সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 15, 2025

ফৌজদারী মামলায় অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করার লক্ষ্যে কমিটি গঠন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৩১ ভাদ্র (১৫ সেপ্টেম্বর): ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থাকে জনবান্ধব ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা 173A সংযোজন করা হয়েছে। এতে হয়রানিমূলকভাবে কারো নাম কোনো মামলার প্রাথমিক তথ্যবিবরণীতে (এফআইআর) অন্তর্ভুক্ত করা হলে, তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং এ প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে। উক্ত অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা তত্ত্বাবধান করার লক্ষ্যে জেলা, মেট্রোপলিটন এলাকা এবং মন্ত্রণালয় পর্যায়ে তিনটি কমিটি গঠন এবং সেগুলোর কার্যপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম এন্ড অপস্‌) সদস্য সচিব করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকার পর্যায়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে আহ্বায়ক এবং পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজনকে সদস্য সচিব করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টাকে আহ্বায়ক এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন-১ শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব/সহকারী সচিব পদমর্যাদার এক জনকে সদস্য সচিব করে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকা পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি: জুলাই-আগস্ট, ২০২৪ এ সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দায়েরকৃত মামলার তথ্য সংগ্রহ ও তালিকা প্রস্তুত করা; Code of Criminal Procedure, 1898-এ ধারা 173A সংযোজনের পর পুলিশ কমিশনার বা পুলিশ সুপার কর্তৃক সারাদেশে কতটি মামলায় অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ হয়েছে এবং কতটি মামলায় অনুরূপ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে এর তথ্য সংগ্রহ ও তালিকা প্রস্তুত করা; Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা 173A-এর অধীন অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে কিনা তা তত্ত্বাবধান করা; তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক কতটি অভিযোগের অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে এবং তার ভিত্তিতে কতজনকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে তার পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা; এবং কমিটি প্রতিমাসে পাক্ষিকভাবে/দুইবার উল্লিখিত তথ্যাদিসহ মন্ত্রণালয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির নিকট প্রতিবেদন দাখিল করবে। মন্ত্রণালয় পর্যয়ের কমিটির কার্যপরিধি: জুলাই-আগস্ট, ২০২৪ এ সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশে দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে জেলা কমিটি কর্তৃক প্রেরিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা; Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা 173A এর অধীন অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনার বা পুলিশ সুপারগণ কর্তৃক প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে কিনা তা তত্ত্বাবধান করা এবং Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা 173A এর অধীন অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এবং উক্ত বিষয়ে জেলা কমিটির কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যলোচনা ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন-১ শাখার সহকারী সচিব স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে আরো উল্লেখ করা হয় এ পরিপত্র জারীর পর জননিরাপত্তা

Read More »

ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কার কমিশনের ৭০ ভাগ সুপারিশ বাস্তবায়ন সম্ভব: আসিফ নজরুল

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খৃ. – আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য টিম হিসেবে কাজ করছে। এরই মধ্যে সুপারিশের প্রায় অর্ধেক বাস্তবায়ন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সভায় এসব কথা বলেন তিনি। আইন উপদেষ্টা বলেন, ছয়টি সংস্কার কমিশনের তাৎক্ষণিক কার্যকর করার মতো প্রায় ৭০ ভাগ সুপারিশ ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। ড. আসিফ নজরুল বলেন, প্রথম যে ছয়টি কমিশন গঠিত হয়, তাদের প্রস্তাবিত সুপারিশের মধ্যে থেকে আশু বাস্তবায়নযোগ্যগুলো বাছাই করে ইতোমধ্যেই অর্ধেকের মত বাস্তবায়ন করেছি। আমাদের ইচ্ছা, ডিসেম্বরের মধ্যেই অন্তত ৭০ শতাংশ সম্পন্ন করে যেতে পারব। তিনি আরও বলেন, যে সকল সংস্কার প্রস্তাব সংবিধান সংশ্লিষ্ট, সেসব বিষয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন। অধ্যাদেশ বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আমরা সংবিধান পরিবর্তন করতে পারি না। উপদেষ্টা জানান, কিছু প্রস্তাব সংবিধান সংশ্লিষ্ট হিসেবে উপস্থাপিত হলেও বাস্তবে তা তেমন নয়। তিনি বলেন, এ বিষয়ে কমিশনের সভাপতির সঙ্গেও আলোচনা করেছি। উদাহরণস্বরূপ, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রধান কে হবেন, তা কেবল কার্যপ্রণালীর বিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব; সংবিধান সংশোধনের দরকার নেই। ড. আসিফ নজরুল বলেন, কিছু প্রস্তাবের পুনরাবৃত্তি ছিল, কিছু তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় বলে মনে হয়েছে।  আবার কিছু প্রস্তাবে নিয়মিত কার্যক্রমের কথা উল্লেখ রয়েছে, যেমন দুর্নীতি দমন বিষয়ক কৌশলপত্র তৈরি। আইন উপদেষ্টা জানান, বাকি পাঁচটি কমিশনের কোন সুপারিশগুলো বাস্তবায়নযোগ্য তা নিরূপণে বিদ্যুৎ,  জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে কাজ চলছে। কিছু সুপারিশের বাস্তবায়ন ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। সরকার আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্তে অবিচল রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, একবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে গেলে আর কোন আইনি সংশোধন আনা যাবে না, কারণ তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। সে কারণেই প্রয়োজনীয় সব আইনি সংস্কার ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।  তিনি আরও বলেন, আপনাদের কথা আমাকে খুব আশাবাদী করেছে। সবাই ঐক্যমত্যের ওপর ভিত্তি করে একটি ভালো সমাধান চায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মানুষের নিয়ত। আমাদের নিয়ত যদি গণভ্যুত্থানের ঐক্য সংরক্ষণ করা, দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সুযোগ না দেওয়া এবং নিজেদের বিপদমুক্ত রাখা হয়, তাহলে সমাধান কঠিন হবে না, ইনশাআল্লাহ। ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করতে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন। জাতীয় ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় জড়িত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার সভাটি পরিচালনা করেন। সভায় কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।  বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত ইসলামী, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

পুনরায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে বরিশাল জিলা স্কুলে নুরুল ইসলাম স্যারের যোগদানে আনন্দিত ও উচ্ছ্বাসিত হয়েছেন ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবক এবং কর্মচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বরিশাল জিলা স্কুলে পুনরায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে সকলের প্রিয় নুরুল ইসলাম স্যারের যোগদান করায় আনন্দিত ও উচ্ছ্বাসিত হয়েছেন ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবক এবং কর্মচারীরা। তথ্যসূত্রে জানা যায়, জনপ্রিয় সৎ আদর্শবান মেধাবী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত নুরুল ইসলাম তার শিক্ষকতার কর্মজীবনে যেই যেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেছেন সেই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কে আদর্শবান ছাত্র-ছাত্রী হিসেবে গড়ে তোলা সেইসাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করার লক্ষ্যে সব সময় নিরলস ভাবে কাজ করে আসছেন। ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবক ও কর্মচারীদের প্রিয় শিক্ষক নুরুল ইসলাম বরিশাল জিলা স্কুলে পুনরায় প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করা এবং এর পূর্বেও তিনি বরিশাল জিলা স্কুলে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনাম ও সফলতার সাথে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বরিশাল জিলা স্কুলের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং ছাত্রদের কে আদর্শবান ছাত্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতিপূর্বেও তিনি নিরলস ভাবে কাজ করেছিলেন তাই বরিশাল জিলা স্কুলের ছাত্রদের অভিভাবকরা সব সময় নুরুল ইসলাম স্যারকে পছন্দ করতেন। আবার পুনরায় যোগদানে অভিভাবকরা আনন্দিত হয়েছেন। নুরুল ইসলাম একজন আদর্শবান সৎ নির্ভীক দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। তার কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি সততা ও আদর্শবান শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক ও শিক্ষক কর্মচারীদের কাছে। বরিশাল জিলা স্কুলের কয়েকজন ছাত্র অভিভাবকের সাথে কথা বলে জানা যায়, অভিভাবকরা বলেন আমরা আমাদের সন্তানদের কে শুধু শিক্ষাই দিতে চাই না আমরা চাই আমাদের সন্তানরা উন্নত মানের শিক্ষার পাশাপাশি একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক আর সেই আদর্শবান মানুষ গড়ার অন্যতম কারিগর হলেন বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম স্যার। নুরুল ইসলাম স্যার পুনরায় বরিশাল জিলা স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত উচ্ছ্বাসিত সেই সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে আরো বেশি বেশি ভালো কাজ করার তৌফিক দান করেন। বরিশাল জিলা স্কুলে অধ্যায়নরত কয়েকজন ছাত্রদের সাথে কথা বললে তারা প্রতিবেদককে বলেন নুরুল ইসলাম স্যার ইতিপূর্বে আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন স্যার প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন সময় আমরা যারা মুসলিম ছাত্র ছিলাম আমাদেরকে স্যার নামাজ পড়ার জন্য সব সময় উদ্বুদ্ধ করতেন এবং সৎ ও আদর্শবান মানুষ হওয়ার পরামর্শ দিতেন সেই সাথে স্যার সকল ছাত্রদের অধ্যবসায় হওয়ার পরামর্শ দিতেন। আমরা স্যারের পরামর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা সেই সাথে দৈনন্দিন যে সিলেবাস তা কমপ্লিট করা সহ অনেক ভালো কাজের বিষয়ে স্যারের থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। স্যার পুনরায় আমাদের বরিশাল জিলা স্কুলে যোগদান করায় আমরা স্যারকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সেই সাথে স্যারের সকল উপদেশ গ্রহণ করে আমরা মানুষের মত মানুষ হতে পারি সেই আকাঙ্ক্ষা আমাদের। ছাত্ররা আরও বলেন স্যারকে আমরা পেয়েছি এজন্য আমরা ধন্য হয়েছি। আমাদের প্রধান শিক্ষক একজন যোগ্য সৎ আদর্শবান শিক্ষক হিসেবে সকলের কাছে সুপরিচিত স্যার আমাদের গর্ব। বরিশাল জিলা স্কুলের স্থানীয় সচেতন কয়েকজন ব্যক্তিবর্গের সাথে বরিশাল জিলা স্কুলের সদ্য যোগদান কৃত প্রধান শিক্ষকের বিষয় কথা বললে তারা বলে ইতিপূর্বে নুরুল ইসলাম স্যার যখন জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন তখন আমরা শুনেছি তিনি স্কুলের উন্নয়ন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সহ ছাত্রদের লেখাপড়ার মান উন্নয়ন এবং যাবতীয় কার্যক্রম ভালোভাবে পরিচালনা করেছিলেন তিনি আবার পুনরায় বরিশাল জেলা স্কুলে যোগদান করায় আমরা তাকে জানাই সুস্বাগতম।প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম স্যারের সকল ভাল কাজের সব সময় আমরা সহযোগিতা করব। বরিশাল জিলা স্কুলের শিক্ষক ও কয়েকজন কর্মচারীর সাথে সদ্য যোগদান কৃত প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম স্যারের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তারা প্রতিবেদককে বলেন স্যার পুনরায় আমাদের মাঝে ফিরে এসেছেন আমরা জন্য আনন্দিত ও গর্বিত কারণ স্যারের মতো একজন সৎ আদর্শবান দায়িত্বশীল শিক্ষক আমরা পেয়েছি। তারা আরো বলেন স্যারের প্রচেষ্টায় আমাদের স্কুলের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা আরো উন্নত মানের শিক্ষা পাবে এবং আমরাও স্যারের বিভিন্ন দিক নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে কাজ করতে পারব।পুনরায় স্যারকে আমরা পেয়েছি এজন্য স্যারকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বরিশাল জিলা স্কুলে পুনরায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার বিষয় নুরুল ইসলাম স্যারকে জিজ্ঞেস করলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট আ’লীগ সরকারের পতনের পরে বর্তমান সরকার আমাকে আবার পুনরায় বরিশাল জিলা স্কুলে যোগদান করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তাই আমি জিলা স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছি। বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন এর পূর্বে যখন আমি অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ছিলাম তখন আমাকে জামাত,বিএনপির ট্যাগ লাগিয়ে ছিল একটি কুচক্রী মহল। আমি আবার যখন পুনরায় এই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করি এরপরও সেই পরাজিত শক্তির দোসর কুচক্রী মহলটি আবার সক্রিয় হয় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা বানোয়াট অহেতুক আজেবাজে কথা লিখিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করাচ্ছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা। ঐসব মিথ্যা ভিত্তিহীন যেসব প্রচার হচ্ছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম।তিনি বলেন আমি চাই আমার দায়িত্ব শতভাগ সততার সাথে পালন করতে সেই সাথে নুরুল ইসলাম বরিশাল সাংবাদিকদের সহ সকল সুশীল সমাজের সহযোগিতা কামনা করেন। বরিশাল জিলা স্কুল শত বছরের ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বরিশাল বিভাগে সকলের কাছে সুপরিচিত। আর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যিনি প্রধান শিক্ষক হবেন তিনিও হবেন অত্যন্ত যোগ্যতা সম্পন্ন একজন শিক্ষক এমনটাই চাহিদা বরিশাল বাসির।বর্তমান বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম হলেন তেমনি একজন সৎ যোগ্য আদর্শ আদর্শবান সকলের প্রিয় প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম।

Read More »