
রংপুরে ১০ম গ্রেড ও পদোন্নতির দাবিতে রংপুরে প্রাথমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন
জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষক এন্ট্রি পদ ধরে ১০ম গ্রেড ও শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি প্রদানের দাবিতে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষক সমন্বয় পরিষদ। বুধবার ( ৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে এগারোটায় রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষক সমন্বয় পরিষদের ১০ম গ্রেড ও শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির দাবিতে মানববন্ধন শেষে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষকরা যুগের পর যুগ নানারকম বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। পেশাগত এ বৈষম্য নিরসনকল্পে এর আগেও সরকারের দাবিসমূহ পেশ করলেও মিলেনি কোন সমাধান৷ যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের বৈষম্য দূরীকরণের দাবি নিয়ে প্রাথমিকের সকল শিক্ষক সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম ” বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষক সমন্বয় পরিষদ”। শিক্ষার মানোন্নয়নের সাথে জড়িয়ে আছে শিক্ষকদের জীবিকা। অথচ দীর্ঘ ১০ বছর পূর্বে ২০১৫ সালে সর্বশেষ পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল। সেখানেও প্রাথমিক শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার। এই দশ বছরে দ্রব্যমূল্য যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে প্রাথমিক শিক্ষকরা বাজারমূল্য বহন করতে দিশেহারা। বিগত সরকারের মেয়াদে বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস পেলেও পেস্কেলে ২০টি গ্রেডে তা আদৌ বেতনের ব্যবধান নির্ধারিত হয়েছিল সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা। অথচ ১০ম থেকে ১ম গ্রেডের ব্যবধান রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। যার ফলে ১৩তম গ্রেডধারী সহকারি শিক্ষক এবং ১১তম গ্রেডধারী প্রধান শিক্ষকের জীবনমানের কোন উন্নয়ন ঘটেনি। এমনকি আজও আলোর মুখ দেখেনি ২০০৯ সাল থেকে বন্ধ থাকা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি। এবিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রংপুর বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম চাঁদ বলেন, আমরা আজ বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করলাম। আমরা বিশ্বাস করি গনঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকার আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার সকল বৈষম্য নিরসনের করে শিক্ষকের মর্যাদা ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা। এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা সমন্বয়ক একরামুল শাহ, নীলফামারি জেলা সমন্বয়ক আবুল ফজল আজাদ, হারুন অর রশিদ,রুমেল সরকার, নারী -সমন্বয়ক শামসুন্নাহার পপি, নাজরীন নাহার,শাকিলা বেগম সাথী,সহ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আগত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।












