সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 24, 2025

সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ প্রণয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে – তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৯ আশ্বিন (২৪ সেপ্টেম্বর) ২০২৫ খৃ. – তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ প্রণয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজ ঢাকার তথ্য ভবনে ‘সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড গঠন এবং সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ (খসড়া)’ বিষয়ক আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, প্রস্তাবিত এই অধ্যাদেশ চূড়ান্তকরণের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আগামী দশ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে লিখিত মতামত ও প্রস্তাব প্রদানের জন্য সাংবাদিক সংগঠন ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদপত্র মজুরিবোর্ড প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, মজুরিবোর্ড বাস্তবায়নের সঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয় জড়িত। মজুরি বোর্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মজুরিবোর্ড বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রদানের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। মাহফুজ আলম বলেন, সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যায় যে অসংগতি রয়েছে তা দূর করতে হবে। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের হার বাড়ানো হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বিজ্ঞাপন খাতে বকেয়া টাকা পরিশোধে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বিগত সরকারের আমলে বিজ্ঞাপন খাতে বকেয়া টাকার পরিমাণ ছিল ৭৫ কোটি। বর্তমানে বকেয়ার পরিমাণ ৩৬ কোটি টাকা। বিজ্ঞাপন খাতের এই বকেয়া টাকা পরিশোধে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। সাংবাদিকদের বেতন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, সাংবাদিকদের ভালো বেতন নিশ্চিত করতে পারলে গণমাধ্যমে বিদ্যমান অনেক সমস্যা কেটে যাবে। তিনি সাংবাদিকদের বেতন যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করার জন্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি আহ্বান জানান। আলোচনাসভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, বিদ্যমান আইনে সাংবাদিকদের শ্রমিক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাংবাদিকরা আর শ্রমিক হিসেবে থাকতে চান না। সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহের কর্তৃত্ব একাধিক মন্ত্রণালয়ে না রেখে শুধু তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে রাখার পক্ষে মত দেন তাঁরা। আলোচনাসভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য অফিসার মো. নিজামূল কবীর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল-সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

আগামী নির্বাচন হবে গণতন্ত্রের নতুন ভিত্তি : প্যারিসের মেয়রকে অধ্যাপক ইউনূস

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া নিউইয়র্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খৃ. :প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে নিউইয়র্কে মঙ্গলবার প্যারিসের মেয়র অ্যানে হিদালগো বৈঠক করেছেন।  বৈঠকে উভয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, ক্রীড়া, সামাজিক উদ্যোগ এবং বিশ্বমানবিক সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকালে দুই নেতা বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে চলমান সংস্কার কার্যক্রম, ক্রীড়া ও অলিম্পিকে সামাজিক ব্যবসার সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক শরণার্থী সঙ্কট—বিশেষ করে রোহিঙ্গা মানবিক সংকট সম্পর্কে ব্যাপক মত বিনিময় করেন। এ সময়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী সাধারণ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। এটি শুধু একটি নির্বাচন নয়, এটি দেশের গণতন্ত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে।’ প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্ধারণে একটি ভিত্তিমূলক ঘটনা হবে, যা দেশের গণতন্ত্রকে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে নেবে।’ অধ্যাপক ইউনূস প্যারিস ২০২৪ অলিম্পিককে সামাজিক ব্যবসায় উদ্যোগ রূপান্তর করতে নেতৃত্ব দেন। প্রধান উপদেষ্টা ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিত সকল অলিম্পিক—বিশেষত আসন্ন লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক—কার্বন নিরপেক্ষ করার ওপর জোর দেন। মেয়র হিদালগো এই সংকটময় সময়ে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আপনার নেতৃত্বকে গভীরভাবে সম্মান করি। আপনি অসাধারণ কাজ করেছেন, এবং আপনার অঙ্গীকার মানবতার জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’ উভয় নেতা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য তহবিল বৃদ্ধির জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত এক মিলিয়নের বেশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নের আহ্বান জানান। মেয়র হিদালগো আশা প্রকাশ করেন যে একদিন রোহিঙ্গারা নিরাপদ ও মর্যাদাসহ তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারবেন। অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন, ‘জাতিসংঘ আগামী সপ্তাহে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করছে, যার উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক মনোযোগ পুনরুজ্জীবিত করা এবং এর একটি স্থায়ী সমাধান খোঁজা।’ তিনি মেয়র হিদালগোকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানান, যা দুই দেশের মধ্যে মানবিক ও সামাজিক ব্যবসায়িক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে। বৈঠকে এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন। সুত্র.বাসস

Read More »

রংপুরে সাংবাদিককে অপহরণ করে নির্যাতন, ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার চেস্টা প্রতিবাদে ‍পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও, স্মারকলিপি প্রদান।

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরের সিনিয়র সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাদলকে অপহরণ করে সিটি কর্পোরেশনে নির্যাতন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার চেষ্টা এবং মব তৈরি করে সাংবাদিকদের মারধর এবং হেনস্থার মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মহানগর পুলিশ কমিশনার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে গণমাধ্যমকর্মীরা। সেখান থেকে অপহরণ ও হামলাকারীদের তিনদিনের মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন তারা। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করে তারা। এতে রংপুর সাংবাদি ইউনিয়ন- আরপিইউজে, প্রেস ক্লাব, সিটি প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব , রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন, অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনসহ দুই শতাধিক গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজে সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সরকার মাজহারুল মান্নানের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগি রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের সদস্য সচিব লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক সমকালের ব্যুরো প্রধান স্বপন চৌধুরী, রংপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুব রহমান হাবু, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিউজ২৪ টিভির ব্যুরো প্রধান রেজাউল করিম মানিক, সময় টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান নাজমুল আলম নিশাত, দৈনিক প্রথম খবরের নির্বাহী সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবলা, রিপোর্টার্স ক্লাব রংপুরের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ জীবন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শরীফা বেগম শিউলি, রংপুর বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক আন্দোলনের সমন্বয়ক এসএম জাকির হোসাইন, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন রংপুরের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক সকালের বানীর আসাদুজ্জামান আফজাল, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রকি, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক জহির রায়হান জুয়েল,এখন টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান মোকাররম হোসাইন প্রমুখ। তারা অভিযোগ করেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ উপস্থাপন করে মামলা দেয়া হয়েছে। মাত্র ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ দিয়ে শেয়ার করছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে মামলা করার চেস্টা করছে। সিটি করপোরেশন মাত্র ৩ জনকে আইওয়াশ বদলি করে দায় সেরেছে। এটা উদ্বেগজনক। পরে সাংবাদিকদের ঘেরাও কর্মসূচিতে আসেন পুলিশ কমিশনার মোঃ মজিদ আলী। ঘেরাও কর্মসূচি থেকে তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে তিন দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয় আসামীদের গ্রেফতারে। তা করা নাহলে ধারাবাহিক আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়, রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের সদস্য সচিব একুশে টেলিভশন, দৈনিক সংবাদ ও বাংলা ট্রিবিউনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক লিয়াকত আলী বাদলকে তাঁর করা একটি প্রতিবেদনের জেরে গেলো ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টার দিকে নগরীর কাচারীবাজার থেকে ‘জুলাই যোদ্ধার পরিচয়ে রকি নামের এক যুবকের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী অপহরণ করে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নিউজ করার জন্য ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে বলে অটো রিকশাতে করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তারা সাংবাদিক বাদলকে সিটি করপোরেশনের প্রধান ফটকের সামনে নিয়ে গিয়ে সেখান থেকে তাঁকে টেনে হেচড়ে নামিয়ে নির্যাতন করতে করতে নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের সামনে নিয়ে নির্যাতন ও গালিগালাজ করতে থাকে। সাংবাদিকরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ভবনের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে সাংবাদিকরা চলে আসার জন্য তৈরি হলে সেখানে সিটি করপোরেশনের চিহ্নিত কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রধান ফটক আটকে দিয়ে আবার নির্যাতন করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, এ ঘটনায় সাংবাদিক লিয়াকত আলী বাদুল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমা, ট্রেড লাইসেন্স শাখার প্রধান মিজানুর রহমান মিজু, সাবেক কাউন্সিলর লিটন পারভেজসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ এবং ২০/২৫ জন অজ্ঞাতনামার ব্যক্তির বিরুদ্দ্ধে মামলা দায়ের করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ৫ ও ৬ নম্বর নামীয় আসামীকে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্ত অন্যান্য আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফেসবুকে লাইভ করছে। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের নামে বিষোদাগার করছে। আসামীরা থানায় গিয়ে সাংবাদিকদের নামে মামলা করার জন্য চেস্টা করছে। নানাভাবে মিথ্যাচার, হুমকি ধামকি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেস্টা করছে। এতে সাংবাদিক সমাজ গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন এবং উৎকণ্ঠিত ও নিরাপত্বাহীনতায় ভুগছেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, ঘেরাও কর্মসূচির মাধ্যমে নামীয় এবং অজ্ঞাত আসামীদের আগামী তিনদিনের মধ্যে গ্রেফতার এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার অভিযোগ পত্র দাখিল করা না হলে ধারাবাহিকভাবে কঠোর কর্মসূচিতে পালন করা হবে। এ বিষয়ে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন-আরপিইউজের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক বলেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা না হলে এবং সিটি করপোরেশনের জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণ করা না হলে ধারাবাহিক আন্দোলনে যাওয়া হবে। সময় নিজ দফতর থেকে সাংবাদিকদের ঘেরাওস্থলে নেমে আসেন পুলিশ কমিশনার মোঃ মজিদ আলী। তিনি স্মারকলিপি গ্রহন করে বলেন, এরই মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। সেখানে নেপথ্যের কয়েকজনের নামও এসেছে। বাকী আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দেয়া হবে। গত ১৭ ই সেপ্টেম্বর লিয়াকত আলী বাদল দৈনিক সংবাদে ” রংপুরে জুলাই যোদ্ধার নামে অটোর লাইসেন্স, পাঁচ কোটি টাকার বাণিজ্যের পাঁয় তারা ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। ওই সংবাদের জেরে তাকে অপহরণ করে নিয়ে মারধোর ও তার প্রকাশিত সংবাদের জন্য ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য কর

Read More »

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখা কে দুর্নীতির অভয়াশ্রমে পরিণত করেছে কানুনগো ও কয়েকজন দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের কে জিম্মি করে কয়েকজন দুর্নীতিবাজ অর্থলোভী ঘুষখোর কানুনগো ও সার্ভেয়াররা পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখা কে দুর্নীতির অভয়াশ্রমে পরিণত করায় হতাশ হয়েছে সাধারণ জনগণ। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখার কানুনগো শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনারা কেন সাধারণ মানুষের জমি অধিগ্রহণ করে তাদের থেকে কেন অফিস খরচের নামে পার্সেন্টেজ নিয়ে থাকেন। তখন শহিদুল ইসলাম জানান বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার অফিস ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের জেলা প্রশাসক স্যারকে ম্যানেজ করতে হয় তাই আমরা এই অফিস খরচের টাকা নিয়ে থাকি। একই কথা বলেন সার্ভেয়ার ফারুক সহ অন্যান্যরা। প্রতিনিয়ত নির্বিঘ্নে কোন বাধা-বিপত্তি ছাড়াই একের পর এক দুর্নীতি করে যাচ্ছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখার কানুনগো ও কয়েকজন সার্ভেয়ার।এই শাখা এখন দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণ করার জন্য এক নিরাপদ স্থানে পরিণত হয়েছে। এদের দুর্নীতি রুখে দেওয়ার মতো কেউ নেই এমন মন্তব্য করেছেন অনেক সেবা প্রত্যাশীরা। কানুনগো শহিদুল ইসলাম ও সার্ভেয়ার ফারুক আরো বলেন আমরা যা কিছু করি সবকিছুই ডিসি রেভিনিউ স্যারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী করে থাকি। পটুয়াখালী জেলার সাধারণ জনগণ যাদের সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদেরকে জিম্মি করে এলএ শাখার কয়েকজন সার্ভেয়ার মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।এসব অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা দিনের মতো স্বচ্ছ হলেও দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ারদের প্রতিবাদ করা এবং তাদের দুর্নীতির রুখে দেওয়ার মত কোন লোক কি নেই এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এখন পটুয়াখালী জেলার সাধারণ জনগণের মনের মাঝে। যাদের জমি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মাধ্যমে অধিগ্রহণ করা হয়েছে তারা যখন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখায় তাদের সম্পত্তি অধিগ্রহণের নোটিশ নিয়ে আসেন তখন তাদেরকে কানুনগো শহিদুল ইসলাম সার্ভেয়ার ফারুক, সার্ভেয়ার আরিফুল হক খোকন,সার্ভেয়ার সাইফুল ইসলাম ,বিভিন্ন আইন কানুন দেখিয়ে তাদের থেকে সম্পত্তি অধিগ্রহণে যে টাকা আসে তা হতে ২০-২৫ পার্সেন্ট টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।এই সার্ভেয়ার দের রয়েছে একটি কঠিন ও শক্তিশালী দালাল চক্র যেই দালাল চক্রটি সবসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আশপাশে ঘুরাঘুরি করে এবং উক্ত সার্ভেয়ারদের সাথে দালালি করে। কয়েকদিন আগে এক ভুক্তভোগী থেকে ১৮ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ ওঠে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এল এ শাখার সার্ভেয়ার এস এম মাসুদের নামে সাথে সাথে তাকে পটুয়াখালী জেলার সৎ নির্ভীক চৌকস জেলা প্রশাসক তাকে দশমিনা ভূমি অফিসে বদলি করেন সেখানে গিয়েও সার্ভেয়ার মাসুদের দালালি ও পার্সেন্টিজ নেয়ার কাজ থেমে নেই।আগে যাদের থেকে টাকা নিয়েছে তাদের কাজের জন্য উক্ত তিনজন সার্ভেয়ারের সাথে দরকষাকষি ও দালালি করে যাচ্ছেন সার্ভার এস এম মাসুদ। এই কতিপয় দুর্নীতিবাজ অসাধু সার্ভেয়ার দের কারণে দিন দিন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকাণ্ড। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখার দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ারদের দুর্নীতি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে কয়েকজন ভুক্তভোগী বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বলে জানা যায়। আরো অনেক ভুক্তভোগীরা জানান তারা শীঘ্রই উক্ত দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর সার্ভেয়ারদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর এবং বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার বরাবর ও দুদকে অভিযোগ দায়ের করবেন। সেই সাথে তারা তাদের অসহায়ত্বের কথা প্রতিবাদী নেতা পটুয়াখালীর কৃতি সন্তান সাবেক ডাকসুর সভাপতি ও “গণ অধিকার পরিষদ” পার্টির সভাপতি ভিপি নুরুল হক নূরের কাছে ও জানাবেন বলে তথ্যসূত্রে জানা যায়। পটুয়াখালী জেলার সচেতন নাগরিক গন বলেন দুদক সারা বাংলাদেশের অভিযান পরিচালনা করে এবং তাদের অভিযানের সুনামও রয়েছে দেরজুড়ে তারা যদি পটুয়াখালী এল এ শাখায় হঠাৎ একদিন অভিযান পরিচালনা করে তাহলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।দুদক প্রমাণ পাবে কি হারে দুর্নীতি হচ্ছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখায়। বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের চেয়ারম্যান এবং বরিশাল বিভাগের দুদকের পরিচালক ও পটুয়াখালী জেলার দায়িত্বরত দুদক অফিসারদের অনুরোধ করে তারা বলেন আমরা চাই শীঘ্রই দুদুকের একটি অভিযান পটুয়াখালী এল এ শাখায় পরিচালনা করা হোক এবং বিগত দিনে যারা পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখা থেকে সম্পত্তি অধিগ্রহণের টাকা নিয়েছে তাদের সাথে কথা বললেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। পটুয়াখালী জেলার সাধারণ জনগণ চায় যাদের থেকে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখার দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ার গন টাকা নিয়েছে তাদের সকলের টাকা যাতে এই দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ার রা ফেরত দেয় সেই ব্যবস্থা যদি প্রশাসন এবং দুদক করত তাহলে এটি একটি বাংলাদেশের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতো। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখার সার্ভেয়ার মোহাম্মদ ফারুক হোসেন হলো অন্যতম একজন দুর্নীতিবাজ যার রয়েছে অঢেল সম্পত্তির পাহাড়।ফারুকের সম্পত্তির ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে খুব শীঘ্রই কোথায় কোথায় ফারুকের অবৈধ সম্পত্তি আছে তা জাতির কাছে তুলে ধরা হবে। দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর সার্ভেয়ার ফারুক পটুয়াখালী জেলার যেই এলাকায় সম্পত্তি সরকার অভিগ্রহ করবে তা আগে জেনে তার বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে সম্পত্তি কিনে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। উক্ত অভিযোগের প্রমাণাদি অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। যখন ফারুকের কাছে জানতে চাওয়া হয় এল এ কেস নং-১৬/২০১৭-২০১৮ মৌজা-চর বলিয়াতলী খতিয়ানসমূহ- ২৯২, ৩০০, ৩৮৩, ৩৮৪, ৩৮৭, ৩৯০, ৩৯১, ৪০২, ৪০৬, ৪০৭, ৪০৮, ৪০৯, ৪১২। এর তথ্য দিন বা দেওয়া যাবে কিনা তখন তিনি আনতাম তা করা শুরু করেন এরপর আর ফোন রিসিভ করেন না। উক্ত কেসে প্রায় ৪ কোটি টাকার সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে নিয়েছে ফারূক।উক্ত কেসের মালিক যারা ছিলেন তারা সবাই ফারুকের ঘনিষ্ঠ ভাজন এমনকি ময়মনসিংহ, ঢাকা, নরসিংদীর লোকেরাও আছেন যা ফারুকের কারসাজি। ফারুকের রয়েছে পটুয়াখালী বরিশাল ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। কিছু সম্পত্তির তথ্য প্রতিবেদকের হাতে আসছে বাকি তথ্য আসার পরে সকল সম্পত্তির বিবরণী সহ সংবাদ প্রকাশ করা হবে। একজন হতদরিদ্র ঘরের সন্তান হয়ে কিভাবে এত সম্পত্তির মালিক হলেন সার্ভেয়ার ফারুক এমন প্রশ্ন প্রতিনিয়ত ঘুরপাক খাচ্ছে ফারুকের এলাকায়। এখন সকল জনগণে প্রশ্ন হল পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উক্ত ঘুষখোর সার্ভেয়ারদের খুঁটির জোর কোথায়। ধারণা করা হচ্ছে ছাগল কান্ডের মতিউর ও প্রশ্ন ফাঁস কান্ডের আবেদ আলী কে হার মানিয়েছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দুর্নীতিবাজ কানুনগো মোঃ শহিদুল ইসলাম যার রয়েছে বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সিএমবি রোডে আলিশান কোটি টাকার বাড়ি ও সার্ভেয়ার মোঃফারুক হোসেন এর রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায়ের পরে সাধারণ মানুষ পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এ ধরনের হয়রানি হবে তা মেনে নিতে পারছে না।খুব শীঘ্রই এই দুর্নীতির দুর্গের ব্যাপারে রুখে দাঁড়াতে হবে স্থানীয় ভুক্তভোগীদের জন্য এমন মন্তব্য করছেন সচেতন মহল। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলএ শাখার কানুনগো এবং সার্ভেয়ারদের অনিয়ম দুর্নীতির ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসককে ফোন করলে তিনি বলেন আমি বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব কারো কোন অভিযোগ থাকলে লিখিত আকারে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন আমার বরাবর। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখার দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর সার্ভেয়ারদের দুর্নীতির ব্যাপারে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওসার বলেন আমার কাছে দুর্নীতি অনিয়ম এর কোন ঠাঁই নেই। যদি কোন অনিয়ম দুর্নীতি করে থাকে আমি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। জানা যায়, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সৎ নির্ভীক আদর্শবান একজন চৌকাস অফিসার। সকল অনিয়ম

Read More »