সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 22, 2024

“স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার সাথে মার্কিন চার্জ দ্য এফেয়ার্সের বৈঠক অনুষ্ঠিত”

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য এফেয়ার্স হেলেন লাফেইভের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকালে সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ কার্যালয়ে হাসান আরিফ মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য এফেয়ার্স হেলেন লাফেইভের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। বৈঠকে উপদেষ্টা হাসান আরিফ বলেন, আমরা ছাত্র-জনতা-শ্রমিকের ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছি। দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করতে আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশে এমন একটা পরিবেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, মন্ত্রণালয়গুলো ব্যক্তি নির্ভর হওয়া উচিত না, সিস্টেম নির্ভর হওয়া উচিত। এমন একটা সিস্টেম প্রতিষ্ঠিত করতে হবে যাতে মন্ত্রী হিসেবে যে ব্যক্তিই আসনে অধিষ্ঠিত হউক না কেন, সিস্টেমের কোন ব্যত্যয় না ঘটে। পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান অস্থিরতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমি গতকাল রাঙ্গামাটি পরিদর্শনে গিয়েছি। সেখানে আলোচনা করেছি। রাঙ্গামাটিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রীতি নষ্ট করতে বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা এসব হামলা চালিয়েছে তারা কোত্থেকে এসেছে কেউ জানেনা। এর পেছনে কারা জড়িত তা বের করতে শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য এফেয়ার্স হেলেন লাফেইভ বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন এবং আরবান হেলথ প্রোগ্রামের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। এ বিষয়ে হাসান আরিফ বলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের যেমন গ্রামীণ রাস্তাঘাট নির্মাণে নারীরা কাজ করছে, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নারীরা কাজ করছে, আবার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিবও একজন নারী। নাগরিক স্বাস্থ্য উন্নয়নসহ অবকাঠামগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সহায়তা প্রত্যাশা করছি। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, নারায়ন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এ এইচ এম কামরুজ্জামান, ইউএসএইডের মিশন ডিরেক্টর রিড এইস্ক্লিম্যান, পলিটিক্যাল ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলানসহ আরও অনেকে।

Read More »

বিএফইউজে সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর রোগমুক্তি কামনায় রংপুরে দোয়া মাহফিল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন গাজীর রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় রংপুরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন বাইতুন নূর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি আহমাদুল্লাহ। এ সময় আরপিইউজের সভাপতি আলহাজ্ব সালেকুজ্জামান সালেক বলেন,বরেণ্য সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী জাতিকে বহু সেবা দিয়েছেন। তিনি সংবাদকর্মীদের অধিকার আদায়ের জন্য জন্য কাজ করেছেন এবং এখনও করছেন। তিনি যোগ্যতার সাথে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে তার কোন বিকল্প নেই।তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারো কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারে আমরা সেই কামনা করছি। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন,রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজের সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নান,সাংগঠনিক সম্পাদক বাদশাহ ওসমানী,কোষাধ্যক্ষ মমিনুল ইসলাম রিপন,দপ্তর সম্পাদক হারুনুর রশিদ সোহেল,প্রচার সম্পাদক রেজওয়ান রনি,কার্যনির্বাহী সদস্য হুমায়ুন কবির মানিক,সদস্য মিয়া মোহাম্মদ সুজন, একেএম সুমন,সেলিম সরকার,আলমগীর হোসেন, মোক্তারুল ইসলাম,রাকিবুল ইসলাম রকি, নাজমুল ইসলামসহ ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

Read More »

রংপুরে ধর্মসভা কমিটির সাথে সেনা কর্মকর্তাদের আলোচনা সভা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে শারদীয় দূর্গা উৎসব নিয়ে ধর্মসভা কমিটির সাথে আলোচনা সভা করেছেন সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কাইয়ুম। রংপুর ধর্মসভা প্রাঙ্গনে আলোচনা সভায় তিনি শারদীয় দূর্গা উৎসবে শান্তি-শৃঙ্খলা ও উৎসবের আমেজ বজায় রাখতে সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে বলে জানান তিনি। সেই সাথে পূজা চলাকালীন গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবগত করারও আহ্বান জানান তিনি। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, মেজর নাহিদ বিন হাবীব, ধর্মসভা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ভবতোষ সরকার, সাধারণ সম্পাদক পার্থবোসসহ অন্যরা। বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কাইয়ুম বলেন, আমরা সার্বক্ষনিক দেশবাসীর পাশে আছি। আপনারা সবময়ের জন্য মনে করবেন আপনাদের আস্থার জায়গায় বাংলাদেশ সেনবাহিনী রয়েছে। হিন্দু ধর্মালম্বীদের নিশ্চিন্তে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে যা যা করতে লাগে তা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী করবে। দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতাকে এক পাশে রেখে নিশ্চিন্তে পুজা উযযাপন করতে পারবেন। তিনি বলেন, আপনারা একটু সহনশীল থাকবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড় কোনো তথ্য না বিশ্লেষণ করে বিশ্বাস করবেন না। অনেক সময় ভুল হয়, আবার মানুষ ভুল ব্যাখাও করে। ফেসবুকের মাধ্যমে অনেক রিউমার ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক মাধ্যমগুলোতে যা দেখেন তা সত্য হিসেবে বিবেচনা করে হুট করেই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না। আগে বিশ্বস্ত সূত্র থেকে নিশ্চিত হন। বিবেক দিয়ে বিবেচনা করুন। তাহলে এই সুন্দর বাংলাদেশে সবাই মিলেমিশে থাকতে পারবো।

Read More »

ঁরী শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালীবাড়ী মন্দিরের দূর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ হুমায়ুন কাইয়ুম

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: আসন্ন শারদীয় দূর্গাপুজা-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে রংপুর মহানগরীর ঁরী শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালীবাড়ী মন্দিরের দূর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন রংপুর সেনানিবাসের ৭২ ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ হুমায়ুন কাইয়ুম। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ হুমায়ুন কাইয়ুম গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় ঁরী শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালীবাড়ী মন্দিরের দূর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় ঁরী শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালীবাড়ী মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে তাকে ফুলের শুভেচ্ছা প্রদান করেন ঁরী শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালীবাড়ী মন্দির কমিটির সভাপতি ডাঃ নিখিলেন্দ্র শংকর গুহ রায়, সিনিয়র সহ-সভাপতি শুভ্রত সার্নাল নেরু, সহ-সভাপতি শ্রী অরুপ দত্ত, শ্যামল বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুভ রঞ্জন দেব বাবলু, নিখিল বাগচি, গৌতম সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক পষ্কজ বণিক, অর্থ সম্পাদক অধেন্দ্র শেখর দত্ত, সদস্য রঞ্জন সরকার, অজয় বসাক, রঞ্জু বণিক ও সঞ্জিত বণিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কমিটি গঠন

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কমিটি গঠন সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :   ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খৃ : সরকার বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অন্যান্য কারণে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাসমূহ প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করার লক্ষ্যে জেলা ও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে দু’টি কমিটি গঠন করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র জারির মাধ্যমে আজ এ দু’টি কমিটি গঠন করা হয়। জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সদস্য পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকার জন্য পুলিশের একজন ডেপুটি কমিশনার) ও পাবলিক প্রসিকিউটর (মহানগর এলাকার মামলাসমূহের জন্য মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর) এবং সদস্য-সচিব অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে- রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। আবেদনের সাথে এজাহার ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চার্জশিটের সার্টিফাইড কপি দাখিল করতে হবে। আবেদন প্রাপ্তির ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি জেলার পাবলিক প্রসিকিউটরের (ক্ষেত্র বিশেষে মেট্রোপলিটন পাবলিক প্রসিকিউটর) কাছে মতামতের জন্য পাঠাবেন। আবেদন প্রাপ্তির ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (ক্ষেত্র বিশেষে মেট্রোপলিটন পাবলিক প্রসিকিউটর) তার মতামত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন।  পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত সংগ্রহপূর্বক জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করবেন। জেলা কমিটির নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে মামলাটি রাজনৈতিক বা অন্যকোন উদ্দেশ্যে হয়রানির জন্য দায়ের করা হয়েছে, তাহলে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য কমিটি সরকারের কাছে সুপারিশ করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওই সুপারিশ, মামলার এজাহার, চার্জশিটসহ আবেদন প্রাপ্তির ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট ‘ছক অনুযায়ী তথ্যাদিসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির সভাপতি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সদস্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা) ও যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের নিচে নয়)। কমিটির সদস্য-সচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-১ শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব/ সহকারী সচিব। মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে- জেলা কমিটির কাছ থেকে সুপারিশ প্রাপ্তির পর মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি সুপারিশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে এবং প্রত্যাহারযোগ্য মামলা চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করবে ও মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করবে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর আওতাধীন মামলাসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো দ্য ক্রিমিনাল ল’ এ্যামেনমেন্ট এ্যাক্ট. ১৯৫৮-এর ১০ (৪) ধারার বিধানমতে কমিশনের লিখিত আদেশ ব্যতীত প্রত্যাহার করা যায় না। এ কারণে এ ধরনের মামলা চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি করতে হবে। এ ধরণের মামলার বিষয়ে করণীয় পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হবে।

Read More »

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খৃ : সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ‘সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।’

Read More »

ক্যাম্পাসের ১০টি ছাত্রসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১২ দিন পর আজ রোববার ক্লাস শুরু হয়েছে। ক্লাস শুরুর আগে গতকাল শনিবার ক্যাম্পাসের ১০টি ছাত্রসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এই সভার প্রথম পর্বে অংশ নেয় জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরও। মতবিনিময়ে অংশ নেওয়া প্রায় সব ছাত্রসংগঠন গুলোর নেতারা ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের পরিবর্তে প্রয়োজনীয় সংস্কার, ছাত্র সংসদ কার্যকর করাসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতিসহ সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে—এমন আলোচনা সামনে আসার পর ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খানের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় দুই সহ–উপাচার্য মামুন আহমেদ ও সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ ছাত্রনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সোয়া ১টা পর্যন্ত প্রথম পর্বে আলোচনায় অংশ নেয় ইসলামী ছাত্রশিবির, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল ও বিপ্লবী ছাত্র–যুব আন্দোলন। বেলা দুইটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত আলোচনায় অংশ নেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামি ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (বাসদ), ছাত্র ফেডারেশন ও বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর নেতারা। সাংবাদিকরা জানতে চাইলে উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘সব ছাত্রসংগঠনের কথাগুলো শুনলাম। আমাদের মূল অগ্রাধিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা। সেটিকে সামনে রেখেই সবার সঙ্গে মতবিনিময় বসা।’ বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন আলোচনায় অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সিন্ডিকেটকে ‘খুনি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার প্রতিনিধিত্বকারী দালালদের সিন্ডিকেট’ আখ্যা দিয়ে তা ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সভা শেষে গণেশ চন্দ্র সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষার্থীদের ভাবাবেগ (সেন্টিমেন্ট) ধারণ করেই রাজনীতি পরিচালিত হবে। বিগত ১৫ বছরের যে নির্যাতনের আতঙ্ক (ট্রমা) ছাত্রলীগ গেস্টরুম ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে তৈরি করেছে, সেটাকেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ ছাত্ররাজনীতি বলে মনে করছেন। এই ট্রমা কাটতে সময় লাগবে। ফ্যাসিস্টদের নির্মিত এই ট্রমা নিবারণে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের রাজনীতি যে ছাত্ররাজনীতি নয়, তা সাধারণ শিক্ষার্থীদের বুঝতে হবে। ক্যাম্পাসে ভয়মুক্ত ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। আমরা চাই, রাজনীতি হবে মেধা ও শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা একটি চরিত্র রয়েছে উল্লেখ করে নাহিদুজ্জামান বলেন, সেই চরিত্র রাজনীতিবিমুখ বা রাজনীতির বাইরে নয়। ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভয় ও শঙ্কামুক্ত ছাত্ররাজনীতি নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আজ রোববার ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। সবাই কীভাবে একত্র হয়ে কাজ করবে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নাহিদ আরও বলেন, ‘প্রশাসন আমাদের বলেছে, ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিবর্তিত অবস্থায় ছাত্ররাজনীতির গুণগত পরিবর্তন করতে হবে। সেটি কীভাবে হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’ সভায় সব ছাত্রসংগঠনকে নিয়ে একটি সংলাপের আয়োজন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ছাত্রশিবির। শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাদিক কায়েম প্রন,ভায় তাঁরা বলেছেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা কোনো প্রাজ্ঞ সিদ্ধান্ত নয়। তাঁরা উপাচার্যের কাছে ছাত্ররাজনীতির সংস্কার চেয়েছেন। সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমরা সব ছাত্রসংগঠনকে নিয়ে একটি সংলাপের আয়োজন করতে বলেছি, যেখানে শুধু ফ্যাসিবাদের দোসর ছাড়া সব ছাত্রসংগঠন আসবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খুব দ্রুতই সংলাপ আয়োজন করার কথা বলেছে। সেই সংলাপ এবং শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার আলোকে তাঁরা একটা সিদ্ধান্তে আসবেন।’ সাদিক আরও বলেন, ‘ছাত্রলীগ ও ১৪ দলভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্রসংগঠন—এরা ফ্যাসিবাদের দোসর। তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই। তারা বাদে বাকি সব সংগঠনের কনসেনসাসের (ঐকমত্য) ভিত্তিতে আমরা সুস্থ ধারার ছাত্ররাজনীতি করতে চাই।’ এদিকে ছাত্রশিবিরকে সভায় ডাকা নিয়ে এবং ১৯৯০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষদের চুক্তি বাতিল হয়ে গেল কি না, সে বিষয়ে সভায় প্রশ্ন তোলেন ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মাঈন আহমেদ। তবে উপাচার্য এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি বলে জানান তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্তত ১৭ বছর পর ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্বায়ত্তশাসিত সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কারের আলোচনা এগিয়ে নিতে অংশীজনদের নিয়ে কনভেনশন করার প্রস্তাব দেন ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মাঈন আহমেদ। মি. মাঈন আরও বলেন, ‘ ছাত্ররাজনীতির নামে যে অপকর্মগুলো হয়েছে, সেগুলো ঠেকানোর জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা উচিত। প্রশাসন এ বিষয়গুলো কীভাবে আটকাবে, কীভাবে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে, সে বিষয়ে প্রতিরোধমূলক আইন বা নীতিমালা হতে পারে। এ ছাড়া একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, আগের সরকারের সময়ে প্রণীত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত মহাপরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছি।’ পেশিশক্তি ও দখলদারত্বের রাজনীতি বন্ধ করার দাবি জানান ছাত্র ফেডারেশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আরমানুল হক। তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে নই, যৌক্তিক সংস্কার চেয়েছি।’

Read More »

কুরআন ও হাদীসের আলোকে জামা‘আতে সালাত আদায়

মুফতী জামিলুর রহমান / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সালাত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রুকন যার মাহাত্ম্য কুরআন ও হাদীসে বিষদভাবে আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে সালাত প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে বার বার তাগিদ দিয়েছেন। এমনকি তিনি প্রতি বেলা সালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করার ব্যাপারেও পূর্ণ যত্নবান হতে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ﴿حَٰفِظُواْ عَلَى ٱلصَّلَوَٰتِ وَٱلصَّلَوٰةِ ٱلۡوُسۡطَىٰ وَقُومُواْ لِلَّهِ قَٰنِتِينَ ٢٣٨﴾ [البقرة: ٢٣٨] “তোমরা সালাতের প্রতি যত্নবান হও বিশেষ করে আসরের সালাতের প্রতি এবং তোমরা কায়মনোবাক্যে আল্লাহ তা‘আলার জন্য দণ্ডায়মান হও”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৩৮] উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা সালাতের প্রতি যত্নবান হতে আদেশ করেছেন। আর যে ব্যক্তি জামা‘আতের সাথে সালাত আদায় করে না সে সালাতের প্রতি কতটুকু যত্নবান তা সহজেই অনুধাবন করা যায়। তেমনিভাবে তিনি সালাত আদায়ের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনকে মুনাফিকী বলে আখ্যায়িত করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা মুনাফিকদের চরিত্র বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন: ﴿إِنَّ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ يُخَٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَهُوَ خَٰدِعُهُمۡ وَإِذَا قَامُوٓاْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ قَامُواْ كُسَالَىٰ يُرَآءُونَ ٱلنَّاسَ وَلَا يَذۡكُرُونَ ٱللَّهَ إِلَّا قَلِيلٗا ١٤٢ مُّذَبۡذَبِينَ بَيۡنَ ذَٰلِكَ لَآ إِلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِ وَلَآ إِلَىٰ هَٰٓؤُلَآءِۚ وَمَن يُضۡلِلِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ سَبِيلٗا ١٤٣﴾ [النساء: ١٤٢، ١٤٣] “মুনাফিকরা আল্লাহ তা‘আলাকে ধোকা দেয়। আল্লাহ তা‘আলা উহার প্রতিদান দিবেন। তারা অলস মনে সালাত আদায় করতে দাঁড়ায় লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে। তারা আল্লাহকে কমই স্মরণ করে। তারা সর্বদা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে নিমজ্জিত থাকে। না এদিক না ওদিক। যাকে আল্লাহ তা‘আলা পথভ্রষ্ট করেন আপনি কখনো তাকে সুপথ দেখাতে পারেন না”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৪২-১৪৩] দৈনিক পাঁচ বেলা সালাত জামা‘আতে পড়া প্রতিটি সক্ষম ও সাবালক পুরুষের ওপরই ওয়াজিব। চাই সে সফরে থাকুক অথবা নিজ এলাকায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ﴿وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱرۡكَعُواْ مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ ٤٣ ﴾ [البقرة: ٤٣] “তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা করো, যাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো। অর্থাৎ সালাত আদায়কারীদের সাথে সালাত আদায় করো”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ৪৩] উক্ত আয়াত জামা‘আতে সালাত আদায় করা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট। কারণ, আয়াতের শেষাংশ থেকে সালাত প্রতিষ্ঠাই যদি উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহলে তা আয়াতের প্রথমাংশের সাথে প্রকাশ্য সামঞ্জস্যহীনই মনে হয়। কেননা, আয়াতের প্রথমাংশে সালাত প্রতিষ্ঠার আদেশ রয়েছে। তাই আয়াতের শেষাংশে তা পুনরুল্লেখের আর কোনো প্রয়োজন থাকে না। তাই বলতে হবে, আয়াতের শেষাংশে জামা‘আতে সালাত আদায়েরই আদেশ দেওয়া হয়েছে। $ আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন: ﴿ وَإِذَا كُنتَ فِيهِمۡ فَأَقَمۡتَ لَهُمُ ٱلصَّلَوٰةَ فَلۡتَقُمۡ طَآئِفَةٞ مِّنۡهُم مَّعَكَ وَلۡيَأۡخُذُوٓاْ أَسۡلِحَتَهُمۡۖ فَإِذَا سَجَدُواْ فَلۡيَكُونُواْ مِن وَرَآئِكُمۡ وَلۡتَأۡتِ طَآئِفَةٌ أُخۡرَىٰ لَمۡ يُصَلُّواْ فَلۡيُصَلُّواْ مَعَكَ وَلۡيَأۡخُذُواْ حِذۡرَهُمۡ وَأَسۡلِحَتَهُمۡۗ ﴾ [النساء: ١٠٢] “যখন আপনি তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করতে যান তখন তাদের এক দল যেন অস্ত্রসহ আপনার সাথে সালাত আদায় করতে দাঁড়ায়। অতঃপর তারা সাজদাহ সম্পন্ন করে যেন আপনার পেছনে চলে আসে। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় দলটি যারা পূর্বে সালাত পড়ে নি আপনার সাথে যেন সালাত পড়ে নেয়। তবে তারা যেন সতর্কতা ও অস্ত্রধারণাবস্থায় থাকে”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১০২] উক্ত আয়াতে যুদ্ধাবস্থায় জামা‘আতে সালাত আদায়ের পদ্ধতি শেখানো হচ্ছে। যদি পরিবেশ শান্ত থাকাবস্থায় জামা‘আতে সালাত আদায়ের ব্যাপারে কোনো ছাড় থাকতো তথা তা সুন্নাত কিংবা মুস্তাহাব হতো তা হলে যুদ্ধাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণকে জামা‘আতে সালাত আদায়ের পদ্ধতি শেখানোর কোনো প্রয়োজনই অনুভূত হতো না। বরং তারা উক্ত ছাড় পাওয়ার বেশি উপযুক্ত ছিলো। যখন তা হয় নি তখন আমাদেরকে বুঝতেই হবে, জামা‘আতে সালাত আদায় করা নিহায়েত গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব। তাই ওযর ছাড়া কারোর জন্য ঘরে সালাত পড়া জায়িয নয়। তেমনিভাবে উক্ত আয়াতে উভয় দলকেই জামা‘আতে সালাত আদায় করতে আদেশ করা হয়েছে। যদি কেউ কেউ জামা‘আতে সালাত পড়লে অন্যদের পক্ষ থেকে উক্ত দায়িত্ব আদায় হয়ে যেতো তাহলে উভয় দলকেই এমন এক কঠিন পরিস্থিতিতে জামা‘আতে সালাত আদায় করতে আদেশ করা হতো না। তাই জামা‘আতে সালাত পড়া প্রতিটি ব্যক্তির ওপরই ওয়াজিব। চাই সে সফরে থাকুক অথবা নিজ এলাকায়। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন: ﴿يَوۡمَ يُكۡشَفُ عَن سَاقٖ وَيُدۡعَوۡنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ فَلَا يَسۡتَطِيعُونَ ٤٢ خَٰشِعَةً أَبۡصَٰرُهُمۡ تَرۡهَقُهُمۡ ذِلَّةٞۖ وَقَدۡ كَانُواْ يُدۡعَوۡنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ وَهُمۡ سَٰلِمُونَ ٤٣﴾ [القلم: ٤٢، ٤٣] “স্মরণ করো সে দিনের কথা যে দিন জঙ্ঘা (হাঁটুর নিম্নাংশ) উন্মোচিত করা হবে এবং তাদেরকে আহ্বান করা হবে সাজদাহ করার জন্য তখন তারা তা করতে সক্ষম হবে না। তাদের দৃষ্টি থাকবে তখন অবনত এবং লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করে রাখবে অথচ যখন তারা নিরাপদ ছিলো তখন তাদেরকে সাজদাহ করার জন্য আহ্বান করা হয়েছিলো। (কিন্তু তারা তখন সে আহ্বানে সাড়া দেয় নি)”। [সূরা আল-ক্বালাম, আয়াত: ৪২-৪৩] আল্লামা ইবরাহীম তাইমী রহ. উক্ত আয়াতের তাফসীরে বলেন: তাদেরকে আযান ও ইক্বামতের মাধ্যমে ফরয সালাতগুলো জামা‘আতে আদায়ের জন্য ডাকা হতো। বিশিষ্ট তাবঈ আল্লামা সা‘য়ীদ ইবন মুসাইয়িব রহ. বলেন: তারা “হাইয়া ‘আলাস-সালাহ, হাইয়া ‘আলাল-ফালাহ” শুনতো অথচ তারা সুস্থ থাকা সত্ত্বেও মসজিদে গিয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করতো না। কা‘ব আল-আহবার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আল্লাহর কসম! উক্ত আয়াতটি জামা‘আতে সালাত না পড়া লোকদের সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে। উক্ত আয়াতে আহ্বানে সাড়া দেওয়া মানে মুআয্যিনের আযানে সাড়া দিয়ে মসজিদে এসে জামা‘আতে সালাত পড়া। যা নিম্নোক্ত হাদীস থেকেই বুঝা যায়। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: «أَنَّ رَجُلاً أَعْمَى قَالَ: يَارَسُوْلَ اللهِ! لَيْسَ لِيْ قَائِدٌ يُلاَئِمُنِيْ إِلَى الْـمَسْجِدِ فَهَلْ لِيْ رُخْصَةٌ أَنْ أُصَلِّيَ فِيْ بَيْتِيْ؟ فَقَالَ لَـهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: هَلْ تَسْمَعُ النِّدَاءَ بِالصَّلاَةِ؟ قَاْلَ: نَعَمْ، قَاْلَ: فَاَجِبْ». “জনৈক অন্ধ সাহাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললেন: আমাকে মসজিদে নিয়ে আসার মতো কোনো লোক নেই। তাই আমাকে ঘরে সালাত আদায় করতে অনুমতি দিবেন কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: তুমি কি আযান শুনতে পাও? সে বললো: জি হাঁ! তিনি বললেন: তাহলে তোমাকে মুআয্যিনের ডাকে সাড়া দিয়ে মসজিদে এসে সালাত আদায় করতে হবে”।[1] উক্ত হাদীসে মুআয্যিনের ডাকে সাড়া দেওয়া মানে যদি শুধু সালাত পড়াই হতো চাই তা যেখানেই পড়া হোক না কেন তা হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত সাহাবীকে তার ঘরে সালাত আদায়ের অনুমতি চাওয়ার পর আর তাকে আযান শুনার প্রশ্ন ও মুআয্যিনের ডাকে সাড়া দেওয়ার আদেশই করতেন না। কারণ, সে তো ঘরে সালাত আদায়ের অনুমতিই চাচ্ছিলো। এ ছাড়াও নিম্নোক্ত হাদীসটি আলোচ্য বিষয়ে আরো অত্যন্ত সুস্পষ্ট বক্তব্যই প্রদান করে। আব্দুল্লাহ ইবন উম্মু মাকতুম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো অন্ধ এবং আমার ঘরও মসজিদ থেকে অনেকখানি দূরে অবস্থিত। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, মদীনা তো একটি সাপ-বিচ্চু ও হিংস্র প্রাণীর এলাকা। আবার অনেক সময় আমাকে মসজিদে নিয়ে আসার মতো কোনো লোকও পাওয়া যায় না। তাই কি আমি এমন পরিস্থিতিতে ঘরে সালাত আদায়ের অনুমতি পেতে পারি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি কি আযান শুনতে পাও? অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তুমি কি “হাইয়া ‘আলাস-সালাহ, হাইয়া ‘আলাল-ফালাহ” শুনতে পাও? তিনি বললেন: জি হাঁ! তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি

Read More »

রংপুরে স্বস্তি ফিরছে সবজিতে, পেঁয়াজ-মরিচের দাম এখনো চড়া

জালাল উদ্দিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে সবজির বাজার, টানা অতিবৃষ্টি ও কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে সবজির বাজার ছিল উত্তপ্ত। সেই চিত্র স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে আদা, রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ ও ডিমের দাম এখনো চড়া। মৌসুমি সবজি টমেটো ও গাজরের দাম যেন আকাশচুম্বি। রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পটোল ৩৫-৪০, বরবটি ৬০-৭০, শসা ৪০-৫০, পেঁপে ৩৫-৪০, চিচিঙ্গা ৪৫-৫০, ঢ্যাঁড়শ ৪০-৫০, ঝিঙে ৫০-৬০, চিকন বেগুন ৪০-৫০, গোল বেগুন ৭০-৮০, কাকরোল ৫০-৬০, করলা ৭০-৮০, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৬০, কাঁচ কলার হালি ৩০-৩৫, কচুর লতি ৪৫-৫০, কচুর মুখি ৫০-৬০, চালকুমড়া ৫০-৬০, ধনেপাতা ১৮০-২০০, মিষ্টি কুমড়া ২৫-৩০, লেবু প্রতিহালি ৮-১০, শুকনা মরিচ ৪৫০-৫০০ এবং সব ধরনের শাক ১০-২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে টমেটো ও গাজর বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা কেজি। বাজারে ৫-৬ দিন আগের তুলনায় কাঁচা মরিচের দাম কমলেও এখনোও তা অসহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকা। সেইসঙ্গে আদার ঝাঁজও কমেনি। এককেজি আদার দাম পড়ছে ৩২০-৩৫০ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিহালি পোলট্রি মুরগির ডিম ৪৬-৪৮ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ১০০ টাকা এবং রসুন ২১০-২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কার্ডিনাল আলু ৫০-৫৫ টাকা, শিল আলু ৬৫-৭০ টাকা, ঝাউ আলু ৬৫-৭০ টাকা এবং দেশি সাদা আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকা কেজি। মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা, পাকিস্তানি (হাইব্রিড) ২৫০-২৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৪০-৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ১০০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লালবাগ বাজারের মুরগি বিক্রেতা আমিন হোসেন বলেন, ‘মুরগির বেচাকেনা কমে গেছে। আগে শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত যা বিক্রি হতো, এখন তার অর্ধেকও হয় না। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে।’ বাজার ঘুরে আরোও দেখা যায়, এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭০-১৭৩ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মসুর ডাল (চিকন) ১৪০ টাকা, মাঝারি ১১০ টাকা, মুগডাল ১৯০-২০০ টাকা, চিনি ১৩৫-১৪০ টাকা, ছোলা ১২০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, খুচরা বাজারে স্বর্ণা (মোটা) চাল ৫৩-৫৫ টাকা, বিআর২৮ ৬০-৬২ টাকা, মিনিকেট ৭৫-৭৮ টাকা এবং নাজিরশাইল চাল ৭৮-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে রুইমাছ ২৭০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপিও ২০০-২২০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকা, কাতলা ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Read More »

রংপুর জেলা পুলিশ সুপারের সাথে পুজা উদযাপন কমিটির মতবিনিময়

জালাল উদ্দিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, আসন্ন সার্বজনীন শারদীয় দূর্গাপুজা ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে রংপুর জেলা আওতাধীন ৮টি থানা মহানগর এলাকার পুজা উদযাপন কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় রংপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা বক্তব্য রাখেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন। মি.শরীফ উদ্দিন বলেন, আসন্ন শারদীয় দূর্গাপুজা ২০২৪ উদযাপন সফল করতে রংপুর জেলার সকল পুজামন্ডপে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে আমাদের সর্বোচ্চ নজরদারি আছে । এছাড়া প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সেই সাথে সনাতন ধর্মারম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপশি পূজা উদযাপন কমিটির লোকেদের সজাগ থাকতে হবে। মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিয়া সুলতানা, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ রংপুর জেলা শাখার সভাপতি রাম জীবন কুন্ডু, সহ সভাপতি ধীমান ভট্টাচার্য্য, বাংলাদেশ পুজা উদাপন পরিষদ রংপুর মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. প্রশান্ত কুমার রায়, পুজা উদযাপন পরিষদের নেতা শুব্রত সরকার মুকুল সহ কোতয়ালী, মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, গংগাচড়া, কাউনিয়া, তারাগঞ্জ ৮ থানার পুজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

Read More »