সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 4, 2026

রংপুরে অসুস্থ সাংবাদিক এস এম লিটনকে লায়ন্স ক্লাবের আর্থিক সহায়তা

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫ এ২, বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘অক্টোবর সেবা পক্ষ ২০২৬’ উপলক্ষে অসুস্থ সাংবাদিক এস এম লিটনকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নগরীর আলমনগর বাবুপাড়া সাজাপুর এলাকায় সাংবাদিক এস এম লিটনের বাসভবনে এ সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন দৈনিক যুগের আলো-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মমতাজ শিরীন ভরসা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের প্রেসিডেন্ট লায়ন মঞ্জিল মুরাদ লাভলু, এমজেএফ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কনভেনশন কো-চেয়ারম্যান, রিজিওনাল চেয়ারপার্সন (হেডকোয়ার্টার্স) ও লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান লায়ন মো. এনামুল হক সোহেল, এমজেএফ; অক্টোবর সেবা পক্ষ ২০২৬-এর চেয়ারম্যান ও নর্থ বেঙ্গল কো-অর্ডিনেটর এ কে এম বানিউল আদম বাবু, এমজেএফ; লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আহসানুল হাবিব মিলন, এমজেএফ; ট্রেজারার উম্মে হাবিবা মাহফুজা স্মৃতি; আইপিপি লায়ন নাসরিন হক ববি, এমজেএফ; ক্লাব পরিচালক মো. শাহীন পারভেজ, এমজেএফ; লিও অ্যাডভাইজার ডা. জেরিন এবং ক্লাব পরিচালক লায়ন মো. অনিন্দ আউয়াল। পরে লায়ন্স ক্লাব মিলনায়তনে প্রধান অতিথি মমতাজ শিরীন ভরসাকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের নেতৃবৃন্দ। এ সময় লিও ক্লাব অব রংপুর সেন্ট্রালের লিও ঋষি (আইপিপি ও ডিস্ট্রিক্ট ডিরেক্টর-০১), লিও জুবায়ের (ট্রেজারার ও ‘অক্টোবর সেবা মাস ২০২৬’ কমিটির চেয়ারম্যান), লিও যাকওয়ান (‘অক্টোবর সেবা মাস ২০২৬’ কমিটির সেক্রেটারি), লিও নিরব (ট্রেজারার), লিও মেহেরাজ ও লিও রিফাত উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

রংপুরে স্বারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেছেন আদীকাল থেকে এদেশে আমরা সবাই মিলে স্বারদীয় দূর্গাপুজা করে আসছি। যা সম্প্রদায় সম্প্রিতীর অটুট বন্ধনে আবদ্ধ। এবারও সবাই মিলে দূর্গাপুজপা পালন করতে হবে। কোনরকম বি-শৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। সুন্দরভাবে পূজা করার জন্য প্রতিটি মন্দিরে কমিটিসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমপৃক্ততা থাকতে হবে। তাহলে পূজা উৎসব পালন সহজ ও সার্থক হবে। এব্যপারে সরকারের যে নির্দেশনা তা সবাইকে মানার আহব্বান জানান পূজা কমিটিগুলোকে। গতকাল সকাল ১০ ঘটিকায় রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রংপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তেব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক ট্রাষ্টি ও এমপি, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব অধ্যাপক পরিতোশ চক্রবর্তী, হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের বৃহত্তর রংপুরের ট্রাষ্টি স্বপন ভট্টাচার্জ, ইশ্বরী করুনাময়ী কালীবাড়ির সভাপতি ও স্বারদীয় দূর্গাপুজা উৎযাপন কমিটির আহবায়ক ডা; নিখিলেন্দু শংকর গুহ রায়, পুলিশ সুপার মো: মোজাম্মেল হক, মাহিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পরেশনাথ মন্দির কমিটির উপদেষ্টা শ্রী বাবলু নাগ, হিন্দু-বৈধ্য-খ্রীষ্টান ঐক্য কল্যান ফ্রন্টের মহানগর সদস্য সচিব সুনিল রায়, পরেশনাথ মন্দিরের সভাপতি রবি শোমানী, ক্ষক্রীয় সমিতির সম্পাদক বিপ্লব রায়, সিটি প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক হুমায়ন কবির মানিক, পল্লিবিদ্যুদের জিএম আশরাফ উদ্দিন খান, তারাগঞ্জ মন্দির কমিটির পক্ষে নিরঞ্চন রায়, সাংবাদিক ফেরদৈাস রনি, প্রমুখ। বক্তারা রংপুর নগরীতে আনুমানিক ১৬৮টি স্বারদীয় দুর্র্গাপুজা যেন সুন্দরভাবে করা যায় তার সহযোগীতা কামনা করেন প্রশাসনের নিকট। এ সভায় আনসার ভডিপি, পুলিশ, বিজিবি, মেট্রোপলিটন পুলিশ এর পক্ষ থেকে স্ব-স্ব বাহিনী নেতৃবৃন্দ সুষ্ঠভাবে পূজা পালন করার আশ্বাস দেন।

Read More »

শিশুশ্রম নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান – ডেপুটি স্পিকার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ খৃ. – শিশুশ্রম নিরসনে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি। আজ রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্লাটফর্ম (ক্লেপ)-এর সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট’(এএসডি) আয়োজিত ‘শিশুশ্রম নিরসনে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। এএসডির নির্বাহী পরিচালক এম এ করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে ডেপুটি স্পীকার বলেন, দেশে অনেক ভালো আইন থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগের অভাব রয়েছে। আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। বিশেষ করে প্রভাবশালীদের অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ডেপুটি স্পীকার বলেন, রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রীদের পাশাপাশি সরকারের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের করের টাকায় যারা বেতন পান, তাদের কর্মকাণ্ডের যথাযথ তদারকি থাকতে হবে। একটি কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাহী বিভাগের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা ও কার্যকর তদারকি প্রয়োজন। পথশিশুদের বিষয়ে ডেপুটি স্পীকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী পথশিশুদের দাওয়াত দিয়ে খাইয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন যে পথশিশুরাও একটি সুন্দর জীবনের দাবিদার। পর্যায়ক্রমে তাদের রাস্তা থেকে ঘরে ফেরানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশে একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে যেন রাজনীতিকরণ করা না হয়, সে আহ্বানও জানান তিনি। ডেপুটি স্পীকার বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ তিনি ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে গৃহকর্মে নিয়োগ না করার জন্য সবাইকে শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, শিশুদের স্বার্থে প্রয়োজন হলে মহান সংসদে বিদ্যমান আইন সংশোধন কিংবা নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংলাপে বিশেষ অতিথি বক্তব‌্য রাখেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল এবং সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন, আন্না মিনজ ও শওকত আরা আক্তার। এএসডির অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রিসার্চ কো-অর্ডিনেটর সৈয়দ শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায় সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপ-পরিচালক এম. রবিউল ইসলাম, চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্লাটফর্ম (ক্লেপ)-এর সদস্য এ কে এম মাকসুদ, আইএলওর জাতীয় প্রকল্প সমন্বয়কারী সৈয়দা মুনিরা সুলতানা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক পাবলো নেরুদা, শাপলা নীড় বাংলাদেশের মাহফুজা পারভীন, এএসডির কর্মসূচি পরিচালক লুৎফুন নাহার কান্তা, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা এবং স্ক্যানের সহ-সভাপতি আফতাবুজ্জামান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধনে অনিয়ম, বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ কমবে : আইনমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৩ অক্টোবর ২০২৬ খৃ. – আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হলে বিবাহ-সংক্রান্ত অনিয়ম, বাল্যবিবাহ ও অননুমোদিত বহুবিবাহ প্রতিরোধ সহজ হবে। আজ রাজধানীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে (বিএলসি) ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য সমন্বিত ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকায় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে, এমনকি বিদেশ থেকেও, প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত যাচাই করা সম্ভব হবে। আইনমন্ত্রী বলেন, এই ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো দেশের মানুষের বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য একটি নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রতিবছর কতটি বিবাহ হচ্ছে, বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছে কিনা এবং বিবাহ-সংক্রান্ত আইন যথাযথভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ ও যাচাই সহজ হবে। তিনি বলেন, অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধন চালু হলে কোনো ব্যক্তি আগে বিবাহ করেছেন কিনা, করলে কতটি বিবাহ করেছেন এবং নতুন বিবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আরবিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়েছে কিনাÑ এসব তথ্য যাচাই করা যাবে। ফলে তথ্য গোপন করে বিবাহ, গোপন বিবাহ এবং পরবর্তীতে বিবাহ অস্বীকারের সুযোগ কমবে। একজন নারী বা পুরুষও সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর পূর্ববর্তী বিবাহের তথ্য জেনে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এতে সামগ্রিকভাবে বহুবিবাহের প্রবণতা কমবে। তিনি বলেন, বৈবাহিক তথ্য সংরক্ষিত থাকলে ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা সন্তান হিসেবে একাধিক ব্যক্তি দাবি করলেও নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে। এতে এ ধরনের বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমার সম্ভাবনা কমবে। বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বৈবাহিক সম্পর্কের তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনলাইনে নিবন্ধিত তথ্য যাচাই করতে পারবে। ফলে প্রচলিত পদ্ধতিতে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগের প্রয়োজনও কমবে। পর্যায়ক্রমে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টসহ অন্যান্য সরকারি তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আন্তঃসংযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি তথ্যব্যবস্থাগুলো সমন্বিত ও আন্তঃসংযুক্ত হলে নাগরিকের পরিচয় ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে। বিশ্ব দ্রুত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশেরও এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স : বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে ৫টি জেলার ২৭ জন বিবাহ ও তালাক নিবন্ধক (নিকাহ রেজিস্ট্রার) অংশগ্রহণ করছেন। প্রশিক্ষণে অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন সফটওয়্যার ব্যবহারের পদ্ধতি, নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, তথ্য সংরক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হচ্ছে। নিকাহ রেজিস্ট্রারদের উদ্দেশে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তারা সমাজে একটি সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্ত। অনলাইনে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা ও প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা নিজে দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার অন্যান্য নিকাহ রেজিস্ট্রারদেরও প্রস্তুত করবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব নিকাহ রেজিস্ট্রারকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ঢাকা জেলার সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়নে লটারি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিয়মনীতি অনুসরণ করে লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হলে দীর্ঘদিন একই স্থানে দায়িত্ব পালন এবং পদায়ন নিয়ে তদবিরের সুযোগ কমবে। নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বিষয়েও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাদের উত্তরসূরিরা যাতে এই পেশায় আসার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়ার সুযোগ পান, সে লক্ষ্যে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস ও এসএম এরশাদুল আলম, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শামীমা আফরোজ, প্রকল্প পরিচালক মো. আজিজুল হক, ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির পরিচালক শ্বাশ্বতী বিপ্লবসহ আইন ও বিচার বিভাগ এবং ব্র্যাকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সুত্র. বাসস

Read More »