সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 7, 2026

আর কেউ যেন এই দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে কেউ যেন দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার হরণ করে বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই হোক এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার।’ তিনি বলেন, ‘এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে হলে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করতে হবে।’ আজ শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান-প্রতিটি ঐতিহাসিক ঘটনা প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশের মানুষ জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কখনো আপস করেনি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে তাদের কাছে বাংলাদেশ।’ দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবের দিন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহী – জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চরম আকার ধারণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর দিবাগত রাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে গৃহবন্দি করা হয়।’ স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দি রেখে দেশের স্বার্থবিরোধী যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করেছিল। তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল এবং সশস্ত্র বাহিনীর গৌরব ও মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’ পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে তারা বিভিন্নভাবে সংগঠিত হয়ে দেশকে পুনরায় তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরব ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই অপশক্তির পরাজয় ঘটে এবং দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়। ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে যারা হতাহত হয়েছেন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ ও আহত হয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরও একইভাবে সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে প্রমাণিত হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল দেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ধারণের দিন। বাংলাদেশ যতবার ৭ নভেম্বরের চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।’ তারেক রহমান বলেন, ‘দল, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—এ দেশের সব নাগরিকের গর্বিত পরিচয় একটাই, আমরা বাংলাদেশি। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছে। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করেছিল। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রাসঙ্গিক থাকবে।’ প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তিনি যেভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, ১৯৭১ সালেও একইভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে সম্মুখসমরে লড়াই করেছিলেন।’ তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘একটি জাতির ইতিহাস কেবল অতীতের স্মৃতিচারণ নয়; সঠিক ইতিহাস একটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও সম্মিলিত ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। আজকের আয়োজনের বিশেষত্ব হলো, হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণী ৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন।’ তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম যদি ৭ নভেম্বরের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না। যে দেশের তরুণ প্রজন্ম জাতীয়তাবাদে অনুপ্রাণিত নয়, সে দেশের জনগণের ঐক্য সুদৃঢ় হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জন একটি ঐতিহাসিক গৌরব। তবে সেই গৌরবের পতাকা সমুন্নত রেখে স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা প্রতিটি প্রজন্মের দায়িত্ব। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ধারণ করে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ, মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করা। অভিভাবক হিসেবে তরুণদের সব সম্ভাবনা বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ।’ দেশের জনগণের প্রতি প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষের উচ্চারণ হোক-‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কেউ, সবার আগে বাংলাদেশ’। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন কমিটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), বাংলাদেশ স্কাউটস এবং সর্বোপরি দেশের জনগণকে এ আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে নভেম্বর জাতীয় বিপ্লবও সংহতি দিবস উপলক্ষে একটি ঐতিহাসিক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী উপভোগ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেটকোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সহ উপদেষ্টাবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সদস্য, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, তিন বাহিনীর প্রধান, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিনিধি শিক্ষার্থী, তরুণ, বিএনসিসি ও স্কাউটস সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। Ref. BSS//

Read More »

রংপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপিত

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দা ভয়েস ভয়েস 24 মিডিয়া : রংপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ২০২৬ উদ্যাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ই নভেম্বর) সকালে দিবসটি উপলক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। রংপুর জেলা প্রশাসন এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ৭ই নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে একটি ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতার সম্মিলিত বিপ্লব দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্ত হন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়।তিনি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হলে কোনো স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ কিংবা আধিপত্যবাদী শক্তি টিকে থাকতে পারে না। এজন্য অতীতের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কেবল দিবস পালন ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে ৭ই নভেম্বরের চেতনাকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিবসের চেতনা ধারণ করে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি বজায় রেখে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি সরকারের উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, দেশের উন্নয়নে বর্তমান সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।সকলের শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি রংপুরের উন্নয়ন ও অগ্রগতিও নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুস সাত্তার, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাডভোকেট মোঃ আফতাব উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. সামসুজ্জামান সামু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান।এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষ্যে বিকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, দেশাত্মকবোধক গানের অনুষ্ঠান ও পুরুস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়।

Read More »