সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: February 20, 2024

পর্যটন খাতের উন্নয়নে মালদ্বীপের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ: সালমান এফ রহমান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খৃ : মালদ্বীপে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাস্তবায়ন ছাড়াও পর্যটন খাতে দেশটির বিদ্যমান অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে দেশটির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি। আজ সোমবার উপদেষ্টার গুলশান কার্যালয়ে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টা মোহামেদ আলী জানাহ এর সাথে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। সালমান এফ রহমান বলেন, উভয় দেশের বাণিজ্য বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোড়দার ও বহুমুখী করার বিষয়ে আন্তরিক পরিবেশে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া মালদ্বীপের পর্যটন খাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের পর্যটন খাত সমৃদ্ধ হতে পারে। মালদ্বীপের রিসোর্ট ও হোটেল সংশ্লিষ্ট সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হওয়ারও সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও দেশটিতে বাংলাদেশীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। সৌজন্য সাক্ষাৎকালে উভয়েই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে-বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মোহামেদ আলী জানাহ বলেন, আমরা সমন্বিত যৌথ উদ্যোগ নিতে পারি যা উভয় দেশের জনগণের জন্য লাভজনক হবে। তিনি বাংলাদেশী কর্মীদের মালদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য তাঁর সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Read More »

সাংবাদিকদের ডাটাবেজ প্রণয়নে প্রেস কাউন্সিল কাজ করছে : প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ময়মনসিংহ, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খৃ : বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম বলেছেন, সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন, অপসংবাদিকতা রোধে সাংবাদিকদের ডাটাবেজ প্রণয়নে প্রেস কাউন্সিল কাজ করছে। তিনি বলেন, সাংবাদিক সমাজ যেন আরো ভালোভাবে কাজ করতে পারে সেজন্য ডাটাবেজ প্রণয়ন খুবই জরুরি। আজ মঙ্গলবার ‘গণমাধ্যমে হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা’ শীর্ষক সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ কনফারেন্স রুমে এই সেমিনার ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাহফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় প্রেস কাউন্সিলের সচিব (অতিরিক্ত সচিব) শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুল ইসলাম ফকির, জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক শেখ মো. শহীদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথি আরো বলেন, ডাটাবেজ প্রণয়নের জন্য দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৩৪টি জেলার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। টেলিভিশন মিডিয়ার তালিকা প্রণয়নে পিআইডি ও পিআইবি সমন্বয় করে কাজ করছে। একটি নির্ভরযোগ্য তালিকা প্রণয়নে মালিকপক্ষ, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে বসেছি। সাংবাদিক বাছাইয়ে ¯œাতক, সাংবাদিকতায় ৫ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য, নিয়োগপত্রে বেতনভাতা ইত্যাদি দেখা হচ্ছে। তবে অপসংবাদিকতার হাত থেকে বাঁচতে নীতিমালাতে আরো অনেক কিছু সংযোজনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ সময় মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অমিত রায়, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন, ময়মনসিংহ সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মীর গোলাম মোস্তফা, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, নিয়ামুল কবির সজল প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি) ময়মনসিংহের কর্মকর্তাসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত ৪০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

স্পেনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খৃ : রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্পেনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া ডি চিনচেত্রু তার পরিচয় পত্র পেশকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ব্রিফিংয়ে জানান, বাংলাদেশে স্প্যানিশ বিনিয়োগের প্রশংসা করে রাষ্ট্র প্রধান বলেন, স্পেন বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানিকারক দেশ। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে বিরাজমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার ও অগ্রসরমান। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আশা করেন, নতুন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনকালে দু’দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক বিভিন্ন খাতে আরো সম্প্রসারিত হবে। স্পেনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি খুবই প্রশংসনীয়। স্পেন ও বাংলাদেশের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত তাঁর দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। এর আগে অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পিজিআরের একটি অশ্বারোহী দল রাষ্ট্রদূত্বকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। এসময় রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খৃ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একুশ (২১ ফেব্রুয়ারি) আমাদের মাথা নত না করতে শিখিয়েছে, কাজেই মাথা উঁচু করেই বাঙালি জাতিকে তিনি এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করতে। কাজেই আমরা মাথা নত করে নয়, মাথা উঁচু করেই চলবো এবং বিশ্বদরবারে মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যাব।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির মাঝে ‘একুশে পদক-২০২৪’ প্রদানকালে দেওয়া প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। তিনি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২১তম বারের মত বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘একুশে পদক’ বিজয়ীদের হাতে তুলে দেন। মরণোত্তর পদক বিজয়ীদের পক্ষে তাঁদের স্বজনগণ পদক গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা আমাদের শুধু স্বাধীনতাই দিয়ে যাননি, তিনি সেই সাথে আমাদের একটা মর্যাদাবোধ দিয়ে গেছেন। বিজয়ী জাতি হিসেবে সারাবিশ্বে আমরা মাথা উঁচু করেই চলতে চাই। এই কথাটা সকলকে মনে রাখতে হবে। তিনি এ সময় ১৯৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে জাতির পিতা যখন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন সে সময় প্রদত্ত ভাষণের চুম্বকাংশ উদ্ধৃত করেন। জাতির পিতা বলেছিলেন, “১৯৫২ সালের আন্দোলন কেবলমাত্র ভাষা আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এই আন্দোলন ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের যে মর্যাদা দিয়ে গিয়েছিলেন সেই মর্যাদাটা ’৭৫ এর পর বাঙালি জাতি হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু আজকে আমি অন্তত এইটুক দাবি করতে পারি আবার বাঙালি বিশ্বের দরবারে এখন মাথা উঁচু করে চলতে পারে। সেই মর্যাদা আমরা ফিরিয়ে এনেছি। আর এই মর্যাদা আমাদের সমুন্নত রেখেই আগামীর দিনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, “কারো কাছে হাত পেতে নয়, ভিক্ষা করে নয়, আমরা আত্মমর্যাদা নিয়ে বিশ^দরবারে মাথা উঁচু করে চলবো। কারণ, একুশ আমাদের মাথা নত না করা শিখিয়েছে। কাজেই, আমরা মাথা নত করে নয় মাথা উঁচু করে চলবো।” এরআগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবারের একুশে পদক ২০২৪ বিজয়ী ২১ জনের তালিকা প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। একুশে পদকে ভূষিতরা হচ্ছেন-ভাষা আন্দোলনে মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর), ভাষা আন্দোলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর), শিল্পকলায় (সংগীত) জালাল উদ্দীন খাঁ (মরনোত্তর), শিল্পকলায় (সংগীত) বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, শিল্পকলায় (সংগীত) বিদিত লাল দাস (মরনোত্তর), শিল্পকলায় (সংগীত) এন্ড্রু কিশোর (মরনোত্তর), শিল্পকলায় (সংগীত) শুভ্রদেব, শিল্পকলায় (নৃত্যকলা) শিবলী মোহাম্মদ, শিল্পকলায় (অভিনয়) ডলি জহুর, শিল্পকলায় (অভিনয়) চিত্রনায়ক এম. এ. আলমগীর, শিল্পকলায় (আবৃত্তি) খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা), শিল্পকলায় (আবৃত্তি) রূপা চক্রবর্তী, শিল্পকলায় (চিত্রকলা) শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, শিল্পকলায় (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিং) কাওসার চৌধুরী, সমাজসেবায় মো. জিয়াউল হক, সমাজ সেবায় আলহাজ্ব রফিক আহামদ, ভাষা ও সাহিত্যে মুহাম্মদ সামাদ (ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর), ভাষা ও সাহিত্যে লুৎফর রহমান রিটন, ভাষা ও সাহিত্যে মিনার মনসুর, ভাষা ও সাহিত্যে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (মরনোত্তর) এবং শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন পদক বিতরণ পর্বটি সঞ্চালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসনা জাহান খানম স্বাগত বক্তৃতা করেন। সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যগণ, সরকারের উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, দেশ বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পীসহ বিশিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনা আবারো তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর আজকে সুযোগ হয়েছে। দেশসেবার সুযোগ পেয়েছি। কাজেই যারা জনগণের সেবা করে তাদের সেবা করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। এভাবে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা আবদান রেখেছেন বা আমাদের দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে যারা অবদান রেখেছেন এবং আমাদের সংস্কৃতি, ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছেন তাদেরকে সম্মাননা দিতে হবে। জাতির পিতার পদাংক অনুসরণ করে তাঁর সরকার একটি শিক্ষিত, দক্ষ, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন আধুনিক জনশক্তি হিসেবে আজকের প্রজন্মকে গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। সমানে আমাদের লক্ষ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা। কাজেই কেউই অশিক্ষার অন্ধকারে থাকবে না এবং সবাই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তাদের দক্ষতা ও কর্মশক্তি বিকশিত করতে পারে সেদিকেই আমরা বিশেষভাবে দৃষ্টি দিচ্ছি। সেক্ষেত্রে আমি মনেকরি আমাদের আগামী দিনের পথচলায় ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে তুলবো, যার ঘোষণা আমরা দিয়ে

Read More »

খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এআই নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে : প্রতিমন্ত্রী পলক

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ : খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে জানিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘এরপর আইন প্রণয়ন করা হবে। এ নিয়ে ইউনোস্কো বাংলাদেশকে সহযোগিতার পথরেখা তৈরি করছে।’ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর সাথে আজ আগারগাঁওস্থ আইসিটি টাওয়ারে তাঁর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কো বাংলাদেশ এর প্রধান ড. সুজান ভাইজ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান। সাক্ষাতে ইউনেস্কো এবং আইসিটি বিভাগ এআই নিয়ে একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মতবিনিময়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, শিক্ষা, ডিজিটাল লিটারেসি, সহনশীল এবং প্রগতিশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইউনেস্কোর সাথে এজেন্সি টু ইনোভেট আওতায় এটুআই প্রকল্প ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আগামী দিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে আমাদের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং ব্যবসায়িকদের আরো বেশি সচেতন করে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনীতিক এবং প্রশাসনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদেরকে এআই সম্পর্কে সচেতন এবং দেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকেও দক্ষতা উন্নয়ন করতে চাই। এছাড়া সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এআই লিটারেসি, সাইবার সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইন এবং নীতিমালা নিয়ে আইসিটি বিভাগ ও ইউনেস্কো কীভাবে কাজ করবে সে বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। তিনি বলেন, ইউনেস্কোর সঙ্গে ১৮-২৫ বছরের শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে এটুআই হিউম্যান ডেভলপমেন্ট মিডিয়া উইং। এছাড়াও সারাদেশে স্থাপিত শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সমূহে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এআই শিক্ষাকে বিভিন্ন বয়সের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের সচেতন করা হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনেস্কো বাংলাদেশ এর প্রধান ড. সুজান ভাইজ বলেছেন, আলোচনাটি খুবই চমৎকার। তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে মন্ত্রণালয়ের আগ্রহ দেখে আমি অভিভূত। আমরা বেশ সহযোগিতার বেশ কয়েকটি ভালো জায়গা খুঁজে পেয়েছি। এর মধ্য শুরুতেই আছে এআই। এছাড়াও সবচেয়ে তরুণ বয়সীদের জন্য এআই শিক্ষা, ডিজিটাল স্বাক্ষরতা ও সাংবাদিকদের সচেতনতা সৃষ্টি ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আলাপ হয়েছে। স্মার্ট সিটি, স্মার্ট সিটিজেন ও স্মার্ট লিডার গড়তে বাংলাদেশকে সব ধরণের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইউনেস্কো।

Read More »

প্রধানমন্ত্রী আজ একুশে পদক-২০২৪ বিতরণ করবেন

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খৃ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে ‘একুশে পদক ২০২৪’ তুলে দেবেন। সকাল ১১টায় সরকার প্রধান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’ প্রদান করবেন। একুশে পদক প্রদান উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উভয়েই অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি ‘অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন করবে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দেওয়া টাকার পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২০২০ সালে তা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়েছে। এর আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি, সরকার নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ‘একুশে পদক-২০২৩’ র জন্য ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে। এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দু’জন, শিল্পকলায় ১২ জন, সমাজসেবায় দু’জন, ভাষা ও সাহিত্যে চার জন এবং শিক্ষায় একজন বিশিষ্ট নাগরিক এ পুরস্কার পাচ্ছেন। ভাষা আন্দোলন বিভাগে পুরস্কারের জন্য মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর) নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শিল্পকলা বিভাগে সংগীত ক্যাটগরিতে জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, নৃত্যকলা ক্যাটগরিতে শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয় ক্যাটগরিতে ডলি জহুর ও এম এ আলমগীর, আবৃত্তি ক্যাটগরিতে খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী, চিত্রকলা ক্যাটগরিতে শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিং ক্যাটগরিতে কাওসার চৌধুরী, সমাজসেবা বিভাগে মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ, ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর , রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ(মরণোত্তর) এবং শিক্ষা বিভাগে প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু এ পুরস্কার পাচ্ছেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ‘একুশে পদক’ প্রবর্তন করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ ও নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কার প্রদান করে। গত বছর ২০২৩ সালে ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দু’প্রতিষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক দেওয়া হয়।

Read More »

ইসরায়েলি দখলদারিত্বের আইনী পরিণতি প্রশ্নে শুনানি শুরু করবে জাতিসংঘ আদালত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : দ্য হেগ, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খৃ: জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত ১৯৬৭ সাল থেকে ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের আইনি পরিণতি প্রশ্নে সোমবার থেকে শুনানি শুরু করবে। নজিরবিহীন ৫২টি দেশ এতে সাক্ষ্য দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। হেগের শান্তি প্রাসাদে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিসের (আইসিজে) এক সপ্তাহব্যাপী অধিবেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনসহ দেশগুলির বিচারকরা বক্তব্য প্রদান করবেন। খবর এএফপি’র। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ “পূর্ব জেরুজালেমসহ অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখন্ডে ইসরায়েলের নীতি ও কর্মকান্ড থেকে উদ্ভূত আইনী পরিণতি” সম্পর্কে আইসিজে’র নিকট থেকে একটি অবাধ্যতামূলক “পরামর্শমূলক মতামত” চায়। আইসিজে’র যে কোনো মতামত বাধ্যতামূলক না হলেও, ৭ অক্টোবর হামাসের নৃশংস হামলার ফলে গাজা যুদ্ধের বিষয়ে ইসরায়েলের উপর আন্তর্জাতিক আইনি চাপ বৃদ্ধির বেড়ে যাওয়ায় এই মতামত চাওয়া হয়। তবে শুনানিগুলি দক্ষিণ আফ্রিকার আনা একটি হাই-প্রোফাইল মামলা থেকে পৃথক। ওই মামলায় অভিযোগ ওঠে যে ইসরাইল বর্তমান গাজা হামলার সময় গণহত্যামূলক কাজ করছে। জানুয়ারিতে আইসিজে’র ওই মামলায় রায়ে বলা হয় গণহত্যা রোধ করতে ও গাজায় মানবিক সাহায্যের অনুমতি দেওয়ার জন্য ইসরায়েলকে অবশ্যই তার ক্ষমতার মধ্যে সবকিছুই করতে হবে, তবে ওই আদেশে যুদ্ধবিরতির কথা ছিল না।

Read More »

দুই মন্ত্রণালয়কে নিয়ে বৈঠকে বসতে পারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও)

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এ জন্য প্রতিবছর তাদের অন্তত ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা দিতে হয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। কাজ ও টাকা অন্য মন্ত্রণালয়কে না দিয়ে তারা নিজেদের প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে (ডিপিই) এ দায়িত্ব দিতে চায়। এই নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের রশি-টানাটানি অনেক দিনের। এই সংকটের সুরাহা করতে চলতি মাসেই দুই মন্ত্রণালয়কে নিয়ে বৈঠকে বসতে পারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও)। সম্ভাব্য এই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকের বই ছাপানো ও বিতরণের কাজ আমাদের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হবে। এটা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত ছিল। এ জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনী প্রস্তাবও চূড়ান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু তা এখনো অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হচ্ছে না। চলতি মাসেই বিষয়টি নিয়ে আবারও বৈঠক করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। তবে এখনো দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন, প্রাথমিকের বই ছাপানো নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের এই দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এর আগেও একাধিকবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বই ছাপার উদ্যোগ নিলেও তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তা সম্ভব হয়নি। গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিকের বই ছাপার দায়িত্ব নিজেরাই নিতে চাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব মো. ফরিদ আহাম্মদ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনও। সচিব বলেছিলেন, ‘এ বছরের বই যেভাবে আছে সেভাবে কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী এগোব। তবে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পালন করবে। তাহলে সরকারের অন্তত ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’ এরপর গত বছরের ১৩ মার্চ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপ পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে বিদ্যমান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধনের কথা বলা হয়। ওই প্রস্তাবে গত ২২ মার্চ অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ২৯ মার্চ সংশ্লিষ্ট আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খানের সভাপতিত্বে গত ১৩ আগস্ট এ বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি আছে বিধায় আইনটির সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এরপর গত ৬ নভেম্বর তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জানানো হয়, আইনটির সংশোধনী খসড়া জনপ্রশাসনে প্রমিতকরণের জন্য পাঠানো হয়েছে। খসড়া প্রস্তাবটির ওপর আরও একটি আন্তমন্ত্রণালয় সভা করে চূড়ান্ত করতে বলা হয়। আইনটি সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত এনসিটিবির মাধ্যমেই প্রাথমিকের বইসহ সব পাঠ্যপুস্তক ছাপানোর কথা বলা হয়। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আইনটির সংশোধনীর খসড়া প্রস্তাব তৈরি হয়েছে। আমরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষার মতামত চেয়েছিলাম। তারা দিয়েছে, তবে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের কিছুটা ভিন্নমত রয়েছে। তিনি অনুমোদন দিলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে বিষয়টি নিয়ে তাঁর কার্যালয়ে শিগগির বৈঠক হতে পারে—এ তথ্য জানালে সচিব বলেন, ‘তারা ডাকলে আমরা যাব। আমাদের কাজের অগ্রগতি আছে, সেটা জানাব। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, সেটাই বাস্তবায়ন হবে।’ বিষয়: প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এনসিটিবি পাঠ্যপুস্তক শিক্ষাক্রম

Read More »