সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: August 25, 2024

রংপুরে সেন্ট্রাল হসপিটালে পায়ের অপারেশনে রোগীর মৃত্যু : ভুল চিকিৎসা দাবি পরিবারের

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ইনার- এমন মৃত্যুর জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককেই দায়ি করেছেন….. ডা. অধ্যাপক মামুনুর রহমান জালাল উদ্দিন রংপুরঃ: রংপুর নগরীর মেডিকেল মোড়স্ত সেন্ট্রাল হসপিটালে পায়ের অপারেশনের পর মুশফিকুর রহমান ওরফে রাসেল (৬০) নামের এক ব্যক্তির মৃত হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবী পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের । রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ছোট মির্জাপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে মুশফিকুর ওরফে রাসেল। শনিবার (১৭আগস্ট ২০২৪ ) বিকেল সোয়া ৪টায় অপারেশনের পর রাত ১১ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পায়ের এতো ছোট অপারেশনে রোগীর মৃত্যুর জন্য সরকারের দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থা ও চিকিৎসকদের রেসপন্সিবিলিটি না থাকাকেই দায়ি করেছন বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল – ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রংপুর বিভাগীয় ও জেলা শাখার সভাপতি ডা. অধ্যাপক মামুনুর রহমান। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৪ আগষ্ট সড়ক দুর্ঘটনায় বিকেলে পায়ে গুরুতর আঘাত পান মুশফিকুর ওরফে রাসেল । রাতেই রংপুর নগরীর গুডহেলথ হসপিটালে অর্থোপেডিকস ডাক্তার শফিকুল ইসলামকে দেখানোর পর অপারেশন করার পরামর্শ দেন । পরে নিহিত পরিবারের পূর্বপরিচিত এনেসথেসিয়া ডা. সদরুল ইসলাম সেলিম ১৫ আগষ্ট বৃহস্পতিবার রংপুর নগরীর মেডিকেলমোরস্থ আশা হসপিটালে ভর্তি করান। ভর্তি করার পর পরিবারের সদস্যরা জনতে পারেন, অপারেশনের জন্য যে সিআরএম মেশিন থাকা দরকার সেটি আশা হসপিটালে নেই। পরে এনেসথেসিয়া ডা. সদরুল ইসলাম সেলিম রোগীর পরিবারের সদস্যদেরকে বলেন, তাকে সেন্ট্রাল হসপিটালে অপারেশন করতে হবে। ডাক্তার সদরুল ইসলাম সেলিম শনিবার দুপুর ১:৩০ টার দিকে আশা হসপিটাল থেকে রোগী রাসেল কে সেন্ট্রাল হসপিটালে অপারেশনের জন্য ভর্তি করান। অপারেশন করার জন্য রোগীর বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা নিজের পছন্দমতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করান ডা. সদরুল ইসলাম সেলিম । নিহত রাসেলের পরিবারের সাথে এনেস্থেসিয়া ডা. সদরুল ইসলাম সেলিমের পূর্ব পরিচিত থাকায় তার প্রতি অঘাত বিশ্বাস ছিলো বলে জানান নিহত রাসেলের বড় ছেলে রাফি সহ পরিবারের সদস্যরা। সেই বিশ্বাসে কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকে দিয়ে অপারেশন করালে ভালো হবে সে দায়িত্বও দেওয়া ছিলো ডা. সদরুল ইসলাম সেলিমকে। মোটা অংকের টাকা নিয়ে ডা. সদরুল ইসলাম সেলিম রমেক হাসপালের অর্থপেডিক বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. এ.বি. এম মোর্শেদ গনিকে দিয়ে অপারেশন করান। বিকেল সাড়ে ৪ টার অপারেশন হলে রাত ১১টায় তার মৃত্যু হয়। এমন মৃত্যুকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্য সহ সজনরা, নিহতের বড় ছেলে রাফি বলেন,অপারেশনের পর শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ বুঝতে পেরে চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল হসপিটাল ও রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল হসপিটালে নিতে চাইলেও আমাদেরকে তা করতে দেয়নি সেন্ট্রাল হসপিটাল কর্তৃপক্ষ। এত ছোট অপারেশনে আমার বাবার মৃত্যু হবে হবে কখনো ভাবি নি । এমন অপারেশনে কারো মৃত্যু হয় আমি কখনো শুনিনি। আমার বাবার মৃত্যু ভুল চিকিৎসায় হয়েছে আমি এর বিচার চাই। একই কথা বলেন, নিহিত রাসেলের ছোট ছেলে সাকিব ওরফে রুদ্র। এদিকে এমন মৃত্যুর জন্য চিকিৎসা পেশাটাকে ব্যবসায়ী দৃষ্টিভঙ্গিতে নেওয়া ও প্রাইভেট হসপিটালে রোগীদের প্রতি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রেসপন্সিবিলিটি না থাকায় এরকম মৃত্যু হাচ্ছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল – ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রংপুর বিভাগীয় ও জেলা শাখার সভাপতি ডা. অধ্যাপক মামুনুর রহমান। তিনি বলেন, একজন চিকিৎসকের প্রাইভেট হসপিটালে যেরকম রোগীদের প্রতি দায়িত্ব থাকা দরকার, তারা সেটা করেন না। সরকারি হাসপাতালে চাকরি করার পরেও অতি মুনাফার জন্য বিভিন্ন প্রাইভেট হসপিটালে তারা দৌড়ঝাপ করে থাকেন। যার কারণে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো ঘটছে। এমন মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে এনেস্থিসিয়া ডা. সদরুল ইসলাম সেলিমের সাথে ০১৭১০২৮১৭০৩ নম্বরে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। একই বিষয় নিয়ে রংপুর মেডিকেলের অর্থোপেডিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এ.বি.এম মোর্শেদ গনির সাথে ০১৭১১১৪৮৮৯১ নম্বরে মুঠোফোনে একাধিকবার কল হলেও রিসিভ করেননি বা পরবর্তী সময়ে কল ব্যাক করেননি তিনি । রংপুরের প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনি এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোতে মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বলের কারণে নানা সময়ে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, এমন প্রশ্নের জবাবে রংপুর সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা জামান চৌধুরী বলেন, মৃত্যু অবধারিত, কিন্তু কারো দায়িত্ব অবহেলার কারণে সেটি হচ্ছে কি-না সিটি দেখা দরকার।

Read More »

রংপুরে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস স্মরণে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের মানববন্ধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র রংপুর জেলার উদ্যোগে মানববন্ধন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।রংপুর প্রেসক্লাব চত্তরে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র রংপুর জেলার সংগঠক আলো বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাসদ (মার্কসবাদী) রংপুর জেলার আহ্বায়ক কমরেড আনোয়ার হোসেন বাবলু, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সদস্য এডভোকেট কামরুন্নাহার খানম শিখা,সংগঠক বিউটি সুলতানা প্রমূখ।নেতৃবৃন্দ বলেন ১৯৯৫ সালে ইয়াসমিন হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে অভূতপূর্ব আন্দোলন সৃষ্টি হয়।সেই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে সাতজন যুবক শহীদ হয়।এর ফলে সারাদেশে দাবানলের মত আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। তার চাপে ধর্ষণ ও হত্যাকারী পুলিশ সদস্যদের ফাঁসি হয়।নারীর মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে।সামনের দিনেও নারীর অধিকার ও মর্যাদা আদায়ের আন্দোলনে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের পতনের পর আন্দোলনকারী শক্তি যে অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠন করেছে সেই সরকারের কাছে নারীসমাজের দাবি -নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় তারা কার্যকরী ভূমিকা রাখবে

Read More »

রংপুর জেলা ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর বিভাগীয় নকল নবিশ কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ভুক্তভোগী নকল নবিশরা। শনিবার দুপুর ১২ টায় রংপুর জেলা ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়কারী তাছিকুর রহমান রিগান, সেলিনা বেগম, রিয়াজুল হক, এলাহী শাহাদাত,গোলাম মোস্তফা বাবু ও দিনাজপুরের তাজমুন নাহার ছন্দা,আলমগীর হোসেন,ঠাকুরগাঁও থেকে হারুন অর রশিদ,কুড়িগ্রামের শাহ মোস্তফা রিপন,গাইবান্ধার আল আমিন লালমনিরহাটের দুর্জয়,পঞ্চগড়ের এলাহী সাগরসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আগত প্রায় ২ শতাধিক নকলনবিশ কর্মচারী তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি নিয়ে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। এসময় তাদের নেতৃবৃন্দরা বলেন, আমরা দীর্ঘ ৩০বছর ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছি। আমাদের প্রতি অনেক বড় বৈষম্য হয়ে আসছে। বাংলাদেশের ভূখণ্ড নিয়ে কাজ করা এই নকল নবিশ কর্মচারীদের মাসিক কোন বেতন নাই, দলিল প্রতি কমিশন ভিত্তিক সামান্য টাকা তাদের সংসারের চাবিকাঠি। বাংলাদেশে সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিস এবং উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস মিলে সর্বমোট ৫১৬ টি সাব রেজিস্টার অফিস আছে। এই সকল অফিসে প্রায় ২০ হাজার নকলনবিশ রয়েছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই বৈষম্যের শিকার। এই বৈষম্য দূরীকরণে সমবেত নকলনবিশ বৃন্দ বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকার প্রধানের কাছে অবহেলিত নকলনবিশদের চাকরি স্থায়ীভাবে জাতীয় করণের এক দফা দাবি জানান তারা।

Read More »

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে চার নবজাতকের মৃত্যু, হাসপাতালে বিক্ষোভ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর নগরীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে চার নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া নবজাতকদের বয়স ৪ থেকে ১২ দিন। অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসকের অবহেলার কারণে শিশু মৃত্যুর এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ করে সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেছেন।নবজাতক শিশুর মৃত্যুর মর্মান্তিক এ ঘটনাটি রংপুর নবজাতক শিশু ও প্রসূতি সেবা হাসপাতালে ঘটেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, নবজাতক শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে কোনো শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখতে আসেননি। প্রয়োজন মাফিক কোনো চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বরং শিশু মারা যাওয়ার পরেও টাকার লোভে এনআইসিইউতে রেখে বিল বাড়ানো হয়েছে। পরে অভিভাবকদের চাপাচাপির কারণে মারা যাওয়ার বিষয়টি শিকার করে। অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসাজনিত অবহেলার কারণে দুইদিনে চার নবজাতকের মৃত্যু হলেও এর দায় এড়িয়ে উল্টো ব্যবসায়িক মনোভাব দেখায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অসহায় পরিবারগুলোকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাজার হাজার টাকার রশিদ হাতে দিয়ে বিল পরিশোধের চাপ দিতে থাকেন তারা। এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা বাঁধে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের। বিষয়টি জানাজানি হলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা সেখানে যান। মারা যাওয়া এক নবজাতকের অভিভাবক আশিকুর রহমান আশিক জানান, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তার স্ত্রী। পরে মেডিকেলে সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেন। সন্তান জন্ম নেওয়ার পরপরই চিকিৎসকরা এনআইসিইউতে নিতে বলে। কিন্তু মেডিকেলের এনআইসিইউতে সিট না থাকায় এক দালাল তার সন্তানকে নবজাতক শিশু ও প্রসূতি সেবা হাসপাতালে ভর্তি করাতে প্রলুব্ধ করেন। পরে সন্তানকে সুস্থ করতে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির চারদিন হলেও কোনো রকম বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মেলেনি। ভালো নার্সও পাওয়া যায়নি এখানে। আয়ারাই নার্সের কাজ করেন। চিকিৎসকের কথা বললে এই আসছে, কিছুক্ষণ পর আসবে, আজকে আসবে না, কালকে আসবে। এভাবে চারদিন অতিবাহিত হলেও চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যায়নি। শেষমেষ আমার সন্তানকে তারা মেরেই ফেললো। আমি এই হাসপাতালের সাথে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এদিকে অভিভাবকরা বিক্ষোভ শুরু করলে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন ব্যবস্থাপকসহ নার্সরা। অনেক নবজাতকের অভিভাবক তাদের শিশুদের ভর্তি বাতিল করে বের হয়ে যান। এ সময় কোনো চিকিৎসক এবং পরিচালক কাউকে হাসপাতাল পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের সহকারী ব্যবস্থাপক আশরাফুল আলম সাংবাদিকদের জানান, এক নবজাতকের মৃত্যু হয়। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আরও তিন নবজাতক শিশু মারা যায়। যাদের তত্ত্বাবধায়নে এসব নবজাতকের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কথা ছিল, তাদের কেউ হাসপাতালে ছিল না বলে অভিভাবকরা দাবি করছেন। কিন্তু আমার জানা মতে চিকিৎসার কোনো কমতি হয়নি

Read More »