সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 13, 2024

মার্কিন যুদ্ধ জাহাজে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা : পেন্টাগন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা বাব আল-মান্দাব প্রণালী অতিক্রম করার সময় দুটি মার্কিন  ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও  ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। তবে যুদ্ধজাহাজগুলো হামলা প্রতিহত  করতে সক্ষম হয়েছে। পেন্টাগণ মঙ্গলবার এ কথা জানায়। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, হুথিরা ২০২৩ সালের নভেম্বরে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে জাহাজে হামলা চালাতে শুরু করে। একাধিক  দেশের বিভিন্ন গোষ্ঠী এসব হামলাকে গাজায় ইসরাইলের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের আঞ্চলিক বিস্তৃতির অংশ হিসেবে দেখছে। পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার সাংবাদিকদের বলেন, ‘মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো কমপক্ষে আটটি ড্রোন, পাঁচটি জাহাজ বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং তিনটি  ক্রুজ  ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়। তবে সেগুলোকে সফলভাবে পরাস্থ করা হয়েছে।’ সোমবারের ওই হামলা সম্পর্কে রাইডার বলেন, ‘জাহাজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি,  কোনো কর্মী আহত হয়নি।’ তবে তিনি জানান, হুথিরা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী হামলার দাবি অস্বীকার করেছে। তিনি জানান, ইয়েমেনি বিদ্রোহীরা বলেছে, গাজায় ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানে ফিলিস্তিনিদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলাস্বরূপ তারা হামলা চালাচ্ছে। তবে এসব হামলা একটি প্রধান শিপিং লেনকে হুমকির মুখে ফেলেছে।  ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামাসের হামলার পর গাজায় শুরু হওয়া ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযান লেবানন, ইরাক, সিরিয়া এবং ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির ভেতরে ক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ হুথিদের হামলা থেকে শিপিং রক্ষা করতে  সামরিক জাহাজ মোতায়েন করেছে, তবে আমেরিকান যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে সরাসরি  হামলার ঘটনা তুলনামূলক বিরল। হুথিদের শিপিং টার্গেট করার ক্ষমতা  হ্রাস করতে ওয়াশিংটনের বাহিনীও হুথিদের উপর ঘন ঘন বিমান হামলা চালানো অব্যাহত রেখেছে।

Read More »

গত তিন(৩) মাসে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে বাংলাদেশ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বাংলাদেশ গত তিন মাসে প্রবাসী নাগরিকদের কাছ থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে প্রবাসীরা গত তিন মাসে ৭.০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে’। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।  গত তিন মাসে মোট ২,২২,৮২১ বাংলাদেশী শ্রমিক বিদেশে গিয়েছিল। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড এর আওতায় ৪ হাজার ৪২৬ জন কর্মী বিভিন্ন দেশে গেছেন। প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে রিপোর্টে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালিন সরকার বিদেশে মারা যাওয়া অভিবাসী শ্রমিকদের পরিবারগুলোর প্রত্যেককে তিন লাখ করে টাকা দিয়েছেন। রিপোর্টে বলা হয়, আহত ও অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে তাদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা বাবদ ১.৮৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বিদেশে মারা যাওয়া অভিবাসী শ্রমিকদের পরিবারগুলোকে মৃতদেহ দেশে নিয়ে আসা এবং শেষকৃত্য পরিচালনার ব্যয় হিসেবে মোট ৪.৩২ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।  এছাড়াও, বিদেশে মারা যাওয়া শ্রমিকদের পরিবারের মধ্যে গত তিন মাসে ১২ কোটি ৩৯ লাখ টাকার বীমার অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। অভিবাসী শ্রমিকদের মেধাবী শিশুদের মধ্যে প্রায় ১.৯৭ কোটি টাকা শিক্ষাগত সহায়তা হিসাবে বিতরণ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, এ সময়ে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে আবাসন ঋণ হিসাবে ৯,৯৮৯ জন অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে মোট ২১৬.৩৩ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। পুনর্বাসন ঋণ খাত থেকে ৮১১ জন প্রবাসী শ্রমিকের মধ্যে ২২.৮৯ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ।  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রবাসী কর্মসংস্থান সংক্রান্ত কাজের সমন্বয়ের জন্য একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে অভিবাসী শ্রমিকদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং সহায়তা প্রদানে প্রবাসী সহায়তা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এদিকে, গত ৫ অক্টোবর ২০২৪ ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড (ডব্লিউইডব্লিউবি) মালয়েশিয়ার সোশ্যাল সিকিউরিটি বোর্ডের সঙ্গে (পিইআরকেইএসও) একটি সহযোগিতার স্মারক (এমওসি) স্বাক্ষর করেছে যাতে বাংলাদেশী অভিবাসী শ্রমিকরা মালয়েশিয়াতে পিইআরকেইএসও’র মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে।

Read More »

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় নতুন এক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো চাই : প্রধান উপদেষ্টা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জলবায়ু সংকট মোকাবেলা এবং পৃথিবী ও মানব কল্যাণকর নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে এক নতুন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো প্রয়োজন। আজ বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এলডিসি’র উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা একথা বলেন। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই রূদ্ধদ্বার বৈঠকে পাঁচটি প্রধান জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ স্বল্পোন্নত দেশ- নেপাল, মালাউই, গাম্বিয়া, লাইবেরিয়া ও বাংলাদেশের নেতারা যোগ দেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের একটি নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো দরকার, যা পৃথিবী ও মানুষের জন্য কল্যাণকর হবে।’ একইসঙ্গে বিশ্বের তরুণদের জন্য একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ‘সামিট ফর দ্য ফিউচার’-এর প্রতিও সমর্থন জানান তিনি। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা এমন অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করেছি, যার ভিত্তি হচ্ছে- ভোগ, ভোগ আর ভোগ। এটি শুধু বর্জ্য, বর্জ্য ও বর্জ্য উৎপাদন করে। আমাদেরকে শূন্য বর্জ্যের বিশ্ব গড়তে হবে।’ প্রতি বছর কপ জলবায়ু সম্মেলন করা উচিত নয় উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিশ্বের কী প্রয়োজন, তা আমরা জানি এবং এর জন্য আমাদের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা উচিত। এটি দেশ অনুযায়ী হওয়া উচিত। আমাদের দীর্ঘমেয়াদি (বর্জ্য) অপসারণের পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতি বছর এখানে জমায়েত করার দরকার নেই। প্রতি বছর আলোচনার জন্য মিটিং করা সময়সাপেক্ষ, অপচয়কর ও অপমানজনক।’ প্রধান উপদেষ্টা বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বের বেশিরভাগ চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে জলবায়ু আলোচনার জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান জানান। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে স্বল্পোন্নত দেশগুলো সবচেয়ে বড় অবিচারের সম্মুখীন হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের বলতে চাই যে আমরা আপনাদের বিষয়ে গুরুত্ব দেই। জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমনের জন্য একটি বৃহত্তর তহবিল সংস্থান করতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে জোরালো আলোচনা এবং `ঐকান্তিক প্রক্রিয়া’ গড়ে তুলতে হবে।’

Read More »

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন শ্রেণির একাধিক বই পরিমার্জনের কাজ করছেন। সেখানে ইতিহাস-সংক্রান্ত বই বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ে’ স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বলছে, বিগত সরকারের সময়ে ইতিহাসকে এককেন্দ্রিক করে ফেলা হয়। সে কারণেই এবার পরিমার্জন হচ্ছে। এ ছাড়া যার যতটুক অবদান সেই অনুযায়ী মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দীসহ অন্যরাও স্থান পাবেন। আর বাংলা সাহিত্যে ‘বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান’ আবু সাঈদ ও মুদ্ধের গল্প এবং আন্দোলনের গ্রাফিতিও অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যদিকে একাদশ শ্রেণির বাংলা সাহিত্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, অধ্যাপক জাফর ইকবালসহ চারজন লেখকের লেখা বাদ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা যখন সরকারে ছিল, তখন পাঠ্যপুস্তকের পরিমার্জন করেছে। নিজেদের মতাদর্শ সূক্ষ্মভাবে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়েছে। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে করা হয়নি। ফলে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও সরকারের যাত্রা আর বিদায়ের মতো পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস-সংক্রান্ত তথ্য হয় অন্তর্ভুক্তি না হয় বাতিল হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঠিক ইতিহাসটা পাঠের সুযোগ দিতে হবে। একই বিষয়ের ইতিহাস বারবার পরিবর্তন হলে তারা বিভ্রান্ত হয়। তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’ যা যা পরিবর্তন হচ্ছে চতুর্থ শ্রেণি থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্য হিসেবে ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বইয়ে পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই বইয়ের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অধ্যায়ে ‘২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা’ অংশ পরিবর্তন করে ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে। আর টেক্সট হতে পারে ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ২০০ আর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আবার স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা বইয়ের বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাসও পরিমার্জন করা হচ্ছে। যে এতে শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর প্রবন্ধ ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও মহাদেব সাহার লেখাও বাদ পড়ছে। এনসিটিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলা সাহিত্যে ‘বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ যোগ করা হয়েছে। থাকবে একটি কবিতাও। এ ছাড়া যুক্ত করা হবে আন্দোলন চলাকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অঙ্কিত গ্রাফিতি। বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় বিভিন্ন ধর্মীয় বাণী, চিরন্তন সত্য প্রবাদ থাকবে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘আমার পথ’ প্রবন্ধ বাদ দিয়ে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধ ও বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা ‘গৃহ’ গল্প বাদ দিয়ে ‘অর্ধাঙ্গী’ গল্প সংযোজন করা হবে বলে জানা গেছে। তথ্য. সুত্রে।

Read More »

তোপের মুখে গাড়ি রেখে সারাহ কুককে নিয়ে হাসপাতাল ছাড়েন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে আহতদের দেখতে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) গিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় অন্য গাড়িতে করে হাসপাতাল ছাড়েন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার। আজ ১৩ নভেম্বর বুধবার সকাল ১১.৩০ মিনিটে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) আন্দোলনে আহত ছাত্র জনতার চিকিৎসা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। তারা হাসপাতালের ডাক্তার এবং ভর্তিকৃত রোগীদের সাথে কথা বলেন। উল্লেখ্য ৫ নভেম্বর থেকে নিটোরে যুক্তরাজ্যের দুইজন ডাক্তার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ছাত্র জনতার চিকিৎসা করছেন। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনার আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় হাসপাতালের ৪ তলায় প্রত্যেকটি রোগীর খোঁজ খবর নেন এবং তাদের সাথে বিস্তারিত কথা বলেন। জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) পরিচালক নিটোরের পরিচালক ডা. কাজী শামীম উজজামান জানান, যুক্তরাজ্য থেকে আসা দুইজনের চিকিৎসক টিম হাসপাতালে আহত ৮৫ জন রোগীকে দেখেছেন। যুক্তরাজ্যের চিকিৎসক টিম আজ পর্যন্ত ১৬ জনের সার্জারি করেছেন এবং আগামীকাল আরো দুইজনের সার্জারি করবেন। তারা আমাদের চিকিৎসা প্রটোকল ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট। হাসপাতালের ৪র্থ তলায় পরিদর্শন শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনার সেখানেই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ভিড়ের মধ্যে গায়ে হাত দেয়ার অভিযোগ করে একদল মানুষ অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, হাইকমিশনার অফিসসহ সকলে তাদের বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও তারা কর্ণপাত করেন নি। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা ছাড়াই চলে আসতে বাধ্য হন। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং ব্রিটিশ দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »