সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 6, 2024

ছাত্রলীগের মতো কলুষিত রাজনীতি করবে না ছাত্রদল : সভাপতি রাকিব

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ‘ছাত্রলীগের মতো গেস্টরুম কালচার, জবর দখল, হল দখল ও ক্যাম্পাস দখলের মতো কলুষিত রাজনীতি করবে না ছাত্রদল। সুষ্ঠু ধারার ছাত্র রাজনীতি চালু করতে পারলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মকভাবে ছাত্রদলের পাশে থাকবে।’ শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জের মদনখালী ইউনিয়নের জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ সকল শহীদ যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সাম্য, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তারা রাজপথে ছিল। সে কারণে তারা শহীদও হয়েছেন। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার জন্যই তারা রাজপথে ছিল। এই বাংলাদেশে যেন আর কখনো ফ্যাসিবাদ কায়েম না হয়, কোন স্বৈরাচার যেন আর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত না হতে পারে এবং দেশের কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হয়, সেই ধরনের সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ছাত্রদল শহীদদের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে পথ চলবে। এটাই আমাদের অঙ্গীকার। তিনি আরও বলেন, শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদ পরিবারের খোঁজখবর আমরা নিচ্ছি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বাত্মকভাবে শহীদ পরিবারের পাশে রয়েছে। বর্তমানে এবং আগামীতে কীভাবে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য বিএনপি কাজ করবে তার একটি যোগসূত্র স্থাপনে ছাত্রদল ভূমিকা পালন করছে। আমরা প্রতিটি শহীদ পরিবারের সঙ্গে কথা বলব, শহীদদের কবর জিয়ারত করব। শহীদ পরিবারের তথ্য নিয়ে যাদের বেশি সমস্যা তাদের বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে বিএনপি ও ছাত্রদল। রাকিবুল ইসলাম বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার যেভাবে দমন, নিপীড়ন ও গণহত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তার অতি দ্রুত বিচারের দাবি জানাই। শুধু ছাত্র আন্দোলনই নয়, বিগত ১৫ বছরের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে, আমরা অতীতের সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের সকল শহীদ পরিবারের পাশে ছাত্রদল থাকবে এবং তাদেরকে সহযোগিতা করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। এর আগে, দুপুরে শহীদ আবু সাঈদের গ্রামের বাড়িতে আসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। সেখানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে নিহতের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন ও সমবেদনা জানান ছাত্রদল নেতারা। এ সময় রংপুর মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান খান সুজন ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফ নেওয়াজ জোহাসহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তিনি রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কও ছিলেন আবু সাঈদ।

Read More »

অধীনস্থদের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে না পারার দায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ঘাড়েও বর্তাবে

দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : অধীনস্থদের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে না পারার দায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ঘাড়েও বর্তাবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, কর্মচারীদের প্রতি ইতোমধ্যে এমন কড়া বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে হবে দুর্নীতিবিরোধী সমন্বিত অভিযান। দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠনের অংশ হিসেবে কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব নেওয়া, গাড়িবিলাস পরিহার ও অনিয়ম-দুর্নীতি করলে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান সমকালকে বলেন, ‘সরকারি কর্মচারী কাজ করবেন আইন ও বিধি মেনে। এর বাইরে কিছু করলে তা দুর্নীতি। এটি আর হতে দেওয়া হবে না। সবাইকে বলে দিয়েছি– আমরা আর দুর্নীতি দেখতে চাই না, শব্দটিও শুনতে চাই না।’ তিনি বলেন, ‘এতদিন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ জিরো টলারেন্স, হাতি-ঘোড়া বহুকিছু শুনেছে। এসবে কোনো লাভ নেই, বলতেও চাই না। যেখানে যা করা দরকার, তা করতে আমরা পিছপা হবো না। আমরা সাহসের সঙ্গে বিধি অনুযায়ী কাজ করব।’ সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদার সব কর্মকর্তা দুর্নীতিবিরোধী ‘বার্তা’ পেয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গুরুত্বপূর্ণ এক মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, তাদের বলে দেওয়া হয়েছে– অধীনস্থদের দুর্নীতি ঠেকাতে না পারলে দায় ঊর্ধ্বতনের। অন্যের অপকর্মের দায় কেউই নিতে চাইবে না। ফলে প্রত্যেকে নিজ অবস্থান থেকে কঠোর থাকবে। দুর্নীতিবিরোধী একগুচ্ছ পদক্ষেপ ১ সেপ্টেম্বর সব কর্মচারীর সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিতে বলেছে সরকার। বর্তমানে জনপ্রশাসনে এটিই সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। বেশির ভাগ কর্মকর্তা এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তারা বলছেন, ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারীর মধ্যে অপকর্মে জড়িত গুটি কয়েক। তাদের কারণে সবার দুর্নাম হয়। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তাদের মর্যাদা সমুন্নত হবে। অতীতে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কিংবা বিভাগীয় মামলায় শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ভয় কাজ করছে। যদিও প্রকাশ্যে সরকারের পদক্ষেপকে তারাও সাধুবাদ জানাচ্ছেন। বিদ্যমান আইনে সরকারি কর্মচারীকে চাকরিতে  প্রবেশের সময় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ঘোষণা দিতে হয়। এর পর পাঁচ বছর অন্তর সম্পদের বৃদ্ধি-কমার বিবরণী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারের কাছে জমা দেওয়া নিয়ম। দুর্নীতি রোধ ও চাকরিজীবীদের জবাবদিহি নিশ্চিতে আচরণবিধিতে এ নিয়ম থাকলেও তা মানা হয় না। এ বিষয়ে মোখলেস উর রহমান বলেন, ‘নানা প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। কেউ বলছেন, এতদিন দিতে হয়নি কিংবা দিলেও নামমাত্র। এবারের ঘোষণাও কাজে দেবে না। করযোগ্য আয় যাদের, তারাই শুধু আয়কর বিবরণী জমা দেন। কিন্তু এখন সবাইকে জমা দিতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এটি সতর্ক বার্তা। দিন শেষে আবারও প্রমাণিত হলো– যার সম্পদ কম, স্বচ্ছতা আছে, লোভ নেই, সেই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।’ জানা যায়, এরই মধ্যে ফরম তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অনুমোদনের পর সেটি পূরণ করতে হবে সরকারি কর্মচারীদের। সিনিয়র ওই সচিব বলেন, দুদক সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে এক পাতার বাংলা ফরমেট তৈরি করবে। স্থাবর-অস্থাবরসহ অন্যান্য সম্পত্তির তথ্য এতে উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় ও বিভাগে একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে জমা দিতে হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এটি ফাংশনাল হবে। এ সময়ের মধ্যে ফরমগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছে দেব এবং কবে দাখিল করতে হবে, তাও জানানো হবে। সূত্রের দাবি, সম্পদের মতো সরকারি কর্মচারীর যথেচ্ছ গাড়ি ব্যবহারের লাগাম টানা হচ্ছে। বেশির ভাগ মন্ত্রণালয়ের সচিব অধীনস্থ দপ্তরগুলোর একাধিক গাড়ি, জ্বালানি ও চালক ব্যবহার করেন। স্ত্রী, ছেলে-মেয়েও একাধিক গাড়ি ব্যবহার করেন। এতে সরকারের ব্যয় বেড়ে যায়। অনেকে প্রকল্পের গাড়িও ব্যবহার করেন। এ অবস্থায় গত সোমবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের প্রাধিকারবহির্ভূত গাড়ি ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের একাধিক সূত্র জানায়, কোনো সরকারি কর্মচারী নিজ পদপদবির ব্যবহার করে প্রভাব খাটিয়ে আগামীতে দুর্নীতি বা অপকর্মে জড়ালে, তাকে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, সুশাসন বিঘ্নকারী এসব কার্যকলাপের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ চিনে কোনো সিদ্ধান্ত দেবে না সরকার। কেউ বাদ পড়বে না হিসাব বিবরণী থেকে সরকারি বেতনভুক্ত কোনো পেশার লোকজন বাদ পড়বে না সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেওয়া থেকে। বিশেষ করে প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস ও কর ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব আগে নেওয়া হবে। বিচারকদের সম্পদের হিসাব নেওয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করার পর বিচার বিভাগীয় সব কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশে-বিদেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পর ২২ আগস্ট সু‍প্রিম কোর্টে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব বিবরণী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে সংযুক্তি হিসেবে সম্পদের হিসাব বিবরণীর একটি ফরম দেওয়া হয়। জানা যায়, এরই মধ্যে সবাই আদেশ প্রতিপালন করে সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। নিবন্ধন অধিদপ্তর ও এর অধীন মাঠ পর্যায়ে কর্মরত রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মকর্তা (সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রার) এবং তাদের পরিবারের সদস্যদেরও সম্পদের হিসাব জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। চিঠি পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে বলা হয়েছে। নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীনে সারাদেশে রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার কাজ করেন। সাব-রেজিস্ট্রার দলিল নিবন্ধন করেন। চিঠিতে বলা হয়, নিবন্ধন অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের স্বামী-স্ত্রী, ছেলেমেয়ে এবং মা-বাবার দেশে ও বিদেশে থাকা সম্পদের হিসাব নির্দিষ্ট ফরম অনুযায়ী দাখিল করার জন্য বলা হলো। ফরমে জমি, বাড়ি-গাড়ি, ফ্ল্যাট, অলংকার, শেয়ার, বীমাসহ বিভিন্ন সম্পদের তথ্য, সম্পদের অবস্থান, কেনা সম্পত্তির অর্থের উৎস দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিগত বছরের টিআইএনের কপি সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে। তবে শ্বশুর-শাশুড়ির সম্পদের হিসাব দেওয়া নিয়ে রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা জোরালো আপত্তি জানালেও গা করেনি আইন মন্ত্রণালয়।

Read More »

রংপুর জিলা স্কুলের অফিস সহকারি মিঠুর সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া মাহফিল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে সাবেক সংক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মরহুম শাহানারা বেগমের বড় ভাই রংপুর জিলা স্কুলের অফিস সহকারি ( ক্যাশ সরকার) আবু নুর মোঃ ফারুখ মিঠু গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় চিকিৎসাধীনে রয়েছে। গতকাল শুক্রবার বাদ আসর নগরীর মুন্সিপাড়া বাসবভনে আকাশ ভ্যারাইটিজ স্টোরের আয়োজনে অসুস্থ্য আবু নুর মোঃ ফারুখ মিঠু’র সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দোয়া পরিচালনা করেন রংপুর কেরামতিয়া জমে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ আল আমিন সরকার। দোয়া মাহফিলে এলাকার সকল মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন ।

Read More »

তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার সমাধান হতে হবে : পিটিআইকে প্রধান উপদেষ্টা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া ;   ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (এলভি/পিটিআই) : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে মতপার্থক্য দূর করার উপায় নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করবে তার  সরকার। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে, এতে কোনো দেশেরই লাভ হচ্ছে না। ঢাকায় নিজ সরকারি বাসভবনে ভারতের বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই)কে  দেওয়া  এক সাক্ষাৎকারে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনূস এ কথা বলেন। দুই দেশের মধ্যে পানিবণ্টনের বিষয়টি অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী হতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো ভাটির দেশগুলোর অধিকার সমুন্নত রাখার সুনির্দিষ্ট অধিকার রয়েছে। পিটিআই নিউজের ওয়েবসাইটে আজ শুক্রবার এ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিষয়টি (পানিবণ্টন) নিয়ে বসে থাকার ফলে এটা কোনো কাজে আসছে না। আমি যদি জানি যে আমি কতটুকু পানি পাব, তাহলে এটি ভালো হতো। এমনকি পানির পরিমাণ নিয়ে যদি আমি খুশি না–ও হই, তাতেও সমস্যা নেই। বিষয়টির সমাধান হতেই হবে।’ বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি এবং এই বন্যার জন্য ভারতকে দায়ী করে ঢাকা থেকে গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবর প্রসঙ্গে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, চুক্তি সইয়ের আগে এমন সংকট মোকাবিলায় একটা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা যেতে পারে। তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়টি সমাধানে অন্তর্বর্তী  সরকার ভারতকে শিগগিরই তাড়া বা চাপ  দেবে কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, নতুন সরকার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে। নোবেল জয়ী এই সরকার প্রধান বলেন, ‘চাপ শব্দটি অনেক বড়। আমি এই কথা বলছি না। আমরা আলোচনা করব। তবে আমাদের একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে হবে।’ ২০১১ সালে ঢাকায় ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সময় তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর অনেকটা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই চুক্তিকে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে আর চুক্তি হয়নি। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তাঁর রাজ্যেই পানির সংকট রয়েছে। ড. ইউনূস বলেন, ‘এটা নতুন কোনো বিষয় নয়, বরং খুবই পুরোনো বিষয়। আমরা বিভিন্ন সময় এ বিষয়ে কথা বলেছি। পাকিস্তান শাসনামল থেকেই এ নিয়ে আলোচনা শুরু। আমরা সবাই যখন ওই চুক্তি চূড়ান্ত করতে চেয়েছি, এমনকি ভারত সরকারও প্রস্তুত ছিল; তখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এর জন্য তৈরি ছিল না। আমাদের এটির সমাধান করতে হবে।’ বাংলাদেশের মতো ভাটির দেশগুলোর নির্দিষ্ট অধিকার সমুন্নত রাখতে চাওয়ার অধিকার থাকার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন মুহাম্মদ ইউনূস। ড. ইউনূস বলেন, ‘আমাদের আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি মেনে এ বিষয়ে সমাধান করতে হবে। ভাটির দেশগুলোর নির্দিষ্ট কিছু অধিকার রয়েছে এবং আমরা সেই অধিকার চাই।’ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান বলেন, ‘যখন হাইকমিশনার (ভারতের) আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলেন, আমি বলেছি, বন্যার সময় পরিস্থিতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেই লক্ষ্যে আমরা অধিকতর ভালো ব্যবস্থাপনার ওপর কাজ করতে পারি। দুই দেশের মধ্যে এমন সমন্বয়ের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই।’ এ বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একসঙ্গে কাজ করতে ও এর সমাধান করতে পারি। কেননা, এটি গণমানুষের দুর্দশা লাঘব করবে। এ ধরনের মানবিক পদক্ষেপ সত্যিকার অর্থেই সহায়তা করবে (সমস্যা সমাধানে)।’

Read More »

স্বাধীন ফিল্ম কমিশন গঠনের দাবি তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের

বিনোদন রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খৃ : চলচ্চিত্র নির্মাতারা একটি স্বাধীন ফিল্ম কমিশন গঠনের দাবি জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা স্বাধীনভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চাই, যেখানে সাধারণ মানুষের কথা উঠে আসবে।’ সাংস্কৃতিক রাজনীতির মাধ্যমে শিল্পী সমাজ আর স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার তৈরি করা কাঁচের ঘরে বন্দি থাকবে না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। ২০২৪-এর ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান পর্যালোচনা প্লাটফর্ম ‘জুলাই গণপরিসর’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে ‘কালাচারাল পলিটিক্স: উছিলা সিনেমা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতারা এসব কথা বলেন। আজ শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এই সময়োচিত উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিষয়ভিত্তিক আলোচনার সূত্রধরের ভূমিকা পালন করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমন। একে একে নয় জন তরুণ নির্মাতা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। তারা তাদের পূর্বসূরিদের অনেকের অপরাজনীতির কথা  উল্লেখ করে তাদের আত্মসমালোচনা করেন। শেষে দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে। চলচ্চিত্র নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে দু’ভাগে বিভক্ত করেছিল, একটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, আরেকটি ইসলাম ধর্মের ভিত্তিতে। আর গত ১৫ বছরে কালচারাল পলিটিক্সের সম্মুখ ভাগে ছিল সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। ৭১’এর চেতনা বনাম মৌলবাদ। শিল্পী সমাজ কাঁচের ঘরে বন্দি ছিলেন। তারা একটা ফ্রাংকেনস্টাইন স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের সৃষ্টি করেছিলেন। তার দায়ভার কি শিল্পী সমাজের ওপর বর্তায় না? প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে গত এক দশকে একটিও সিনেমা তৈরি হয়নি যা মানুষের কথা বলে, সমাজের কথা বলে। জাতি হিসেবে আমরা একটা ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। আজকের কালচারাল পলিটিক্সের ওপর নির্ভর করেই তৈরি হবে আগামীর কালচার। সুমন রহমান বলেন, গত ১৫ বছর আমরা চোরাগুপ্তাভাবে ছিলাম। চলচ্চিত্র শিল্পটা ফ্যাসিজমের কাছে হারিয়ে গিয়েছিল। একটা শ্রেণী তাদের দাসত্বের দায় মিটিয়েছেন ফ্যাসিবাদকে সহযোগিতা করে। আর ২০২৪ সালে এসে আমরা যারা গণ-অভ্যূত্থানে ছিলাম, আমরা আমাদের রাজনৈতিক দায় পরিশোধ করেছি। ‘মুজিব’ সিনেমার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, মুজিব পরিবারের হত্যাকা-ে সময় স্কুলের ছেলে-মেয়েরা হাততালি দেয়, তখন বোঝা যায় কতটা কালচারাল পলিটিক্স ও দাসত্ব তারা করেছেন। যারা এই অঢেল বাজেটের সিনেমা বানিয়েছেন, তাদের পতন হয়েছে।; তিনি সরকারের কাছে ‘আয়নাঘর’ নামে সিনেমা বানানোর জোর দাবি জানান। অং রাখাইন বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে চলচ্চিত্র। রাষ্ট্রের সিস্টেম নিয়ে আমাদের ক্ষোভ আছে। আমি এখনও আশাবাদী না।’ তিনি বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাতারা হচ্ছে সংখ্যালঘু। গত ১৫-২০ বছরে দেশে ভালো কোন সিনেমা তৈরি হয়নি। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। আমি কোন আশা দেখছি না। তিনি পার্বত্য এলাকার নানা সমস্যার কথাও এসময় তুলে ধরেন। তাসমিয়াহ আফরিন মৌ বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার ফিল্মের প্রতিটি জায়গায়, ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকে চাপিয়ে দিয়েছে। আর ১১ বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফিল্মমেকার হিসেবে কাজ করেছে, যা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট হিসেবে গড়ে উঠেছিল। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তাদের বয়ানের বাইরে ভালো কাজ করার কোন সুযোগ ছিল না। সিনেমা নির্মাতাদের একটি অংশ ওটিটি মাধ্যমে চলে গিয়েছিল। গুমের মতো ঘটনাকে তারা হাসির পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল। স্বৈরাচার সরকার কালাচারাল পলিটিক্সকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে যে, সিন্ডিকেটের বাইরে কিছু করা যায়নি। তিনি বলেন, এখন কোন সেন্সর বোর্ড চাই না, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা চাই না। সাজেদুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ভালো সিনেমা তৈরির সুযোগ দেয়া হয়নি। সে সময় মেধার কোনো মূল্যায়ন ছিল না। কালাচারাল পলিটিক্সের নামে ধর্মের সাথে দ্বন্দ্ব তৈরি করা হয়েছিল। আমরা এখন স্বাধীন ফিল্ম কমিশন চাই। সকল ধরনের সিনেমা তৈরির মুক্ত পথ চাই। মুক্তভাবে সিনেমা তৈরির পরিবেশ চাই। লাবনী আশরাফি আমলাতান্ত্রিক জটিলতার সমালোচনা করে বলেন, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু তার নির্মিত সিনেমার একটি অংশে সাজগোজ দেখবেন না বলে, সিনেমার ওই অংশটি কেটে ফেলতে বলা হয়। যা ছিল খুবই দুঃখজনক। আমাদের কালচারকে ফ্যাসিস্টদের বলয়মুক্ত করতে হবে উল্লেথ করে কক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি বলেন, অপরাজনীতি বা অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে শিল্পীরা যদি কথা বলতে না পারেন তবে কিসের শিল্পী হলাম আমরা? মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্র সব সময় তার নিজের চেহারা দেখতে ভয় পায় কেন? আমাদেরকে স্বাধীনভাবে সিনেমা বানাতে দিতে হবে। আমরা আর চোর-পুলিশ খেলা দেখতে চাই না। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের বাড়ি-ঘর ভাংচুরের বিচার দাবি করে বলেন, যারা এটা করেছে সরকারকে তাদের বিচারের আওতায় আনতে  হবে। তাঁর ভিটা ফেরত দিতে হবে। জাহিন ফারুক আমিন বলেন, কালাচারাল পলিটিক্সের মাধ্যমে সেক্যুলার বনাম মুসলিম দ্বন্দ্ব বাঁধিয়ে রেখেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিজমকে আমরা রক্ত দিয়ে বিদায় করেছি। এখন স্বাধীনভাবে সাধারণ মানুষের অভিপ্রায় সিনেমার মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে।    নূরুল আমিন আতিক বলেন, সিনেমায় সাধারণকে ঠেলে অসাধারণকে তুলে ধরা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ, স্বাধীনতার ৫০ বছর, মুক্তিযুদ্ধ আর উন্নয়নের গীত গাইতে গাইতে জনগণকে শত্রুতে পরিণত করেছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। ২৪-এ এসেও আমাদের সন্তানদের প্রাণ কেড়ে নিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলো তারা। তিনি নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যতদিন দেশ তাদের হাত ধরে হাঁটবে ততদিন সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক আ-আল মামুন বলেন, ২৪-এর আন্দোলনে সমাজের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে। অথচ গত ১৫ বছরেও ফ্যাসিস্ট সরকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট দেখতে পেলো না। ছাত্র-জনতার এতো এতো লাশ তারা চোখে দেখলো না।

Read More »

ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে বিজয়ের একমাস উপলক্ষে রংপুর মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন কর্মসুচী

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে বিজয়ের একমাস উপলক্ষে রংপুর মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর এর আয়োজনে রংপুর মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শহীদদের স্মরণে এ গাছ লাগিয়ে এর উদ্বোধন করেন কলেজ অধ্যক্ষ ডাঃ সারোয়ার জাহান। এসময় মেডিসিন বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মাহফুজার রহমান, রংপুর জেলা পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দীন, ছাত্র সম্বনয়ক ইমরানসহ মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সম্বনয়করা উপস্থিত ছিলেন। এসময় রংপুরের আরিফা ফুড প্রোডাক্টস প্রায় ৫শত গাছ উপহার দেন ছাত্রদের। ছাত্র সম্বনয়ক ইমরান আহম্মেদ বলে, দীর্ঘ ১৫ বছর জালিম সরকার যেভাবে আমাদের ধেশ পরিচালনা করছে, আওয়ামীলীগের পেটুয়া বাহিনী পুলিশ কিভাবে নিঅস্ত্র ছাত্রদের উপরে গুলি চালিয়েছে। আমরা একটা জায়গায় আশাবাদি ছিলাম যে সব কিছুরেই শেষ আছে। সেজন্য আমরা চেষ্টা করেছিলাম ছাত্র, গার্জিয়ান, শিক্ষকসহ সব পেশার মানুষ আমাদের সাথে আন্দোলনে এসেছিলো।

Read More »

রংপুরে শহীদি মার্চ র‌্যালি বের করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের ১ মাস পূর্তিতে শহীদ ও আহতের স্মরণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপর এর আয়োজনে ছাত্র-জনতার শহীদি মার্চ র‌্যালি বের করা হয়। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রংপুর প্রেসক্লাবের সামন থেকে শহীদি মার্চ র‌্যালি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এতে বেগম রেকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘সফল হোক সফল হোক, শহীদি মার্চ সফল হোক, ‘শহীদদের কারণে, ভয় করি না মরণে, আবু সাঈদদের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ‘আজকের এই দিনে আবু শহীদদের মনে পড়ে’ স্লোগান দেন। শহীদি মার্চ র‌্যালিটি রংপুর প্রেস ক্লাবের সামন থেকে শুরু হয়ে রংপুর টাউন হলের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

Read More »