সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 7, 2026

সাফল্য দেখাচ্ছে ‘ই-বেইলবন্ড’, আরও ৭ জেলায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ

ল’ ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমানো এবং জামিননামা জালিয়াতি ঠেকাতে দেশের বিচার ব্যবস্থায় প্রথমবার চালু হওয়া ‘ই-বেইলবন্ড’ (ডিজিটাল জামিননামা) দাখিল পদ্ধতি অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। দেশের ৯টি জেলায় সফল বাস্তবায়নের পর তৃতীয় ধাপে আরও সাতটি জেলায় এই সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। নতুন জেলাগুলো হলো- বগুড়া, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনে জামিননামা দাখিলের এই পদ্ধতি চালু হওয়ায় মধ্যস্বত্বভোগীদের হয়রানি কমেছে। একই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যে আসামির মুক্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। তারা জানান, জনবান্ধব বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবগঠিত সরকারের আইনমন্ত্রী এই কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস বাসস’কে জানান, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যে এ কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট সাত জেলার জেলা ও দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে গত ৩ মার্চ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলার জিপি, পিপি এবং আইনজীবী সমিতির নেতাদের সঙ্গে ৪ মার্চ ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা করা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এসব সভায় সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বিচার ব্যবস্থাকে আধুনিক, জনবান্ধব ও হয়রানিমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। অতিরিক্ত সচিব খাদেম উল কায়েস বলেন, আশা করা হচ্ছে আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের দিকে বাছাই করা জেলাগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ই-বেইলবন্ড’ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ডিজিটাল জামিননামা বা ‘ই-বেইলবন্ড’ দাখিল পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কাজ করছেন।’ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ‘ই-বেইলবন্ড’ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর ব্যাপক সাড়া মিলছে। আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী এবং কারা প্রশাসন এই সেবার আওতা বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর আইনমন্ত্রীও এই প্রক্রিয়ার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. সাজ্জাদুর রহমান বাসস’কে বলেন, ‘দেশে প্রথমবার চালু হওয়া ‘ই-বেইলবন্ড’ পদ্ধতি আদালতপাড়ায় ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। বর্তমানে যেসব জেলায় এটি চালু আছে, সেখানে কার্যক্রমটি অত্যন্ত কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।’ তিনি জানান, আরও সাতটি জেলায় ডিজিটাল জামিননামা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনমন্ত্রী এই ডিজিটাল সেবার পরিসর বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ৯ জেলায় সাফল্যের চিত্র: আইন মন্ত্রণালয় সুত্র. গত বছরের ১৫ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই পদ্ধতি চালু করা হয়। সেখানে আশাতীত সফলতার পর গত ২১ জানুয়ারি দেশের আরও আটটি জেলায় এটি সম্প্রসারিত হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৯টি জেলায় মোট ১৯ হাজার ১৮৫ জন বিচারপ্রার্থী সরাসরি এই সেবার সুফল পেয়েছেন। এর মধ্যে এককভাবে নারায়ণগঞ্জে প্রায় ১২ হাজার এবং মানিকগঞ্জ, বান্দরবান, মৌলভীবাজার, শেরপুর, জয়পুরহাট, পঞ্চগড়, মেহেরপুর ও ঝালকাঠিতে ৭ হাজারের বেশি ডিজিটাল জামিননামা সম্পন্ন হয়েছে। জালিয়াতি রোধ ও দ্রুত মুক্তির সুযোগ: আইন মন্ত্রণালয় জানায়, প্রচলিত পদ্ধতিতে আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর জামিননামার (বেইলবন্ড) নথি কারাগারে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগত। আইনজীবী, আদালতের ক্লার্ক, নাজির ও পিয়নের মাধ্যমে হাতে হাতে ফাইল পাঠানোর কারণে জেলখানায় চিঠি পৌঁছাতে কয়েক দিন পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ হতো। ফলে জামিন পাওয়ার পরও আসামিকে অতিরিক্ত সময় কারাগারে থাকতে হতো এবং এই সুযোগে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য দেখা দিত। আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্মসচিব (প্রশাসন-১) মো. আজিজুল হক বাসস’কে জানান, ‘ই-বেইলবন্ড’ পদ্ধতিতে বিচারকের স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে বেইলবন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কারাগারে পৌঁছে যায়। এতে আসামির দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত হয় এবং জামিননামা জালিয়াতির সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের এক নথি অনুযায়ী, বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও যুগোপযোগী করতে ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারির মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ৪৯৯(৩) ধারায় অনলাইনে বেইলবন্ড দাখিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আরও জানান, এই আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে একটি আধুনিক ‘ই-বেইলবন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ তৈরি করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সারা দেশে এ ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়নে আইন মন্ত্রণালয়ের বিচার শাখা-৪ এর কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। এতে সরকারের অতিরিক্ত কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই বলেও জানান তিনি। যুগ্মসচিব আজিজুল হক জানান, আগে একটি জামিননামা সম্পন্ন করতে আদালত থেকে জেলখানায় পৌঁছানো পর্যন্ত ১৩টি ধাপ পার হতে হতো। ‘ই-বেইলবন্ড’ চালুর পর এখন মাত্র তিনটি প্রধান ধাপে কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘অর্থাৎ, আইনজীবী অনলাইনে জামিননামা জমা দেবেন। বিচারক সেটি যাচাই করে সরাসরি অনলাইনে জেলখানায় পাঠিয়ে দেবেন। এরপর জেল সুপার বা জেলার অনলাইনেই নথি যাচাই করে আসামির স্বাক্ষর নিয়ে মুক্তির ব্যবস্থা করবেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং বেইলবন্ড জালিয়াতির কোনো সুযোগ থাকছে না।’ অতিরিক্ত সচিব খাদেম উল কায়েস বলেন, ‘তৃতীয় ধাপে সাত জেলায় এই সেবা চালুর পর পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে। এ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের বিচার ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর আরও গতি পাবে।’ তথ্য সুত্রে.

Read More »

মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীদার গণমাধ্যম; সাংবাদিকদের সম্মানজনক ওয়েজবোর্ড জরুরি: তথ্য মন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৬ মার্চ, ২০২৬ খৃ. – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীদার গণমাধ্যম। এ শিল্পকে একটি সম্মানজনক পর্যায়ে নিতে হলে এবং মেধাবী পেশাজীবীদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সাংবাদিকদের জন্য সম্মানজনক ওয়েজবোর্ড নিশ্চিত করা অতি জরুরি। তিনি বলেন, একটা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিকেরও যে পরিমাণ কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা (জব সিকিউরিটি) আছে, অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সেই নিরাপত্তা নেই। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ইফতার মাহফিল পরবর্তী ডিআরইউ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘মালিকপক্ষ সাংবাদিকদের বেতন দিতে বাধ্য থাকবে না- এমন কোনো আইনের মধ্যে এই শিল্প চলতে পারে না। মালিকের লাভ হয়নি বলে একজন মেধাবী সাংবাদিকের বেতন হবে না, এটা হতে পারে না। এই সমস্যাগুলোর সমাধান না করলে গণমাধ্যম জগৎ কখনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পাবে না।’ জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং পত্রিকা নিবন্ধনের সামগ্রিক পরিস্থিতির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থেরই অংশ। তিনি বলেন, ‘সরকার কেবল প্রশংসা পকেটে ভরবে আর ভুলের সমালোচনার দায়িত্ব নেবে-তা হতে পারে না। মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীদার গণমাধ্যম, তাই সমস্যাটা আমাদের একই চশমা দিয়ে দেখতে হবে। রোগের ডায়াগনোসিস রাইটলি না হলে ট্রিটমেন্ট হবে না।’ মন্ত্রী গণমাধ্যম শিল্পের সমস্যা সমাধানে ঐকমত্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, অচিরেই সাংবাদিকদের সকল ইউনিয়ন ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় শুরু হবে। প্রতিটি সংগঠন থেকে ৩-৫ জন বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি চেয়ে তিনি বলেন, যাদের স্টাডি ও পর্যবেক্ষণ করার গভীরতা আছে, তারা যেন সমস্যার সঠিক চিহ্নিতকরণ ও কার্যকর সমাধান করার প্রস্তাব করতে পারেন। বিজ্ঞাপন ও সরকারি অনুদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘নীতিমালা বহির্ভূতভাবে সরকারি অর্থ খরচ করা যাবে না। আমি জমিদার নই যে, যাকে খুশি তাকে দেব। আমরা খুব দ্রুত একটা নীতিমালার মধ্যে ঢুকবই।’ প্রযুক্তিগত রূপান্তর নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়টি একটি ‘হাইব্রিড সিস্টেম’। কেউ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, কেউ আবার কলম ছাড়া চলতে পারছে না। এই বিবর্তনের যুগে পেশাদারিত্বের মান বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘শুধু নেতিবাচক কথা বললে হবে না, রাষ্ট্রকে ইতিবাচক প্রস্তাব করতে হবে। একাধিক প্রস্তাব থাকলে আমরা সেখান থেকে টেকসই সমাধান বেছে নেব।’ ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রীর কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাংবাদিকদের একটি বাস্তবসম্মত ওয়েজবোর্ড কার্যকর, সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন, বছরে দুই ঈদের ছুটি পাঁচদিন করে এবং অবসর ভাতা চালু করা এখন সময়ের দাবি। মন্ত্রী প্রস্তাবের বাস্তব সম্মত সমাধানে সকল অংশীজনের সঙ্গে শিগগিরই বসবেন বলে আশ্বস্ত করেন। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমসহ ডিআরইউ-এর সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ।

Read More »

দুর্নীতি মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৬ মার্চ): সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেলসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বার্তাটি স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য অনুরোধ করে সরকার তথ্য প্রকাশ করেছেন। মূলবার্তা: ‘সরকারের সকল স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’

Read More »

রংপুরে জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের আঞ্চল পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশ এবং জাতির কল্যানে জাতীয় সংসদে গঠন মুলক দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করবে। তিনি ৬ই মার্চ শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহানগর শাখার আয়োজনে জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর মহানগরী শাখার আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা মমতাজ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য ও রংপুর সদর -৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল। বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলাম রংপুর মহানগর সহকারী সেক্রেটারী ও রংপুর-১ গংগাচড়া আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, জামায়াতের রংপুর জেলা সেক্রেটারী মাওলানা এনামুল হক, জামায়াতের রংপুর মহানগর সেক্রেটারী আনোয়ারুল হক কাজল। এ সময় মহানগর সহকারী সেক্রেটারী আল আমীন হাসান, পেশাজীবি সাংগঠনিক থানা-২ এর আমীর অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, পরশুরাম থানা আমীর এডভোকেট মাহবুব আলম, মাহিগঞ্জ থানা আমীর মোহাম্মদ মোহসিন অলী, হাজীরহাট থানা আমীর বেলাল হোসেন, তাজহাট থানা আমীর এডভোকেট রবিউল ইসলাম, সদর উপজেলা আমীর মাওলানা মাজাহারুল ইসলাম, মহানগর তালিমুল কোরআন বিভাগের সভাপতি ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহজাহান সিরাজ, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের রংপুর মহানগর সভাপতি এডভোকেট কাওছার আলী অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, গত ১২ ই ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে দেশের সর্বস্তরের জনগন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ইসলামের পক্ষ্যে ব্যাপকভাবে ভোট দিয়েছে। মানুষের এই অকুন্ঠ ভালবাসা দিয়ে আগামীর সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে আমাদের নিরলস ভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বিগত সময়ে আমরা নির্বাচনী যুদ্ধ করেছি, এখন দেশপ্রেমিক খাঁটি মুমিন হিসেবে নিজেদের গড়ার যুদ্ধ করতে হবে। আমরা জনগনের সেবকের ভুমিকা পালন করবো। যে দায়িত্বশীল আমিত্ব পোষন করবেন, তিনি জামায়াতের সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তি বলে উল্লেখ করে মাওলানা হালিম বলেন, সংগঠনের সকল স্তরের জনশক্তিকে তাকওয়া অর্জনের জন্য পুরোদমে আত্নগঠন মুলক প্রশিক্ষন এবং কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে।

Read More »