সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 2, 2025

শিল্প ও সরবরাহে সহযোগিতা জোরদারকরণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শিল্প ও সরবরাহে সহযোগিতা জোরদারকরণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ঢাকা, ১৯ জ্যৈষ্ঠ (২ জুন) ২০২৫ খৃ. – বাংলাদেশ-চীন যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের ১৫তম সভায় শিল্প ও সরবরাহে সহযোগিতা জোরদারকরণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গতকাল সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং চীনের পক্ষে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রী Wang Wentao সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সভায় উভয়পক্ষ দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতাকে একটি নতুন কৌশলগত উচ্চতায় উন্নীত করার জন্য সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। গত মার্চ মাসে চীন সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের মধ্যে আলোচনায় নিরবিচ্ছিন্ন বাণিজ্য প্রচার, সুষম উন্নয়ন অর্জন, শিল্প ও সরবরাহে সহযোগিতা জোরদারকরণ, চলমান প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বৃদ্ধি বিভিন্ন চীনা সহায়তার শর্তাবলী যৌক্তিককরণ এবং পাট শিল্পের উন্নয়ন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় পক্ষই উন্নত, ন্যায্য ও সুষম বাণিজ্য নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে যা বিশ্বজুড়ে বর্তমান অর্থনৈতিক ক্রান্তিকালে টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারকরণে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে। এছাড়া, আগামী ১৬তম জেইসি সভা পারস্পারিক আলোচনার ভিত্তিতে সুবিধাজনক সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Read More »

প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে চায় সরকার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৯ জ্যৈষ্ঠ (২ জুন) ২০২৫ খৃ. – প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধি করতে চায় সরকার। এ বিষয়ে মতামত প্রদানের জন্য সম্প্রতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি এ বিষয়ে এক মাসের মধ্যে মতামত প্রদান করবে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মহাপরিচালক ড. আহমেদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়। এ কমিটির সদস্যসচিব হলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান ও অর্থ সচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

Read More »

কোরবানির পশুর চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় আলেম-উলেমাদের ভূমিকা পালন করতে হবে

কোরবানির পশুর চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় আলেম-উলেমাদের ভূমিকা পালন করতে হবে ঢাকা, ১৯ জ্যৈষ্ঠ (২ জুন)২০২৫ খৃ. – কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বণ্টন নিশ্চিত করতে কওমী মাদ্রাসার আলেম-উলেমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি গতকাল ঢাকায় জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে কোরবানির পশুর চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কওমী মাদ্রাসার আলেম-উলেমাগণের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান। বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। এটি সঠিকভাবে সংগ্রহ করে ট্যানারি শিল্পে সরবরাহের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখা সম্ভব। প্রতি বছর কোরবানির সময় বিপুল পরিমাণ পশুর চামড়া সংগ্রহ হলেও অব্যবস্থাপনা ও অসচেতনতার কারণে এর একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, আলেম-ওলামাগণ সমাজে প্রভাব রাখেন, তাই তাদের সহযোগিতায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চামড়া নষ্ট হওয়া রোধ করা যাবে। সরকার এবছর এ সমস্যা সমাধানে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে। শেখ বশিরউদ্দীন আরো বলেন, চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী প্রতিনিধি-সহ বাংলাদেশ সফর করছেন। তাদের সাথে আমরা কাঁচা চামড়া বা ব্লু ওয়েট নিয়ে কথা বলেছি। ইতোমধ্যে আমরা চামড়া রপ্তানি নিষিদ্ধকরণের আদেশ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছি; যাতে কাঁচা চামড়া রপ্তানি সম্ভব হয়। তিনি বলেন, আমি চাইনা এদেশ থেকে কাঁচা চামড়া বাইরে রপ্তানি হোক, কিন্তু সঠিক দাম না পেলে আমাদের সেদিকে যেতে হবে। পৃথিবীর মোট চামড়ার সাড়ে তিন শতাংশ চামড়া বাংলাদেশ থেকে সরবরাহ করা সম্ভব। উপদেষ্টা বলেন, যখন ২৫ হাজার টাকা গরুর দাম ছিল তখন চামড়ার দাম ছিল ২ হাজার টাকা; এখন গরুর দাম ১ লাখ টাকা কিন্তু চামড়ার দাম ২০০ টাকা; এটা একদম অস্বাভাবিক অবস্থা। দাম নিশ্চিত করার জন্য চামড়া সঠিক প্রক্রিয়ায় পরিচ্ছন্ন করতে হবে এবং লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। লবণ চাষিদের কাছ থেকে ইতোমধ্যে সাড়ে সাত লাখ মণ লবণ সংগ্রহ করা হয়েছে। চামড়া সংরক্ষণের জন্য এই লবণ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এতে লবণ চাষিরা কিছুটা হলেও উপকৃত হবে। জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ শামীম হুসাইন, খিলগাঁও মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা জহুরুল ইসলাম, দক্ষিণগাঁও সবুজবাগ মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা সাব্বির আহমেদ, মুফতি জাবের কাসেমী, মুফতি আব্দুল মালেক প্রমুখ এ সভায় বক্তব্য রাখেন।

Read More »

কোরবানির চামড়া ব্যবস্থাপনায় বানিজ্য মন্ত্রণালয় কন্ট্রোলরুম ০১৬১৭-৩৩৮০৬৭’

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া ঢাকা, ১৯ জ্যৈষ্ঠ (২ জুন) ২০২৫ খৃ. – ‘কোরবানির চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বর: ০১৬১৭-৩৩৮০৬৭’। সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেল-সহ সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বিষয়টি প্রচারের জন্য অনুরোধ করেছেন, তথ্য সুত্র।

Read More »

আগামীকাল অর্থ উপদেষ্টা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতা করবেন

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৮ জ্যৈষ্ঠ (১ জুন) ২০২৫ খৃ. – আগামীকাল সোমবার (২ জুন) বিকাল ৪টার পরিবর্তে ৩টায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জাতির উদ্দেশ্যে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জাতীয় বাজেট বক্তৃতাটি বাংলাদেশ টেলিভিশন হতে ফিড নিয়ে অন্যান্য সকল বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারে একই সময়ে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

Read More »

জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারদের বদলি একটি নিয়মিত কার্যক্রম

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৮ জ্যৈষ্ঠ (১ জুন) ২০২৫ খৃ. – নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীন জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়ন ও বদলি আইন ও বিচার বিভাগের একটি নিয়মিত কার্যক্রম। বদলি প্রক্রিয়ায় জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারদের আবেদন, কর্মকাল, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক প্রয়োজন বিবেচনায় নেওয়া হয়ে থাকে। বদলি কার্যক্রমে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে কোনো অসাধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে প্রলোভন, প্রস্তাব বা প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। প্রয়োজনে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ দেওয়া হলো। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

Read More »

এক নজরে বাংলাদেশের ৫৩টি জাতীয় বাজেট

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১ জুন, ২০২৫ খৃ- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামীকাল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন। এটি হবে দেশের ৫৪তম বাজেট এবং অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম বাজেট। স্বাধীনতা-পরবর্তী সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ ১৯৭২ সালে দেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এই বাজেট হবে বর্তমান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের প্রথম বাজেট। তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। নিচে ক্রমানুসারে বাংলাদেশের ৫৩টি জাতীয় বাজেট এক নজরে তুলে ধরা হলো। এখানে বাজেটের পরিমাণ ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থবছর- উপস্থাপক- মোট বাজেট- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি): ১৯৭২-৭৩- তাজউদ্দিন আহমেদ- ৭৮৬ কোটি টাকা – ৫০১ কোটি টাকা। ১৯৭৩-৭৪- তাজউদ্দিন আহমেদ- ৯৯৫ কোটি টাকা – ৫২৫ কোটি টাকা। ১৯৭৪-৭৫- তাজউদ্দিন আহমেদ- ১ হাজার ৮৪ কোটি টাকা – ৫২৫ কোটি টাকা। ১৯৭৫-৭৬- ড. আজিজুর রহমান মল্লিক- ১ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা – ৯৫০ কোটি টাকা। ১৯৭৬-৭৭- মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান- ১ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা – ১ হাজার ২২২ কোটি টাকা। ১৯৭৭-৭৮- লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান- ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা – ১ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা। ১৯৭৮-৭৯- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান- ২ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা – ১ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা। ১৯৭৯-৮০- ড. এম এন হুদা- ৩ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা – ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। ১৯৮০-৮১ এম সাইফুর রহমান- ৪ হাজার ১০৮ কোটি টাকা – ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ১৯৮১-৮২- এম সাইফুর রহমান- ৪ হাজার ৬৭৭ কোটি- ৩ হাজার ১৫ কোটি টাকা। ১৯৮২-৮৩- এ এম এ মুহিত- ৪ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা – ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ১৯৮৩-৮৪- এ এম এ মুহিত- ৫ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকা – ৩ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা। ১৯৮৪-৮৫- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৬ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা – ৩ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকা। ১৯৮৫-৮৬- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৭ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা – ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। ১৯৮৬-৮৭- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৮ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা – ৪ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা। ১৯৮৭-৮৮- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৮ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা – ৫ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। ১৯৮৮-৮৯- মেজর জেনারেল মুনিম- ১০ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা – ৫ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। ১৯৮৯-৯০- ড. ওয়াহিদুল হক- ১২ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা – ৫ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। ১৯৯০-৯১- মেজর জেনারেল মুনিম- ১২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা – ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। ১৯৯১-৯২- এম সাইফুর রহমান- ১৫ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা – ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ১৯৯২-৯৩- এম সাইফুর রহমান- ১৭ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা – ৯ হাজার ৫৭ কোটি টাকা। ১৯৯৩-৯৪- এম সাইফুর রহমান- ১৯ হাজার ৫০ কোটি টাকা – ৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। ১৯৯৪-৯৫- এম সাইফুর রহমান- ২০ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা – ১১ হাজার কোটি টাকা। ১৯৯৫-৯৬- এম সাইফুর রহমান- ২৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকা- ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। ১৯৯৬-৯৭- শাহ এ এম এস কিবরিয়া – ২৪ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা – ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ১৯৯৭-৯৮- শাহ এ এম এস কিবরিয়া – ২৭ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা – ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ১৯৯৮-৯৯- শাহ এ এম এস কিবরিয়া – ২৯ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা – ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ১৯৯৯-২০০০- শাহ এ এম এস কিবরিয়া – ৩৪ হাজার ২৫২ কোটি টাকা – ১২ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। ২০০০-০১- শাহ এ এম এস কিবরিয়া – ৩৮ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা- ১৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ২০০১-০২- শাহ এ এম এস কিবরিয়া – ৪২ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা – ১৯ হাজার কোটি টাকা। ২০০২-০৩- এম সাইফুর রহমান- ৪৪ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা- ১৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০০৩-০৪- এম সাইফুর রহমান- ৫১ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা- ২০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। ২০০৪-০৫- এম সাইফুর রহমান- ৫৭ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা- ২২ হাজার কোটি টাকা। ২০০৫-০৬- এম সাইফুর রহমান- ৬১ হাজার ৫৮ কোটি টাকা- ২৩ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। ২০০৬-০৭- এম সাইফুর রহমান- ৬৯ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা- ২৬ হাজার কোটি টাকা। ২০০৭-০৮- মির্জা আজিজুল ইসলাম- ৯৯ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা- ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ২০০৮-০৯- মির্জা আজিজুল ইসলাম- ৯৯ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা- ২৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ২০০৯-১০- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা- ২৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ২০১০-১১- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭০ কোটি টাকা- ৩৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। ২০১১-১২- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ৬১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা- ৪১ হাজার ৮০ কোটি টাকা। ২০১২-১৩- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা- ৫২ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। ২০১৩-১৪- এ এম এ মুহিত- ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা- ৬০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৪-১৫- এ এম এ মুহিত- ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা- ৭৫ হাজার কোটি টাকা। ২০১৫-১৬- এ এম এ মুহিত- ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা- ৯৩ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। ২০১৬-১৭- এ এম এ মুহিত- ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা- ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮- এ এম এ মুহিত- ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা- ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯- এ এম এ মুহিত- ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা- ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। ২০১৯-২০- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা- ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। ২০২০-২১- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা- ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। ২০২১-২২- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা- ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। ২০২২-২৩- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা- ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা- ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪-২৫- এ এইচ মাহমুদ আলী- ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা- ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। এ এম এ মুহিত ও এম সাইফুর রহমান বিভিন্ন মেয়াদে সর্বোচ্চ ১২টি করে বাজেট পেশ করেছেন। 

Read More »

প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে সনাক রংপুরের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ‘প্লাস্টিক দূষণ আর নয়’ পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৫ উদযাপনের অংশ হিসেবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), রংপুরের উদ্যোগে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। রোববার (১ জুন) সকাল ১১টায় রংপুর প্রেসক্লাব সম্মুখে “প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে সকলে, একসাথে, এখনই” এই দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে রংপুর সনাক সভাপতি ড. শাশ্বত ভট্টাচার্য এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সনাক সহ-সভাপতি প্রফেসর মো: শাহ আলম, সনাক সদস্য অ্যাডভোকেট এ এ এম মুনীর চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলন বাংলাদেশ এর আহবায়ক মো. বেলাল আহমেদ, তরুন প্রতিনিধি ইয়েস, সহ-দলনেতা বিক্রম কুমার শর্মা ও তাসলিমা আক্তার মিম প্রমুখ। ক্তারা রংপুরের পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক সচেতনতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে শ্যামাসুন্দরী খালের দূষণমুক্ত ও প্লাস্টিকমুক্তকরণ, পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহার সংকোচনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পলিথিন ও প্লাস্টিক উৎপাদন বন্ধ করে এর বিকল্প পন্য প্রস্তত করা, পাটের ব্যবহার বৃদ্ধিতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ, অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করতে কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবী জানান। পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক সচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বানে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন এবং এ সময় পরিবেশ দিবস উপলক্ষে টিআইবি’র ধারণাপত্র বিতরণ করা হয়। মানববন্ধন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সনাক সদস্য সামসাদ বেগম, মো: সিদ্দিকুর রহমান, মো: জাহাঙ্গীর আলম, নিশাত আরা বেগম, মোহাম্মদ শাহজাহান, সমাজকর্মী মোশফেকা রাজ্জাক, টিআইবি’র রংপুর ক্লাস্টারের কোঅর্ডিনেটর কমল কৃষ্ণ সাহা। উক্ত আয়োজনে সনাকের ইয়েস, এসিজি সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন এবং অধিকার আদায়ে নিজ নিজ অবস্থানে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Read More »