সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 16, 2025

দূর্গাপূজার প্রস্তুতি নিয়ে হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খৃ. – আসন্ন দুর্গাপূজায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। আজ সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিভিন্ন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। তাঁরা এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। এসময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনাদের সঙ্গে সবসময় দেখা করার ইচ্ছা থাকলেও সুযোগ হয় না। পূজা উপলক্ষে বছরে একবার সামনাসামনি দেখা হয়, কথা বলার সুযোগ হয়।’ এসময় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ও সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান প্রধান উপদেষ্টা। হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর এক হাজারের বেশি পূজা মণ্ডপ বেড়েছে। সারাদেশে পূজা মণ্ডপ প্রস্তুতের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। তাঁরা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সকল পক্ষ থেকে এবারের পূজায় সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবকে ধন্যবাদ জানান তাঁরা। নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্ম উপদেষ্টা নিয়মিতভাবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, মন্দির পরিদর্শন করেন। দুর্গাপূজা উৎসবমুখর করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হচ্ছে। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে গতবারের মতো এবারও নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন হবে বলে আমরা আশা করছি। এসময় স্থায়ী দুর্গামন্দিরের জন্য রেল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জায়গা বরাদ্দ দেয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান মহানগর পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব। তিনি বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এজন্য আপনাকে বিশেষ ধন্যবাদ। আপনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে নিয়মিত আমাদের খোঁজ খবর রেখেছেন। গত বছরের মতো এবছরও পূজায় আমরা দু’দিন ছুটি পেয়েছি। এজন্যও আপনাকে বিশেষ ধন্যবাদ। গত বছর ৮ আগস্ট দেশে ফেরার পরপরই আপনি ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করে বলেছিলেন, আমরা সবাই এক পরিবার। আপনার বক্তব্য আমাদের মনে গভীরভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।’ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর বলেন, ‘গত বছর দুর্গাপূজায় ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে আপনি বলেছিলেন, নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে কড়া পাহারা বসিয়ে পূজা হবে এমন দেশ আমরা চাই না। আমরা প্রথমবারের মতো কোনো সরকারপ্রধানের কাছে এমন বক্তব্য শুনেছি। আমরাও আপনার বক্তব্যের সাথে একমত, আমরাও চাই এ আয়োজনে সকলে সহযোগিতা করুক, দেশের সবার মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকুক। আপনার বক্তব্য সবসময় আমাদেরকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। কোনো সরকার প্রধানের এত সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ আমরা এই প্রথম দেখলাম।’ বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব এস এন তরুণ দে বলেন, ‘আপনি দায়িত্বে থাকাকালীন দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির স্থাপন করেছেন। আমরা লক্ষ্য করেছি, গত এক বছর ধরে বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচুর মিথ্যা কথা, ফেইক নিউজ ছড়ানো হচ্ছে। আপনার নেতৃত্বে ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল মানুষের কল্যাণ হবে আমরা সেটাই কামনা করি।’ বৈঠকে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয় সকল ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে। কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে আমরা কল্যাণকর কর্মসূচিগুলো নিশ্চিত করি। মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে একটি মন্দির করে দেয়া হচ্ছে। আরেকটি মন্দিরে স্নানাগারের জন্য সিড়ি করে দেয়া হচ্ছে। যেসকল অসচ্ছল মন্দির প্যাগোডা, গির্জা রয়েছে তাদেরকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি। অসচ্ছল ব্যক্তি বিশেষ করে বিধবা নারীদের জন্য আমরা সহায়তা দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। অনাথ আশ্রমগুলোকেও সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’ প্রধান উপদেষ্টা সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও পূজার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান এবং দুর্গাপূজা ঘিরে যাতে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের সুযোগ তৈরি না হয় সেজন্য সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। বৈঠকে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার ও সচিব দেবেন্দ্র নাথ উঁরাও, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী পূর্ণাআনন্দ (একক), বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, মহানগর পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, শ্রী শ্রী গীতা হরি সংঘ দেব মন্দিরের সভাপতি শ্রী বিমান বিহারী তালুকদার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব এস এন তরুণ দে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অপর্না রায় দাস, শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র দত্ত ও সিদ্ধেশ্বরী সার্বজনীন পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রণীতা সরকার উপস্থিত ছিলেন। সুত্র. বাসস

Read More »

নির্বাচনী উপকরণ সংগ্রহ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খৃ. – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী উপকরণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের গুদামে ইতোমধ্যেই এসব নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছানো শুরু হয়েছে।  আজ সোমবার বিকেলে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব কে. এম. আলী নেওয়াজসহ ইসি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্বাচন ভবনের বেজমেন্টে অবস্থিত ইসির গুদামে নির্বাচনি সরঞ্জাম দেখতে যান। এসময় তারা সংগৃহীত ভোটগ্রহণের বিভিন্ন সরঞ্জাম পরীক্ষা করে দেখেন।  নির্বাচনি সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ব্যালট বাক্স, লক, ঢাকনা, গানি ব্যাগ, সিল, বিভিন্ন প্রকার ফরম, প্যাকেট ইত্যাদি।  ইসি ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে মাঠ পর্যায়ের নির্বাচনি দ্রব্য ফরম, প্যাকেট বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।   নির্বাচনি সরঞ্জাম সংগ্রহের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বাসস’কে বলেন, ‘আজ বার্ষিক দ্রব্য সংগ্রহের পরিকল্পনা সংক্রান্ত মিটিং করেছি। ইতোমধ্যে নির্বাচনি সরঞ্জাম আসা শুরু হয়েছে।’ ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব  কে. এম. আলী নেওয়াজ বাসস’কে বলেন, ইতোমধ্যেই আমরা কোনো কোনো নির্বাচনি উপকরণ প্রায় অর্ধেক পেয়েছি। আবার কোনো কোনো উপকরণ এখনো আসেনি। আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নির্বাচনি দ্রব্য সামগ্রী পেয়ে যাব।  ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, বর্তমানে দেশের ১০টি অঞ্চলের আওতায় ৬৪ জেলায় ৩০০ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার ২০১ জন। এবার গড়ে প্রতি ৩ হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র করার ভিত্তিতে মোট ৪২ হাজার ৬১৮টি ভোটকেন্দ্র প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া, সবমিলিয়ে ভোটকক্ষ হবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬টি। আগামী ২০ অক্টোবর চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনি উপকরণ সংগ্রহের বিষয়ে সম্প্রতি ইসি সচিব সাংবাদিকদের বলেন, এ পর্যন্ত ব্রাস সিল ও সিলগালা বাদে অন্যান্য উপকরণগুলো আমরা পাচ্ছি। সময়সীমা দেওয়া আছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপকরণগুলো পাচ্ছি। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সকল দ্রব্য পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী।

Read More »

বিবিএসের নাম হবে স্ট্যাটিসটিকস বাংলাদেশ, থাকবে তদারক পরিষদ : সুপারিশ টাস্কফোর্সের

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় – বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নাম বদলে ‘স্ট্যাটিসটিকস বাংলাদেশ (স্ট্যাটবিডি)’ করার প্রস্তাব দিয়েছে পরিসংখ্যানসংক্রান্ত স্বাধীন টাস্কফোর্স। সংস্থার প্রধানকে চিফ স্ট্যাটিসটিশিয়ান বা প্রধান পরিসংখ্যানবিদ পদে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে। আজ সোমবার পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের কাছে এই প্রতিবেদন পেশ করেছে টাস্কফোর্স। টাস্কফোর্সের নেতৃত্ব দেন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান। সেই প্রতিবেদনে এসব সুপারিশ করা হয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টার কার্যালয়ে গিয়ে টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন জমা দেন টাস্কফোর্সের প্রতিনিধিদল। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন গ্রহণ করার পর গণমাধ্যমকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, কাজের দক্ষতা ও জবাবদিহি এবং তথ্যকে মুক্ত করে দেওয়ার জন্য যা যা করণীয় তা এই প্রতিবেদনে আছে। তা ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার করণীয় বিষয়গুলো এখানে রয়েছে। প্রতিবেদন জমা দিয়ে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বিবিএসের তথ্য–উপাত্তকে গুণগত ও স্বচ্ছতায় বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমরা সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দিয়েছি। স্বাধীনভাবে তথ্য পর্যালোচনা ও প্রতিবেদন তৈরির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সুরক্ষার বিষয়গুলো আমাদের সুপারিশে এসেছে। এটা খসড়া প্রতিবেদন, প্রয়োজনে কিছুটা পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কীভাবে নির্বাচিত হবেন—তা এখানে এসেছে। সুপারিশে যা আছে একই সঙ্গে প্রতিবেদনে ট্রাস্ট অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্সি কাউন্সিল অব স্ট্যাটিসটিকস (টিটিসিএস) নামে সাত সদস্যের তদারক পরিষদ গঠনের প্রস্তাব এসেছে। এটি বার্ষিক কার্যক্রম ও ব্যয় নিরীক্ষা খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে ভূমিকা রাখবে। সংস্কারের অংশ হিসেবে পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। তথ্য যাচাই ও প্রকাশে বিবিএসের স্বাধীনতা আইনগতভাবে সুরক্ষিত করার উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮টি উইং বাড়িয়ে ১৬টি করা, উপজেলাপর্যায়ে ৪৩৭টি নতুন পদ সৃজন ও ক্যাডার-নন-ক্যাডার একীভূত করার কথা বলা হয়েছে। অর্থায়নের ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে বার্ষিক জরিপ কার্যক্রম স্থিতিশীল করা ও মূল জরিপগুলোকে রাজস্ব বাজেটে স্থান দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আগাম ক্যালেন্ডার প্রকাশ, সবার জন্য একসঙ্গে তথ্য প্রকাশ, পূর্ণ মেটাডেটা ও পদ্ধতিগত ব্যাখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ফেরানো জরুরি। এ ছাড়া বার্ষিক অংশীজন সম্মেলন, বড় জরিপে উপদেষ্টা কমিটি ও তরুণদের ইন্টার্নশিপ চালুর প্রস্তাবও করা হয়েছে। সংগঠনটির প্রশিক্ষণকেন্দ্রকে স্ট্যাটবিডি ট্রেনিং একাডেমিতে রূপান্তর ও মেথডোলজিক্যাল অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল গঠনেরও সুপারিশ এসেছে। সেই সঙ্গে পরিকল্পনা উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাস্তবায়ন দল গঠনের আহ্বান জানিয়েছে টাস্কফোর্স। স্বাধীন টাস্কফোর্সের অন্য সদস্যরা হলেন বিবিএসের সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএসআরটির অধ্যাপক সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক অতনু রব্বানী ও সরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুস। তথ্য সুত্রে.

Read More »

দেশীয় মাছের সংকট নিরসনে উন্মুক্ত জলাশয়ের বিকল্প নেই– মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : কুড়িগ্রাম, ৩১ ভাদ্র (১৫ সেপ্টেম্বর): মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সারা দেশে দেশীয় মাছের সংকট প্রকট হয়ে উঠছে। এই সংকট নিরসনে উন্মুক্ত জলাশয়ের কোনো বিকল্প নেই। সরকার দেশের নদ-নদীতে মাছের অভয়ারণ্য তৈরি করতে কার্যক্রম গ্রহণ করছে। আজ কুড়িগ্রামে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নারী কৃষক এবং স্থানীয় এনজিও কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আলোচনা সভার আয়োজন করে। উপদেষ্টা বলেন, বন্যায় নদীগুলোতে পলি পরার কারণে নাব্যতা হ্রাস, পানিদূষণ, চায়না জাল ব্যবহার ও ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ আহরণের কারণে দিন দিন মাছের পরিমাণ কমছে। জোরালো অভিযান চালিয়ে এসব মাছ ধরার অবৈধ যন্ত্রপাতি উদ্ধার করতে হবে। অভিযান চলমান রাখতে নদীগুলোতে স্পিড বোটের ব্যবহার করা হবে। চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে তারা সরকারি অনেক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া তিনি প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, উৎপাদিত দুধ যথাযথ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের অভাবে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তাই এই অঞ্চলে চিলিং সেন্টার স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন, জুলাই যোদ্ধাগণ অনেকে জীবন উৎসর্গ করেছেন, আবার অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তাদের এই ঋণ ভুলবার নয়। এজন্য তিনি সরকারি ও এনজিওর উদ্যোগে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। আলোচনা সভায় কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোক্তাদির খান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানা। এরপর উপদেষ্টা কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছি ইউনিয়নের ছড়ারপাড় গ্রামে এক নারী কৃষকের বাড়ি পরিদর্শন করেন।

Read More »

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৩১ ভাদ্র (১৫ সেপ্টেম্বর) ২০২৫ খৃ. ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। সাক্ষাৎকালে ফয়েজ আহমদ বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশকে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের গুরুত্বারোপ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় উভয়পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক, তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, ডাটা গভর্নেন্স, ইলেকট্রনিক আইডি অথেন্টিকেশন, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ক্লাউড সার্ভিস, ইন্টার অপারাবিলিটি, ডিজিটাল সার্ভিস ইকোসিস্টেম, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন এবং ডিজিটাল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলে ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া) ব্রেন্ডার লিঞ্চ এবং ডিরেক্টর (দক্ষিণ এশিয়া) ইমিলি অ্যাসবি।

Read More »

মালয়েশিয়ার পেনাং-এ বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী ভোটদান বিষয়ে মতবিনিময় সভা

কুটনৈতিক প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : পেনাং (মালয়েশিয়া), ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খৃ. – মালয়েশিয়ার পেনাং প্রদেশ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটদান বিষয়ে আজ কেদাহ-এর কুলিমে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মতবিনিময় করেন এবং প্রবাসীদের মধ‍্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোসাম্মাত শাহানারা মনিকা । নির্বাচন কমিশনার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনটি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন‍্য নির্বাচন কমিশনের দৃঢ়প্রতিজ্ঞার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রবাসীগণ যেন এই নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে। আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগেই নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি আরো বলেন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর এবং কোনো প্রভাবে নির্বাচন কমিশন প্রভাবিত হবে না। এ সময় নির্বাচন কমিশনার প্রবাসীদের ভোটদানের প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন। তিনি জানান, প্রবাসী ভোটারদের জন্য ‘তথ্যপ্রযুক্তি-সহায়ক পোস্টাল ভোটিং’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অনলাইনে ভোটার হিসেবে আবেদন এবং নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রবাসীগণকে মোবাইল এপ্লিকেশনের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। এরপর প্রবাসীদের ঠিকানায় পোস্টের মাধ্যমে ব্যালট পেপার এবং ফিরতি খাম পাঠানো হবে। প্রবাসীগণ ভোট প্রদান করে নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নির্ধারিত খামে ব্যালট পেপার পোস্ট করবেন, যা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে চলে যাবে। ভোটারগণ তার ব্যালট কোথায় যাচ্ছে তা অনলাইনে ট্রাকও করতে পারবেন বলে তিনি জানান। তিনি এ প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন। ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার তার বক্তৃতায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং ভোটদান প্রক্রিয়া বিষয়ে মতবিনিময়ের জন্য নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানান। ভোটিং প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের অংশগ্রহণে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী হাইকমিশন সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা চালাবে বলে তিনি জানান। পরে নির্বাচন কমিশনার জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করেন এবং উপস্থিত প্রবাসী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্বাচন কমিশনার এবং ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট বিষয়ে তাদের নানাবিধ প্রশ্নের জবাব দেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসী কমিউনিটি প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা -কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

Read More »