সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 1, 2026

তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নরওয়ের কোম্পানিগুলোকে স্পিকারের আমন্ত্রণ

ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নরওয়ের কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। রবিবার (১ নভেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আমন্ত্রণ জানান। সাক্ষাতে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের মাধ্যমে এ দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রহসনের নির্বাচন সংসদীয় গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারী সরকার গুম, খুন, সন্ত্রাস ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ তৎকালীন বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। স্পিকার বলেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হয় এবং দেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সূচিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন স্পিকার। তিনি বলেন, নরওয়েসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে পারে। স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে নরওয়ে ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিস্তার লাভ করেছে। বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে নরওয়ে অন্যতম। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র বিস্তারে নরওয়ে সবসময় সহযোগিতা করে আসছে বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষী পাঠানোর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। নরওয়ে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তার ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সবসময় সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, সংসদীয় প্রতিনিধিদের সফর বিনিময় এবং বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা। এছাড়া চলমান সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম ও জুলাই সনদ নিয়েও তারা আলোচনা করেন বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বৈঠকে নরওয়ের দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। Ref. NPB/UNB

Read More »

৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ _ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রী ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আজ রোববার দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘ছাদের প্রতিটি ইঞ্চি কাজে লাগান, সৌরবিদ্যুৎ থেকে আয় বাড়ান’ প্রতিপাদ্যে আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। দর্শনার্থীদের জন্য এক্সপোটি উন্মুক্ত থাকবে। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এক্সপোর উদ্বোধন করবেন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন। বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) যৌথভাবে প্রথমবারের মতো এ সোলার এক্সপোর আয়োজন করেছে। মন্ত্রী জানান, এক্সপো চলাকালে সৌরবিদ্যুতের বিভিন্ন দিক, দেশব্যাপী এর সম্প্রসারণ, জাতীয় জ্বালানি মিশ্রণে সৌরবিদ্যুতের অংশ বাড়ানো এবং ছাদসহ অব্যবহৃত জমিতে সৌর প্যানেল স্থাপনে জনগণকে উৎসাহিত করার বিষয়ে চারটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি কমানো এবং গ্রীষ্মকালে জনদুর্ভোগ ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) বাস্তবায়নে সহায়তা করা এবং সৌরবিদ্যুতের প্রসারে সরকারি নীতি ও প্রণোদনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবহিত করা এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। এক্সপোতে সৌরবিদ্যুৎ-সংশ্লিষ্ট আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ ও অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে অর্থায়নের সুযোগ তুলে ধরা হবে। এতে নীতিনির্ধারক, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, উদ্যোক্তা এবং সাধারণ ভোক্তারা অংশ নেবেন। প্রদর্শনীতে সরকারি প্রণোদনা, আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, কর ও শুল্ক সুবিধা, সবুজ ও জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট, সৌরচালিত সেচব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। Ref. BSS

Read More »

দেশের বিশাল যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ – রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের বিশাল যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দেশের জনসংখ্যার কাঠামোতে সবচেয়ে বড় অংশ হচ্ছে যুবসমাজ। এটিকে বলা হয় ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ। এটি দেশের জন্য একটি বড় সম্পদ ও সুযোগ। এই বিশাল যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে নিঃসন্দেহে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে।’ তিনি আজ জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখনো স্বল্পোন্নত দেশ। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার কথা। এ জন্য প্রস্তুতির সময় আরও তিন বছর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, এই সময়ে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যাতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে দেশের যুবসমাজ। তারাই ভবিষ্যতের প্রধান চালিকাশক্তি এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের দায়িত্বও তাদের হাতেই।’ রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকে কর্মমুখী করতে হবে। তাদের হাতে উৎপাদনের চালিকাশক্তি তুলে দিতে হবে। শুধু রাজনৈতিক বিপ্লব বা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একটি দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়, একই সঙ্গে দেশকে নির্মাণও করতে হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি যুব উন্নয়নে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন অবদান ও কার্যক্রমের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। দেশ ও যুবসমাজের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবকদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। দেশ গঠনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুবসমাজকে সবক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করতে হবে। দেশের উন্নয়ন এবং যুবসমাজের ভাগ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা রাখা যাবে না। রাষ্ট্রপতি নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশংসা করে বলেন, আমাদের তরুণ-তরুণীরা এত ভালো কাজ করছেন, দেখে অত্যন্ত আনন্দিত ও উৎসাহিত হয়েছি। তাঁরা খুব স্বল্প পুঁজি নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও নিজেদের পণ্য উৎপাদন করছেন। দেশের বাজারের পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রেও সাফল্য অর্জন করছেন। তিনি বলেন, বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের সাফল্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। একজন নারী উদ্যোক্তা দেশীয় খাবার ও মিষ্টি তৈরি করে উল্লেখযোগ্য আয় করছেন। নিজের পরিবারকে সহযোগিতার পাশাপাশি তাঁর পণ্য বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ধরনের সাফল্য উৎসাহব্যঞ্জক বলে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি যুব সমাজকে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে স্বনির্ভর ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানান। একইসাথে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করার কথাও বলেন। তিনি আরো বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম রয়েছে। প্রশিক্ষণ-পরবর্তী ঋণ সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে। এসব উদ্যোগকে আরও কার্যকর ও বিস্তৃত করতে হবে। প্রশিক্ষণ, ঋণ এবং অন্যান্য সহায়তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় উপযুক্ত উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে বেকারত্ব কমানো এবং আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সুযোগ পেলে একজন মানুষ নিজের অবস্থার পরিবর্তন করে অন্যদের জন্যও সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেন। আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, এ ধরনের সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা, তাঁদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ন্যূনতম মূলধনের ব্যবস্থা করা। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের যথাযথভাবে সহযোগিতা করা গেলে তাঁরা নিজেরাই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সাথে তিনি দেশের যুব সমাজকে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। যুব সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে বেঁচে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের যুবসমাজের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে মাদকাসক্তি। তরুণদের মধ্যে মাদকের আসক্তি যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ। এই আসক্তি বন্ধ করতে আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা সৃষ্টি, প্রচারণা এবং কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ। রাষ্ট্রপতি এ সময় নারীর প্রতি সহিংসতা, যৌতুক, বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যসহ সকল সামাজিক অনিয়মের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমি মনে করি, এসব সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুবসমাজের আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিজেদের উদ্যোগে এবং প্রতিটি অঞ্চলে সংগঠন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গড়ে তুলতে হবে, যাতে সমাজকে নষ্ট করে এমন সব নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা যায়। দেশে বায়োগ্যাস উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বায়োগ্যাস প্রকল্পের ধারণাটি অনেক পুরোনো হলেও এটি অত্যন্ত কার্যকর ও উপযোগী। বর্তমানে আমরা যে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি, বায়োগ্যাসের ব্যবহার বাড়ানো গেলে সেই চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ করা সম্ভব হবে। এ ধরনের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রকল্প সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনাদের এই অর্জন ও সাফল্য দেশের অন্য তরুণ-তরুণী ও যুবকদের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বক্তব্য শেষে রাষ্ট্রপতি জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী জব ফেয়ার এবং দেশব্যাপী স্থাপিত বায়োগ্যাস প্ল্যান্টসমূহের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এর আগে তিনি জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে যুব পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের ভূঁইয়া এবং মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান। অনুষ্ঠানে যুব কার্যক্রমের ওপর নির্মিত ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এর আগে রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন স্টল ও যুবমেলা পরিদর্শন করেন। Ref. BSS

Read More »

রংপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন যুব মেলা উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণের চেক বিতরণ

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রংপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, দিনব্যাপী যুব মেলার উদ্বোধন, আলোচনা সভা এবং বিভিন্ন খামারি ও উদ্যোক্তার মাঝে ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে দিনব্যাপী যুব মেলার উদ্বোধন করা হয়। রংপুর জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আশরাফুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল আলম এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবু সাঈদ। রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, রংপুরের উপপরিচালক মো. আব্দুল ফারুক। এ সময় যুব সংগঠক মাহমুদা বেগম শরিফা ও হানিফ আলী বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে যুবসমাজের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান তারা। আলোচনা সভা শেষে রংপুরের বিভিন্ন এলাকার খামারি ও উদ্যোক্তাদের মাঝে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।

Read More »