সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 11, 2026

তারেক রহমানের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে রংপুরে চারা রোপণ ও বিতরণ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে রংপুর মহানগরীর ৯ নং ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন জাতীয়তাবাদী যুবদল রংপুর জেলার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য মো. লিটন পারভেজ। কর্মসূচির আওতায় তিনি বাহারকাছনা ঈদগাহ মাঠ, তপোধন ইউনিয়ন বায়তুল উলুম আলিম মাদ্রাসা, কাচনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিলমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিলমন মসজিদ ও মাদ্রাসা এবং রামগোবিন্দ শ্মশানসহ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষের চারা রোপণ ও বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য মো. ফজলুর রহমান বাদল, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. নজরুল ইসলাম দেওয়ানী, মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামিমুল হক শামীম, সারাই ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন মেম্বার, হারাগাছ থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. দুলাল মিয়া এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রায়হান ইসলাম রোমিওসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান। তারা বলেন, বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষাই করে না, বরং মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Read More »

আরপিএমপি কমিশনার আবদুল মাবুদ পারস্পরিক সম্মান ও সমন্বয়ই কার্যকর পুলিশ বাহিনী গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: নারী পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২৭ বাস্তবায়ন বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালায় তিনি একথা বলেন। পুলিশ কমিশনার বলেন, একজন নারী পুলিশ সদস্য হিসেবে নিজেকে কখনোই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারী কর্মকর্তারা পুলিশ সুপারসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করছেন। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের পদেও নারীরা দক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। ফলে নারী সদস্যদের নিজেদের সক্ষমতার প্রতি আস্থা রেখে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, চাকরির অংশ হিসেবে পোস্টিং বা বদলি একটি স্বাভাবিক বিষয়। এ নিয়ে অযথা উদ্বিগ্ন না হয়ে যেকোনো কর্মস্থলে দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। একজন পুলিশ সদস্যের পরিচয় তার কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। আবদুল মাবুদ বলেন, পেশাগত জীবনে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো দুঃসংবাদ পেলেও একজন পুলিশ সদস্যকে ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। আবেগ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা একজন দক্ষ পুলিশ সদস্যের গুরুত্বপূর্ণ গুণ। ‘সততা, পেশাদারিত্ব এবং যোগ্যতার প্রতি সম্মান’ -নীতিকে সামনে রেখে নারী ও পুরুষ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতামূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশ কমিশনার বলেন, শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য থাকলেও জ্ঞান, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নারীরা সমানভাবে সক্ষম। তাই নারী-পুরুষের পারস্পরিক সম্মান ও সমন্বয়ই একটি আধুনিক, মানবিক ও কার্যকর পুলিশ বাহিনী গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।এসময় নারী পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে নারী পুলিশবান্ধব বাজেট, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নারী সদস্যদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণ একজন সদস্যকে শুধু জ্ঞানসমৃদ্ধই করে না, বরং তাকে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তোলে। তাই প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করতে হবে। বক্তব্যের একপর্যায়ে আরপিএমপি কমিশনার নারী পুলিশ সদস্যদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য পুরুষ সহকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নারী পুলিশ সদস্যরা আমাদের সহকর্মী, আমাদের মা-বোনের প্রতিচ্ছবি। তাদের প্রতি সম্মান, সহনশীলতা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে হবে। নারী-পুরুষ সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের জনগণের সেবা এবং বাংলাদেশ পুলিশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন), বাংলাদেশ পুলিশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন ইউনিটের নারী পুলিশ সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

Read More »

রংপুরে বিদ্যুৎ-গ্যাসের মূ-ল্য-বৃ-দ্ধি ও প্রিপেইড মিটার বা-তি-লের দা-বিতে মানববন্ধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে রংপুর নগরীর মর্ডাণ মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বক্তারা অভিযোগ করেন, একের পর এক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থাকে জনভোগান্তির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় নগরীর মর্ডাণ মোড়ে এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ওহায়েদ আলী, আব্দুস সালাম মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুর রহিম মিয়া, মো. দুলাল মিয়া, মো. রমজান আলী, হাবিব মিয়া ও মো. গোলাম কিবরিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মানববন্ধনে ওহায়েদ আলী বলেন, “বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে এমন এক ধরনের বাণিজ্যিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে, অথচ মানুষের আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম সংকটে পড়েছে। জনগণের মৌলিক সেবাকে ব্যবসার পণ্যে পরিণত করা হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পুরো সমাজের ওপরই পড়বে।” তিনি আরও বলেন, “প্রিপেইড মিটার চালুর ফলে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন চার্জ ও কাটাকাটির কারণে মানুষ প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় বেশি অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে। জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সরকারের উচিত এ বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা।” অন্যান্য বক্তারাও বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস নাগরিক জীবনের অপরিহার্য সেবা। ঘন ঘন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনমানকে আরও কঠিন করে তুলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে নতুন করে ইউটিলিটি সেবার খরচ বৃদ্ধি জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। তারা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা বাতিলের দাবি জানান। মানববন্ধন থেকে বক্তারা অবিলম্বে বিদ্যুত ও গ্যাসের দাম কমানো সহ প্রিপেইড মিটার বন্ধের জোরালো দাবি জানান। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মানববন্ধন শেষে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

Read More »

রংপুর হরিণটারী সর্দারপাড়া বস-তভি-টা লু-ট-পাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর মহানগরীর হারাগাছ থানার হরিণটারী সর্দারপাড়া এলাকায় বসতভিটা ও জমি জবরদখল, হামলা, ভাঙচুর, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটপাটের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. তরিফুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। একই সঙ্গে থানায় অভিযোগ দিয়েও মামলা গ্রহণ না করার অভিযোগ এনে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মো. তরিফুল ইসলাম এর কন্যা বৃষ্টি আক্তার। লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, হারাগাছ থানার সারাই হরিণটারী এলাকার অজিহার রহমান, হেলাল মিয়া, দুলাল মিয়া, সুখতারা বেগমসহ কয়েকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই জেরে গত ৩ জুন সকাল ১১টার দিকে অভিযুক্তরা তাঁর পৈতৃক সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে তিনি ও পরিবারের সদস্যরা বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে তাঁকে গুরুতর আহত করে। তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে তাঁর বাবা আবু তালেব, স্ত্রী মুক্তারা বেগম, গর্ভবতী মেয়ে বৃষ্টি আক্তার ও জামাতা আরিফ মিয়াকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তরিফুলকে হারাগাছ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, তরিফুল ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ৪ জুন গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় তাঁর বাবা আবু তালেবকে মারধর করে আহত করা হয়। পরদিন ৫ জুন সকালে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গেলে অভিযুক্তরা বাড়িতে পুনরায় হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, টিন ও বেড়া খুলে নিয়ে যায় এবং নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন আসবাবপত্র লুট করে। ভুক্তভোগীর দাবি, হামলাকারীরা প্রায় চার লাখ টাকা নগদ অর্থ, তিন ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার এবং প্রায় সাত লাখ টাকার বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে। এছাড়া ঘরবাড়ি ভাঙচুরের মাধ্যমে আরও প্রায় দুই লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণে গড়িমসি করেছে। তিনি বলেন, প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রচ্ছায়ায় অভিযুক্তরা এলাকায় জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে পারছেন না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হারাগাছ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অশোক কুমার চৌহান বলেন, “ মামলা না নেয়ার অভিযোগটি সত্য নয়, ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের দুটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।” সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের দায়ের করা অভিযোগের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Read More »