সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 21, 2024

মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কমিটি পুনর্গঠন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। বুধবার (২০ নভেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত দুইটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজমকে চেয়ারম্যান করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল পুনর্গঠন করেছে সরকার।  প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২২ অনুসারে সরকার আগামী তিন বছরের জন্য এই ১১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল গঠন করেছে।  কাউন্সিলে চেয়ারম্যান ছাড়া অন্য সদস্যরা হলেন,  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান বীর উত্তম, ক্যাপ্টেন (অব.) নুরুল হুদা, মেজর (অব.) সৈয়দ মুনিবুর রহমান, মেজর (অব.) কাইয়ুম খান, ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক আহমেদ খান, হাবিবুল আলম বীর প্রতীক এবং খ ম আমীর আলী। এছাড়া সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক।  অন্যদিকে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ৯ সদস্যের নির্বাহী কমিটিতেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টাকে সভাপতি করা হয়েছে। মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান বীর প্রতীক, মনোয়ারুল ইসলাম, কর্নেল (অব.) মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, মেজর (অব.) মিজানুর রহমানকে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। অর্থ বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবেরা কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকবেন। তথ্য সুত্রে.

Read More »

সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রধান উপদেষ্টার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২১ নভেম্বর, ২০২৪ খৃ. – প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল বীর শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা আজ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এসময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধান উপদেষ্টাকে সালাম জানান। এসময়  বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। প্রধান উপদেষ্টা সেখানে রাখা দর্শনার্থীদের বইয়েও স্বাক্ষর করেন। এর আগে শিখা অনির্বাণে পৌঁছলে সেখানে তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অধ্যাপক ইউনূসকে স্বাগত জানান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক হামলা চালায়। স্বাধীনতার পর থেকে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

Read More »

রংপুরে বিএনপি নেতা কাওছার জামান বাবলার সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম রংপুরে বিএনপি নেতা আলহাজ্ব কাওছার জামান বাবলার সংবাদ সম্মেলন। গতকাল বুধবার (২০ নভেম্বর) সকাল ১১টা রংপুর মহানগরীর প্রেসক্লাব সংলগ্ন সুমি কমিউনিটি সেন্টার সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা কাওছার জামান বাবলা বলেন, আমি বিগত ২০২২ সাল রংপুর ৩ আসন থেকে সংসদ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নির্বাচন না করার প্রেক্ষিতে আমি নির্বাচন করা থেকে বিরত থাকি। ঠিক একই ভাবে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০১২ ও ২০১৭ সালে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেন। আমি ওই নির্দেশনাকে মেনে নির্বাচন করা থেকে বিরত থাকি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সুদিন এবং দুর্দিনে আমি দলের সাথে ছিলাম এবং অছি আগামীতেও থাকবো। আমার বিরুদ্ধে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে বহুবার জুলুম, নির্যাতন হয়েছে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পটপরিবর্তনের আগে এবং পরে আমি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত আছি। একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা যড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমার পৈতৃক বাড়ী রংপুরের পুরাতন শহর মাহিগঞ্জে। দীর্ঘদিন থেকে এখন পর্যন্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে আমাদের রয়েছে সুসম্পর্ক। ঈদ – পূজা পার্বন আমরা সবাই মিলেমিশে একসাথে পালন করে থাকি। কোন হিন্দু সম্প্রদায় বলতে পারবে না, আমি কখনো তাদের উপর জুলুম, নির্যাতন করেছি। গত ৫ই আগস্ট বৈষমা বিরোধী হাত জনতার আন্দোলনে যারা দেশের জন্য আত্মহুতি দিয়ে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি আমি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। যারা এখনো দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের সকলের সু-স্বাস্থ্য কামনা করছি এবং তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করছি। এই আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগসহ শরীকদল বারা নির্বিচারে ছাত্র জনতার প্রতি গুলি চালিয়েছে ,আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি। যারা অন্যায়কারী তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। গত ১৩ নভেম্বর ২০২৪ মাহিগঞ্জ থানা বিএনপির নেতা মামুনুর রহমান কর্তৃক থানায় ১৮১ জনের নামে যে মামলাটি করেছে তাতে করে অনেকেই এই মামলার সাথে জড়িত নয়। উক্ত আসামীদের হয়রানি ও প্রতিশোধমূলক মামলাটি করেছে তা ন্যাক্কারজনক । এই বিএনপি রাজনীতির কারণে আমার বৃহত্তর এজাক্স জুট মিলস লিঃ, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর মধ্যে ৮১ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত সেই মিলে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমার মিলে আমাকে ঢুকতে দেওয়া মনুনাই। খুলনার প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা মুন্নিজান সুফিয়ানের লোকজন দখল করে নেয় । পরে আমি মিল ফেরত পাই। আমাকে মামলার বাদী তিনি বলেছেন আমি ২৫ জনের নাম দিয়েছি। কিন্তু সেখানে ১৮১ জনের নাম কিভাবে হলো তা আমি জানিনা। গত ১৮ই নভেম্বর ২০২৪ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি রংপুর মহানগর কমিটির আহবায়ক সামদুজ্জামান সামু সংবাদ সম্মেলন করে আমাকে নিয়ে যে ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য দিয়েছে তা উদ্দেশ্যে প্রনোদিত ও বানোয়াট । মামলার বাদী মামুনুর রহমান স্বীকার করেছেন তাকে দিয়ে মামলাটি করানো হয়েছে। সত্য ঘটনাটি তা রংপুরের জনগণ, সাংবাদিক, গণমাধ্যম কর্মী, সোস্যাল মিডিয়ায় দেখেছেন তার বক্তব্য তিনি বলেছেন তাকে দিয়ে মামলা করানো হয়েছে। আপনারা জেনে রাখবেন রাজনৈতিকভাবে আমার রাজনৈতিক মামলা রংপুরে ৩টির মধ্যে খুলনা থানায় ২টি মামলা। ঢাকা পল্টন থানায় ২০১৬ সালে বিস্ফোরক ও জঙ্গী মামলাসহ আমার বিরুদ্ধে মোট ৭টি মামলা হয়েছে। কোটা আন্দোলনের সময় ২২ জুলাই ২০২৪ আমাকে গ্রেফতার করে রংপুর কারাগারে প্রেরণ করে। ৫ই আগস্ট স্বৈরাচার ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকার বিদায়ের পর ৬ই আগস্ট আমি রাত ১০ টায় কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাই। মাহিগঞ্জের হিন্দু সমাজ ভয়ভীতি ও অবস্থান করছে এটা মোটেও সত্য নয়। গত শনিবার মাহিগঞ্জ পরেশনাথ মন্দিরে ১৫দিন ব্যাপী রাসমেলার উদ্বোধন করেছি আমরা। এখানে শত শত মানুষ উপস্থিত ছিল হিন্দু সমাজের সুধীজন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সুদিনে আমার আগমন ঘটেছে এটা কি সত্য। আমার বিরুদ্ধে ৭টি মামলা চলমান তাহলে আপনারাই বলুন আমি কি দলের কেউ নই। বিগত দিনে এবং বর্তমান পেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে আছি এবং থাকবো। আমাকে রাজনীতি করতে দিবেনা সেটি আমার ব্যাপারে দল সিদ্ধান্ত নিবে। পাটপরিবর্তন ও দেশের মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করবো ইনশাল্লাহ।

Read More »

লেপ-তোশক তৈরির উপকরণ তুলা, কাপড় ও সুতার দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে আগেভাগেই দেখা দেয় শীত। সাধারণত অক্টোবরের শেষের দিক থেকে শীত অনূভুত হয়। নভেম্বরে শীত বেড়েছে। এ অবস্থায় লেপ-তোশক বানানোর ধুম পড়েছে রংপুরে। কেউ কেউ পুরোনো লেপ-তোশক ঠিকঠাক করিয়ে নিচ্ছেন। নিত্যপণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লেপ-তোশকের দামও। পাঁচ বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। এতে আগের মতো লাভের মুখ দেখছেন না বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। ৫ বছরে লেপ-তোশকের দাম বেড়ে দ্বিগুণ লেপ-তোশক তৈরির উপকরণ তুলা, কাপড় ও সুতার দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। কারিগরদের মজুরিও বেড়েছে। পাঁচ বছর আগে ৫ ফুট বাই ৭ ফুট সাইজের একটা জাজিম তৈরিতে খরচ হতো ১৮০০-২০০০ টাকা। এখন সেটাতে দাম পড়ে ৩০০০-৩৫০০ টাকা। আগে ৪ হাত বাই ৫ হাত সাইজের রেডিমেড লেপ বিক্রি হতো ৫০০-৬০০ টাকায়। এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯০০ টাকায়। অর্ডার দিয়ে বানানো একই সাইজের লেপের দাম ৯০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১২৫০-১৩০০ টাকা। আগে ৫ হাত বাই ৫ হাত সাইজের লেপের দাম ছিল ১১০০ টাকা। এখন তা ১৫০০-১৬০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। লেপের কভারসহ বিক্রি হচ্ছে ২১০০-২২০০ টাকা। বেতপট্টি রোডের খালেক বেডিং স্টোরের স্বত্বাধিকারী আলম পাঁচ বছর আগে ৬ বাই ৭ ফুট রেডিমেড তোশতের দাম ছিল ৬৫০-৭০০। এখন তার দাম বেড়ে হয়েছে ৯০০ টাকা। অর্ডার দিয়ে বানানো একই তোশকের দাম পড়বে ১২৫০-১৩০০ টাকা। লেপ বানানোর লাল শালুর গজ আগে ছিল ৩২-৩৫, এখন দাম বেড়ে হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা। তোশক বানানোর কাপড় আগে ২৫-২৮ টাকা গজ ছিল। এখন বেড়ে ৪০-৪৫ টাকা হয়েছে। জাজিম বানানোর কাপড়ের দাম ৬৫-৭০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯০-১০০ টাকা। ৫ বছরে লেপ-তোশকের দাম বেড়ে দ্বিগুণ ইসলাম জানান, তার কারখানায় এখন দৈনিক ১০-১২টি লেপ তৈরি হচ্ছে। শীত বাড়লে সংখ্যা আরও বাড়বে। এখন চারজন কারিগর কাজ করছেন। লেপ-তোশক-জাজিম তৈরির উপকরণের সঙ্গে বেড়েছে । হারাগাছ পৌর এলাকার লেপ-তোশক বিক্রেতা মধু মিয়া পাঁচ বছর আগে জাজিম তৈরিতে মজুরি ছিল ২০০ টাকা, লেপ ১২০ টাকা এবং তোশকের মজুরি ছিল ৮০-৯০ টাকা। এখন মজুরি বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। নগরীর কুটিরপাড়া এলাকার মৌসুমি ধুনকর আকরাম হোসেন জানান, এখন তার কারখানায় দিনে ৬-৭টি লেপ বানানো হচ্ছে। শীত বাড়লে ১৫-২০টি লেপ বানানো হবে। পাড়া এলাকার রাজু আহমেদ বলেন, নতুন লেপ কভারসহ বানাতে খরচ হয় ২২০০ টাকা। তাই পুরোনো একটি লেপ রিপেয়ারিং করতে দিয়েছি। সেখানে তুলার দাম বাদ দিলে খরচ পড়বে ১৬০০ টাকা।

Read More »