সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 28, 2023

আগামীকাল থেকে থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ভূমি সম্মেলন

আগামীকাল থেকে থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ভূমি সম্মেলন আসছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের বেশকিছু স্মার্ট উদ্যোগ (ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩) আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ভূমি সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলনকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে দেশে এই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠেয় জাতীয় ভূমি সম্মেলন উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রী একইসাথে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৭টি নতুন উদ্যোগও উদ্বোধন করবেন। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা তুলে ধরা এবং ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশনের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জসমূহ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলায় করনীয় নির্ধারণ করতে আগামী ২৯ থেকে ৩১ মার্চ জাতীয় ভূমি সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। জাতীয় ভূমি সম্মেলনের অন্যান্য লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে নাগরিক, সরকারি সংস্থা, অংশীজনদের অবহিত করানো, তাঁদের মধ্যে ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং ভূমি সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে ধারণা দেয়া। ৭টি উদ্যোগের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে স্থাপন করা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মৃতিস্তম্ভ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গুচ্ছগ্রাম কমপ্লেক্স। বাকি ৬টি উদ্যোগ হচ্ছে, রেজিস্ট্রেশন-মিউটেশন আন্তঃসংযোগ, স্মার্ট ভূমি নকশা, স্মার্ট ভূমি রেকর্ডস, স্মার্ট ভূমি পিডিয়া, স্মার্ট ভূমিসেবা কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিস। প্রসঙ্গত, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিন অপরাহ্নে ও পরবর্তী দুই দিন ‘স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনায় মাঠ প্রশাসন’, ‘সায়রাত ও খাসজমি ব্যবস্থাপনা’, ‘অধিগ্রহণ ব্যবস্থাপনা, সরকারি মামলা ও সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা’ এবং ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপ’ শীর্ষক চারটি সেমিনার/প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনের কার্যক্রম রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনে অনুষ্ঠিত হবে।

Read More »

একাদশ জাতীয় সংসদের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩৩তম বৈঠক অনুষ্ঠিত

একাদশ জাতীয় সংসদের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩৩তম বৈঠক অনুষ্ঠিত ঢাকা, ২৮ মার্চ, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ একাদশ জাতীয় সংসদের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩৩তম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন (রিমি) এমপি এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য মমতাজ বেগম, আসাদুজ্জামান নূর, সুবর্ণা মুস্তাফা এবং শেরীফা কাদের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বর্তমান স্থায়ী কমিটির ১৯তম বৈঠকে প্রদেয় ৮ ও ১০ এবং ২০তম বৈঠকের ৩ ও ৯ নম্বর সিদ্ধান্ত ও সুপারিশসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি; জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত সবগুলো নিদর্শন প্রদর্শনের ক্ষেত্রে গ্যালারির সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ কার্যক্রমের অগ্রগতি; ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনের তিনতলা আবাসিক ভবনকে ”ঢাকা মহানগর জাদুঘর” হিসেবে রূপান্তর কার্যক্রমের অগ্রগতি; রংপুরে বিভাগীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠা কার্যক্রমের অগ্রগতি; জাতীয় জাদুঘরের গ্যালারিতে অডিও গাইড ব্যবস্থা চালু এবং লাইট এন্ড সাউন্ড শো ব্যবস্থা চালুকরণের অগ্রগতি; ”বাংলাদেশ প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর” নামক বিশেষায়িত আধুনিক জাদুঘর প্রতিষ্ঠার অগ্রগতি; ভ্রাম্যমান প্রদর্শনীর ব্যবস্থা চালুকরণের অগ্রগতি এবং জাতীয় জাদুঘরের সবগুলো গ্যালারিকে ভার্চুয়াল গ্যালারিতে রূপান্তরের কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, বিগত সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহামূল্যবান নির্দশনসমূহ চুরি, হারানো বা নাশকতার ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে স্টোর, নিরাপত্তা চেকপোস্ট ইত্যাদি পদে আউটসোর্সিং জনবলের পরিবর্তে স্থায়ী পদে জনবল নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি কর্তৃক সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের লক্ষ্যে খসড়া কমিটি তৈরি করে আগামী সভায় উপস্থাপন এবং শিল্পকলা একাডেমির ঢাকায় কর্মরত সাতজন কালচারাল অফিসারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকার বাহিরে পদায়ন করার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে। এছাড়া, নীলফামারী জেলা সদরে অবস্থিত নীলকুঠি ভবনটি গেজেটভুক্তকরণ এবং কক্সবাজারে একটি বাংলাদেশ প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর নির্মাণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি কর্তৃক মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়। বৈঠকের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদ, সম্ভ্রম হারানো দুই লক্ষ মা-বোন, জাতীয় চার নেতা এবং ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালকগণসহ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৮তম বৈঠক অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৮তম বৈঠক অনুষ্ঠিত সংসদ প্রতিবেদক / লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৮ মার্চ ২০২৩খৃ. একাদশ জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৮ তম বৈঠক আজ সংসসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম এর সভাপতিত্বে কমিটি সদস্য এবং স্বাস্থ্য ওপরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক, মহিবুর রহমান মানিক, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধূরী, মোঃ আব্দুল আজিজ এবং রাহ্গির আলমাহি এরশাদ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে ইডিসিএর এর ৩য় প্লান্ট (গোপালগঞ্জ) প্রকল্পের কাজ , Fabtech Technology Ltd কর্তৃক ক্রয়কৃত মালামাল ও মেশিনারিজ সরবরাহের সর্বশেষ অবস্থা এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এর সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে, ইডিসিএর এর ৩য় প্লান্ট(গোপালগঞ্জ) প্রকল্পের কাজ , Fabtech technology Ltd কর্তৃক ক্রয়কৃত মালামাল ও মেশিনারিজ টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত কোয়ালিটি অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করে দ্রুততার সহিত কার্যক্রম তরান্বিত করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া, হার্ট, কিডনি, লিভার ও ক্যনসার এর মত জটিল রোগের সফল চিকিৎসা বাংলাদেশে এখন হচ্ছে বিধায় রোগীরা যাতে চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী না হয় সে বিষয়ে তাদেরকে অবহিত ও আশ্বস্ত করতে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরও বেশি আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার পরামর্শ দেয় সংসদীয় কমিটি। বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য উর্ধতন কর্মকর্তাগণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

মেধাবীদের বাদ দিয়ে সোনালী ব্যাংকে পদোন্নতি

মেধাবীদের বাদ দিয়ে সোনালী ব্যাংকে পদোন্নতি কফিল উদ্দিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে পদোন্নতি দিতে নুতন আইন চালু হয়েছে। যার ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাদ পড়তে যাওয়া ব্যাংকটির পদোন্নতিযোগ্য শত শত কর্মী। ইতিমধ্যে ব্যাংকটির অফিসার থেকে জিএম পদ পর্যন্ত পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেখানে লঙ্ঘিত হচ্ছে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কর্মচারী পদোন্নতি নীতিমালা-২০২২। অনুসরণ করা হচ্ছে পর্ষদের ৮১০ তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত। এই অনিয়ম বন্ধ ও আগের নিয়মে পদোন্নতি প্রক্রিয়া চালু করার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ব্যাংকটির শতাধীক কর্মকর্তা। জানা যায়, এতোদিন সোনালী ব্যাংকে শূন্যপদের ভিত্তিতে মেধাতালিকা থেকে দুইজন ও জ্যেষ্ঠতা (সিনিয়রিটি) তালিকা থেকে একজনকে পদোন্নতি দেওয়া হতো। কিন্তু হঠাৎ করেই নুতন আইন চালু হয়েছে রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ব্যাংকটিতে। পদোন্নতির ভাইভার জন্য শুধু সিনিয়রিটি তালিকার কর্মকর্তাদের বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষ কিছু ব্যক্তিকে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য মেধাবী ও কর্মঠ অফিসারদের বঞ্চিত করার পায়তারা শুরু হয়েছে। এমন অভিযোগ করেছেন সোনালী ব্যাংকের কর্মীরা। গত কয়েক বছরের তথ্য যাচাই-বাছাই ও গভীর অনুসন্ধান করে দেখা গেছে অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে দ্রুত পদোন্নতি হয়ে যায়। তবে সোনালী ব্যাংকে ব্যক্তি বা গোষ্টী স্বার্থে প্রতিবার নতুন নতুন ধ্যান-ধারণা যুক্ত করে অনাকাঙ্খিত সময়ক্ষেপণ করে বছরের শেষে এসে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এভাবে সোনালী ব্যাংকের দক্ষ ও মেধাবী কমকর্তারা এখন সকল জায়গায় পিছিয়ে পড়ছে। এমন অবস্থায় সোনালী ব্যাংকে একটি স্থায়ী নীতিমালা করা প্রয়োজন। যেখানে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্টীর স্বার্থ প্রাধান্য পাবে না বরং সর্বমহলে প্রশংসিত ও গ্রহণযোগ্য হবে। যতদিন না এরকম নীতিমালা করা সম্ভব ততদিন কোনো বিতর্কিত নীতিমালা চাপিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকাই বাঞ্চনীয়। কারণ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে যদি সততা, দক্ষতা ও মেধার পরিবর্তে কেবল জ্যেষ্ঠতাকেই বেছে নেওয়া হয় তাহলে মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তারা চ্যালেঞ্জ গ্রহণে আগ্রহ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা হারিয়ে ফেলবে। চ্যালেঞ্জিং পদগুলো সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তার অভাবে দূর্নীতির আখড়া হয়ে উঠবে বলে মনে করছে সোনালী ব্যাংকের একাধিক সূত্র। LankaBangla securites single page চিঠিতে বলা হয়, ৮১০ তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘অফিসার/সমমান থেকে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার/সমমান পদ পর্যন্ত পদোন্নতির ক্ষেত্রে সম্ভাব্য শূন্য পদের চেয়ে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা তিন গুণের বেশি হলে জ্যেষ্ঠতা তালিকা থেকে প্রতিটি সম্ভাব্য শূন্য পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ তিন জন (১:৩) প্রার্থী নির্বাচনী সাক্ষাতকার/বাছাইয়ের জন্য বিবেচ্য হবেন।’ যা সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কর্মচারী পদোন্নতি নীতিমালা-২০২২ এর সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। কারণ মেধাতালিকার কর্মীরা পদোন্নতিতো দুরের কথা সাক্ষাতৎকারেও অংশ নিতে পারবেন না। এতে আরও বলা হয়, ‘সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কর্মচারী চাকুরি প্রবিধানমালা, ২০২২’ এ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ বিষয়ের ৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘‘এই প্রবিধানমালা মোতাবেক এবং তফসিলে বর্ণিত শর্তাবলী পরিপালন সাপেক্ষে, কোনো কর্মচারীকে পরবর্তী উচ্চতর পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা, কর্মদক্ষতা ও জ্যেষ্ঠতাকে প্রাধান্য দেওয়া হইবে। কিন্তু কেবল জ্যেষ্ঠতার কারণে কোন কর্মচারী অধিকার হিসেবে তাহার পদোন্নতি বা পদায়ন দাবি করিতে পারিবেন না।’’ এদিকে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকারদের পদোন্নতি বিষয়ক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ‘ব্যাংকের চাকরিতে সিনিয়র অফিসার (জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা) অথবা সমতুল্য পদের পরবর্তী সব পদে পদোন্নতি পেতে হলে ব্যাংকিং ডিপ্লোমার দুই পর্বেই পাস করতে হবে।’ অর্থাৎ সোনালী ব্যাংকের ১:৩ নীতিমালা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার সাথে সাংঘর্ষিক। এ বছর সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার থেকে এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার, এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার থেকে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার থেকে জেনারেল ম্যানেজার পদে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ৭৫০, ৯১ ও ১৩ জন। তার বিপরীতে সম্ভাব্য পদোন্নতিযোগ্য পদের সংখ্যা যথাক্রমে ৬০, ১৯ ও ৩ জন। কিন্তু সিনিয়রিটি বিবেচনায় ভাইভার জন্য মনোনিত হবেন ১৮০, ৫৭ ও ৬ জন। বঞ্চিত হবে মেধাতালিকা। সুতরাং আলোচ্য পদোন্নতি নীতিমালা স্ববিরোধী ও চাকুরি প্রবিধানমালার সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। যেখানে সততা ও ন্যায়ের প্রতিফলন নেই।

Read More »

সরকারি কর্মচারী বিধিমালায় সম্বোধনের যা আছে আছে?

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালায় ৩৪টি নির্দেশনা আছে; কিন্তু সেখানে জনগণ বা সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে আচরণের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। বিশেষ করে সম্বোধনের বিষয়ে কিছু বলা নেই। সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে আলোচনায় এসেছে ৪৪ বছর আগে প্রণীত সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা-১৯৭৯। ২০০২ ও ২০১১ সালে দুই দফায় এই বিধিমালা সংশোধন করা হয়। ২০১৪ সালে আবার এই বিধিমালা সংশোধনের কাজ শুরু হয়। ৯ বছরে বিধিমালার একটা খসড়া তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে এখনো তা চূড়ান্ত করা হয়নি। এই খসড়ায়ও সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে আচরণ বা সম্বোধনের বিষয়ে কিছু বলা নেই। বর্তমান বিধিমালায় দেশে বা বিদেশে কারো কাছ থেকে উপহার বা পুরস্কার নেওয়া, যৌতুক দেওয়া-নেওয়া, ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসায় যুক্ত হওয়া, রাজনীতির সঙ্গে যুক্ততা, ক্ষমতার অপব্যবহার, গণজমায়েত করা, তথ্য প্রকাশে কঠোরতা, নারী সহকর্মীর সঙ্গে আচরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা আছে। শুধু নাগরিকদের সঙ্গে আচরণ বিষয়ে আলাদা কোনো নির্দেশনা নেই। অবশ্য ২০১৮ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালায় নাগরিকদের সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ শাস্তিযোগ্য হবে, এমনটি লেখা আছে। এই বিধিমালার দুই ধারায় অসদাচরণ বলতে বোঝানো হয়েছে, অসংগত আচরণ, চাকরি-শৃঙ্খলাহানিকর আচরণ কিংবা শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ। তবে এসবের বিস্তারিত ব্যাখ্যা সেখানে নেই। আচরণ বিধিমালার খসড়ায় যা আছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি সংশোধিত আচরণবিধির একটি খসড়া তৈরি করেছে। এতে কয়েকটি বিষয়ে বেশ পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নাগরিকদের সঙ্গে আচরণের বিষয়টি এবারও নেই। যেমন—খসড়ায় বলা হয়েছে, উপঢৌকন গ্রহণ করতে হলে সরকারের পূর্বানুমতি লাগবে। বর্তমানে কোনো অনুষ্ঠানে সরকারের অনুমোদন ছাড়া ২৫ হাজার টাকা মূল্যের উপহার গ্রহণের রীতি প্রচলিত। এ অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হচ্ছে। আবার বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা বিদেশি সরকারের কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে পাঁচ হাজারের পরিবর্তে ৪০ হাজার টাকা মূল্যের উপহার গ্রহণ করা যাবে বলে খসড়ায় বলা হয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী অথবা ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত কোনো ব্যক্তির কাছে বা কাছ থেকে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়, বিক্রয় বা অন্য কোনো উপায়ে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধান বা সরকারের সচিবকে অবগত করতেন। এখন খসড়ায় বলা হয়েছে, পাঁচ লাখ টাকা বা তার বেশি হলে বিভাগীয় প্রধান বা সরকারের সচিবকে জানাতে হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের পাঁচ বছর পর বাধ্যতামূলকভাবে সম্পদের হিসাব দেওয়ার বিধান আছে। খসড়ায় সম্পদের হ্রাস-বৃদ্ধি যাচাই-বাছাই করার বিধান রাখা হয়। এ ছাড়া কেউ ভুল তথ্য দিলে আইনগত ব্যবস্থা ও বিভাগীয় মামলা করা যাবে। সংবিধান, প্রশিক্ষণ ও বাস্তবতা সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। ’ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের আগে যেসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তাতে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্তদের বারবার বলা হয়, তাঁরা জনগণের সেবক; কিন্তু চাকরিতে যোগদানের পর বাস্তবতা বদলে যায়। বাাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আচার-আচরণ, কাকে কীভাবে সম্বোধন করবে, কার সঙ্গে কী আচরণ করবে, কীভাবে খাবে এবং প্রটোকল মেনে চলবে—এসব ফাউন্ডেশন কোর্সে বিস্তারিত শেখানো হয়। এ ছাড়া প্রতিটি প্রশিক্ষণের সময় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, সংবিধান পড়ানো হয়। এর পরও কেন বারবার এমন ঘটনা ঘটছে, তা নিয়ে গবেষণাও হচ্ছে। গবেষণার ফল ধরে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে তা কার্যকর করা হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্যারিয়ার প্ল্যানিং ও প্রশিক্ষণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সহিদউল্যাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ফাউন্ডেশন কোর্স মূলত কর্মকর্তাদের সার্বিক আচার-আচরণ সম্পর্কিত। প্রশিক্ষণের শুরুতে কর্মকর্তাদের ভালোভাবে শেখানো হয়, যে যেখান থেকে আসুক আপনি বলবেন, বসতে দেবেন, হাসিমুখে সম্মান দিয়ে কথা বলবেন। কোনো নাগরিককে কষ্ট দেবেন না। এর পরও মাঠ প্রশাসনে সমস্যা হয়ে যায়। কারণ তিন থেকে ছয় মাসের প্রশিক্ষণে কিছু হয় না। এ জন্য রিফ্রেশার কোর্স চালু করতে হবে। এগুলো চালু হলে দু-এক মাস পর পর মনে করে দেওয়া যাবে। পুরনো আদেশ এবং… তিন দিন ধরে ১৯৯০ সালে জারি করা তৎকালীন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের একটি আদেশ ফেসবুকে ঘুরছে। যেখানে বলা আছে, মৌখিক সম্বোধনে পুরুষের ক্ষেত্রে ‘স্যার’ ও নারীদের ক্ষেত্রে ‘ম্যাডাম’ ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু আদেশ কার বেলায়, কোথায়, কীভাবে কার্যকর হবে—এ বিষয়ে কিছু বলা নেই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বাংলা ভাষা বাস্তবায়ন কোষের (বাবাকো) বিশেষজ্ঞ কাজী জুলফিকার আলী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমার জানা মতে, এ ধরনের কোনো আদেশ নেই। বাবাকোর সব আদেশ নিয়ে ২০১১ সালে একটি ম্যানুয়েল করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ওই ম্যানুয়েলে এসংক্রান্ত কোনো আদেশ নেই। ’ সম্বোধনসংক্রান্ত কোনো আইন বা বিধি নেই গত বছরের এপ্রিলে নেত্রকোনার কালমাকান্দা উপজেলায় ইউএনওকে স্যার না বলায় থানার ওসি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে হেনস্তা করেন। ওই বছরের ৯ জুলাই মানিকগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লাকে ‘ম্যাডাম’ না বলে আপা বলায় ব্যবসায়ী তপন চন্দ্র দাসকে লাঠিপেটা করে তাঁর সঙ্গে থাকা পুলিশ। সাধারণ মানুষ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কী বলে ডাকবে এ বিষয়ে ঢাকা, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে জবাবে পাঁচ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সম্বোধনসংক্রান্ত কোনো আইন বা বিধি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে নেই। বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শেখ ইউসুফ হারুন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, প্রশিক্ষণে সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের সঙ্গে ভদ্র, নম্র ব্যবহার করতে বলা হয়। তাঁদের স্যার বলতে হবে, এটা তো কখনো বলা হয় না। তিনি বলেন, স্যার বলা বা বলতে বাধ্য করানো ঔপনিবেশিক মানসিকতা। সম্মানের বিষয়টি পারস্পরিক; তা জোর করে আদায় করা যায় না। তবে তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষ সরকারি কর্মচারীদের কিভাবে সম্বোধন করবে—এই বিভ্রান্তি দূর করতে সরকারের নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন। অসদাচরণের প্রতিকার নেই প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ না বলায় সেবাগ্রহীতা নাগরিকদের প্রতি অসদাচরণের ঘটনা ঘটছে। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ‘স্যার’ না বলায় রংপুরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) ক্ষুব্ধ আচরণের শিকার হয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ওমর ফারুক। প্রতিবাদে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিও শুরু করেছিলেন। ডিসি চিত্রলেখা নাজনীন দুঃখ প্রকাশ করে ওই ঘটনার ইতি টানান। গত ১০ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুন খানকে ফোনে ভাই সম্বোধন করেন এক সাংবাদিক। এসিল্যান্ড তাতে খেপে যান। ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত একজন চিকিৎসককে ‘স্যার’ না ডেকে দাদা ডাকায় এক স্ট্রোকের রোগীকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বছর কয়েক আগে যশোরে একজন কৃষি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ না বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি অফিস থেকে চার সাংবাদিককে বের করে দিয়েছিলেন। এসব ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত একজন চিকিৎসককে ‘স্যার’ না ডেকে দাদা ডাকায় এক স্ট্রোকের রোগীকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বছর কয়েক আগে যশোরে একজন কৃষি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ না বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি অফিস

Read More »