সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 22, 2025

সমৃদ্ধ রংপুর গড়তে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মন্ডলীর সহায়তা চাইলেন রংপুর-৩ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী সামু

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: সমৃদ্ধ রংপুর গড়তে  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে রংপুর সদর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো: সামসুজ্জামান সামু রংপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকার  প্রকাশক ও সম্পাদক মন্ডলীর সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন।  গতকাল শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় রংপুর চেম্বার ভবন  হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় এ আহবান জানান। মতবিনিময় সভায় রংপুর সদর-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও মহানগর বিএনপির সিনিয়র সদস্য সুলতান আলম বুলবুলের সভাপতিত্বে ও সভায় রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজের সভাপতি ও বিশিষ্ট সংগঠক আলহাজ্ব সালেকুজ্জামান সালেকের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন,  দৈনিক আগামীর সন্ধানে সম্পাদক মোনাব্বর হোসেন মনা, দৈনিক মায়া বাজারের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সুশান্ত ভৌমিক, দৈনিক বায়ান্নর আলোর  ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাজিদুল ইসলাম লাল,দৈনিক দাবানলের সম্পাদক খন্দকার মোস্তফা সরওয়ার অনু, সকালের বাণীর সম্পাদক হযরত আলী, আমাদের প্রতিদিনের সম্পাদক মাহবুব রহমান, দৈনিক যুগের আলোর বার্তা সম্পাদক নজরুল মৃধা, দৈনিক আগামীর সন্ধানে নির্বাহী  সম্পাদক আব্দুর রউফ সরকার, দৈনিক প্রথম খবরের নির্বাহী সম্পাদক তৌহিদুর রহমান বাবলা, দৈনিক আখিরার নির্বাহী সম্পাদক নুরুন্নাহার মাসুদ সীমা, দৈনিক পরিবেশের নির্বাহী সম্পাদক শাকিল আহমেদ, দৈনিক দাবানলের বার্তা সম্পাদক জিএম জয়, সকালের বাণীর বার্তা সম্পাদক এসএম ইকবাল, দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা পত্রিকার সহকারী বার্তা সম্পাদক হুমায়ুন কবির মানিক, দৈনিক সকালের বাণীর পরিকল্পনা সম্পাদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন- আরপিইউজের দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল প্রমুখ। এসময় রংপুর থেকে দৈনিক পত্রিকা গুলোর  প্রকাশক, সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক,বার্তা সম্পাদক ও সহকারী বার্তা সম্পাদক গণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও  মহানগর বিএনপির সদস্য শাহিনুল ইসলাম শাহীন, জামিল খান, জেলা যুবদলের কোষাধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম, ১৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জাকির হোসেন পলাশ, সাংবাদিক রুবায়েত হোসেন সিয়াম উপস্থিত ছিলেন।  বক্তারা বলেন, অতীতে বিএনপিতে অতিথি প্রার্থী দেয়া হয়েছিল।  ভোট শেষে তারা রংপুরে আর আসেনি, রংপুরের মানুষের সুখ দুঃখের কথা ভাবেনি। একটি রাজনৈতিক দলের  অতিথি প্রার্থীরা  সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে  তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন করেছেন। রংপুরের কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই এবার তারা  সামসুজ্জামান সামুর কাছে প্রতিচ্ছুতি চান, তিনি বা তার দল  নির্বাচনে বিজয়ী হলে   রংপুরের উন্নয়নের জন্য এবং মানুষের সুখ দুঃখ শোনার জন্য  তিনি রংপুরের মানুষের পাশে থাকবেন।  এর জবাবে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সামসুজ্জামান সামু বলেন, তিনি রংপুরের সন্তান। এই রংপুরে তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এবং যৌবন পেরিয়ে গেছে। রংপুরের সমস্যার সম্ভাবনা  তিনি বোঝেন। প্রকাশক সম্পাদকগণের বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, আগামীতে  তিনি বা তার দল বিজয়ী হলে  রংপুরের উন্নয়নে  নিজেকে  সচেষ্ট রাখবেন। দীর্ঘ ৪২ বছর  রংপুর উন্নয়ন বঞ্চিত। যারা রংপুরের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে, তাদের জবাব দেওয়ার সময় এখন এসেছে। আগামীতে  বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে  তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করা গেলে একটি সমৃদ্ধ রংপুর  গড়ে তোলা সম্ভব হবে।    এ লক্ষ্যে তিনি ধানের শীষের পক্ষে  জনমত সৃষ্টিতে  প্রকাশক সম্পাদকগণের  বলিষ্ঠ ভূমিকা   রাখার আহ্বান জানান। তার বিরুদ্ধে  মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক  নানা ধরনের অবস্থা অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। উল্লেখ্য, সমৃদ্ধ রংপুর গড়তে ও তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে উপস্থিত  প্রকাশক, সম্পাদক,নির্বাহী সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদক বৃন্দ  আগামী তরও ১০ নির্বাচনে  ধানের শীষের পক্ষে  ভূমিকা রাখবেন বলে  দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন। 

Read More »

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২১ নভেম্বর, ২০২৫ খৃ. – যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি ঘিরে আজ শুক্রবার বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।  কর্মসূচির শুরুতে দেশের সকল সেনানিবাস, নৌ ঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদগুলোতে দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি, সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।  এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। পুস্পস্তবক অর্পণকালে শহীদদের স্মরণে বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা শিখা অনির্বাণে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা শিখা অনির্বাণে এসে পৌঁছালে তিন বাহিনী প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার তাঁদেরকে স্বাগত জানান । মুক্তিযুদ্ধে শাহাদত বরণকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মরণে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষে সম্মিলিতভাবে শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যান। সেখানে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং মহাপরিচালকবৃন্দ।   সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধান উপদেষ্টার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে নির্বাচিত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উত্তরাধিকারীদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা। সাত জন বীরশ্রেষ্ঠের কাছের আত্মীয় এবং ৯৩ জন অন্যান্য খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীসহ সর্বমোট ১০১ জন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।  অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক), প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল আব্দুল হাফিজ (অব.), প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টিটিভ ড. খলিলুর রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারসহ উর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আজ অপরাহ্নে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে সেনাকুঞ্জে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই সংবর্ধনায় সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা ছাড়াও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় দূতাবাসসগুলোর বিদেশী কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ভাষণ প্রদান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সংবর্ধনাস্থলে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং চা চক্রে অংশগ্রহণ করেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা সেনাকুঞ্জে এসে পৌঁছলে সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) সস্ত্রীক তাঁকে স্বাগত জানান। সংবর্ধনায় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশী রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, মুখ্য সচিব, বাহিনীত্রয়ের সাবেক প্রধান, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল বীরশ্রেষ্ঠের উত্তরাধিকারী, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ঢাকায় বসবাসরত খেতাবপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য কিংবা তাঁদের উত্তরাধিকারী, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শহীদ সেনাসদস্যদের পত্নী ও উত্তরাধিকারী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, ছাত্র-জনতার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি, উচ্চপদস্থ অসামরিক কর্মকর্তা এবং তিন বাহিনীর কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ। এই অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করে। পরবর্তীতে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য ঢাকার বাইরে দেশের অন্যান্য সেনা গ্যারিসন, নৌ জাহাজ ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটিতেও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।  সন্ধ্যায় বরিশাল, কক্সবাজার, বগুড়া, সিলেট, ঘাটাইল, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, রংপুর ও খুলনা সেনানিবাস ও ঘাঁটিতে সংশ্লিষ্ট এরিয়া সদর দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।   গণমাধ্যমেও দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে নানামুখী অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। বাংলাদেশ টেলিভিশন ২০ নভেম্বর রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর ‘বিশেষ অনির্বাণ’ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। বাংলাদেশ বেতার ২১ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় ‘বিশেষ দুর্বার’ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে।  ২১ নভেম্বরের পরে বেসরকারি টিভি চ্যানেলসমূহ ‘বিশেষ অনির্বাণ’ অনুষ্ঠানটি এবং বেসরকারী রেডিও চ্যানেলসমূহ ‘বিশেষ দুর্বার’ অনুষ্ঠানটি পর্যায়ক্রমে সম্প্রচার করবে। এদিকে, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকসমূহে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছে।  এছাড়াও, সশস্ত্র বাহিনীর আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এদিকে ঢাকা, খুলনা, চাঁদপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামে বিশেষভাবে সজ্জিত নৌবাহিনীর জাহাজসমূহ ২১ নভেম্বর বেলা ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের দেখার জন্য নিকটস্থ ঘাটসমূহে নোঙ্গর করা অবস্থায় উম্মুক্ত রাখা হয়।

Read More »

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর জেলা নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, ২১ নভেম্বর ২০২৫ খৃ. – আজ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস আমাদের গৌরবের প্রতীক, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। শুধু তা-ই নয়, দুর্যোগে-দুর্বিপাকে বিপর্যস্ত মানুষের অন্যতম সহায়ক। সশস্ত্র বাহিনী মান ও মর্যাদায় বাংলাদেশ ইতিহাসের সাথে জড়িত। কারণ এই বাহিনীর জন্ম একটি গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এ-ই বাস্তবতায় ২১ নভেম্বর পালিত হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদানকে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের সঙ্গে একীভূত করার উদ্দেশ্যে প্রতিবছর এই দিনে দিবসটি পালিত হয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠানের কথাও রয়েছে। ২০২৬ জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভাবে আয়োজন করতে অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সারাদেশের মতো সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫ উপলক্ষে রংপুর এরিয়া সদর দফতর আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও অনেক রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেন। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে রংপুর সেনা এরিয়া সেক্টর কমান্ডার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর জেলা শাখার সভাপতি ও ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ খৃ. সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জনাব আলহাজ্ব এটিএম গোলাম মোস্তফা (বাবু) তাঁর সংসদীয় আসন রংপুর-১ গঙ্গাচড়া উপজেলা, ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, মহানগর সেক্রেটারি ও রংপুর সদর-৩ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জনাব মুহ. আমিরুজ্জামান পিয়াল, রংপুর-৪ সংসদীয় আসনের এমপি প্রার্থী জনাব মুহাম্মাদ জাহিদ হোসেন, রংপুর-৫ সংসদীয় আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মুহাম্মাদ গোলজার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২১ নভেম্বর, ২০২৫ খৃ. – নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরকে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫ উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তোরণে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। একটি নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’ প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, যুদ্ধাহত এবং অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন এবং ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সকল শহীদ, আহত এবং অংশগ্রহণকারী সর্বস্তরের জনগণের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম ১৯৭১ সালে রণক্ষেত্রে। সেসময় ২১ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সাথে নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছিল বলে ২১ নভেম্বরকে মুক্তিযুদ্ধের একটি মাইলফলক হিসেবে গৌরবের সাথে পালন করা হয়। তবে মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সংগ্রামের সূচনা ঘটে ২৫শে মার্চের রাত থেকেই। আমরা যদি বিজয় অর্জন না করতাম তাহলে এই বীর সেনাদের মৃত্যুদন্ড ছিল অনিবার্য, অসহনীয় হয়ে যেত তাঁদের পরিবারের সকল সদস্যের জীবন। অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, মুক্তিকামী সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অকুতোভয় বীর সেনানীরা জীবনের পরোয়া না করে, পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে এদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তারাই এদেশের আপামর জনসাধারণকে সাহস জুগিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জল-স্থল ও আকাশপথে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে এনেছেন। যুদ্ধ বেগবান ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে তখন বাংলাদেশ ফোর্সেস গঠন করা হয়েছিল। যার অধীনে ১১টি সেক্টরে দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গেরিলা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরই চূড়ান্ত রূপ আমরা দেখি ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত অভিযানে। পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে এই যৌথ অভিযানই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চুড়ান্ত বিজয় এনে দিয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং ২০২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও চলমান দেশ পুনর্গঠনের কাজে সশস্ত্র বাহিনী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতিদান দিয়েছে। তিনি গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক নেতৃত্বের প্রতি অনুগত থেকে বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, একটি শান্তি প্রিয় জাতি হিসেবে আমরা সকল বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে সম্মানজনক সহাবস্থানে বিশ্বাসী। তথাপি, যেকোন আগ্রাসী বহিঃশত্রুর আক্রমন থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদেরকে সদা প্রস্তুত এবং সংকল্পবদ্ধ থাকতে হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং উন্নত বিশে¡র সাথে তাল মিলিয়ে বাহিনীগুলোতে যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজনের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, বিগত ৩৭ বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ৪৩ টি দেশে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০টি মিশনে অংশগ্রহণকারী রয়েছে। তিনি বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সাফল্যের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যাতে বিশ্বের চ্যালেঞ্জিং ও বিপদজনক অঞ্চল সমূহে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে সেজন্য তাদের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রাপ্তির চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। সুত্র. বাসস

Read More »

দেশের সব নাগরিকের জন্য শিগগিরই আলাদা হেলথ আইডি চালু হবে : স্বাস্থ্য মহাপরিচালক

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর : ঢাকা, দেশের সব নাগরিকের জন্য শিগগিরই আলাদা হেলথ আইডি চালু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর। মিশরের নতুন প্রশাসনিক রাজধানী নিউ কায়রোতে প্রথম ডি-৮ স্বাস্থ্যমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে এ কথা বলেনি তিনি। উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলাতেও বাংলাদেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে‌ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্য শিগগিরই ইউনিক হেলথ আইডি চালু করা হবে। স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আরও স্থিতিস্থাপক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গঠনে কাজ করছে। সাম্প্রতিক যৌথ বাহ্যিক মূল্যায়ন (জেইই) শেষে চলছে নতুন পাঁচ বছরের জাতীয় স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন। তিনি জানান, আলমা-আতা (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও ও ইউনিসেফের আন্তর্জাতিক ঘোষণা) ঘোষণার অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অনেক আগেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার কেন্দ্রে স্থান দিয়েছে। বর্তমানে দেশের ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক জনসাধারণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে মাতৃমৃত্যু ৭০ শতাংশ ও শিশুমৃত্যু ৬০ শতাংশ কমে এসেছে এবং গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ বছর, যা সীমিত সম্পদের একটি দেশের জন্য বিশ্বমানের অর্জন। স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি বর্তমানে ৯৫ শতাংশের বেশি কভারেজ ধরে রেখেছে, যা বৈশ্বিকভাবে সবচেয়ে সফল মডেলগুলোর একটি। এ ছাড়া দেশজুড়ে ৪০০টির বেশি এনসিডি কর্নার স্থাপন এবং ৩৫টি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে অ-সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বড় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। কমিউনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা অন্তর্ভুক্ত করা এবং টেলিহেলথ সেবা সম্প্রসারণকেও বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর জানান, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে দেশের ৯৮ শতাংশ চাহিদা পূরণ করছে এবং ১৬০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। ডি-৮ সদস্যদের জন্য বাংলাদেশের চারটি যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব করেন‌ অধ্যাপক জাফর। এগুলো হলো—যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ভ্যাকসিন-ওষুধ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডি-৮ ফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স; ডিজিটাল স্বাস্থ্য উদ্ভাবন ও তথ্যভিত্তিক রূপান্তরে যৌথ অগ্রযাত্রার জন্য ডি-৮ ডিজিটাল হেলথ কোলাবোর‍্যাটিভ; জলবায়ু অভিযোজন, জরুরি প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে জয়েন্ট ইনিশিয়েটিভ অন হেলথ সিস্টেম রেজিলিয়েন্স এবং রোহিঙ্গা সংকটে যৌথ সহায়তা। বাংলাদেশ জানায়, মানবিক বিবেচনায় তারা এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গাকে পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে, যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ডি-৮ সদস্যদের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানানো হয়। অধ্যাপক জাফর বলেন, কায়রোর এই বৈঠক হোক ডি-৮ সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য সহযোগিতার নতুন যুগের সূচনা। জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও ন্যায্য, স্থিতিস্থাপক ও টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি।

Read More »