সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: February 18, 2025

রংপুরের গংগাচড়ায় এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর জেলা গংগাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে পারভেজ হোসেন (২৫) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) সংবাদ কর্মীরা দুপুরে আলদাতপুর কাচারীপাড়া বড় ক্যানেল সংলগ্ন পানক্ষেতের পাশে যুবকের লাশ পাওয়া ঘটনা স্থলে গেলে স্থানীয় গ্রাম্য পুলিশ সুনিল চন্দ্র রায় জানান, আমি লাশটাকে দেখেছি। পুলিশ যখন লাশটার শরীর চেক করে তখন আমি উপস্থিত ছিলাম। তখন আমি দেখেছি লাশের পিঠে অনেক বড় একটা জায়গা কালো ও পায়ে ক্ষত দাগ আছে। এই ঘটনার বিষয়ে গংগাচড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ১৫/৬৭ মামলা সূত্রে ও মৃত পারভেজের মা বলেন, আমার ছেলে পারভেজ হোসেন রাজ মিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাইতো। কিন্ত গত ১২/০২/২০২৫ তারিখে আনুমানিক রাত ৯টার পরে পারভেজসহ আমরা পরিবারের সকলে খাওয়া-দাওয়া করতে থাকি। এমন সময় আমার ছেলের মুঠোফোনে এই (০১৩১৪-৪৯৯২৯১) নাম্বারে অপরিচিত এক নাম্বার থেকে ৮-৯ বারের মতো কল আসে। পারভেজ তড়িঘড়ি করে খাওয়া শেষ না করে কলটা রিসিভ করে কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে চলে যায়। সারারাত ও সকাল পর্যন্ত অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও পারভেজের কোন খোঁজখবর পাই না। পরের দিন দুপুর বেলা লোকমারফতে জানতে পারি পাশের এলাকায় আমার ছেলে লাশ পাওয়া গেছে। সেখানকার গ্রাম্য পুলিশ থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে মৃত পারভেজের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় লোকজনসহ লাশটি উদ্ধার করি একই সময়য়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে লাশটি উদ্ধারপূর্বক লাশের প্যান্টের ডান পকেটে থাকা পারভেজের মোবাইল ফোনটি জব্দ করে নিয়ে সন্ধ্যার দিকে গংগাচড়া মডেল থানায় লাশ নিয়ে যায় এবং পরের দিন সকালবেলা ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়ে দেয়। পরে লাশটি ময়না তদন্ত করে আমাদেরকে দিলে আমরা দাফন কার্য শেষ করি। এই বিষয়ে সুমন ইসলাম বলেন, আমি পারভেজের লাশ দেখেছি। ওর পায়ে তিনটা রড দিয়ে বাড়ি মারা চিহ্ন আছে। আমার মনে হয় পারভেজকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে। এ বিষয়ে গংগাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল এমরানকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন, পারভেজের মা বাদি হয়ে হত্যা মামলা করেছে। মামলাটির তদন্ত চলমান আছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মামলা কার্যক্রম শুরু হবে।

Read More »

এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির সাবেক কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে রংপুরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুর নগরীর ঐতিহাসিক পাবলিক লাইব্রেরী মাঠ থেকে জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামির উদ্যোগে দলের হাজার, হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে মিছিল বের হয়। জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের ছবি সম্বলিত ফেষ্টুন প্লাকার্ডসহ কয়েককিলোমিটার জুড়ে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলের আগে রংপুর নগরীর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির সাবেক কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রংপুর মহানগরের আমীর এটিএম আজম খান এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রংপুর ও দিনাজপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রংপুর জেলার আমীর গোলাম রব্বানীসহ ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ।এসময় বক্তারা বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার না থাকলেও তার সময় ক্যাঙ্গারু বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কারান্তরীন রয়েছে। অথচ ৫ আগস্টের পর দেশ ফ্যাসিজম মুক্ত হওয়ার পর অনেকেই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে। তবে জামায়াতের এই নেতাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না। বক্তারা, দ্রুত সময়ের মধ্যে এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি নিশ্চিত ও দলীয় নিবন্ধন এবং প্রতীক ফিরিয়ে দিতে অর্ন্তর্বতী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

Read More »

বাংলাদেশকে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি একসাথে দিতে সম্মত হয়েছে আইএমএফ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খৃ.- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশকে তাদের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের মধ্যে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি একসাথে দিতে সম্মত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘আগামী এপ্রিল মাসে নির্ধারিত রিভিউ মিশন এবং জুন মাসে আইএমএফ’র বোর্ড সভায় অনুমোদনের পর এ কিস্তি দু’টির অর্থ একসাথে আগামী জুনে ছাড় করা হবে।’  এতে বলা হয়, আইএমএফ ২০২৩ সালে বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করে যার তিন কিস্তি বাবদ ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে।  বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করা সাপেক্ষে আইএমএফ ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড় করে থাকে। বাজেট সাপোর্ট প্রোগ্রামের আওতায় যে সকল সংস্কার কার্যক্রম নেয়া হয় তার মধ্যে কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়ের চাইতে বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে। সে কারণে বাংলাদেশ সরকার এবং আইএমএফ যৌথভাবে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত দু’টি কিস্তি একসাথে ছাড়ের বিষয়ে সম্মত হয়। আইএমএফ চতুর্থ এবং পঞ্চম কিস্তির অর্থ একসাথে ছাড় করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। 

Read More »

আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য ‘অ্যাডভান্সড মেডিয়েশন ট্রেনিং’ সমাপ্ত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য বিরোধ নিষ্পত্তি (মেডিয়েশন) প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সহযোগিতায় অ্যাক্সেস টু জাস্টিস প্রকল্পের (এটুজে প্রজেক্ট ‘ডেভেলপমেন্ট অব মেডিয়েশন অ্যান্ড সিভিল লিটিগেশন প্র্যাকটিসেস ফর এনহান্সমেন্ট অব অ্যাক্সেস টু জাস্টিস প্রজেক্ট’) আওতায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এবং বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট জেএটিআই) অংশীদারিত্বে এ প্রশিক্ষণ জেএটিআইতে অনুষ্ঠিত হয়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে জড়িত এমন বিচারক, লিগ্যাল এইড অফিসার ও আইনজীবীদের জন্য ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক শিক্ষামূলক বিভিন্ন সেশনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশে কার্যকর বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইন ও বিচার বিভাগের সহযোগিতায় গত বছরের এপ্রিলে এটুজে প্রকল্প চালু করে জাইকা। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে, গত বছরের নভেম্বরে জেএটিআইতে এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক বিরোধ নিষ্পত্তি প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়। সম্প্রতি, প্রকল্পটি আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য ‘অ্যাডভান্সড মেডিয়েশন ট্রেনিং’র আয়োজন করে; যা বিচারক, লিগ্যাল এইড অফিসার ও আইনজীবীদের আরও দক্ষ করে তুলতে এবং বাংলাদেশের নাগরিক সমাজে বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে। অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে এবং বাস্তবমুখী ও উপযোগী উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি কৌশল ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়াতে এই উন্নত প্রশিক্ষণ কোর্সটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। জাপানের বিশ্বখ্যাত বিরোধ নিষ্পত্তি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর মিয়াতাকে মাসাকো প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে এ প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। গতবছর নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে আলোচিত বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে এই সেশনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য মেডিয়েটর হিসেবে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত জ্ঞান ও কৌশল শেখানো হয়; ছদ্ম-বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কিত বক্তব্য ও অনুশীলনের মধ্য দিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বোঝাপড়া আরও গভীর করা হয়। প্রকল্পের পাইলট জেলা হিসেবে নরসিংদী ও কুমিল্লা থেকে বিচারক, লিগ্যাল এইড অফিসার, আইনজীবী ও প্রযোজ্য বিচারিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ ৫০ জন অংশগ্রহণকারী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করার পর অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন প্রফেসর মিয়াতাকে মাসাকো। এই সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের এবং জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তোমোহিদে। জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তোমোহিদে এ প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে জাইকার দৃঢ় অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন; এবং ২০১৬ সাল থেকে বিচারিক মামলার জট কমানোর ক্ষেত্রে জাইকার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি, তিনি বিচারক, লিগ্যাল এইড অফিসার ও আইনজীবীদের জন্য বিরোধ নিষ্পত্তি (মেডিয়েশন) প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Read More »

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খৃ. – গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কাজ সুসম্পন্ন করার স্বার্থে কমিশনকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন এ কথা বলা হয়। গণমাধ্যমকে স্বাধীন, শক্তিশালী ও বস্তুনিষ্ঠ করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাব দেয়ার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন’ নামে গত ১৮ নভেম্বর একটি কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সিনিয়র সাংবাদিক কামাল আহমেদকে প্রধান করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন-অধ্যাপক গীতিআরা নাসরীন (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), শামসুল হক জাহিদ সম্পাদক, দ্য ফিন্যানসিয়াল এক্সপ্রেস ও প্রতিনিধি সম্পাদক পরিষদ, আখতার হোসেন খান, সচিব, নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব), প্রতিনিধি, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন ওনার্স (অ্যাটকো), সৈয়দ আবদাল আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব, ফাহিম আহমেদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, যমুনা টেলিভিশন ও ট্রাস্টি (ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার), জিমি আমির, সাংবাদিক ও আহ্বায়ক, মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্ক, মোস্তফা সবুজ, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি, দ্য ডেইলী স্টার, টিটু দত্ত গুপ্ত, ডেপুটি এডিটর, দা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও  আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি। নব্বই দিনের মধ্যে কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছিল। সরকার কাজের স্বার্থে সময় বৃদ্ধি করে আজ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

Read More »

বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠার অনেক আগেই ক্ষমতাচ্যুত সরকার সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন শুরু করে : জাতিসংঘ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খৃ. – গত বছর বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস (ওএইচসিএইচআর) তাদের তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলেছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠার আগেই ক্ষমতাচ্যুত সরকার সামরিক বাহিনীগুলোকে মোতায়েন করতে শুরু করেছিল। এতে বলা হয়েছে, ‘বিক্ষোভ সর্বাত্মক রূপ ধারণ করা এবং সহিংস হয়ে ওঠার অনেক আগেই সরকার র‌্যাব, বিজিবি এবং আনসার/ভিডিপি ব্যাটালিয়ন থেকে সশস্ত্র আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করে রেখেছিল, যার লক্ষ্য ছিল স্পষ্টতই সামরিক হস্তক্ষেপ ও প্রাণঘাতি শক্তি প্রয়োগ করা।’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও সশস্ত্র আওয়ামী লীগ সমর্থকদের দ্বারা সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের ঘটনাগুলো ‘যে কোনও মূল্যে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য, বেআইনি উপায়ে বিক্ষোভ দমন করার জন্য পরিকল্পিত প্রচেষ্টার ফলে ঘটেছে।’ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি ‘বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়েছে যে, জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকেই তৎকালীন সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব বিবেচনা করেছিল যে, বিক্ষোভকারীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক বিরোধীরা ‘অনুপ্রবেশ’ করেছে এবং বুঝতে পেরেছিল যে, বিক্ষোভ  অজনপ্রিয় সরকারের ক্ষমতায় থাকা অব্যাহত রাখার জন্য একটি গুরুতর রাজনৈতিক হুমকি হয়ে উঠতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘রাজাকার মন্তব্য’ করার কয়েকদিন আগেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে ও প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি ছাত্র আন্দোলন মোকাবিলা করতে ভয়ঙ্কর সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই নিয়োগ করে কঠোর অবস্থান নেবেন। এতে বলা হয়েছে যে, সরকারি কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতারা প্রকাশ্যে এই ধরণের পদক্ষেপের প্রতিধ্বনি করেছেন এবং ছাত্রদের বিক্ষোভ অবৈধ ঘোষণা ও ভয় দেখানো শুরু করে ‘এরপরে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভিত্তি তৈরি করেছেন’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে তৎকালীন সরকার ও আওয়ামী লীগ অব্যাহতভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করেছে, যারা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের মাধ্যমে বিক্ষোভ আন্দোলন দমন করার জন্য ব্যাপক সহিংস উপায় অবলম্বন করেছিল। প্রতিবেদন অনুসারে, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে শত শত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, হাজার হাজার লোক আহত হয়েছে, ব্যাপক সংখ্যায় নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটক হয়েছে, এবং নির্যাতন ও অন্যান্য ধরণের দুর্ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। ওএইচসিএইচআর বলেছে, বিক্ষোভ দমনের প্রাথমিক প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ও আশেপাশে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার চর্চায় অংশগ্রহনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র ছাত্রলীগ কর্মীরা নৃশংস আক্রমণ চালিয়েছিল। এই ধরণের আক্রমণে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ও সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ছাত্রলীগ কর্মীদের সংগঠিত ও প্ররোচিত করেছিল। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের সম্পর্কে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর পরিভাষা ব্যবহার করার প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ সভাপতি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ১৫ জুলাই থেকে ‘কোনো রাজাকার রাস্তায় থাকবে না’ এবং তিনি ছাত্র বিক্ষোভকারীদের মোকাবিলা করার জন্য ছাত্রলীগ ও অন্যান্য দলের কর্মীদের ‘নির্দেশনা’ দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ও সরকারের একজন সিনিয়র মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সহিংসতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আরও তিনজন মন্ত্রী উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ছাত্রদেরকে বিশ্বাসঘাতক ও রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত করে বলেছিলেন যে, ছাত্রদের আর প্রতিবাদ করার অধিকার নেই।’ এতে বলা হয়েছে যে, বিক্ষোভ অব্যাহত থাকাকালীন সশস্ত্র আওয়ামী লীগ সমর্থকরা যৌথভাবে বা নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে মিলিত হয়ে বিক্ষোভকারীদের উপর আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারা আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছিল। ‘হেলিকপ্টারগুলি ওপর থেকে বিক্ষোভকারীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছিল। পুলিশ ও র‌্যাব ভূমিতে অপ্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করেছিল, বিশেষ করে সামরিক রাইফেল ও প্রাণঘাতি গুলিভর্তি শটগান থেকে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি ছুঁড়ছিল যখন বিক্ষোভকারীরা কেবল রাস্তা অবরোধ করার চেষ্টা করছিল কিন্তু মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার কোনো হুমকি তৈরি করেনি।’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপের ফলে ‘অনেক বিক্ষোভকারী আত্মরক্ষার উপায় অবলম্বন করতে বাধ্য হয়েছেন’। ওএইচসিএইচআর বলেছে, ‘জনতার মধ্যে কিছু লোক সরকারি ভবন, পরিবহন অবকাঠামো ও পুলিশকে লক্ষ্য করে বেআইনি সহিংসতা শুরু করে, যার প্রতিক্রিয়ায় সরকার নির্বিচার ও অসঙ্গতভাবে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করেছে।’  

Read More »

রংপুরে সাংবাদিকের চুরিকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার গ্রেফতার -৩

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: দৈনিক দাবানল পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও রিপোর্টার্স ক্লাব রংপুর এর কোষাধ্যক্ষ আহসান হাবিব এর মটরসাইকেলটি ৩০ ঘন্টায় উদ্ধার ও ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, রিপোর্টার্স ক্লাব,রংপুর (পুরাতন বাটার গলি) এর সামনে রাখা ডায়াং বুলেট-১০০ সিসি কালো রংয়ের মোটরসাইকেলটি গত ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে চুরি হয়। সেই খবর সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ে। চুরিকৃত মটরসাইকেলটি রায়হান নামের যুবকসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জন মিলে নগরীর মুলাটোল আমতলা মোড়ে আসলে স্থানীয়রা গাড়িটি দেখতে পেয়ে তাদের আটক করে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী প্রতিবেদককে বলেন, ওই গাড়িতে করে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোহরা দিচ্ছিল তারা, এতে স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের আটক করে মারধর করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মটরসাইকেলটিসহ রায়হান নামের ওই যুবককে আটক করে। আটককৃত রায়হান রংপুর নগরীর শালবন নবী নগর এলাকার শহিদুল মিয়ার ছেলে। গ্রেফতারকৃত রায়হান এর দেয়া তথ্যমতে গতকাল ১৬ ফেব্রুয়ারী রবিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে মটরসাইকেল চোরদের হোতা শাওনসহ সন্দেহ জনক শুভ নামের অপর এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানার এসআই জিয়াউর রহমান প্রতিবেদককে বলেন, মোটরসাইকেলটি চুরি করে মুলাটোল থানা সংলগ্ন বাড়ি- সিদ্দিক ড্রাইভারের ছেলে শাওন ও শুভ। এরা দুজনেই শনিবার রাতে রিপোর্টার্স ক্লাব রংপুর এর সামনে থেকে গাড়িটি চুরি করে রায়হান এর নিকট ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে। এবং রায়হান ক্রয়কৃত গাড়িটি নিয়ে মুলাটোল এলাকায় মারামারি করতে এসে ধরা পড়ে। গত কয়েক সপ্তাহে সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠান থেকে পরপর তিনটি বাইক চুরি হওয়ার বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, সাংবাদিকদের মটরসাইকেল চুরি যাওয়া বিষয়টি অতি দুঃখজনক, আমরা বাকি চুরি যাওয়া গাড়িগুলো উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছি। এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি।

Read More »

রংপুরে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: সম্প্রতি, ম্যাটস, ডিএমএফ ইসুতে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কতৃক গৃহীত হটকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবং ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে রংপুরে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারী) সোমবার সকাল ১১টার রংপুর মেডিকেল কলেজে গেইট থেকে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ গ্রহন করেন আর্মি মেডিকেল কলেজ রংপুর, সর্বস্তরের চিকিৎসক সমাজ ও রংপুরে মেডিকেল কলেজের সকল শিক্ষার্থীবৃন্দ। মিছিলটি রংপুর মেডিকেল চত্বর হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে রংপুর জেলা সিভিল সার্জর কার্যালয়ের সামনে এসে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসুচী পালন করে।

Read More »

রংপুরে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ”জনতার অধিকার , আমাদের অঙ্গিকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ রংপর জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজনে ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারী) সোমবার বেলা ১২টায় নগরীর শাহী মসজিদ সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে নগরীতে আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে দলিয় কার্যালয়ে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম শিশির, ছাত্র অধিকার পরিষদ রংপুরের সাবেক সভাপতি রাকিবুল ইসলাম বাপ্পী, সাবেক দপ্তর সম্পাদক শাকিল হাসান, গণঅধিকার পরিষদের রংপুর বিভাগীয় সাংগনিক সমন্বয়ক হানিফ খান সজিব, রংপুর জেলা গণঅধকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব তোফায়েল আহমেদ তুষার, সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব রোবেল সরকার, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুল জলিল রতন, ছাত্রনেতা কাওসার , স্বপন, ইমরান, আজিজুল, ফারাবী, অখিনুর প্রমুখ।

Read More »