সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 8, 2025

রংপুরে সাংবাদিক সমাবেশে এম আবদুল্লাহনিজের মতাদর্শের সরকার থাকলেও চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ও লিখতে পারলেই সাংবাদিকদের দুর্ভোগ ও হতাশার মুক্তি মিলবে

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: দলবাজি পরিত্যাগ করে পেশাদারিত্বকে সমন্বিত রেখে কোন সরকারের লেজুরবৃত্তি না করে এমনকি নিজের মতাদর্শের সরকারের চোখে চোখ রেখে কথা লিখতে বলতে পারলেই আর্থিক ও এবং কমক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যান ট্রাস্ট্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ। শনিবার ( 8 নভেম্বর) রংপুর টাউন হলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের অনুদানের চেক বিতরণ উপলক্ষে সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষা ও কল্যাণে করণীয় এবং প্রস্তাবিত সংশোধনীসহ গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যান ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে বেলা ১২ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত এই সমাবেশে তিনশতাধিক গণমাধ্যম কর্মী অংশ নেন। রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালের সভাপতিত্বে ও আরপিইউজে সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নানের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের উপ-পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) এ বি এম রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবু সাঈদ,আরপিইউজে সভাপতি সালেকুজ্জান সালেক। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের সদস্য সচিব লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক আমাদের প্রতিদিনের সম্পাদক মাহবুব রহমান হাবু, সিটি প্রেসক্লাব সভাপতি স্বপন চৌধুরী, আরপিইউজে সিনিয়র সহ-সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক হুমায়ুন কবির মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব বাদশাহ ওসমানী, কোষাধ্যক্ষ ও যুগ্ম আহবায়ক মমিনুল ইসলাম রিপন, এনটিভির সিনিয়র রিপোটার একেএম ময়নুল হক, রংপুর রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন লিটন, নীলফামারী সাংবাদিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক শেখ রিপন ইসলাম, গাইবান্ধা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্র ময়নুল ইসলাম, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক জহির রায়হান, ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক, অবজারভার প্রতিনিধি লাবনী ইয়াসমিন লুনি, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল, বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক এসএম জাকির হোসাইন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক তারেক বাপ্পী, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুল, অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশেন সদস্য সচিব ফেরদৌস জয়, আরপিইউজে দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, মাহিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগ, সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন মখদুমী, মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রিপুল, কাউনিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, প্রেসক্লাব কাউনিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি আলতাফ হোসেন দুলাল, তারাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খবির উদ্দিন প্রামাণিক, বদরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি লুৎফর লোহানী শ্যামল, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সদস্য আবদুল হাকিম ডালিম, প্রেসক্লাব পীরগাছার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শহিদুল ইসলাম, পীরগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল বারি স্বপন, গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাহফুজুর রহমান, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাব সিনিয়র সহ সভাপতি হাসান আব্দুল মোলেক, কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হাসান শেখ তনা প্রমুখ। আবদুল্লাহ বলেন, আমরা যদি দলবাজি পরিত্যাগ করে পেশাদারিত্ব সমুন্নত রাখি। লেজুড়বৃত্তি থেকে বেরিয়ে আসি। দলের লেজুড়বৃত্তি থেকে বেরিয়ে আসি। দলীয় লেজুড়বৃত্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেই সাংবাদিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। আব্দুলাহ বলেন, ‘ একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার ঋণ আছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে। আজ আমি এই বক্তব্য দিতে পারতাম না যদি তিনি ক্ষমতার পাদদেশে এসে মিডিয়াকে উম্মুক্ত করে না দিতেন। কারণ বাকশাল কায়েম করে তখন চারটি পত্রিকা ছিল। সেই অবস্থা থেকে তিনি উম্মুক্ত করে না দিলে আমি সাংবাদিব হতে পারতাম না। তার প্রতি সেই শ্রদ্ধা আমার আছে। তার আদর্শের প্রতি আমার সম্মান আছে। কিন্ত একজন সাংবাদিক হিসেবে আমাদের হতে হবে নির্মোহ। আমি এখনও সরকারি চাকরিতে থেকেও যে কলাম লিখছি। সেখানেও আমি সঠিকটা লেখার চেস্চা করছি। এতটুকু সৎ সাহস থাকতে হবে। আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। ১০ বছর। তখন আমি প্রধানমন্ত্রী বিটে কাজ করেছি বেগম খালেদা জিয়ার সাথে। কিন্তু কখনও সেখানে কোন তদবির বাজি করি নাই। নির্মোহ সাংবাদিকতা করতে হবে। দলবাজির বাইরে থেকে। তা না হলে আমাদের সমস্যার সমাধান হবে না। ‘ আবদুল্লাহ বলেন, ‘ আপনার আদর্শ থাকবে। বিশ্বাস থাকবে। জামায়াতের আদর্শের সাথে আপনার মিল থাকতে পারে। বিএনপির আদর্শের সাথে আপনার মিল থাকতে পারে। অন্য যে কোন দলের আদর্শের সাথে আপনার মিল থাকতে পারে। অবশ্যই একজন মানুষ হিসেবে যেকোন আদর্শ আপনি লালন করতে পারেন। কোন দলের প্রতি আপনার দুর্বলতা থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু পেশার ক্ষেত্রে সেটার প্রভাব পড়তে পারে না। আবদুল্লাহ বলেন, ‘ অবিভক্ত ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আনোয়ার জাহিদ, তিনি একটি দলের প্রধান ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি পেশায় আসতেন। তখন তার কোন দল ছিল। না। তার আচরনেও কোন দলবাজি ছিল না। নির্মল সেন, তিনিও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন, অবিভক্ত বিএফইউজের সভাপতি ছিলেন। তিনি কখনও সাংবাদিকতা

Read More »

মহানগর মহিলা দলের সাথে রংপুর ৩ আসনের এমপি প্রার্থী সামসুজ্জামান সামুর নির্বাচনী সভা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ সামসুজ্জামান সামুর জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতৃবৃন্দের সাথে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে নগরীর মুলাটোল এলাকার তিলোত্তমা হোটেলে এই সভার আয়োজন করেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ সামসুজ্জামান সামু। এতে মহানগর, ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের মহিলা দলের নেত্রীবৃন্দসহ শতাধিক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দলের নারী নেতৃত্বের কৌশল নির্ধারণ ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সভায় বিএনপি মনোনীত রংপুর -৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু বলেন, “রংপুর বিএনপির ঘাঁটি, এই ঘাঁটির শক্তি হলো আপনাদের মতো নিবেদিত প্রাণ কর্মীরা। আমি বিশ্বাস করি, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলই মাঠে থেকে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করবে। নারী সমাজকে জাগিয়ে তুলতে পারলেই আমরা বিজয়ী হব।” তিনি আরও বলেন, “এই নির্বাচন কেবল একটি আসনের লড়াই নয় এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যুদ্ধ। বর্তমান সরকার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, আমাদেরকে সেই অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। সেই সংগ্রামে মহিলা দল হবে আমাদের প্রথম সারির সৈনিক।” তিনি মহিলা দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের ঘরে ঘরে যেতে হবে, নারী ভোটারদের সঙ্গে কথা বলতে হবে, বুঝিয়ে বলতে হবে কেন পরিবর্তন দরকার। নারীরাই পারেন সমাজে পরিবর্তনের সূচনা করতে। এসময় বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সুলতান আলম বুলবুল, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী এডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি,সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি কাউন্সিলর আরজানা সালেক, এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ১০ নং ওয়ার্ড মহিলা দলের সভাপতি শাহিদা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মোখছেলিনা মুন্নী, ১১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি সুমি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক এসমত আরা,১২ নং ওয়ার্ড খাদিজা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক সুমি আক্তার, ১৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি আয়শা বেগম, সাধারণ সম্পাদক সালমা বেগম,১৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি মনিরা খাতুন, সাধারণ সম্পাদক নীলা আক্তার, ১৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি রোজিনা বেগম, সাধারণ সম্পাদক কেয়া বেগম, ১৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি নারগিস বেগম, ২২ নং ওয়ার্ড সভাপতি তাহরিমা এমিলি, সাধারণ সম্পাদক মুস্তারী বেগম, ২৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি মুক্তা বেগম, ২৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি হেনা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক আফরোজা মনি,২৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি ইসমত আরা, সাধারণ সম্পাদক ফেন্সি বেগম, ২৬ নং ওয়ার্ড নারগিস পারভীন, সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস জেলি, ২৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি সুলতানা বেগম, সাধারণ সম্পাদক শিউলী বেগম,৩০ নং ওয়ার্ড সভাপতি সেলিনা বেগম,সাধারণ সম্পাদক রাশেদা বেগম প্রমূখ। এসনয় নারী নেত্রীরা বলেন, আমরা রংপুরে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য একটাই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারীর মর্যাদা রক্ষা। আসন্ন নির্বাচনে আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেব। নারীরা যখন মাঠে নামে, তখন কোনো শক্তিই তাদের ঠেকাতে পারে না। আমাদের কর্মীরা ইতিমধ্যে ওয়ার্ড পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। আমরা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচারণা চালাচ্ছি।”সভা শেষে উপস্থিত সবাই ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। সমাপনী বক্তব্যে রংপুর -৩ আসনের এমপি প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু বলেন,এই ঐক্যই আমাদের শক্তি। মহিলা দলই আগামী নির্বাচনে বিজয়ের সোপান তৈরি করবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে রংপুরকে আবারও গণতন্ত্রের দুর্গে পরিণত করি। সভা শেষে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান, করতালি ও উচ্ছ্বাসে তিলোত্তমা হোটেল প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। এতে মহানগর বিএনপি ও বিভিন্ন ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »