সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 28, 2023

আওয়ামী ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে : প্রধানমন্ত্রী সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ওয়াশিংটন ডিসি, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর দল ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ অন্ধকার যুগে নিমজ্জিত হবে। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী ক্ষমতায় না থাকলে দেশ আবার অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে। তবে আমি জানি, বাংলাদেশের মানুষ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাইবে না।’ বুধবার ওয়াশিংটন ডিসির হলিডে একপ্রেস ইন হোটেলে আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার পক্ষ থেকে তাঁকে দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন। বিএনপি-জামায়াত সরকারের ২৯ বছরকে অন্ধকারের যুগ হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের শাসনামলে নিজেদের ভাগ্য গড়তে অনেকে ব্যস্ত থাকায় তারা জনগণের জন্য কিছুই করেনি। তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত চক্র বাংলাদেশের মানুষের জীবন থেকে ২৯ বছর মুছে দিয়েছে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশব্যাপী ব্যাপক উন্নয়ন করে অনেক বছরের ঘাটতি পূরণ করেছে।’ তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরা তাঁর সরকারের রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী ২০০৯ সাল থেকে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে দেশ পরিচালনা করায় বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ২০২৬ সাল থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং যার জন্য তারা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে যাত্রাকে মসৃণ করার উপায় খুঁজে বের করতে তাঁর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছে। তিনি বলেন, আমি জানি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের যাত্রায় কোন জটিলতা হবে না। শেখ হাসিনা বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচন এ কারণে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আগামী সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের অংশ হিসেবে তারা ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে একটি কমিটি গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ এখনো বিশ্বাস করে যে, আওয়ামী লীগই পারে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে এবং দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে।’ শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর বাবা, মা, ভাইসহ সবকিছু হারানোয় দেশের জনগণ তাঁর কাছের মানুষ ও প্রিয়জন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ আমার শক্তি। দেশবাসী আমার পরিবার এবং আমি এটা মাথায় রেখে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি।’ সরকার প্রধান বলেন, তারা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বিনামূল্যে বাড়ি দিচ্ছেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, আড়াই কোটি শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দিচ্ছেন যাতে দেশবাসী আর কষ্ট না পান। তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে আমরা পরিকল্পিতভাবে সবকিছু করে যাচ্ছি।’ শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশের মানুষের কেউ গৃহহীন ও অতি দরিদ্র থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছেন এবং এখন উন্নয়নের পথে যাত্রা অব্যাহত রাখায় দেশকে একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছি। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘সতর্ক থাকুন, কারণ, দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে যাতে কেউ আর ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’ বিএনপি-জামায়াতকে সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা বিশ্ব অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, ‘তাদের (বিএনপি-জামায়াত চক্র) চরিত্রের এখনো পরিবর্তন হয়নি। তাই, তারা ষড়যন্ত্র করে এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশকে ধ্বংস করতে নেমেছে।’ শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘দেশে-বিদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ দেখিয়ে দিয়ে আমাদেরকে তাদের উচিত শিক্ষা দিতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতা-কর্মীদের আমেরিকায় তাদের এলাকার কংগ্রেসম্যান, সিনেট সদস্য এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করতে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াত চক্রের বাংলাদেশকে ধ্বংসের মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবহিত করার আহ্বান জানান। আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর দল জন্মলগ্ন থেকেই জনগণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম শুরু করে। এসব সংগ্রামের মধ্যে রয়েছে ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা দাবি ও মুক্তিযুদ্ধ। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণেই বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। এতো নিষ্ঠা ও ভালোবাসা নিয়ে দেশের উন্নয়নে আর কেউ কাজ করবে না। আমরা চাই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক এবং এক্ষেত্রে কেউ যেন বাধা সৃষ্টি করতে না পারে।’ প্রধানমন্ত্রী ১৭ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৮তম অধিবেশনের এর ফাঁকে অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগদানের পর নিউইয়র্ক থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসি পৌঁছেন।

Read More »

সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষায় সারাদেশে প্রথম হয়েছেন নুসরাত জেরিন জেনি

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ১৬তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে সহকারী জজ হিসেবে সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন নুসরাত জেরিন জেনি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মুন্নুজান হল শাখা ছাত্রলীগের উপ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক। এ নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে আসছেন। রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শরীফ এ এম রেজার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী জজ হিসেবে মনোনীত ১০৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেধা তালিকায় থাকা ৯৯তম থেকে ১০৪তম পরীক্ষার্থীরা একই নম্বর পাওয়ায় ১০০ জন চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে অতিরিক্ত আরও চারজন মিলিয়ে ১০৪ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। রাবি মুন্নুজান হলের ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক জেরিন। জানা গেছে, সারাদেশের মধ্যে প্রথম নুসরাত জেরিন জেনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৪০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাসিবুল আলম প্রধান বিষয়টি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন। তিনি তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, ‘টানা চতুর্থবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিজেএস পরীক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এবার তাদের শিক্ষার্থী নুসরাত জেরিন প্রথম হয়েছে। তিনি আইন বিভাগের ৪০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি স্নাতক (এলএলবি) চূড়ান্ত পরীক্ষায়ও প্রথম শ্রেণিতে হন। তার মাস্টার্সের ভাইভা এখনো হয়নি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, রোববার রাতে নুসরাত জেরিনের ছাত্রলীগ করার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের-৪০তম ব্যাচের ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট নুসরাত জেরিন এবার বাংলাদেশে বিজেএস পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন। নুসরাত জেরিন জেনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুন্নুজান হল শাখা ছাত্রলীগের উপ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন দেখা সোনার বাংলা বিনির্মানে নেতৃত্ব দিবে। এর আগে ১৩তম বিজেএস পরীক্ষায় শিউলী নাহার, ১৪তম বিজেএস পরীক্ষায় সুমাইয়া নাসরিন ও ১৫তম বিজেএস পরীক্ষায় আশিক উজ জামান প্রথম হয়েছিলেন। তারা সবাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী।

Read More »

শিল্প মন্ত্রণালয় সচিব জাকিয়া সুলতানাকে সিনিয়র সচিব মর্যাদায় পদোন্নতি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানাকে সিনিয়র সচিব মর্যাদায় পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা। ফাইল ছবি সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা। ফাইল ছবি আতাউর রহমান রাইহান সিনিয়র সহকারী সচিব শেখ শামসুল আরেফীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে শিল্প মন্ত্রণালয়েই সিনিয়র সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি জানানো হয়। এরআগে, ২০২১ সালের মে মাসে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (সচিব) জাকিয়া সুলতানাকে শিল্প সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। তখন শিল্পসচিব কে এম আলী আজমকে সিনিয়র সচিব পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়। জাকিয়া সুলতানা ১০তম বিসিএসের মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। তিনি কেন্দ্রীয় ও মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল), পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, মহিলাবিষয়ক অধিদফতরসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় জাকিয়া সুলতানা ব্যাংকগুলো ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মাঠ প্রশাসনে মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার স্বামী আতিকুল ইসলাম পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ১৯৬৮ সালে নাটোর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন জাকিয়া সুলতানা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে বিএসসি (এনাটমি) ও ১৯৯১ সালে এমএসসি (এনাটমি) ডিগ্রি ও পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

Read More »

পর্যটন শিল্প দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অন্যতম হাতিয়ার— স্পীকার

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খৃ. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন,বাংলাদেশ সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের সাথে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে সম্পৃক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, পর্যটন শিল্প দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অন্যতম হাতিয়ার। তিনি আজ রাজধানীস্থ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৩’ উপলক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে মুজিব’স বাংলাদেশ উদযাপনে ৪ দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোকাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো: রাহাত আনোয়ার। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বের বুকে পর্যটন শিল্পে এক অপার সম্ভাবনার নাম বাংলাদেশ। বাংলাদেশ অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি এবং গৌরবময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। তিনি বলেন, এদেশের প্রাকৃতিক রূপ-বৈচিত্র্য অন্য দেশের থেকে অনন্য এবং একক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত, তাই পর্যটন শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। স্পীকার বলেন,এদেশের মানুষ অতিথিপরায়ন এবং বন্ধুবৎসল। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রত্নতাত্মিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি, দীর্ঘতম অখণ্ড সমুদ্র সৈকত, বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, প্রসিদ্ধ খাবার, সঙ্গীত এবং নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ইত্যাদির আকর্ষণে বিদেশীরা এদেশে ছুটে আসে। তিনি বলেন, প্রতিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দায়িত্বশীল পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনা এবং এর অর্থনৈতিক সুফল স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের অফুরন্ত পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে সকলকে উদ্যোগী হতে হবে। সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণের ফলেই পর্যটন শিল্প দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এসময় স্পীকার ‘বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল’ এবং ‘প্লাস্টিক ফ্রি সেইন্ট মার্টিন’ উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং এ অনুষ্ঠানের জন্য আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এ অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর ইমাম জয় এমপি, আশেক উল্যাহ রফিক এমপি এবং সৈয়দা রুবিনা আক্তার এমপি, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ, পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত ব্যবসায়ীবৃন্দ, বিভিন্ন স্টলের সত্ত্বাধিকারী, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ,সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »