সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 9, 2024

গুম বিষয়ক তদন্ত কমিশনকে সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রধান উপদেষ্টার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :   ঢাকা, ৯ নভেম্বর, ২০২৪ খৃ. – প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গুম বিষয়ক তদন্ত গঠিত কমিশনকে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জোরপূর্বক গুমের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা একথা বলেন। বৈঠকে কমিশন সদস্যরা ছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য এবং সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টা কমিশনের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা আপনাদের যা যা প্রয়োজন, সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।’ কমিশনের সদস্যরা জানান, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সরকারকে তারা একটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন প্রদান দেবে এবং এরপর বিষয়টি নিয়ে আরো কাজ করবেন তারা। বৈঠকে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, সরকার প্রয়োজনে কমিশনের মেয়াদ আরো দুই বছর বাড়াবে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করবে, যার মধ্যে ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার জন্য আইনি বিধানের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তারা প্রায় ১,৬০০টি অভিযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৪০০টি অভিযোগ যাচাই করেছেন এবং ১৪০ জন অভিযোগকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। বৈঠকে কমিশনের একজন সদস্য বলেন, ‘অসংখ্য অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিভূত। অনেক মানুষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা প্রতিশোধ নিতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে কমিশনে আসছেন না। এর থেকে বোঝা যায়, গুমের প্রকৃত ঘটনার সংখ্যা প্রকাশিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।’ কমিশনের ওই সদস্য আরো বলেন, তারা সন্দেহ করছেন যে জোরপূর্বক গুমের সংখ্যা অন্তত ৩,৫০০ হতে পারে।  তিনি জানান, গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং যাদের নির্দেশে এসব ঘটনা ঘটেছে, তাদের সনাক্ত করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কমিশন। তিনি আরো বলেন, অনেক ভুক্তভোগী কারাগারে রয়েছেন, এমনকি কিছু ভুক্তভোগী মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি। গ্রেপ্তার দেখানোর পর এদের আদালতে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। বেশ কিছু ভুক্তভোগীকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কারাগারেও বন্দী রয়েছেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। কমিশনের সদস্যরা বলেন, সরকারকে এমন কিছু গোপন স্থানে প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য সহায়তা করতে হবে যেখানে ভুক্তভোগীদের আটকে রাখা হয়েছিল। কমিশনের সদস্য বলেন, ‘অনেক ভুক্তভোগী আমাদের বলেছেন যে তারা বছরের পর বছর সূর্যের আলো দেখেননি। প্রতিদিন নতুন দিন শুরু হয়েছে তা তারা কেবল সকালের নাস্তা পরিবেশনের সময় টের পেতেন।’ ওই সদস্য সরকারকে অভিযুক্তদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সম্ভব হলে তাদের পাসপোর্ট বাতিলের অনুরোধ জানান। বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কমিশনের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের তালিকা পাওয়ার পরই অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম কমিশনের তদন্ত জনগণের সামনে তুলে ধরা এবং জোরপূর্বক গুমের ঘটনাগুলোর তদারককারীদের প্রকাশ্যে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ, নূরজাহান বেগম, আদিলুর রহমান খান, এম সাখাওয়াত হোসেন, নাহিদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব মো. সিরাজ উদ্দিন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

সাংবাদিকতার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে : পিআইবি মহাপরিচালক

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর : প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন, দেশে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা থাকলে গণতন্ত্র টিকে থাকতো। কিন্তু গত ১৫ বছরে সেটা ছিল না। সাংবাদিকতার হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে হবে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে হবে। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা জেলার সাংবাদিকদের জন্য সংবাদ প্রতিবেদন ও বয়ানবিয়ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। খুলনা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছিল পিআইবি। ফারুক ওয়াসিফ বলেন, গত ১৫ বছর সাংবাদিকতা দেশ থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। যার কারণে দেশের পরিস্থিতি আমরা জানতে পারেনি। যদি সঠিক সাংবাদিকতা ও জবাবদিহিতার জায়গা থাকতো, তাহলে দেশে গণতন্ত্র থাকতো। কিন্তু দেশের অন্যান্য স্তম্ভের মতো গণমাধ্যমকেও দলবাজ, দুর্নীতিবাজরা গ্রাস করেছিল। যারা ক্ষমতাধরদের সঙ্গে দেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে চারজন সাংবাদিক শহীদ হয়েছিলেন। আর আগস্টের প্রথম সপ্তাহে পাঁচজন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়। গত ১৬ বছরে হত্যার শিকার হয়েছেন অন্তত ৩০ সাংবাদিক, দেড় হাজার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নির্যাতন চালানো হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ খান। তিনি বলেন, সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ, সমাজের চেহারা। সাংবাদিকদের দায়িত্ব বেশি। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ দেশ, জাতি ও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। তাহলে জবাবদিহিতার জায়গা তৈরি হবে। তথ্যপ্রযুক্তির পরিবর্তনের যুগে ঘন ঘন প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। পিআইবির প্রশিক্ষক মোহাম্মদ শাহ আলম সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান ও খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল। এ ছাড়াও বক্তব্য দেন মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান হিমালয়, প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন দৈনিক মানবজমিনের খুলনা ব্যুরো প্রধান রাশিদুল ইসলাম, দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান এইচ এম আলাউদ্দিন, দৈনিক সংগ্রামের ব্যুরো প্রধান আব্দুর রাজ্জাক রানা, দৈনিক প্রবাহের চিফ রিপোর্টার মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, সিনিয়র রিপোর্টার খলিলুর রহমান সুমন, দৈনিক প্রবর্তনের নির্বাহী সম্পাদক কে এম জিয়াউস সাদাত, দৈনিক যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান আহমদ মুসা রঞ্জু, দৈনিক সময়ের খবরের সিনিয়র রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম নূর, ঢাকা পোস্টের স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ মিলন, দৈনিক কালবেলার ব্যুরো প্রধান বশির হোসেন, দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার কামাল হোসেন, জি এম রাসেল, খুলনা গ্যাজেটের স্টাফ রিপোর্টার আয়শা আক্তার জ্যোতি, দৈনিক জনকণ্ঠের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি একরামুল হক, খুলনা গ্যাজেটের নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় খুলনার প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ। এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন খুলনা জেলার ৩৫ জন সাংবাদিক। সুত্র. ঢাকা পোস্ট।

Read More »

রংপুরের খেলার মাঠে জৌলুস ফিরিয়ে আনা হবে .. জেলা প্রশাসক

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: অত্যন্ত ক্রীড়া সমৃদ্ধ জেলা রংপুর। জাতীয় পরিমন্ডলে রংপুরের খেলোয়াররা ভালো অবদান রেখেছে। অনুর্ধ ১৬, ১৯ দলসহ জাতীয় দলে রংপুরের খেলোয়াররা ভালো করছে। রংপুরের খেলার মাঠে জৌলুস ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল। গতকাল শুক্রবার সকালে রংপুর কালেক্টরেট ক্রিকেট গার্ডেন মাঠে ক্রিকেটারর্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন রংপুর জেলা শাখার আয়োজনে কোয়াব ক্রিকেট লীগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, প্রাকটিস গ্রাউন্ড, ড্রেসিং রুম সংস্কারসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি খেলায় পৃষ্ঠপোষকতা করা হবে। ভেলার মাঠ নষ্ট করা যাবে না। খেলার মাঠে দর্শক ফিরিয়ে আনতে হবে। নিয়মিত লীগ, টুর্ণামেন্ট চলমান থাকলে ক্লাবগুলোতে চাঙ্গাভাব বিরাজ করবে। মাদককে নির্মুল করতে খেলাধুলাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এসময় তিনি রংপুরের ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটারর্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (কোয়াব) কে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার কথা বলেন। ক্রিকেট গার্ডেন মাঠে ক্রিকেটারর্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন রংপুর জেলা শাখার সভাপতি জাতীয় ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক হামিম আব্দুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রংপুর সিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর মানিক, সাংবাদিক ও সাবেক ক্রিকেটার রেদওয়ান হিমেল, ক্রিকেটার সালাউদ্দিন পাপ্পু, আশরাফুল আলম সুজন, সাদিক প্রমুখ। কোয়াব ক্রিকেট লীগের উদ্বোধনী খেলায় রংপুর সাউথ ও রংপুর ইস্ট দল অংশগ্রহণ করে। ৪০ অভারের খেলায় রংপুরের মোট ৫টি দল অংশগ্রহণ করছে।

Read More »

জাতীয় পার্টি পিপীলিকা নয়-জাতীয় পার্টি বাজপাখি… কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান,রংপুর মহানগর সভাপতি ও রংপুর সিটি কর্পোরেশন সাবেক সফল মেয়র আলহাজ্ব মোঃ মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেছেন, জাতীয় পার্টির পিপীলিকা নয়, জাতীয় পার্টি বাজপাখি। জাতীয় পার্টিকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্রের নেমেছেন তাদের উদ্দেশ্য করেন তিনি বলেন, কত সাবান এলোগেলো তিব্বত সাবান রয়ে গেল। জাতীয় এতো ছোট দল নয়, ৪২ বছরের দল, ৯বছর সফলতার সাথে এদেশ পরিচালনা করেছে। জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়ে এদেশের মাটিতে কোন প্রকার নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। রাজপথেই তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সেন্টারস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি আয়োজিত এক বিশাল কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জাতীয় পার্টিকে মাঠ পর্যায়ে ঢেলে সাজিয়ে একটা শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরী করার মেসেজ দেয়ার জন্য এই কর্মী সমাবেশ। প্রত্যেক ওয়ার্ড কমিটি, ইউনিয়ন কমিটি ও উপজেলা কমিটি শক্তিশালীভাবে গঠনের জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি নিবেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাউন্সিলের মাধ্যমে প্রতিটি কমিটি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন। রংপুর মহানগরে জাতীয় পার্টি ও তার প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন সংগঠিত আছে, যে কোন মুহুর্তে আমাদের ডাক আসলে রংপুরকে অচল করে দেয়া হবে। জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ যারা লিপ্ত আছেন তাদের উদ্দেশ্য করেন কো-চেয়ারম্যান মোস্তফা বলেন, তাদের হুশিয়ারী করে দেয়া সময় আমাদের এসেছে। রংপুর জাতীয় পার্টির ঘাটি, রংপুর জাতীয় পার্টির অস্তিত, এই মাটিতে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সাহিত আছে। এই পার্টিকে নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র করতে দেয়া হবে না। দরকার হলে বুকে তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে হলেও জাতীয় পার্টির রাজনীতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এটাই হল আজকে দিনের অঙ্গীকার। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস.এম ইয়াসির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আজমল হোসেন লেবু, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ লোকমান হোসেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর জেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি হাসানুজ্জামান নাজিম, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ জাহেদুল ইসলাম ও জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আরিফ আলী। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রংপুর সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক মোঃ মাসুদ নবী মুন্না, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ রুহুল আমিন লিটন, জাতীয় পার্টি মিঠাপুকুর উপজেলা আহবায়ক মোঃ আনিসুর রহমান আনিস, তারাগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শাহিনুর রহমান মার্শাল, বদরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মাসুদ রানা, গঙ্গাচড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় সদস্য ও রংপুর মহানগর জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহবায়ক মোঃ ফারুক হোসেন মন্ডল, জাতীয় যুব সংহতি রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, জাতীয় যুব সংহতি রংপুর মহানগর আহবায়ক ইউসুফ আহমেদ, সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা হীরা, জাতীয় শ্রমিক পার্টি রংপুর মহানগর সভাপতি রাজু আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মজাহারুল ইসলাম মন্টু, জাতীয় ছাত্র সমাজ রংপুর মহানগর সভাপতি আমিনুল ইসলামসহ জাতীয় পার্টি রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

Read More »

এ দেশে আওয়ামীলীগের দোসরদের জায়গা হবে না….রংপুরে নুরুল হক নুর

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: গণঅভুত্থ্যান পরবর্তি বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের কোন জায়গা নাই, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আওয়ামীলী বাকশালীদের জায়গা নাই, তেমনি আওয়ামীলীগের দোসরদে জায়গা হবে না হবে না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরু। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নুরুল হক নুরু বলেন, আওয়ামীলীগের দোসররা যারা আস্ফালন দেখাচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলবো, গণহত্যাকারী আওয়ামীলীগের দোসরদের গ্রেফতার করে রংপুরসহ দেশের মানুষকে সস্তি দেয়ার আহবান জানাচ্ছি। প্রয়োজনে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও এই রংপুরের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটেনি। কোন সরকারই তিস্তা মহাপরিকল্পনা করে এই অঞ্চলের মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারে নাই। একটা ভালো চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান নাই, একটি বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে এই অঞ্চলে কাভার সম্ভব না, এই পিছিয়ে পরা রংপুরের ৪৭ শতাংশ মানুষই দরিদ্র। অথচ বাংলাদেশের মধ্যে কৃষিতে সম্ভাবনা অঞ্চল এই রংপুর। কৃষিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন শিল্পনীতি করে শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে হবে। রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম, মিষ্টি কুমড়াসহ ১০ টি পণ্য দেশের বাইরে যায়। তাই কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে এগিয়ে নিলে পুরো দেশ উপকৃত হবে। সাবেক ডাকসুর ভিপি নুর আরো বলেন, অন্তবর্তিকালীন সরকারের কাছে আহবান থাকবে, রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে। সংস্কার আর নির্বাচনের কার্যক্রম একই সাথে এগিয়ে নেয়া। বিগত ১৫ বছর দেখেছি, ভোটাধিকার হরণ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি। তাই গণঅভুত্থ্যান পরবর্তি এই বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়ে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি সাধন করা। নুরুল হক নুরু বলেন, এই জনসভার আগে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছি। তাই রংপুরতথা দেশের মানুষের কাছে আবেদন, আবু সাঈদকে ভুলবেন না। আবু সাঈদের নামে যেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। তাহলে তরুণরা আবু সাঈদকে ধারণ করে এই দেশের নেতৃত্ব দিতে পারে। বিভাগীয় সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য শেরে খোদা আসাদুল্লাহ্ এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ রাশেদ খান, মুখ্য আলোচক হানিফ খান সজিব, বিশেষ অতিথি কেন্দ্রের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, সহ-দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহীম খোকন, সহপ্রচার সম্পাদক সোহাগ হোসেন বাবু, সদস্য হাজী কামাল হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

Read More »