সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: December 13, 2024

রংপুর মহানগর কৃষকদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল রংপুর মহানগর শাখার আয়োজনে ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৩ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ের সামন থেকে নগরীর বর্নাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। রালি শেলে বিএনপির দিলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভায় কৃষকদলের রংপুর মহানগর শাখার আহবায়ক শাহ্ নেওয়াজ লাবুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ফিরোজ রহমান পিন্টুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য আব্দুস সালাম, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মহানগরের যুগ্ম আহবায়ক মাহামুদুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর কোতোয়ালি থানা সভাপতি আলহাজ্ব আখেরুজ্জামান মানু, সাধারন সম্পাদক মোঃ রোস্তম আলী, তাজহাট থানা সাধারন সম্পাদক মোঃ রোকুনুজ্জামান (খোকন), মাহিগঞ্জ থানার সভাপতি আব্দুল রহমান ভুট্র, সাধারন সম্পাদক মোঃ সুজন মিয়া, হারাগাছ থানা মোঃ তারিক উস সিয়াম, সাধারন সম্পাদর সাজেদুর ইসলাম, হাজীরহাট থানা সার্জন (অবঃ) মোঃ সাজেদুর রহমান জুয়েল, সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, পশুরাম থানার সভাপতি মোঃ শাহিদ মিয়া, সাধারন সম্পাদক মোঃ মাহাবুবার রহমান কাজল সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক বৃন্দ।

Read More »

রংপুরে আন্তঃ পীরপুর জুনিয়র ফুটবল টুর্ণামেন্টেন ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে আন্তঃ পীরপুর জুনিয়র ফুটবল টুর্ণামেন্টেন ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৩ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় নগরীর রবার্টসনগঞ্জে আরডিসিসিএস মাঠে পীরপুর জুনিয়র ফুটবল টুর্ণামেন্টেন ফাইনাল খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ নাজমুল আলম নাজু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সালেক মার্কেট দোকান মালিক ব্যাবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য মোঃ রাকিবুল আজাদ, রংপুর জেলা যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি মোঃ শাকিল আহমেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকিবুল রহমান মনু, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহামুদুল হাসান রানা, সমাজে সেবক মোঃ মাহাফুজ আহমেদ সুজন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ফাইনাল খেলায় অংশ গ্রহন করেন পীরপুর ফাইটার একাদশ বনাম পীরপুর টাইম একাদশ ।

Read More »

রংপুরে জিয়া ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বিএপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যা তারেক রহামানের নির্দেশে রংপুরে জিয়া ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। গতকাল (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় রংপুর কালেক্টরেট ক্রিকেট গার্ডেন মাঠে বেলুুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক জাতীয় ক্রিকেটার মেহেরাব হোসেন এপি। খেলায় অংশ গ্রহন করেন লালদল বনাম সবুজদল । উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রংপুর মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আসাদুল হাবিব দুলু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) আব্দুল খালেক, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ট্রেজারার কাজী ইউসা মিসু, বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ, রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ আনিছুর রহমান লাকু, রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড. মাহাফুজ উন নবী ডন, জিয়া ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট কমিটির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু, সদস্য সচিব দেবব্রত পাল, মাঠ কো অডিনেটর রুবায়েত হোসেন খান, শাহীদ আবু সাঈদের বড়ভাই বকুল মিয়া, রংপুর মহানগর যুবদলের সিঃ যুগ্ম আহবায়ক জহির আলম নয়ন, সদস্য সচিব মোঃ আতিকুল ইসলাম লেলিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »

বিতর্কে কমলা জিতেছেন, নাকি ট্রাম্পই তাঁকে জিতিয়ে দিয়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভযেস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : আল জাজিরা : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান দুই প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মুখোমুখি বিতর্কে কে জিতেছেন, তা নিয়ে কয়েকটি অনানুষ্ঠানিক জনমত জরিপের ফল প্রকাশ হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরাও এ নিয়ে নিজেদের মত দিচ্ছেন। জনমত জরিপ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বেশির ভাগেরই রায় হলো, বিতর্কে কমলাই জিতেছেন। বিতর্কে দর্শকদের ওপর সিএনএন পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, কমলা হ্যারিস জয়ী হয়েছেন। ৬৩ শতাংশ মানুষ তাঁকে জয়ী বলে মনে করছেন। আর ট্রাম্পকে জয়ী মনে করছেন ৩৭ শতাংশ মানুষ। নিবন্ধিত ভোটারদের ওপর ইউগভ পরিচালিত অপর এক জরিপেও দেখা গেছে, বেশির ভাগ মানুষ কমলা হ্যারিসকে জয়ী বলে মত দিয়েছেন। এমনকি রক্ষণশীলদের টিভি নেটওয়ার্ক ফক্স নিউজের বিশেষজ্ঞরাও বলেছেন যে ট্রাম্পকে পরাজিত করেছেন কমলা। বিতর্কের পর সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা ভোটারদের নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো জরিপের ফল এখনো প্রকাশ হয়নি। জরিপের ফল প্রকাশ হতে কয়েক দিন লেগে যেতে পারে। আর প্রার্থীরা কে কেমন করলেন, তার ওপর ভিত্তি করে ভোটারদের অনেকে তাদের সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলবেন কিনা, তা নিশ্চিত নয়। তবে কমলা হ্যারিস কি আসলেই জিতেছেন, নাকি ট্রাম্পের দুর্বলতাই তাকে বিজয়ী করে তুলেছে? এ ব্যাপারে কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছে আল জাজিরা। তাঁরা বিতর্ক, রাজনৈতিক বক্তব্য, মনস্তত্ত্ব এবং যোগাযোগসংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তাঁদের কেউ কেউ বলেছেন ট্রাম্পের দুর্বল জায়গাগুলোতে খোঁচা দিয়ে সাফল্য পেয়েছেন কমলা হ্যারিস। আবার কেউ কেউ বলছেন, ট্রাম্পকে বিচলিত করে দেওয়ার কৌশল প্রয়োগ করেছিলেন কমলা। আর তা করতে গিয়ে তিনি ভোটারদের নিজের নীতিমালা কী হবে, সে সম্পর্কে খুব বেশি কিছু বলতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্রের হফসট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টোমেকা এম রবিনসন বলেন, তিনি (কমলা) বিতর্কে জিতেছেন এবং এমনি এমনিই যে জিতে গেছেন এমনটা নয়। ট্রাম্প সম্পর্কে রবিনসনের মত হলো, রিপাবলিকান এ নেতা বিভিন্ন বিষয়ে নিজের অবস্থানে অটল থাকতে পারেননি। তিনি মনে করেন, অবৈধ অভিবাসী এবং প্রজননবিষয়ক (গর্ভপাতের অধিকার) একই ধরনের আক্রমণাত্মক বক্তব্য না দিয়ে ট্রাম্পের উচিত ছিল প্রেসিডেন্ট হলে তাঁর নীতিমালা কী হবে, তা নিয়ে বলা। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যমবিষয়ক অধ্যাপক ট্যামি আর ভিজিলও বলেছেন, ট্রাম্পের দুর্বলতাগুলোকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়েছেন কমলা। তবে তিনি তাঁর নীতিমালাসংক্রান্ত পরিকল্পনাগুলো সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। ভিজিল আল জাজিরাকে বলেন, ‘হ্যারিস বিতর্কে জিতেছেন। কারণ, তিনি ভালো করেই জানতেন যে ঠিক কোন জায়গায় খোঁচা দিলে ট্রাম্প তাঁর চিরাচরিত রূপে নিজেকে প্রকাশ করতে শুরু করবেন। তিনি যা বলেন, তা খুব কম সময়েই সত্য হয়। তিনি চান কথাগুলোকে দর্শকেরা আবেগ দিয়ে বিবেচনা করুক, যুক্তি দিয়ে নয়। মঙ্গলবার রাতেও তিনি একই কাজ করেছেন।’ বিতর্কের মঞ্চে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসছবি: এএফপি ফাইল ছবি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং অসংলগ্ন ছিলেন ট্রাম্প বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ আবার আগের বিতর্কে ট্রাম্পের আচরণের সঙ্গে গত মঙ্গলবার রাতের বিতর্কে তাঁর আচরণের তুলনা করছেন। আগের বিতর্কে ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে ট্রাম্পের কাছে বিতর্কে ধরাশায়ী হওয়ার পর বাইডেন তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছিলেন। নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নিক বিউচ্যাম্প আল জাজিরাকে বলেন, প্রথম বিতর্কে বাইডেন নিজেই নিজের ধ্বংস ডেকে এনেছিলেন।  ট্রাম্প ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করে, শান্ত থেকে এবং বেশির ভাগ সময় নিজের বার্তা দেওয়ার মধ্য দিয়ে কাজটি আরও সহজ করে তুলেছিলেন। অপর দিকে কমলা-ট্রাম্প বিতর্কে কমলা একনাগাড়ে ট্রাম্পকে খোঁচা দিচ্ছিলেন, বিদ্রূপ করছিলেন এবং ছোটখাটো অপমান করে যাচ্ছিলেন। আর এতে ট্রাম্প কোণঠাসা হয়ে পড়েন। তিনি ক্রমাগত রেগে যেতে থাকেন এবং অসংলগ্ন আলোচনা করতে থাকেন। কমলা সম্পর্কে বিউচ্যাম্প বলেন, তিনি (কমলা) নিজের সম্পর্কে, নিজের মূল্যবোধ সম্পর্কে খুব একটা স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি। বরং তিনি ট্রাম্পকে বেসামাল করে দেওয়ার চেষ্টাতেই ব্যস্ত ছিলেন। মিথ্যা নিয়ে ট্রাম্পের কিছু আসে যায় না সত্যতা যাচাই–সংক্রান্ত সংস্থাগুলো ট্রাম্পকে ভুল প্রমাণের মতো অনেক তথ্য পেলেও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, বিতর্কে কে জিতেছেন, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। কারণ, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে ভুল এবং অযৌক্তিক সব দাবি করেন, তা নতুন কিছু নয়, তা অনেক আগেই প্রমাণিত। বরং তাঁর এসব কথাবার্তার কারণে অন্য অন্য রাজনীতিকদের ক্যারিয়ার নষ্ট হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দুই প্রার্থীর কাছ থেকে দুই ধরনের আচরণ যখন আশা করা হয়, তখন বিতর্কের ফলাফল নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে যায়। উইলিয়ামস কলেজের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক স্টিভেন ফেইন বলেন, যখন একজন প্রার্থীর কাছ থেকে সত্য কথা শোনার প্রত্যাশাই করা হয় না, আবার অন্য প্রার্থীর কাছ থেকে নীতিমালা বিষয়ে স্পষ্টবাদী হওয়ার মতো প্রচলিত মানদণ্ড পূরণের আশা করা হয়, তখন একটি বিতর্ককে বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করা সহজ নয়। মঙ্গলবার রাতে কমলার বিরুদ্ধে ট্রাম্প যেসব মিথ্যা কথা বলেছেন, সেগুলো উল্লেখ করে ফেইন বলেন, ‘সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা মানুষেরা বলেন, তারা দুই প্রার্থীর মধ্যে ভিন্নতা দেখেন না। কারণ, হ্যারিস তাঁর নীতিমালা নিয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি। এটা আপেলকে কমলার সঙ্গে তুলনা না করে ওয়াশিং মেশিনের সঙ্গে তুলনা করার মতো হয়ে যায়।’

Read More »

মিথ্যা-প্রতিহিংসামূলক মামলা শেষ হলে ফিরবেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, লন্ডন থেকে সস্ত্রীক দেশে ফিরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, মিথ্যা-প্রতিহিংসামূলক মামলা প্রত্যাহার বা আদালতের মাধ্যমে শেষ হলে দেশে ফিরবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১টায় বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে হয়রত শাহজালাল বিমান বন্দরে পৌঁছান তিনি। হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কবে নাগাদ দেশে ফিরতে পারেন এমন প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব বলেন, উনার বিরুদ্ধে অনেক মিথ্যা প্রতিহিংসামূলক মামলা রয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার হলে বা আদালতের মাধ্যমে শেষ হলে তিনি ফিরবেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি যে উদ্দেশ্যে লন্ডনে গিয়েছিলাম তা ফলপ্রসূ হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা হয়েছে, তাদের আয়োজনে বিভিন্ন সভায়ও যোগ দিয়েছি। লন্ডনে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, লন্ডন সফর ভালো ও ফলপ্রসূ হয়েছে। তারেক রহমানের কাছ থেকে কি বার্তা নিয়ে এসেছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাহেব বলেছেন, আপনারা (দেশবাসী) ধৈর্য্য ধারণ করুন। একটা বিশাল বিজয় এসেছে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে, এই বিজয়কে ফলপ্রসূ ও সার্থক করতে অবশ্যই সবাইকে ধৈর্য্য ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। গণতন্ত্রের যে প্রথম পদক্ষেপ নির্বাচন- তার জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করছি। আমরা প্রত্যাশা করি, ন্যূনতম যেসব সংস্কার জরুরি, তা সম্পন্ন করে সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে যাবেন। ৩০ নভেম্বর স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে বিএনপি মহাসচিব লন্ডন যান। লন্ডন অবস্থাকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছাড়াও তিনি কয়েকটি স্থানীয় দলীয় কর্মসূচিতেও অংশ নেন। স্ত্রী রাহাত আরা বেগম লন্ডনে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের দেখান। বিমান বন্দরে বিএনপি মহাসচিবকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলে বিএনপি নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ, আবু মোহাম্মদ আহসান ফিরোজ, সাদী আহমেদ, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

Read More »

২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত হয়রানিমূলক মামলার তালিকা চেয়েছে আইন মন্ত্রণালয়

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত হয়রানিমূলক মামলার তালিকা চেয়েছে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসটর বিভাগ। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উপ সলিসিটর সানা মো. মারুফ হোসাইন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে, বিশেষত: ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে ও তৎপরবর্তীতে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা (যা অনেক ক্ষেত্রে গায়েবি মামলা নামে পরিচিত) দায়ের করা হয়। এতে আরও বলা হয়েছে, এসব মামলা সংক্রান্ত সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকায় আইনানুগভাবে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই এসব মামলার তথ্যাদি জরুরিভিত্তিতে পাওয়া একান্ত আবশ্যক। বিজ্ঞপ্তিতে হয়রানিমূলক মামলার যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- জেলার নামসহ আদালতের নাম, মামলার নম্বর, এজাহারকারী বা নালিশকারীর নাম ও পরিচয়, মোট আসামির সংখ্যা এবং এর মধ্যে অজ্ঞাতনামা এজাহারে উল্লেখিত ঘটনার তারিখ, আসামির সংখ্যা, মামলাটি কোন আইনের কোন ধারায়, মামলাটি কোন পর্যায়ে (তদন্তাধীন, নাকি বিচারাধীন)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মামলার তালিকা প্রণয়নে বিশেষভাবে যত্নবান ও দায়িত্বশীল হওয়াসহ সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। প্রাপ্ত মামলার তালিকা মন্ত্রণালয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবে। উল্লেখিত তথ্যসহ জেলায়/মহানগরে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা আগামী ১৭ ডিসেম্বর মধ্যে সলিসিটর, সলিসিটর অনুবিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ, ঢাকা বরাবর (ই-মেইল: solicitor@lawjusticediv.gov.bd) পাঠাতে বলা হয়েছে। পাবলিক প্রসিকিউটরট ও মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটরের কাছে এই বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে।

Read More »