সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: January 1, 2024

৫৫ কেজি ৫০১ গ্রাম সোনা চুরির ঘটনায় আরও ২ রাজস্ব কর্মকর্তাসহ তিন জনের রিমান্ড মঞ্জুর

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সোমবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আহম্মেদ হুমায়ুন কবির শুনানি শেষে দুজনেরই দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম সাহেদ, আকরাম শেখ, মো. মাসুম রানা এবং সিপাহী মো. মোজাম্মেল হক, মো. নিয়ামত হাওলাদার, মো. রেজাউল করিম ও মো. আফজাল হোসেনের পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম সাহেদ ও সিপাহী মো. আফজাল হোসেনকে আবার পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। বাকি পাঁচ আসামি কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম সাহেদ ও সিপাহী মো. আফজাল হোসেনকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শান্তা আক্তার তিনজনের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সোনা চুরির ঘটনায় বিমানবন্দরের কাস্টম হাউজের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঢাকা কাস্টম হাউজের গুদাম থেকে ৫৫ কেজি ৫০১ গ্রাম সোনা খোয়া গেছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫০ কোটি টাকার বেশি। সাধারণত বিমানবন্দরে যাত্রীদের কাছ থেকে জব্দ করা সোনার বার, অলঙ্কারসহ মূল্যবান জিনিস এ গুদামে রাখা হয়। গুদামে রক্ষিত সোনার হিসাব মেলাতে গিয়েই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

Read More »

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ১৫ বছরে ১৫টি নতুন বিভাগ ও ৬০০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থাসহ ব্যাবক উন্নয়ন হয়েছে

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১ জানুয়ারি, ২০২৪ খৃ. গত ১৫ বছরে প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ডিজিটাল পরিষেবা সম্প্রসারণ এবং আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির সাথে সাথে ১৫টি নতুন বিভাগ, ৩০টি গবেষণা কেন্দ্র এবং একটি ইনস্টিটিউট চালু করাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আবাসিক ভবন নির্মাণ করে ৬ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য নতুন বসবাসের সুবিধা এবং ৪০০ শিক্ষক ও ৭০০ কর্মচারীর জন্য আবাসন সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। ঢাবি, দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়- যা পূর্বে এর কাঠামোর জন্য প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসাবে খ্যাত হয়েছিল, এটি ১৯২১ সালে তিনটি অনুষদ, ১২টি বিভাগ এবং তিনটি ডরমিটরি নিয়ে যাত্রা শুরু করে এবং এখন এর ৮৪টি বিভাগ, ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ১৯টি আবাসিক হল এবং অন্তত ৫১টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে গত ১৫ বছরে ১৫টি বিভাগ, একটি ইনস্টিটিউট, দুটি আবাসিক হল, ৩০টি গবেষণা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসনের সুবিধার্থে, দুটি আবাসিক হল-বিজয় ৭১ হল (২০১৩), কবি সুফিয়া কামাল হল (২০০১) ছাত্রদের জন্য নির্মিত হয়েছে – প্রতিটি ১০০০ ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এবং তিনটি সম্প্রসারিত বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে – রোকেয়া হলে ১০০০ ছাত্রীর জন্য ১১ তলা বিশিষ্ট ৭ মার্চ ভবন, ১০০০ ছাত্রের জন্য ১০ তলা বিশিষ্ট জগন্নাথ হলে সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য্য ভবন এবং ১০০০ ছাত্রের জন্য বঙ্গবন্ধু হল ১১ তলা সম্প্রসারিত ভবন। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের থাকার সুবিধার্থে রোকেয়া হল এক্সটেনশন বিল্ডিং নং-২ এবং এফএইচ হল বিল্ডিংসহ কয়েকটি ডরমেটরি ভবন উপরের দিকে সম্প্রসারিত করা হয়েছে শিক্ষকদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে- যার মধ্যে রয়েছে মুনীর চৌধুরী ভবন, প্রভোস্ট কমপ্লেক্স, ১২ তলা বিশিষ্ট ৭ মার্চ রোকেয়া হলের হাউস টিউটর বিল্ডিং, জগন্নাথ হলের শিক্ষকদের জন্য আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ ১২ তলা ভবন, বঙ্গবন্ধু হলের হাউস টিউটরদের জন্য আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ ১১ তলা ভবন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসন সুবিধার উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে কর্মকর্তাদের জন্য ২০ তলা শেখ রাসেল টাওয়ার, তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য ১২ তলা শেখ কামাল টাওয়ার, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য ২০ তলা বঙ্গবন্ধু টাওয়ার, আজিমপুর এবং শহীদ আবদুল খায়ের ভবনে কর্মচারীদের জন্য ১০ তলা আবাসিক ভবন। একাডেমিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সাযয়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের জন্য ২১ তলা বিল্ডিং, ১২ তলা সোশাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টি ভবন, ১১ তলা বিশিষ্ট বিজ্ঞান ভবনে উন্নত গবেষণা কেন্দ্র, মোকাররম হোসেন খুন্দকার বিজ্ঞান ভবন এবং মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের জন্য পৃথক ভবন। শিক্ষকদের জন্য আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির জন্য, বেশ কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে -যার মধ্যে রয়েছে মুনীর চৌধুরী ভবন, প্রভোস্ট কমপ্লেক্স, ১২ তলা বিশিষ্ট ৭ মার্চ রোকেয়া হলের হাউস টিউটর বিল্ডিং, জগন্নাথ হলের শিক্ষকদের জন্য আনুষঙ্গিক সুবিধা সহ ১২ তলা ভবন, ১১ তলা ভবন। বঙ্গবন্ধু হলের হাউস টিউটরদের জন্য আনুষঙ্গিক সুবিধা সহ। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসন সুবিধার উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে কর্মকর্তাদের জন্য ২০ তলা শেখ রাসেল টাওয়ার, তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য ১২ তলা শেখ কামাল টাওয়ার, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য ২০ তলা বঙ্গবন্ধু টাওয়ার, আজিমপুর এবং শহীদ আবদুল খায়ের ভবনে কর্মচারীদের জন্য ১০ তলা আবাসিক ভবন। একাডেমিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের জন্য ২১ তলা বিল্ডিং, ১২ তলা সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টি ভবন, ১১ তলা বিশিষ্ট বিজ্ঞান ভবনে উন্নত গবেষণা কেন্দ্র, মোকাররম হোসেন খুন্দকার বিজ্ঞান ভবন এবং মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের জন্য পৃথক ভবন। এছাড়া কিছু একাডেমিক ভবন উল্লম্বভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে কলা ভবন, বিজ্ঞান অ্যানেক্স ভবন, চারুকলা অনুষদের লেকচার থিয়েটার ভবন, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি ভবন, ফিশারিজ স্টাডিজ বিভাগের ভবন সম্প্রসারণ এবং ভূতত্ত¦ বিভাগের জন্য সম্প্রসারিত ফ্লোর। গত ১৫ বছরে চালু করা বিভাগগুলো হল: সঙ্গীত (২০০৯), নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং (২০১০), শিক্ষা ও পরামর্শ বিভাগ (২০১১), টেলিভিশন, চলচ্চিত্র এবং ফটোগ্রাফি (২০১২), অপরাধবিদ্যা (২০১২), সমুদ্রবিদ্যা (২০১২), দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা (২০১২), নৃত্য (২০১৪), ফলিত গণিত (২০১৪), মুদ্রণ এবং প্রকাশনা অধ্যয়ন (২০১৫), রোবোটিক্স (২০১৫), সংস্থা, কৌশল এবং নেতৃত্ব (২০১৬), আবহাওয়াবিদ্যা (২০১৬), জাপানিজ স্টাডিজ (২০১৭) , তাত্ব্কি এবং কম্পিউটেশনাল কেমিস্ট্রি (২০১৭), জনস্বাস্থ্য (২০২৩)। এই সময়ের মধ্যে ‘ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ’ নামে একটি ইনস্টিটিউট খোলা হয়েছে। তাছাড়া, অন্তত ৩০টি গবেষণা কেন্দ্রও চালু হয়েছে এই সময়ের মধ্যে। এছাড়াও, সান্ধ্যকালীন কোর্স পরিচালনার উদ্যোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে, ৩৫টি বিভাগ এবং ইনস্টিটিউট সান্ধ্য কোর্স পরিচালনা করছে যেখানে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বাইরে, ৭,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থী বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হচ্ছে। আর তাদের ক্লাস পরিচালনা করেন ৭২৫ জন শিক্ষক। ঢাবি আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর আসিফ হোসেন

Read More »

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন সেনা ও নৌ প্রধান

শাহ নেওয়াজ / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। সোমবার (১ জানুয়ারি) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন সেনাবাহিনী ও নৌ বাহিনী প্রধান। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা, বিমান বাহিনী প্রধান ও সেনাবাহিনীর নবনিযুক্ত সিজিএস । লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন লাভ করেন। তিনি সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়া তিনি আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Read More »

নগরায়ন ও শিল্পায়নের সাথে পরিবেশ দূষণের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশের যে চিত্র তা সম্ভব হয়েছে শিল্পায়নের ফলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য। এতে মানুষের জীবন জীবিকার ব্যবস্থা হয়েছে এবং নগরায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য যেকোন উন্নত দেশের মতোই আমাদের দেশেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলে নানা রকম পরিবেশগত দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে প্রথম থেকেই যদি আমরা আমাদের পরিবেশ দূষণের বিষয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি তাহলে আমাদের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হবে। তিনি আজ স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে ঢাকায় হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে করনীয় শীর্ষক Multi Stakeholder Consultation কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আলী হোসেন এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের কেমিক্যাল প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. এ. এ শওকাত চৌধুরী। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের শোষণ বঞ্চনা থেকে মুক্ত করে একটি মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসাবে গড়ার লক্ষ্যে স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন। এক সময় বাংলাদেশকে “তলাবিহীন ঝুড়ি” বলে অপমান করা হলেও বর্তমানে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা পৃথিবীর বুকে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সারা পৃথিবীর বুকে এক ধরনের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, যে পাকিস্তান থেকে জাতির পিতা স্বাধীনতার মাধ্যমে আমাদেরকে মুক্ত করেছিলেন আজকে আর্থ-সামাজিক সব ক্ষেত্রেই আমরা পাকিস্তানের থেকে অনেক এগিয়ে আছি। এমনকি প্রতিবেশী অনেক দেশের থেকেও সামাজিক অর্থনৈতিক সূচকে আমাদের অগ্রগতি সন্তোষজনক। তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সাথে পরিবেশের বিষয়গুলো আমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে। মোঃ তাজুল ইসলাম এ সময় বলেন, বাতাস এমন একটি মাধ্যম যা ধনী গরীব সবার স্বাস্থ্যের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। বায়ু দূষণের উপাদান সমূহ যেমন-বস্তুকণা, সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড কার্বন, মনোক্সাইডসহ বিভিন্ন দূষণের পরিমাপ করে সেসব দূষণ প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি এ সময় আজকের এই কনসালটেশনের মাধ্যমে ঢাকাসহ সারাদেশে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে করনীয় একটি পথ পরিক্রমা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় মন্ত্রী আন্ত সীমান্ত দূষণ দেশের বায়ু দূষণের মাত্রা কে বাড়িয়ে দিচ্ছেও বলে জানান। মন্ত্রী বলেন, বায়ু দূষণের উৎস ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাদির উপর বহুবিধ অংশীজন জড়িত। সেজন্য সকল অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ব্যতীত এ দূষণ নিয়ন্ত্রণের কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়।

Read More »