সর্বশেষ
সর্বশেষ

Author: Desk Reporter

পর্যটক ও পূজারীদের নিরাপত্তায় সতর্ক থাকার নির্দেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর

কক্সবাজার, ৪ কার্তিক (২০ অক্টোবর) / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : পর্যটক ও পূজারীদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু। গতকাল কক্সবাজারের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভাগের প্রতি এ নির্দেশ দেন মন্ত্রী। স্থানীয় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিজয়া দশমীতে পর্যটক ও পূজারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের সর্বত্র অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হচ্ছে। কক্সবাজারের বিশাল সমুদ্র সৈকতে দেশের সর্ববৃহৎ দেবী দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি ছুটির এ সময়ে পর্যটক ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা বিধানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে। মন্ত্রী কক্সবাজার সদরের কালীবাড়ি, সরস্বতীবাড়ি, গোলদীঘির পাড়া, হরিজনপাড়া, বঙ্গপাহাড়, লাবনী পয়েন্ট মোড় এবং খুরুশকুলের রাস মন্দিরসহ প্রধান প্রধান পূজামণ্ডপগুলো ঘুরে দেখেন। তিনি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে পূজারী ও কক্সবাজারবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। এছাড়া, স্থানীয় পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাথে সমন্বয় রেখে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে দলীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। পরিদর্শনকালে কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না, জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান, পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পিআইডি //

Read More »

সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশটিকে গড়ি।’ ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম আলাদা হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্র সবার। এই রাষ্ট্রে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারেক রহমান বলেন, ‘ধর্মটা হতেই পারে আমার একটি ধর্ম, আপনার একটি ধর্ম। কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি আমাদের সবার। এই দেশটিতে আপনার যেমন অধিকার আছে, আমারও অধিকার আছে। এই দেশের প্রতি আপনার যেমন কর্তব্য আছে, আমারও এই দেশের প্রতি কর্তব্য আছে।’ সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর / রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও নাগরিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়া, ঠিক একইভাবে এই রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে আমাকেও নিরাপত্তা দেওয়া। আমাদের সবার দায়িত্ব হচ্ছে, আমরা একে অপরকে দেখে রাখব। আমরা একে অপরের সঙ্গে কাজ করে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই এই দেশের সন্তান, এই দেশের মানুষ, বাংলাদেশি। আমরা প্রত্যেকে মানুষ। এটি হচ্ছে আমাদের সবার আগের পরিচয়। এখানে উপস্থিত আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি।’ মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই যুদ্ধে যখন এই দেশের মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধীনতার সূর্যকে ছিনিয়ে আনার জন্য, তখন কিন্তু আমরা কেউ দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান। যুদ্ধের মাঠে কিন্তু এটা আমরা দেখিনি, কখনও জিজ্ঞেসও করিনি।’ সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র যখন হুমকির মুখে পড়েছিল, মানুষ যখন তার রাজনৈতিক অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য রাজপথে নেমে এসেছিল, তখনও কিন্তু আন্দোলনকারী একজন পাশের জনকে জিজ্ঞেস করেনি, ভাই আপনি কি মুসলমান, নাকি আপনি হিন্দু, নাকি আপনি বৌদ্ধ, নাকি আপনি খ্রিস্টান? সবাই সেদিন সোচ্চার ছিলাম মানুষের কথা বলার অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘চোখটা বন্ধ করলেই আমাদের চোখের সামনে সবগুলো দৃশ্য ভেসে ওঠে। গণঅভ্যুত্থানের সময় হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। কেউ কি আমরা কাউকে জিজ্ঞেস করেছি, ভাই আপনি কোন ধর্মের মানুষ?’ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব ধর্মের মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেদিন তো সব ধর্মের মানুষই ছিল। আজকেই আমি ওসমানী উদ্যানে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করে এসেছি। সেখানে তো হিন্দু মানুষও আছে, মুসলমান মানুষও আছে, বৌদ্ধও আছে, খ্রিস্টানও আছে। সবাই তো সেদিন জান কোরবানি দিয়েছেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।’ সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় ঢাকের তালে ঢালীরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এই দেশটির যদি পরিবর্তন ঘটে, এ দেশের মানুষের যদি পরিবর্তন ঘটে, তাহলে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, আমিও উপকৃত হব।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন যেমন দেখে না কোন ধর্মের মানুষ, যখন মানুষ ভালো থাকে, তখনও মানুষ দেখে না। শুধু দেখে আপনিও মানুষ, আমিও মানুষ।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, আমরা আমাদেরকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি। একজন আরেকজনকে আমরা চিনি, জানি এই দেশের নাগরিক, বাংলাদেশি হিসেবে।’ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের সব সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে একটি আনন্দের অনুষ্ঠান। আজকে এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে একটি মিলনমেলা।’ এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও বক্তব্য দেন। সুত্র. ইউএনবি/ পিএমও

Read More »

রংপুরের রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / রংপুর, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ খৃ. – রংপুরের রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পূজামণ্ডপে এসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দির কমিটির সভাপতি বাবতোষ সরকার বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ রংপুর জেলার সভাপতি রাম জীবন কুন্ড, রংপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার রায়, মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব পলাশ কান্তি নাগ। সকাল সাড়ে ৯টায় একটি সামরিক বিমানে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সৈয়দপুর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রউক) চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু ,বিভাগীয় কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রমুখ। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী রংপুর যাত্রা পথে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরসহ সড়কের দুই পাশে শত শত নেতা-কর্মী দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানায়। এরপর রংপুরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মসভা পূজামণ্ডপে আসেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপে প্রবেশ করে পূজারিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং হাত নেড়ে সনাতন সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পরে এটি তারেক রহমানের প্রথম রংপুর সফর। সৈয়দপুর থেকে রংপুর সড়ক পথে দুই ধারে হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থক সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানায়। গাড়ি থেকে প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দিতে দেখা গেছে। রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পূজার সূচি অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনের এ উৎসব। সুত্র. বাসস//

Read More »

রংপুরে প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে আগামী ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতালের ডাক

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : গ্রাহক শোষণ ও ভোগান্তির প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৬ রংপুর নগরীতে সকাল ৬ টা হতে বেলা ১২ টা পর্যন্ত অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি। গতকাল ১৯ অক্টোবর ২০২৬ বেলা ১২.৩০ টায় জেলা জজ আদালত চত্বরে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব এডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, এবিএম মসিউর রহমান, বিজয় প্রসাদ তপু, মাহফুজ হোসেন, মেহেদী হাসান তরুন, মাহবুব আলম, সানজিদা আক্তার প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে এডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ বলেন, সরকার কিংবা বিদ্যুৎ বিভাগ গ্রাহকদের সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা প্রদানের পরিবর্তে দফায় দফায় মূল্য বৃদ্ধি করছে। গ্রাহকদের প্রবল আপত্তি স্বত্তেও নেসকো কর্তৃপক্ষ জবরদস্তিমুলক কায়দায় নগরীর বাসা-বাড়িতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ অব্যাহত রেখেছে। এই প্রিপেইড মিটারের ফলে গ্রাহকদের ডিজিটাল মিটারের তুলনায় বর্তমানে দ্বিগুণ-তিনগুন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিগত সরকারের সময়কার ৩১ টি প্রকল্প বাতিল করা হলেও দুর্নীতি ও লুটপাটের প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাতিল করা হয়নি। তিনি আরো বলেন, বিগত সরকারের আমলে এই প্রিপেইড মিটার প্রকল্পের নামে শত শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম-দূর্নীতি ও লুটপাটের দায় জনগণের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে কার্যত আধুনিক প্রযুক্তির প্রিপেইড মিটারের নামে জনগণকে শোষণ করা হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। তিনি আরো বলেন,আমরা দীর্ঘদিন থেকে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ গ্রাহকদের ন্যায়সংগত দাবি আদায়ে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করছি কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ কিংবা সরকার সেটিকে কর্ণপাত না করে স্বেচ্ছাচারী কায়দায় সকল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এমনি পরিস্থিতিতে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল,পূর্বের ডিজিটাল মিটার পুনঃস্থাপন,বিদ্যুৎ খাতে দূর্নীতি ও লুটপাটের শ্বেতপত্র প্রকাশ, বিদ্যুৎ খাতকে বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধের দাবিতে আগামী ৩০ নভেম্বর রংপুর নগরীতে সকাল ৬ টা থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত অর্ধদিবস হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করছি। নেতৃবৃন্দ, আগামী ৩০ নভেম্বর হরতাল সফল করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

Read More »

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুর ধর্মসভা আগমনে নিরাপত্তা বেষ্টনী পরিদর্শন

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুর ধর্মসভায় শারদীয় দুর্গাপুজা মন্ডপ পরিদর্শনে আগমন উপলক্ষে রংপুর ধর্মসভায় নিরাপত্তা বেষ্টনী পরিদর্শন করেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসন। গতকাল (১৯ অক্টোবর ) সোমবার সকালে রংপুর ধর্মসভায় নিরাপত্তা বেষ্টনী পরিদর্শনকালে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংক্ষিপ্ত সফরে রংপুর আসছেন। বাংলাদেশে এই প্রথম একজন প্রধানমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাহিরে আসছেন। এজন্য আমরা রংপুরবাসী ও নেতাকর্মীরা খুব উজ্জীবিত। রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এ্যাড. মাহফুজ উন নবী ডন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি. রংপুর আগমনকে ঘিরে রংপুর সিটি কর্পোরেশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো নগরী জুরে ফুটপাত দখল মুক্ত, অবৈধ দোকান উচ্ছেদ। রোড ডিভাইডার রংকরণ, রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ধর্মসভা পরিদর্শনের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শারদীয় দূর্গা উৎসব সার্বজনীন। জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে এই উৎসব আমরা পালন করে থাকি। এই আনন্দ সবার। তিনি আরও বলেন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন,জেলা পরিষদ,এলইজিডিকে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন রংপুরের উন্নয়নের জন্য। আমরা সবাই মিলে রংপুরকে গড়তে চাই। গতকাল সকালে রংপুর ধর্মসভা প্রাঙ্গনে নিরাপত্তা বেষ্টনী পরিদর্শনকালে তারা সাংবাদিকদের এসব কথা জানান । এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, এসআরবি, রংপুর মেট্রোপুলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ, আনসার ভিডিপি, নৌবাহিনী, পিজিআর, এসএসএফসহ আইন শৃঙ্খরা বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা। এসময় ধর্মসভা মন্দির, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রংপুর ধর্মসভা কর্তৃপক্ষ বলেছেন, সনাতন হিন্দু সম্প্রদায় প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে আমরা সাধুবাদ জানাই। সবাই সম্প্রদায় সম্প্রিতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

Read More »

আরপিএমপি পুলিশের অভিযানে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার সহ গ্রেফতার -৫

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, আরপিএমপি তাজহাট থানা পুলিশের অভিযানে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার সহ ৫জন মোটরসাইকেল চোরকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল(১৯ অক্টোবর) সোসবার দুপুরে আরপিএমপি তাজহাট থানার আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আরপিএমপি তাজহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায়, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ), আরপিএমপি, রংপুর মহোদয়ের সার্বিক সহায়তায়, মোঃ রফিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, তাজহাট থানা এর তত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মঞ্জুরুল হক, এএসআই (নিরস্ত্র) মুনমুন হোসাইন, এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ নূর নবী সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ পুলিশি অভিযান পরিচালনা করে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ এবং দিনাজপুর জেলার ঘোরারঘাট থানা এলাকা হইতে আসামীদের গ্রফতার এবং তাদের দেখানো মতো উল্লিখিত মোটর সাইকেলগুলো জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয়। মামলার বাদী-মোঃ গোলাম রব্বানী (৪০), এনআইডি নং-৮৫১২৭৭৭৯১৪৮৯৩, জন্ম তারিখ-১১/০১/১৯৮৪ ইং, পিতা-মোঃ রুহুল আমিন, মাতা-মোছাঃ লাইলী বেগম, সাং-বাগডহরা, ডাকঘর-সাউদ পাড়া, থানা-গংগাচড়া, জেলা-রংপুর, এ/পি সাং- আলহাজ্বনগর দর্শনা, থানা-তাজহাট, রংপুর মহানগর রংপুর । গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন -১। মোঃ শাহিন মিয়া (৩২), পিতা-নুর মোহাম্মদ টুকু, মাতা-রশেনা বেগম, সাং-মাঝগ্রাম খন্দকারপাড়া, থানা-মিঠাপুকুর, জেলা- রংপুর, ২। মোঃ শিমুল মন্ডল (৩৫), পিতা-মৃত আব্দুল হক মন্ডল, সাং-পার্বতীপুর, ৩। মোঃ মিলন মিয়া (৩৫), পিতা-মৃত মজনু মিয়া, কাজীপাড়া, ৪। মোঃ হাসান মিয়া (২৮), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং-জাহাঙ্গীরাবাদ, ৫। মোঃ রাশেদ প্রধান (৩২), পিতা-এনামুল হক, মাতা-রাশেদা বেগম, সাং-ভগবানপুর, সর্বথানা-পীরগঞ্জ, জেলা-রংপুর। বাদীর চুরি যাওয়া উদ্ধারকৃত মোটর সাইকেল- ১। ০১ টি লাল রংয়ের অঢ়ধপযব ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, চেসিস নং- গউ৬২৪ঐঈ১৭এ২ঋ৩২৮৭৩ ইঞ্জিন নং- ঈ১ঋ৬২২৪৯৭৮, যাহার রেজিস্ট্রেশন নং-বরিশাল-ল-১১-৫২১৭, ২। রেজিঃ বিহীন ১ টি ঐবৎড় ঐঋ-উবষীঁব ১০০ সিসি মোটর সাইকেল, যাহার চেসিস-চঝ১ঐঅজ২৬৮খঔঅ০১৬০৬, ৩। ১ টি নীল রংয়ের রেজিঃ বিহীন পালসার, ১৫০ সিস মোটর সাইকেল, যাহার ইঞ্জিন নং-উঐণঈকঊ৪০৪৩৭, চেসিস নং- গউ২অ১১ঈণ৬কঈঊ৯২৯৫৯ ৪। ১ টি লাল-কালো রংয়ের রেজিঃ বিহীন পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল, যাহার চেসিস নং-গউ২উঐউঐততঝঈঋ৬৭১৫৭, ইঞ্জিন ঋজ-উঐএউঐই৬৩২৩৪, ৫ । ১ টি লাল-কালো রংয়ের রেজিঃ বিহীন পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল, ইঞ্জিন নং-উঐণডঔগ৯৬৭১৭, চেসিস নং গউ২অ১১৬ণঢঔডগ৯০৮১৯ । সুত্র ঃ আরপিএমপি এর তাজহাট থানার এফআইআর নং-১১, জিআর-১৯৪, তারিখ-১৯/১০/২০২৬ খ্রি., ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড, ১৮৬০।

Read More »

জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিতে ৭১ পুরানা পল্টন,

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, দেশের ভূমি সংক্রান্ত সেবাকে আধুনিক, সম্পূর্ণ হয়রানিমুক্ত এবং জনবান্ধব করে তুলতে আজ রাজধানীর ৭১ পুরানা পল্টনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। ভূমি ভবনে অবস্থিত প্রথম নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্রের অভাবনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এই দ্বিতীয় কেন্দ্রটি চালুর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে দ্রুত ভূমিসেবা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ভূমি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, আর ভূমির অধিকার রক্ষা ও সেবা প্রাপ্তি প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। আমাদের দেশে ভূমিসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে জটিলতা ও নানা অভিযোগ যুগ যুগ ধরে ছিল। সাধারণ মানুষকে এক টুকরো জমির জন্য বছরের পর বছর ভূমি অফিসের বারান্দায় ঘুরে বেড়াতে হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার গণমানুষের কষ্ট দূর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভূমিমন্ত্রী বলেন, এই ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো—নাগরিকদের সুবিধাজনক স্থানে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া, দ্রুততম সময়ে হয়রানিমুক্তভাবে ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়া। এই কেন্দ্রে এসে একজন নাগরিক পাবেন সঠিক পরামর্শ, খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও সেবা। কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর উপস্থিতি এখানে বরদাশত করা হবে না। ভূমিসেবায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, অতীতে ভূমিসেবাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষকে নানাবিধ ভোগান্তি ও জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হতো। ভূমিসেবাকে আরো জনবান্ধব করতে সরকার একের পর এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তিনি আরো বলেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যত সহজ হবে, জনগণের আস্থা ততই বৃদ্ধি পাবে। ভূমিসেবায় অনিয়ম ও হয়রানি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে এই কেন্দ্রটি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। সরকার এই সেবাগুলোর পরিধি ও মান বৃদ্ধি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্যের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রয়োজনে স্বাস্থ্য বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৩ কার্তিক (১৯ অক্টোবর) ২০২৬ খৃ. – স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সিংহভাগ ক্যানসার চিকিৎসায় বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন ও চালুর ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা হবে। পাশাপাশি এসব যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় উদ্যোগ নেওয়া হবে। মন্ত্রী আজ ঢাকায় মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ‘জাতীয় ক্যান্সার সম্মেলন ২০২৬’ -এ ‘সবার জন্য ক্যান্সার সেবা: প্রতিরোধ, নির্ভুল চিকিৎসা, উপশমমূলক পরিচর্যা ও নীতিনির্ধারনের সমন্বয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে দ্রুত রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে রোগীরা নিজ দেশেই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন। তিনি বলেন, দেশে এসব আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও টেকনোলজিস্ট রয়েছে। প্রয়োজনে আগামী তিন মাস তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে নতুন প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। স্বাস্থ্য খাতে অতীতের অব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরের শাসনামল স্বাস্থ্য খাতকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে। এখন এখাতে কারো গাফিলতি সহ্য করা হবে না। দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চাকরি থাকবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফারহাদ হালিম ডালিম, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ খালেকুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান প্রমুখ।

Read More »

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে ঢাকা মহানগরীর ২০টি জোনে গঠিত হচ্ছে বিশেষ কমিটি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অনুশাসন অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদারকরণ, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক মোট ২০টি জোনে ২০টি বিশেষ তদারকি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তরে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণে ১০টি কমিটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন। জোনাল কমিটিগুলোতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা, মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মেডিকেল উইং ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধি যুক্ত থাকবেন। কমিটির সাথে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদারকরণ, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে এক পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। এছাড়া, ২০টি জোনাল কমিটির সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে এক উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। এই মনিটরিং কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা, ঢাকা ওয়াসা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এ সকল কমিটি সরেজমিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খালের সীমানা চিহ্নিতকরণ ও খননকাজ জোরদার করার পাশাপাশি মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। উক্ত পর্যালোচনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ শহীদুল হাসান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

ঢাকার শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপন/স্থানান্তরের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২ কার্তিক (১৮ অক্টোবর) ২০২৬ খৃ. – বাংলাদেশ সচিবালয়ের বর্তমান অবস্থানে ১৭.৫৭ একর জায়গায় মোট ১৩টি ভবন আছে, তন্মধ্যে ৮টি ভবন স্বাধীনতা-পূর্বকালে নির্মিত। সচিবালয়ের পুরোনো ১ ও ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবনসমূহ ১৯৩৭ হইতে ১৯৩৯ সালে, ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হওয়ায় ভূমিকম্প সহনীয় হিসেবে নির্মিত হয়নি। ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় উক্ত স্থাপনাসমূহে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, ভবনসমূহে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারযোগ্য পর্যাপ্ত স্পেস না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। ভবনসমূহে পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়াশ-ব্লক নেই, ধারণক্ষমতার অধিকসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক ব্যবহৃত হওয়ায় স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যমান বাংলাদেশ সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮.৭৬ লক্ষ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত অফিস স্পেসের চাহিদা এবং সচিবালয়ের কমপাউন্ডের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থান সংকুলানের জন্য আরো প্রায় ১০ লক্ষ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন। এ বিষয়ে একনেক সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে, লুই আই কান-এর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর কর্তৃক ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করা হয়। প্রণীত নকশা অনুযায়ী শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠের প্রায় ৩১.৫৮ একর জায়গায় মোট প্রায় ৩৩.১৬ লক্ষ বর্গফুট স্পেস সংবলিত ৩টি বেজমেন্টসহ (২০০টি ভূ-উপরিস্থ পার্কিংসহ ৩,৮০০টি গাড়ি পার্কিং) ১৪টি ১২ তলা ভবন [মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ২টি মাল্টিপারপাস হল, ১টি ক্যাফেটেরিয়া, ১টি ডাকঘর ইত্যাদি] নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প এলাকায় প্রায় ৩০% জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধারের সংস্থান রাখা হয়েছে। আজ মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছে।

Read More »