সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 19, 2025

রংপুর পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পরিক্ষা বর্জন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ক্রাফট ইনসট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ অবৈধ পদন্নতির জন্য দেয়া রায়ের প্রতিবাদে ১৯ মার্চ ২০২৫ এর ১ম, ৩য়, ৫ম, ও ৭ম, পর্বের পরিক্ষা বর্র্জন ও বিক্ষোভ করেন রংপুর পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা । গতকাল বুধবার বেলা ১২টায় পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাসে পরিক্ষা বর্র্জন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইলেকট্রনিকস ৭ম শিক্ষার্থী মোয়াজ হোসেন , রায়হান ইসলাম, ফুয়াদ ফাহিম , কবীর হোসেন, মনিরুজ্জামান, মুন্না আজিজ, সম্রাট মিয়া সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।

Read More »

রংপুরে প্রশিকা’র জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষি সম্প্রসারণ শীর্ষক কর্মশালা অনুুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে প্রশিকা মানব উন্নয়ন কেন্দ্রের আয়োজনে রংপুর সিটিতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও নগরবাসীর পুষ্টি উন্নয়নে নগর কৃষি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের সূচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর নগরীতে কার্বন নিঃসরন ও তাপদাহ কমানো এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে নগর কৃষি সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে রংপুর নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের আবাসিক ছাদসহ পতিত ১৩ হাজার ২’শ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি, ফলমূল চাষাবাদ করা হবে। এতে করে খাদ্যপুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবনের তাপমাত্রা কমবে ২ থেকে আড়াই ডিগ্রী সেলসিয়াস। বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রাপ্তির সাথে পরিবেশের বিরুপ প্রভাব থেকে রক্ষা পাবে নগরবাসী। গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) সকালে রংপুর নগরীর চিকলী ওয়াটারপার্ক কনভেনশন হলে প্রশিকা মানব উন্নয়ন কেন্দ্র আয়োজিত ‘রংপুর সিটিতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন ও নগরবাসীর পুষ্টি উন্নয়নে নগর কৃষি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের সূচনা কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়। প্রশিকার পরিচালক একেএম হাসান সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি স্মল গ্রান্ট প্রোগ্রামের ন্যাশনাল কোÑঅর্ডিনেটর মোজাম্মেল হক, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোল্ল্যা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, প্রশিকার পরিচালক রিজাউনুস শামীম। প্রকল্পের তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন প্রকল্পের টিম লিডার সুমনা রানী দাশ। ইউএনডিপি’র অর্থায়নে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এ প্রকল্পের মাধ্যমে নগরীতে ১’শটি প্রদর্শনী বাগান ও দুটি গ্রীন বিল্ডিং নামে প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে, মাঠ দিবস, সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে প্রশিকা।

Read More »

বিদায় হজ্জের ভাষন : নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.)

।। দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া।। ঢাকা, ১৮ রমজান ১৪৪৬ হিজরী : বিদায় হজ্জের ভাষণ ১০ম হিজরিতে অর্থাৎ ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে হজ্জ পালনকালীন আরাফাতের ময়দানে ইসলাম ধর্মের শেষ নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কর্তৃক প্রদত্ত খুৎবা বা ভাষণ। হজ্জের দ্বিতীয় দিনে আরাফাতের মাঠে অবস্থানকালে অনুচ্চ জাবাল-এ-রাহমাত টিলার শীর্ষে দাঁড়িয়ে উপস্থিত সমবেত মুসলমানদের উদ্দেশ্যে তিনি এই ভাষণ দিয়েছিলেন। মুহাম্মাদ (সা:) জীবিতকালে এটা শেষ ভাষণ ছিলো, তাই সচরাচর এটিকে বিদায় হজ্জের ভাষণ বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। ইসলামের প্রকৃত মূল্যবোধ অনুযায়ী মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে এই ভাষণে চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা ছিলো। মুহাম্মাদ (সা.) তাঁর জীবনে একবারই হজ্জ পালন করেন, এটি ছাড়া আর কোন হজ্জ পালনের বর্ণনা হাদিস বা সিরাতে পাওয়া যায় না। ইসলাম ধর্ম যে ধাপে ধাপে ও পর্যায়ক্রমে পূর্ণতা পেয়েছিলো, তারই চূড়ান্ত ঘোষণা ছিলো মুহাম্মাদ (সা.) বিদায় হজ্জের ভাষণে। এ কারণে সেদিন ভাষণ প্রদানকালে কুরআনের সূরা মায়িদার ৩ নম্বর আয়াত অবতীর্ণ হয়। “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং আমার নিয়ামত তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম। ইসলামকে তোমাদের জন্য একমাত্র জীবন ব্যবস্থা হিসাবে মনোনিত করলাম। (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত-৩) বিদায় হজ্জের ভাষণে ইসলাম ধর্মের মর্মবাণী সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছিলো। মুসলিম জাতির সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে মুহাম্মাদ চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা । বিদায় হজ্জের ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল উপাসনামূলক অনুশাসন ছিলো না, বরং মানবসমাজের জন্য করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ভাষায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশও এতে ছিলো। আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, তাঁর সার্বভৌমত্বের সাহ্ম্য, মানবজাতির ঐক্য, আধ্যাত্মিক ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক সাম্য ইত্যাদি সমাজ বিনির্মাণের অন্যতম সব বিষয়ই এই ভাষণের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এই ভাষণে তাকওয়া বা দায়িত্বনিষ্ঠতার কথা গুরুত্ব দিয়ে পাপাচারের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। আল্লাহর প্রতি দায়িত্ব বা হক্কুল্লাহ ও মানবসম্প্রদায়ের প্রতি দায়িত্ব বা হক্কুল ইবাদের মধ্যে সীমারেখা টেনে দেন। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজ্জের ভাষণে সমাজ ও রাষ্ট্রে অরাজকতা, বিদ্রোহ এবং শয়তানের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে বলেছেন। এই ভাষণে বিভিন্ন ধরনের রিবার প্রচলন রহিত করে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। নারীর পূর্ণ নিরাপত্তা, সম্মান ও অধিকারকে নিশ্চিত করার জন্য মুসলমানদের দায়িত্ব দেয়া হয় এই ভাষণে। মানুষে মানুষে আত্মীয়তার বন্ধন, বিশেষ করে রক্তের সম্পর্কের ওপর সবিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিলো। সামাজিক কুসংস্কার থেকে মানুষের মুক্তি লাভের ওপর জোর দেয়া হয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই ঐতিহাসিক ভাষণে স্বর্গ-মর্ত্যের সকল কিছুর ওপর আল্লাহর কর্তৃত্ব সুনিশ্চিত করে মানুষকে এসবকিছুর আমানতদার হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয়। আল্লাহর মালিকানায় সবার অধিকার স্বীকৃত বলে উত্তরাধিকার আইনের ওপর অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করে আমানতের খেয়ানতকারীর প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্ভ্রমের নিরাপত্তা বিধানের জন্য কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিলো। সাম্য, স্বাধীনতা, ন্যায়পরায়ণতা, ভ্রাতৃত্ব এবং বদান্যতা ও মানবতার পরম ধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতি প্রদান করেন। / ফটো সংগৃহীত.

Read More »