সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: December 6, 2024

রংপুর মহানগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দল রংপুর মহানগর আহবায়ক কমিটি অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন। নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, আহবায়ক আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন, যুগ্ম আহবায়ক শরীফ শামীম হাবু, ডা. সিরাজুল মনিরা, জিয়াউর রহমান, মো: মামুন, সদস্য সচিব সাফায়েত হোসেন সৌরভ, সহ সদস্য সচিব হাসান, কার্যকরি সদস্য গোলাম রাব্বনী, রাজু, মোর্শেদ আলম বাবু, মনিরুজ্জামান মুন্না, লিটন মিয়া, মোজাম্মেল হক বকুল, আব্দুল কাদের, জুয়েল আনছারী ও আখতারুজ্জামান সোহাগ। এদিকে নব গঠিত জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দল রংপুর মহানগর আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

Read More »

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ফাঁদে কাঁদে গরীব রোগ # ডা. মাহবুবুর রহমানের ‘রিং বাণিজ্য’ # হার্টে ১টা রিং পরিয়ে ৩টির টাকা নেয়ার অভিযোগ # সেবার অন্তরালে প্রতারণা দাবি রোগীদের # ডিগ্রীসহ পদবি ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন প্রচার # বিধি ভঙ্গ করে সরকারি হাসপাতালে বসেই ব্যবসা # দুদক-রমেকসহ বিভিন্ন অফিস-দপ্তরে অভিযোগ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: হার্টের রক্তনালীতে একটি রিং (স্টেন্ট) স্থাপন করে তিনটির টাকা নেন। কখনো রিং না স্থাপন করে শুধু সার্জারি করেই রিংয়ের টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগও আছে। রিং স্থাপনের দরকার না হলেও রোগীকে ‘অতংকিত’ করে রিং স্থাপনে উৎসাহিত করেন তিনি। চিকিৎসক হিসেবে রিং বিক্রির নিয়ম না থাকলেও তিনি নিজেই রিং বাণিজ্য করেন। এমনই একজন হৃদরোগ চিকিৎসক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান। অথচ এই চিকিৎসকের বেশভূষা-চেহারা দেখে কেউ বিশ্বাস করতে পারবেন না যে তিনি রোগীদের সঙ্গে এমন প্রতারণা করতে পারেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে দু’জন ভুক্তভোগী রোগী দুর্নীতি দমন কমিশন ও রমেক হাসপাতাল পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরে এ অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের কপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় রংপুর সূত্রে জানা গেছে, রমেক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পেয়েছে। শিগগিরই কমিশনের সভায় অভিযোগ তুলে ধরা হবে। সেখান থেকে কমিশনের মতামতের ভিত্তিতে কার্যক্রম শুরু হবে। অন্যদিকে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পাওয়া প্রতারণার অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠনে প্রতিনিধি চেয়ে রমেক অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছে সিভিল সার্জনের কার্যালয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানিয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও বিভিন্ন সূত্র জানায়, ডা. মাহবুবুর রহমান দীঘদিন ধরে হার্টে সার্জারি করে নিজেই রিং বিক্রি করে স্থাপন করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ অনিয়মের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। একারণে বিভিন্ন ভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রোগীরা চিকিৎসাসেবা নিতে এনজিওগ্রাম, সার্জারি, রিং স্থাপনসহ নানান রকম সেবার অন্তরালে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। যা নিয়ে বিভিন্ন সময়েও রোগীরা প্রতিবাদ জানালেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। সম্প্রতি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসাসেবা নিতে এসে প্রতারণার শিকার হয়েছেন দাবি করে ডা. মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছে আতোয়ার হোসেন ও মশিউর রহমান নামে দুজন ভুক্তভোগী। সেই অভিযোগের কপি দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিএমডিসি, রমেক হাসপাতাল, রংপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে সরাসরি ও ডাকযোগে পাঠিয়েছেন তারা। গাইবান্ধা সদরের কুমারপাড়া গ্রামের আতোয়ার হোসেন (৪৫) তার ওই লিখিত অভিযোগে বলেন, ‘রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মাহাবুবুর রহমান প্রতারণার মাধ্যমে উক্ত হাসপাতালে আমার হার্টের রক্তনালীতে একটি রিং (স্টেন্ট) পরিয়ে তিনটি রিংয়ের টাকা আদায় করে আত্মসাত করেছেন। ডা. মাহাবুবুর রহমান রিং পরানোর যে সিডি দিয়েছেন তাতে রিং লাগানোর কোন নজির নেই তবে হাসপাতালের রেজিস্ট্রার খাতায় একটা রিং পরানোর রেকর্ড রয়েছে। কিন্তু ডা. মাহাবুবুর তিনটি রিং লাগোনোর কথা বলে আমার নিকট থেকে তিন লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়েছেন।’ আতোয়ার হোসেন বলেন, ‘গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর হার্ট অ্যাটাক হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. মাহাবুবুর রহমানের অধীনে ভর্তি হন। এনজিওগ্রাম করে ডা. মাহাবুবুর জানান যে হার্টের রক্তনালীতে তিনটি ব্লক আছে এজন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে হবে। এর পর নয় শতক জমি বিক্রি তিনটি রিংয়ের জন্য মেডিকেলের এমএলএস শহিদুল ইসলামের সহায়তায় তিন লক্ষ বিশ হাজার টাকায় তিনটি রিং পরাতে রাজি হন ডা. মাহাবুবুর। রিং পরানোর পর অবস্থার উন্নতি না হলে কয়েকদফা ওই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় ডা. মাহাবুবুরের অধীনে। এরপরও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে আতোয়ার এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আরেক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. হাসানুল ইসলামের অধীনে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি হয়ে সুস্থ হন। এসময় জানতে পারেন তার হার্টের রক্তনালীতে একটি রিং পরানো হয়েছে।’ ভুক্তভোগী এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপচারিতায় একই অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, তিনি হার্টের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ওই চিকিৎসকের মাদ্যমে প্রতারণার শিকার হয়ে অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে তাকে কষ্টে দিনানিপাত করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ও আরেক ভুক্তভোগী মোহা. মশিউর রহমান তার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, ‘পেটে ব্যাথা হলে তার মাকে রংপুর মহানগরীর কছির উদ্দিন মেডিকেলে এ বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ডা. জিয়াউর রহমানের নিকট দেখাতে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পিত্তথলির অপারেশন করাতে হবে বলে জানান এবং অপারেশনের আগে একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের নিকট চেক করে নিতে পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ মোতাবেক ১১ সেপ্টেম্বর তার মাকে নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. মাহাবুবুর রহমানের নিকট তার চেম্বার রংপুর সেন্ট্রাল হাসপাতালে দেখালে তিনি এনজিওগ্রাম করাতে বলেন। ১৮ সেপ্টেম্বর ডা. মাহাবুবুর রহমান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করেন। এবং বলেন যে তার মায়ের হার্টের রক্তনালীতে ৭৫ শতাংশ ব্লক আছে, তা এক লক্ষ আশি হাজার টাকা দিয়ে রিং (স্টেন্ট) পরাতে হবে।’ মশিউর রহমান তার অভিযোগপত্রে আরও জানান, ‘আমাদের সন্দেহ হলে ঢাকা ন্যাশন্যাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. বদিউজ্জামানকে এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এনজিওগ্রামের সিডি (রেজি নং ১২৫২২/৩২) দেখালে তিনি বলেনথ যে আমার মায়ের হার্টে কোন প্রকার ব্লক নেই। এরপর রংপুরে এসে ১৫ অক্টোবর তারিখে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. হাসানুল ইসলামকে দেখালে তিনিও বলেন যে আমার মায়ের হার্টেরর রক্তনালীতে কোন ব্লক নেই। তবে তিনি সামান্য কিছু ওষুধ খেতে পরামর্শ দেন। এতে আমার মায়ের যে সমস্যাগুলি ছিল সেগুলো ভালো হয়ে যায়। অতঃপর ৭ নভেম্বর তারিখে ডা. মোহা. মিজানুর রহমানের অধীনে পিত্তথলির অপারেশন করানো হয়।’ ‘সরকারি মেডিকেল কলেজে বসে এভাবে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মতো ঘটনা ডা. মাহাবুবুর রহমান করছেন এবং শুনেছি এরকম প্রতারণা করে তিনি প্রতিনিয়তই রিং বিক্রি করছেন।’থযোগ করেন ভূক্তভোগী মাসুমা বেগমের ছেলে মোহা. মশিউর রহমান। এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি এ ধরনের চিকিৎসাবণিজ্য বন্ধ করাসহ ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে। এদিকে বিভিন্ন সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা যায়, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিনিয়তই রিং বাণিজ্য করে যাচ্ছেন ডা. মাহাবুবুর রহমান। তিনি এজন্য বিজ্ঞাপনও দেন তার ভিজিটিং কার্ড ও ফাইল ফোল্ডারে। যেখানে লেখা রয়েছেথ“সুখবর সুখবর সুখবর! আর নয় ঢাকা, আর নয় ইন্ডিয়া। এখন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই অতি অল্প খরচে হার্টের এনজিওগ্রাম, হার্টেরর রক্তনালীতে স্টেন্ট (রিং) বসানো (এনজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্টিং) মাইট্রাল ভালভুলোপ্লাস্টি ও হার্টের পেসমেকার স্থাপন করছেন ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান।” রিং বিক্রি বাড়াতে এভাবেই নিজের বিজ্ঞাপন দেন ডা. মাহাবুুব, যা বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী অপরাধ। ডা. মাহাবুুবুর রহমান তার ভিজিটিং কার্ডে ও নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিএমডিসির এমডি (কার্ডিওলজি), এফএসিসি (আমেরিকা) এ ধরনের ভূয়া ডিগ্রী লিখে প্রলুব্ধ করেন রোগীদের। বিএমডিসির অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের প্রচারণা উচিত নয়। কারণ বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ধারা ২৯(১) বলা হয়েছেথ “এই আইনের অধীনে কোন মেডিকেল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক এমন কোন নাম, পদবি, বিবরণ বা প্রতীক এমনভাবে ব্যবহার বা প্রকাশ করিবেন না যাহার ফলে তাহার কোন অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা আছে মর্মে কেহ মনে করিতে পারে, যদি না উহা কোন স্বীকৃত মেডিকেল চিকিৎসা শিক্ষা যোগ্যতা বা স্বীকৃত ডেন্টাল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা হইয়া থাকে।” এই ধারা ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। গত ১ ডিসেম্বর রোববার

Read More »

রংপুরে জাতীয় পার্টির সংবিধান সংরক্ষণ ও গণতন্ত্র রক্ষা দিবস পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে জাতীয় পার্টির সংবিধান সংরক্ষণ ও গণতন্ত্র রক্ষা দিবস উপলক্ষে রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (০৬ ডিসম্বর) বাদ আছর সেন্ট্রাল রোডস্থ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান, রংপুর মহানগর সভাপতি ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোঃ মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর সাধারন সম্পাদক এস.এম ইয়াসির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ও রংপুর জেলার সদস্য সচিব হাজ্বী আব্দুর রাজ্জাক। জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি মো:জাহেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: লোকমান হোসেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় যুব সংহতি রংপুর জেলার সভাপতি মোঃ হাসানুজ্জামান নাজিম। অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জাতীয় পার্টি রংপুর জেলা, মহানগর এবং সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

Read More »

রংপুরে সাধারণ মুসলিম সমাজের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাবরি মসজিদের শাহাদত বার্ষিকী, হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাস সংগঠন ইসকন কতৃক এ্যাড. সাইফুল হত্যা, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাই কমিশনে হামলা এবং প্রথম আলো ও ডেইলী স্টারের ইসলাম ও দেশ বিরোধী ভারতীয় অগ্রাসান- অধিপত্যবাদ কায়েম রাখার অপচেস্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে রংপুরের সাধারণ মুসলিম সমাজের নেতৃবৃন্দ। গতকাল (৬ ডিসেম্বর ) শুক্রবার জুম্মার নামাজে শেষে রংপুর প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল বেরা করেন সাধারণ মুসল্লিরা । মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ মুসল্লি মারুফ হাসান, ইয়াসির আরাফাত, সাহেদ হাসান, রুপম সহ অন্যান্য মুসল্লিগণ। বক্তারা বলেন, হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাস সংগঠন ইসকন কতৃক এ্যাড. সাইফুল হত্যা, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাই কমিশনে হামলায় সাধারণ মুসলিম সমাজের পক্ষ থেকে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

Read More »