সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 23, 2023

রংপুরে যুবলীগ কর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের লাহড়ির হাটে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পারিবারিক বৈঠকে যুবলীগ কর্মী রেজাউল করিমকে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামী রাব্বীকে গ্রেফতার করেছে সদর কোতয়ালী থানা পুলিশ। হত্যায় অভিযুক্ত আসামী রাব্বী রেজাউলের চাচাতো ভাই। আলোচিত হত্যা মামলায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে কোতয়ালী থানার ওসি তদন্ত আবু বক্কর সিদ্দিক এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স পুলিশের একটি চৌকষ টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে টানা ৩৬ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দিনগত রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে পলাতক আসামি গোলাম রব্বানী ওরফে রাব্বীকে গ্রেফতার করেন। রাব্বীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার সরকার জানান, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে গত ৮ সেপ্টম্বর বিকেলে আলোচনায় বসেন রেজাউল তার চাচাতো ভাই রাব্বী মিয়াসহ পরিবারের অনেকে। এ সময় রেজাউলের সঙ্গে রাব্বীর বাবার তর্ক-বির্তক হয়। একপর্যায়ে রাব্বী ধারালো রামদা দিয়ে সজোরে রেজাউলের মাথায় কোপ দেয়। পরিবারের লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রেজাউলকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেজাউল মারা যায়। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক ভাবে মেহেদী হাসান নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়। নিহতের ছোট ভাই মুন্না বাদী হয়ে থানায়ল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০৭ তারিখ ০৯/০৯/২০২৩। এরমধ্যে গ্রেফতার হওয়া রাব্বী ছিল এক নম্বর এজহারভুক্ত আসামী। অন্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলছে। এদিকে, যুবলীগ কর্মী রেজাউল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার হওয়ায় রংপুর জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মামুনুর রশীদ ও কাম রুজ্জামান শাহীন পুলিশ প্রশাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাকী আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।

Read More »

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ ও পুলিশ পরিবার কল্যাণ সংস্থার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ ও পুলিশ পরিবার কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে প্রায় ১০০ জন দুঃস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ডের নীলকন্ঠ এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ ও পুলিশ পরিবার কল্যাণ সংস্থার কার্যালয়ে দুঃস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর (সাবেক প্যানেল মেয়র) মোঃ মাহমুদুর রহমান টিটু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ ও পুলিশ পরিবার কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মোঃ মহসীন আলী, সহ সভাপতি মনোরঞ্জন রায়, সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ রজিকা বেগম, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ কিবরিয়া, কোষাধক্ষ মজিবর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল খালেক, নির্বাহী সদস্য মোঃ মোদাদ্দির আহমেদ, আলতাফ হোসেন, আলী আকবর চৌধুরী, মোজাফ্ফর হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »

রংপুরে স্টেপ ফুটওয়ার শোরুমের উদ্বোধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে স্টেপ ফুটওয়ার শোরুম উদ্বোধন করা হয়। গতকাল রংপুর শহরের জাহাজ কোম্পানী মোড় ট্রাফিক বক্স সংলগ্ন স্টেপ ফ্ল্যাগশীপ রংপুর এর স্টেপ ফুটওয়ার শোরুম শুভ উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আমিনুল ইসলাম শামীম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের রিটেইল ম্যানেজার হোসাইন মোহাম্মদ সাদেক, শোরুম ম্যানেজার বিপুল রায় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ। এ সময় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আমিনুল ইসলাম শামীম বলেন, ২০১৪ সাল থেকে স্টেপ ফুটওয়ার সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছে। সর্ব সাধারণের জন্য ফ্যাশানবল ও আরাম দায়ক ৫০০ টিরও বেশি আর্টিকেল প্রদর্শন ও বিক্রয় করে থাকে। স্টেপ ফুটওয়ার মানেই নতুন কিছু বিশ্বসেরাদের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

Read More »

ডেঙ্গু প্রতরোধে যুবলীগের মশক নিধন অভিযান

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ডেঙ্গ প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচি পালন করেছে রংপুর জেলা যুবলীগ। শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি যুবনেতা মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি।সচেতনতামূলক এ কার্যক্রম থেকে রংপুর নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে মশক নিধনে স্প্রে করার পাশাপাশি ঝোপ-ঝাড় পরিস্কার করাসহ এলাকাবাসীকে সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. লুৎফে আলী রনি, রংপুর সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাবেক সদস্য কামরুজ্জামান লিটন, আজিজুল ইসলাম মুরাদ, রাজিব হাসান সুমনসহ অন্যরা। যুবনেতা মেহেদী হাসান সিদ্দিকী রনি বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের নির্দেশে রংপুর জেলা যুবলীগ নানা মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এরই অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।

Read More »

সার্ভার ডাউন ভূতে ভুগছে জন্মনিবন্ধন সনদ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শাখা। সেখানে ছুটি ছাড়া প্রতিদিনই থাকে বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা। নিবন্ধন সনদ হাতে পাওয়ার আগে সার্ভার সমস্যা, বকশিশ আর ম্যানেজ মিশনের গ্যাঁড়াকলে পোহাতে হয় ভোগান্তি। যা নিয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগের শেষ নেই।সকালে কিছু কাগজ নিয়ে নতুন ভবনের সিঁড়ি বেয়ে নিচতলায় নামছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি এসেছিলেন জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে। কিন্তু হতাশার ছাপ মুখে চেপে ফিরে যাচ্ছিলেন। ভুক্তভোগী হাসান ফেরদৌস রাসেল বলেন সবকিছু লিখে দেওয়ার পরও সনদে নাম ভুল আসে। তারপর ডিসি অফিসে আবার আবেদন করতে হয়। কিন্তু কেউ সঠিক তথ্যটা জানাতে চায় না। এ কারণে তৃতীয়পক্ষ বা দালাল ধরা ছাড়া উপায় থাকে না। জন্মনিবন্ধনের সনদ সংশোধন যেন সোনার হরিণ। ফরম পূরণ করে দেওয়ার পরও আমার মেয়ের জায়গায় লিঙ্গ পরিচয় ছেলে আসছে সঙ্গে নামের বানানও ভুল।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, চাকরিতে যোগদান, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নাগরিক সেবার ১৯টি ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন হয়। জন্ম নিবন্ধন একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা সবার আবশ্যিক প্রয়োজন। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রয়োজনীয় দলিল হাতে পেতে দিনের পর দিন সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ে ঘুরে ঘুরেও কোনো ফল পাচ্ছেন না নাগরিকরা। গত ৭-৮ মাস ধরে রংপুর সিটি কর্পোরেশনে ঘুরেও মেয়ের এবং নিজের জন্মনিবন্ধন সনদ হাতে পাননি নগরের পূর্বশালবন শান্তিনগর এলাকার মাসুদ রানা সাকিল। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রথমে ওরা (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শাখা) বলেছিল সনদ পেতে তিন মাস সময় লাগবে। তিন মাস পর খোঁজ নিতে গিয়ে জানলাম সনদ আসেনি। ডিসি অফিসে খোঁজ নিতে বলায় আমি সেখানে যাই। কিন্তু ডিসি অফিস থেকে আবার আমাকে সিটি কর্পোরেশনে খোঁজ নিতে বলা হয়।তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন পর জন্মনিবন্ধন শাখা থেকে জানতে পারলাম আমার আবেদনের কাগজপত্র হারিয়েছে। এতদিন নাকি এসব কাগজ থাকে না। ফেলে দেওয়া হয়। এ কারণে আমার কাছে পুনরায় টাকা চাওয়া হয়। আমার কাছে নিবন্ধন ফি জমা দেওয়ার রশিদ থাকা সত্ত্বেও জন্মনিবন্ধন সনদ পেলাম না।আক্ষেপ করে মাসুদ রানা বলেন, আবার নতুন করে আবেদনের টাকা জমা দিলে আমার এবং মেয়ের জন্মনিবন্ধন সনদ যে পাবো তার নিশ্চয়তা কী? আবেদন করলে আবার তো ভূত আবেদনের কপি নিয়ে যাবে। এখানে অদক্ষ জনবলের পাশাপাশি কিছু দালাল প্রকৃতির লোকজন রয়েছে। যাদের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।এই অভিযোগ শুধু হাসান ফেরদৌস আর মাসুদ রানার নয়। জন্মনিবন্ধন সনদ করতে গিয়ে এমন বিড়ম্বনায় পড়েছে সিটির পাশাপাশি উপজেলা ও ইউনিয়নে বাস করা রংপুরের হাজারো মানুষ। স্কুল-কলেজে ভর্তি, পাসপোর্ট, বিয়ে কিংবা করোনার টিকাসহ এখন সবখানে অতিজরুরি জন্মনিবন্ধন সনদ। জন্মনিবন্ধন ছাড়া যেন সব কিছুই অচল। আর এই অচল অবস্থা সচল করতে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যেন সার্ভার ডাউন ভূত চেপেছে বসেছে। তার ওপর ভুলে ভরা নিবন্ধন ঠিক করতেও নাজেহাল হতে হচ্ছে।নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আদুরী বেগমের সঙ্গে কথা হয় সিটি কর্পোরেশনের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শাখায়। প্রতিবেদককে তিনি বলেন, আমার মেয়ের নামের ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম। প্রায় তিন মাস পর সনদ পেলাম। এর মাঝে বেশ কয়েকবার এসে ঘুরে গিয়েছি।রংপুর সিটি কর্পোরেশনে ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে সাধারণ কাউন্সিলরের (পুরুষ) পাশাপাশি তিনটি ওয়ার্ড মিলে একজন করে সংরক্ষিত (নারী) কাউন্সিলর রয়েছে। তাদের কাছে গড়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচজন জন্মনিবন্ধন সনদ পেতে পরামর্শ নিতে আসেন। এতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় কাউন্সিলররাও বিপাকে পড়েছেন বলে দাবি করেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহমুদুর রহমান টিটু।কাউন্সিলর বলেন, সার্ভার ডাউনের কারণে খুব সমস্যায় আছি। মানুষ তো সার্ভার সমস্যা বুঝবে না। তারা আমাদের কথা না বুঝেই নানান রকম অভিযোগ করে। কেউ কেউ দালাল ধরে হয়রানীও হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবেই সার্ভার ডাউন। এটাতো আমাদের হাতে নেই, সরকারি ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। প্রতিদিন অন্তত ২০০ বেশি সনদ প্রদান করা জরুরি। অথচ সেখানে বেশিরভাগ সময় থাকছে না সার্ভার। সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের মতো আমরাও জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম নিয়ে সীমাহীন ভোগান্তিতে রয়েছি।দালালদের বকশিশ দিলে দ্রুত জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়া সম্ভব কিনা জানতে চাইলে কাউন্সিলর মাহমুদুর রহমান বলেন, সিটিতে কোনো দালাল নেই। যাদের দেখেছেন সবাই কর্মচারী। এখন কেউ যদি নিজের স্বার্থে কাউকে খুশি রাখতে বকশিশ দেয়, সেটা তো তার ব্যাপার। তবে আমরা কাউন্সিলররা চেষ্টা করছি যাদের খুব জরুরি প্রয়োজন তাদেরকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।বিভিন্ন সূত্র বলছে, মূলত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ফি সিটি কর্পোরেশন পাবে নাকি সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা হবে– এ নিয়ে তৈরি হয়েছে সমস্যা। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ফি পরিশোধে সম্প্রতি ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়। ফলে এই ফি সরাসরি চলে যাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে। এ কারণেই প্রায়ই সার্ভার ডাউন ভোগান্তিতে ব্যাহত হচ্ছে নিবন্ধন সেবা।সম্প্রতি তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের জেসমিন আক্তার স্কুলপড়ুয়া সন্তানের জন্ম নিবন্ধন তুলে দেখেন সেখানে ভুল তথ্য নিবন্ধন করা। সংশোধনীর জন্য ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গেলে তার ও স্বামীর নিবন্ধন চাওয়া হয়। এরপর জেসমিন নিজের ও স্বামীর নিবন্ধন উঠান। এতে ভোগান্তি আরও বাড়ে। এবার জেসমিনের ও স্বামীর জন্ম নিবন্ধনে নাম ভুল আসে। সেটা ঠিক করতে এখন প্রয়োজন তাদের বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন।পরিষদের মাঠে আক্ষেপ করে জেসমিন আক্তার বলেন, ‘ছাওয়াটার নিবন্ধন ঠিক কইরার যায়া এ্যলা স্বামীর আর মোর নিবন্ধন ভুল। ভোটার আইডি কার্ডে মোর নাম জেসমিন আক্তার জন্মনিবন্ধনে তাক জসেমনি আক্তার, আর ওমার (স্বামী) নামতো গোটালে ভুল আসছে। এ্যলা ফির হামার দুইজনরে বাপ-মায়ের জন্ম নিবন্ধন চাহিচে।’তিনি বলেন, ভোটার আইডি কাডোত সউগ ঠিক আছে। তাও নাকি জন্ম নিবন্ধন ছাড়া কাম হবার নায়। কয়দিন থাকি পরিষদোত ঘুরিছি, তাও জন্ম নিবন্ধন ঠিক হওচে না। এ্যলা মনটায় কওছে ছাওয়া (সন্তন) জন্মের কষ্টের চ্যায়া জন্ম নিবন্ধনের কাগজ হাতোত পাওয়া বেশি কষ্টের।এ ধরণের রকম অভিযোগ জেলার সবখানেই। কেউ বলছেন বকশিশ দিলেই সবকিছু ঠিকঠাক পাওয়া যাচ্ছে। আবার কারো অভিযোগ নাম সংশোধনে বিড়ম্বনা বেশি। জন্মনিবন্ধন সনদ পেতে ধরনা দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তবে সার্ভার ডাউনের কারণেই ভোগান্তি বেড়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।এ বিষয়ে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শাখার নিবন্ধক মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রতিদিন ১০০টির বেশি আবেদন জমা পড়ছে। আমরা চেষ্টা করছি গুরুত্ব বুঝে দ্রুত সনদ প্রদানের জন্য। কিন্তু সার্ভার ডাউনের কারণে অনেক কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। সার্ভার না থাকা এটা আমাদের কোনো সমস্যা নয়, এটি নিয়ন্ত্রিত হয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে। আমরা কোনোকিছু বন্ধ করে রাখি না। সার্ভার পাওয়া যায় না মাঝে মাঝে, তখন আমরা সেবাগ্রহীতাদের ফেরত পাঠাই। সার্ভার ডাউন থাকার কারণে যদি কেউ সেবা না পায়, সেখানে আমাদের তো কিছু করার নেই।তিনি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলে তার মা-বাবাকে প্রথমে ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসের মাধ্যমে ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়। জন্ম সনদ নিতে প্রথমে অনলাইনে আবেদন করে ব্যাংকে নির্ধারিত সরকারি ও অফিস ফি জমা করতে হয়। সিটি কর্পোরেশনের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শাখায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তথ্য

Read More »

শেখ হাসিনার জন্যই বাংলার মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য বাংলার মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে । তিনি বলেন, জিয়া, এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার ২৯ বছরের শাসন আমলে এদেশকে পাকিস্তানের মতো একটি ব্যর্থ ও অকার্যকর রাষ্ট্র বানানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আমাদের ভাগ্য ভালো যে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার শেখ হাসিনা ছিলেন। তাই বাংলার মানুষ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এ দেশ থেকে চলে গেছে। কিন্তু তাদের সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আল শামস, এমনকি যে জামায়াত সেই সময় দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে তারা সবাই বাংলাদেশে রয়ে গেছে। তারা এখনো আছে। আশপাশে, আমাদের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে মানুষকে নানাভাবে বিভ্রান্ত করার মোক্ষম সময়। যারা নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তারা মিথ্যাচার করে তথ্য প্রযুক্তির সুযোগ নিচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, তারা যত অপপ্রচার করুক না কেন স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি কখনোই বিভ্রান্ত হবে না। পরে পুলিশ লাইন স্কুল এান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের বীরত্বের ইতিহাস শীর্ষক’ আলোচনায় যোগ দেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আব্দুল বাতেন বিপিএম, পিপিএম এর সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন বীর বিক্রম মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মনিরুজ্জামান বিপিএম-বার, পিপিএম-বার, রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশে^র হাসান, রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী, রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছাদ্দেক হোসেন বাবলু, রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, পুলিশ লাইন স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. একেএম জালাল উদ্দিন আকবর সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম মোজাম্মেল হক পুলিশ লাইন স্কুল এ্যান্ড কলেজে স্বাধীনতা গ্যালারী

Read More »