সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: May 8, 2026

নিকার-এর ১২০তম সভা অনুষ্ঠিত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন ঢাকা, ২৫ বৈশাখ (৮ মে): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২০তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় আটটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় বগুড়া সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। সভায় জানানো হয়, বিদ্যমান বিধি অনুসারে অঞ্চলটি জনসংখ্যা, জনসংখ্যার ঘনত্ব, স্থানীয় রাজস্ব আয়, বাণিজ্যিক গুরুত্ব, ভৌত অবকাঠামোগত সুবিধাদি এবং আয়তন বিবেচনা করে সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মানদণ্ড অর্জন করেছে। বগুড়া পৌরসভার আয়তন ৬৬.৭৯ বর্গ কিলোমিটার। জনশুমারী ও গৃহগণনা ২০২২, অনুসারে বগুড়া পৌরসভার স্থায়ী জনসংখ্যা ৪,২২,৯০০ জন। প্রকৃতপক্ষে এ পৌরসভায় ১০ লাখ মানুষের বসবাস। বগুড়া পৌরসভার জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৬,০৮০ জন। সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হওয়ায় বগুড়া সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলাকে বিভক্ত করে এর ১৮টি ইউনিয়নের মধ্য হতে সাতটি (সাহারবিল, পূর্ব বড় ভেওলা, পশ্চিম বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, বদরখালী ও ভেওলা মানিকচর) ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘মাতামুহুরী’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলাকে বিভক্ত করে এর ১2 টি ইউনিয়নের মধ্য হতে পাঁচটি (ময়দানহাট্টা, শিবগঞ্জ (আংশিক), দেউলী, সৈয়দপুর ও মোকামতলা) ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘মোকামতলা’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলাকে বিভক্ত করে এর ২২টি ইউনিয়নের মধ্য হতে ছয়টি (রুহিয়া, আখানগর, রাজাগাঁও, ঢোলারহাট, রুহিয়া পশ্চিম ও সেনুয়া) ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘রুহিয়া’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলাকে বিভক্ত করে এর ২২টি ইউনিয়নের মধ্য হতে পাঁচটি (বড়গাঁও, বালিয়া, আউলিয়াপুর, দেবীপুর ও শূখানপুখুরী) ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ভূল্লী’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলাকে বিভক্ত করে এর ২১টি ইউনিয়নের মধ্যে নয়টি (বশিকপুর, দত্তপাড়া, উত্তর জয়পুর, চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, চরশাহী দিঘলী, মান্দারী ও কুশাখালী) ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘চন্দ্রগঞ্জ’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া ইউনিয়নের পেকুয়া মৌজা ও মেহেরনামা মৌজাকে নিয়ে পেকুয়া পৌরসভা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভায় বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম জাহাঙ্গীরাবাদ, জাহাঙ্গীরাবাদ, চাঁদনিয়া শিবগঞ্জ, উথলী, নারায়নপুর, সন্যাসী ধোন্দাকোলা; শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের নাটমরিচাই; এবং শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের আঁচলাই এই আটটি মৌজাকে শিবগঞ্জ পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করে শিবগঞ্জ পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী জনসংখ্যা, জনসংখ্যার ঘনত্ব, স্থানীয় আয়ের উৎস, অকৃষি পেশার শতকরা হার এবং এলাকার অর্থনৈতিক গুরুত্বসহ পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হওয়ায় শিবগঞ্জ পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

Read More »

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ০৮ মে ২০২৬ খৃ. – অপেক্ষা এবং সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতায় শুক্রবার বিকেলে বিজেপির নির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠকে মি. অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করেন অমিত শাহ। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে সর্বত্র একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন। বেশ কয়েকজনের নামও সম্ভাব্যদের তালিকায় ছিল এবং সেখানে যার নাম ঘিরে সবচেয়ে বেশি জল্পনা ছিল তিনি হলেন শুভেন্দু অধিকারী, যিনি চলতি বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে হারিয়েছেন- তাও আবার তার ‘ঘরের মাঠ’ ভবানীপুর থেকে। আরো কয়েকজন হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীর নাম ঘুরপাক খাচ্ছিল বটে, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবাইকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তারই নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার জন্য পর্যবেক্ষক হিসাবে কলকাতায় এসেছেন অমিত শাহ। তার সহকারী হিসাবে এসেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। সাধারণত কোনো রাজ্যে নির্বাচনের পরে পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার দায়িত্ব থাকে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের। তারা দলের নবনির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করেন এবং সেখানে বেছে নেওয়া হবে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন। শুক্রবার এই বৈঠকেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম উঠে এসেছে। বৈঠকের পর অমিত শাহ বলেন, ”পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটা প্রস্তাব এসেছিল। সব প্রস্তাবেই একটাই নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও দ্বিতীয় নাম আসেনি। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করছি।”

Read More »

কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস, ছিনতাই ঠেকাতে রাজধানীতে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসছে

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৮ মে, ২০২৬ খৃ. – সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা ও স্বস্তি ফেরাতে কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে রাজধানীতে নজরদারি বাড়িয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে মহানগরীতে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ডিএমপি জানিয়েছে, এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড অভিযান, পুলিশি টহল, বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। জানতে চাইলে ডিএমপি’র ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, নজরদারি বাড়াতে ঢাকা মহানগরীতে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা করা হবে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস ও ছিনতাই ঠেকাতে ৭শ’ সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। এগুলো স্থাপন করা হলে এই মহানগর আরও নিরাপদ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুর অপরাধপ্রবণ এলাকা হওয়ায় সেখানে আমরা আরও একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করবো। সম্প্রতি মোহাম্মদপুরের বসিলায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন করা হয়েছে এবং সেখানে যেখানে পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। এছাড়াও রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি), সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ও পেট্রোল ইন্সপেক্টর দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি’র ভারপ্রাপ্ত এই কমিশনার বলেন, অপরাধীদের ধরতে আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছি। মোহাম্মদপুর এলাকায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করেই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড করছে কিশোর গ্যাং সদস্যরা। আমরা তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবো। অপরাধীদের গ্রেফতার করাকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বাসস’কে বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড অভিযান বাড়ানো হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে। এগুলোর সহায়তায় চুরি-ছিনতাই রোধসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও যানজট নিরসনে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে। ডিএমপির বিভিন্ন এলাকা নজরদারির আওতায় আনতে নতুন একটি প্রকল্পের অধীনে সিসি ক্যামেরা কেনার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, আওতাধীন এলাকায় ডিএমপি বা সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৭১০টি এবং ‘ল অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটির মাধ্যমে- অর্থাৎ গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক বাড়ি মালিকদের সংগঠন বা সরাসরি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২শ’টি ক্যামেরা স্থায়ীভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যার কারণে ওই এলাকায় অপরাধ কমে এসেছে। স্থায়ী ক্যামেরার পাশাপাশি বিভিন্ন বড় উৎসব বা আয়োজনে অস্থায়ী ক্যামেরা বসানো হয় বলেও উল্লেখ করেন এই উপ-পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ, একুশে ফেব্রুয়ারি বা ২৬ মার্চের মতো ইভেন্টগুলো কেন্দ্র করে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী সিসি ক্যামেরা স্থাপন করি। যেমন, পহেলা বৈশাখে প্রায় পৌনে দুইশ’ ক্যামেরা অস্থায়ীভাবে বসিয়েছিলাম।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষে ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকায় কোনোটিতে ত্রুটি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গেই তা নজরে আসে। নষ্ট বা বিকল হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই মেরামত বা পরিবর্তন করে দ্রুত চালু করা হয়। অপরাধ দমনে সিসি ক্যামেরার ভূমিকা তুলে ধরে ডিসি নাসির বলেন, যে কোনো ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তে সিসি ক্যামেরা দারুণ কাজ করছে। কন্ট্রোল রুম থেকে আমরা যখনই কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখতে পাই, সেখানে রেসপন্স টিম পাঠিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তিনি আরও বলেন, ‘চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মারামারি রোধের পাশাপাশি রাজধানীর যানজট নিরসনেও এই ক্যামেরাগুলোর ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কার্যকর ভূমিকা রাখছে ডিএমপি’।

Read More »

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৭ মে, ২০২৬ খৃ. – আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের ছুটির আগে ২৩ ও ২৪ মে সরকারি অফিসসমূহ খোলা থাকবে। এছাড়া, মন্ত্রিসভা স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক উপস্থাপিত ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে। এ নীতিমালার উদ্দেশ্য হিসেবে সারাদেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেট সুবিধা সহজলভ্য করা, জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করা এবং নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহারবান্ধব টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। নীতিমালায় পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে কার্যকর ব্যবস্থাপনা মডেল এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মধ্যে টয়লেটের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে। ভৌত অবকাঠামো সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্পে নারীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া, বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য সব টয়লেটে সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই টয়লেটের বর্জ্য নদী, খাল, জলাভূমি বা অন্য কোনো জলাশয়ে ফেলে দূষিত করা যাবে না। সড়ক ও মহাসড়কের সুবিধাজনক স্থানে নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক পাবলিক টয়লেট স্থাপনে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ যৌথভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করবে। নীতিমালা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে বলেও মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে।

Read More »

আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৭ মে, ২০২৬ খৃ. – প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, নাগরিক তখনই কর দিতে আগ্রহী হবে, যখন সে বুঝতে পারবে করের বিনিময়ে রাষ্ট্র তাকে সেবা দিচ্ছে। রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে সামাজিক আস্থার সম্পর্ক তৈরি না হলে কর ফাঁকি ও কর জালিয়াতি কমবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে করদাতাকে এমন রসিদ দেওয়া হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে, তার দেওয়া করের কত অংশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় হয়েছে। আগামী বাজেট থেকেই এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর আশা করছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সিএ ভবনে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. তিতুমীর। ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস যৌথভাবে এ আলোচনার আয়োজন করে। ড. তিতুমীর বলেন, দেশে কর ফাঁকি ও কর জালিয়াতি বাড়ার পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি বড় কারণ। তার ভাষায়, ‘গোষ্ঠীতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় রাখবে, আর বিনিময়ে কর খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। কর ফাঁকি ও জালিয়াতির মূল শেকড় এখানেই।’ তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যা বিশ্বের অন্যতম নিম্ন হার। ‘উন্নয়নের বড় বড় বুলি আওড়ানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে করব্যবস্থার ভিত্তি দুর্বলই থেকে গেছে’-বলেন তিনি। কর ব্যবস্থায় ‘সংযুক্তি’ ও ‘বিযুক্তি’ দুই ধরনের সংস্কারের কথাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘বিযুক্তি’ মানে করদাতা ও কর্মকর্তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ কমিয়ে আনা, আর ‘সংযুক্তি’ মানে নাগরিককে জানানো-তার করের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার করের হার বাড়াতে চায় না; বরং অর্থনীতির আকার বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়াতে চায়। প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। ড. তিতুমীর জানান, সরকার ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য তিনটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। একই সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক খাতকে মূল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রণোদনা এবং এসএমই নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ উদ্যোগের মাধ্যমে সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সৃজনশীল অর্থনীতি বা অরেঞ্জ ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়ে শিল্পী, ডিজাইনার, গেম নির্মাতা ও ফ্যাশন উদ্যোক্তাদেরও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জরুরি। বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংক রিফাইন্যান্সিং স্কিম ও বিশেষ ঋণ কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান, অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ, আইসিএবি সভাপতি এন কে এ মবিন এবং দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বক্তব্য দেন।

Read More »

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে VA Tech Wabag Ltd–এর প্রধান নির্বাহীর বৈঠক

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে VA Tech Wabag Ltd–এর প্রধান নির্বাহীর বৈঠক ঢাকা, ২৪ বৈশাখ (৭ মে): স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আজ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে ভারতের চেন্নাইভিত্তিক বহুজাতিক পানি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান VA Tech Wabag Ltd–এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাইলেশ কুমারের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের পানি ব্যবস্থাপনা, পানি পরিশোধন প্রক্রিয়া এবং নিরাপদ পানির মান নিশ্চিতকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করে। তাই দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত ও মানসম্মত কাজ সম্পন্ন সম্পূর্ণ করাও জরুরি। মন্ত্রী আরো বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য আধুনিক পানি ও বর্জ্য পানি শোধন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তিনি দেশের নদ-নদীর দূষণ রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে বিশেষভাবে বুড়িগঙ্গা নদীর পানির মান নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করে তার আগের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

দেশে সৌরবিদ্যুতে বিপ্লব ঘটাতে নীতি সহায়তা দেবে সরকার : মন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক প্রসারে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। আজ রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার এক্সপো ২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টরকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সরকার যদি কোনো সেক্টরকে পলিসি সাপোর্ট ঠিকমত দেয় তাহলে সে সেক্টর দেশে বিপ্লব আনতে পারে। মন্ত্রী উদাহরণ টেনে বলেন, আশির দশকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পলিসি সাপোর্ট দিয়ে গার্মেন্টস সেক্টরের পাশে থাকায় এ খাতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হয়েছে। মন্ত্রী সোলার খাতে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যদি আপনাদেরকে পলিসি সাপোর্ট দেয়া হয় এবং রেগুলেশনগুলো আরো শিথিল করা যায় তাহলে আপনারাও সফল হতে পারবেন। তিনি বলেন, ইনভার্টার, ফ্রেম ইত্যাদির মতো সরঞ্জাম আমদানির বিষয়ে একটি সহজ ও কার্যকর ট্যাক্স কাঠামো তৈরির কাজ চলমান। যাতে উদ্যোক্তারা সহজে কিনে সোলার সিষ্টেম স্থাপন করতে পারে। মন্ত্রী আরো বলেন, ব্যাটারি স্টোরেজ ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারন কেবল দিনের বেলা বিদ্যুৎ উৎপাদন যথেষ্ট নয়। রাতে পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই ব্যাটারি ভূমিকা রাখতে পারে। সেই সাথে সরকার এমন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে চায়, যাতে উদ্যোক্তাদের করের চাপ কমে এবং সহজলভ্যভাবে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। সরকার আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে জোরালোভাবে কাজ করছে বলেও মন্ত্রী জানান। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রতিটি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহনের নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এতে বেসরকারি উদ্যোক্তা ও ভবন মালিক উভয়ই লাভবান হবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’র চেয়ারম্যান মুজাফফর আহমেদ, বাংলাদেশ এলিভেটর, এসকেলেটর অ্যান্ড লিফট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. শফিউল আলম উজ্জ্বল, বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ, ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) চেয়ারম্যান এম. আজিজুর রহমান এবং খাত সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার এক্সপো আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে ১২টি দেশের প্রায় ১৪০টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে এবং এটি শনিবার পর্যন্ত চলবে।

Read More »

১৩,৫৯৯ বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রধান সহকারী পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান : এনটিআরসি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপারিনটেনডেন্ট এবং সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে নিয়োগের জন্য আবেদন চলছে। এনটিআরসিএ (নন-গভর্নমেন্ট টিচার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি) কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তিন অধিদপ্তরের আওতায় থাকা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য আবেদনকারীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন শুরু হয়েছে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এবং চলবে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট। শূন্য পদের বিবরণ এনটিআরসিএর বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, তিন অধিদপ্তরের আওতায় মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি শূন্য পদ রয়েছে। বিস্তারিত বিভাজন নিম্নরূপ: মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি): মোট ১০ হাজার ২৭৮টি শূন্য পদ। স্নাতক পাস কলেজ: অধ্যক্ষ ৫৮৪, উপাধ্যক্ষ ৬২৭। উচ্চমাধ্যমিক কলেজ: অধ্যক্ষ ৭৬৮। মাধ্যমিক বিদ্যালয়: প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৯২৩, সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৮৭২। নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়: প্রধান শিক্ষক ৫০৪। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: মোট ১৪০টি শূন্য পদ। ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা: অধ্যক্ষ ১১০। ভোকেশনাল: সুপারিনটেনডেন্ট ৩০। (নোট: মোট ১৫০ বলা হয়েছে, কিন্তু বিস্তারিত ১৪০ উল্লেখিত; সম্ভবত সংশোধিত সংখ্যা।) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: মোট ৩ হাজার ১৩১টি শূন্য পদ। কামিল পর্যায়: অধ্যক্ষ ৩৪, উপাধ্যক্ষ ৫৩। ফাজিল পর্যায়: অধ্যক্ষ ২০২, উপাধ্যক্ষ ৩৪৩। আলিম পর্যায়: অধ্যক্ষ ২১৯, উপাধ্যক্ষ ৩৭৭। দাখিল পর্যায়: সুপারিনটেনডেন্ট ৮৯৯, সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট ১ হাজার ৪। আবেদনের পদ্ধতি আগ্রহী প্রার্থীদের এনটিআরসিএর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (ntrca.gov.bd) প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনা ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আবেদন ফরম পূরণের নিয়ম নিম্নরূপ: পদ নির্বাচন: শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুসারে যে পদে আবেদন করতে যোগ্য, সেই পদের বাটন সিলেক্ট করুন এবং ফরম পূরণ করুন। ডকুমেন্ট আপলোড: নিজের স্বাক্ষর (৩০০ × ৮০ পিক্সেল) এবং সদ্য তোলা রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ৩০০ × ৩০০ পিক্সেল) স্ক্যান করে আপলোড করুন। পদ উল্লেখ: বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদ নির্ধারণ করে ফরমে উল্লেখ করুন। আবেদন জমা দেওয়ার পর একটি ইউজার আইডি এবং অ্যাপ্লিকেন্টস কপি পাবেন। পরীক্ষার ফি প্রদান : ইউজার আইডি ব্যবহার করে টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে দুটি এসএমএস করুন: প্রথম এসএমএস: NTRCAH User ID পাঠান ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে PIN পাবেন। দ্বিতীয় এসএমএস: NTRCAH YES PIN পাঠান ১৬২২২ নম্বরে। ফি: ৩৫০ টাকা (আবেদন জমা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রদান করতে হবে)। পরীক্ষার বিবরণ নিয়োগ হবে পরীক্ষার মাধ্যমে। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় পাস করতে প্রত্যেক অংশে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। এমসিকিউ পরীক্ষা: ৮০ নম্বর, ১ ঘণ্টা সময়। ৮০টি প্রশ্ন, প্রতি শুদ্ধ উত্তরে ১ নম্বর, ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। অন্যান্য: শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর। সিলেবাস: বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা (আইন, বিধি, নীতিমালা), আর্থিক ব্যবস্থাপনা। অধিদপ্তর অনুসারে অতিরিক্ত বিষয়: সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনা (মাউশি), কারিগরি শিক্ষা (কারিগরি অধিদপ্তর), মাদ্রাসা শিক্ষা, কোরআন, হাদিস ইত্যাদি (মাদ্রাসা অধিদপ্তর)। এমসিকিউ উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। চূড়ান্ত মেধাক্রম ও প্রতিষ্ঠান পছন্দ অনুসারে টেলিটকের সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়োগ সুপারিশ করা হবে। আরও বিস্তারিত জানতে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। //তথ্যসূত্রে//

Read More »