানে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ নামে অভিহিত। ( ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন ) [ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ] পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তির বিষয় নিম্নোক্ত সেকশনে পরিস্কার ধারনা দেয়া আছে ১৯। (১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে: তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:- (ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং (খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি । (২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে : তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে। (৩) যেকোনো আপিল- (ক) লিখিত আকারে হইবে; (খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে; (গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং (ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে। (৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে। (৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে। (৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে। চলমান সুত্র. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

Read More »

সত্যিকারের জনবান্ধব পুলিশ হোন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : পুলিশকে সত্যিকারের জনবান্ধব বাহিনীতে রূপান্তরের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। উপদেষ্টা আজ সকালে রাজধানীর রমনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) হেডকোয়ার্টারের সম্মেলন কক্ষে ডিএমপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন।  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শুধু কাগজে কলমে নয়, জনসেবা ও কাজের মাধ্যমে পুলিশকে বাস্তবিকভাবেই জনবান্ধব প্রমাণ করতে হবে। এর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন তাদের মন-মানসিকতার পরিবর্তন। তাদেরকে উজ্জীবিত হয়ে ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে আরো বেশি উদ্যোগী হয়ে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার সম্ভব।  মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে স্বস্তি পায়, নিরীহ মানুষ যাতে হেনস্তার শিকার না হয়-সে লক্ষ্যে পুলিশকে কাজ করতে হবে।  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তদন্ত ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। নিজেদের পরিচয় প্রদান ব্যতীত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না। বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে পুলিশ অযাচিতভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে কাউকে মামলা দিচ্ছে না উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এখন যারা মামলা দিচ্ছে, তারা সাধারণ জনগণ।  তিনি বলেন, জনগণকে বোঝাতে হবে তারা যেন প্রকৃত অপরাধীদের ধরিয়ে দেন কিন্তু অযথা নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়। মব জাস্টিসের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আইন নিজেদের হাতে তুলে নেয়ার অধিকার কারো নেই। কেউ অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করুন, অন্যথায় নয়। ডিএমপি কমিশনার মো. মাইনুল হাসানের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম। সভায় ডিএমপি’র বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়।

Read More »

অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ‘অন্তর্বর্তীকালীন  সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়ন ও গণহত্যা চালানোর ফলশ্রুতিতে সমগ্র দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতা উত্তাল গণবিক্ষোভ করে এবং আন্দোলনের এক পর্যায়ে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সরকার পতনের একদফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি বিগত ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক সংকট মোকাবেলা, জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সচল রাখা এবং রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠন বিষয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের মতামত চায়া করেন। সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ৮ আগস্ট তারিখে স্পেশাল রেফারেন্স নম্বর- ০১/২০২৪ দ্বারা মতামত প্রদান কওে যে, ‘রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরী প্রয়োজনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার নিমিত্ত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টা নিযুক্ত করতে পারবেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি উক্তরূপে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণকে শপথ পাঠ করাতে পারবেন।’ এতে উল্লেখ হয়, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ডক্ট্রিন অব নেসেসিটি অনুসারে সাংবিধানিক সংকট মোকাবেলায় সর্বস্তরের জনগণের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও পরম অভিপ্রায়ের প্রেক্ষিতে, গণঅভ্যুত্থানকারী ছাত্র-জনতার প্রতিনিধিদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের রাষ্ট্র সংস্কার আকাঙ্ক্ষা পূরণের ও রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের পদমর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা, পদত্যাগ এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান করা জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদ ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে।

Read More »