সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 30, 2025

বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের অভিযোগ নাকচ প্রধান উপদেষ্টার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : নিউইয়র্ক, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খৃ. – প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যম জেটিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ভারতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ভুয়া খবর ছড়ানো। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর কোন সহিংসতা হচ্ছে না। সহিংসতার অভিযোগ ভিত্তিহীন।’ সাংবাদিক মেহেদি হাসান এই সাক্ষাৎকার নেন। তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় অধ্যাপক ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব নেওয়ার প্রসঙ্গও মনে করিয়ে দেওয়া হয়।  ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের পর গত বছর তাঁকে দেশের দায়িত্ব নিতে আহ্বান জানায় তারা। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, প্রথমে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন এবং দায়িত্ব নিতে চাননি। কিন্তু আন্দোলনকারীদের ত্যাগ দেখে মত বদলান। তাঁর ভাষায়, ‘আপনারা এত কিছু ত্যাগ করেছেন, তাই আমি আমার সিদ্ধান্ত বদলাচ্ছি।’ সাক্ষাৎকারে মেহেদি হাসান একাধিক প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় নির্বাচন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির আগে কেন হচ্ছে না? মিয়ানমারের ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী? শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগকে কার্যত নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত তিনি কীভাবে ব্যাখ্যা করেন? সাক্ষাৎকারটি গতকাল সোমবার জেটিও প্রকাশ করেছে।

Read More »

বাংলাদেশ ও এডিবির মধ্যে ঋণচুক্তি ও অনুদানচুক্তি স্বাক্ষরিত

বাংলাদেশ ও এডিবির মধ্যে ঋণচুক্তি ও অনুদানচুক্তি স্বাক্ষরিত ঢাকা, ১৪ আশ্বিন (২৯ সেপ্টেম্বর) ২০২৫ খৃ. – বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)’র মধ্যে আজ তিনটি প্রকল্পের জন্য মোট ৩৩১.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি ও অনুদানচুক্তি ঢাকায় ইআরডিতে স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবি’র পক্ষে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর Hoe Yun Jeceng স্বাক্ষর করেন। এসময় বাংলাদেশ সরকার ও এডিবি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুয়ায়ী Integrated Services and Livelihood for Displaced People from Myanmar and Host Communities Improvement প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মোট ৮৬.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের Ordinary Capital Resources (Concessional) ঋণচুক্তি ও অনুদানচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মৌলিক অবকাঠামো, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা প্রাপ্তির জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিসাধন এবং পরিষেবাসমূহের সংস্থান ও টেকসইকরণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হবে। Khulna Water Supply Project (Phase-2) প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মোট ১৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ ও অনুদানচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে খুলনা শহরে শুষ্ক মৌসুমে নিরাপদ এবং পর্যাপ্ত পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভূ-উপরিস্থ পানির মাধ্যমে বিদ্যমান পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং যেসব এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ এখনো পৌঁছায়নি, সেসব এলাকায় পানি সরবরাহের পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন Northwest Distribution Network Modernization Project শীর্ষক প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১১৩.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নেসকো এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণ করা হবে, যার ফলে গ্রাহকদের আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় এবং সিস্টেম লস উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

Read More »

রংপুরে বিদ্যমান সার নীতিমালা বহাল রাখার দাবিতে বিএফএ রংপুর জেলা ইউনিটের সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে বিদ্যমান সার নীতিমালা বহাল রাখা সহ ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ) রংপুর জেলা ইউনিটের নেতৃবৃন্দ। গতকাল রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় রংপুর নরগীর কলেজ রোডস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ) রংপুর জেলা ইউনিটের সভাপতি মোঃ আব্দুস সালামের সভাপতিত্ব সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহাফুজার রহমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সার পরিবহন খরচ, ব্যাংক চার্জ, কর্মচারীর বেতনসহ নানা বাড়তি ব্যয়ের কারণে ডিলাররা চরম লোকসানে পড়েছেন। সরকার নির্ধারিত দামে সার বিক্রি করতে গিয়ে তাদের ক্ষতি গুনতে হচ্ছে। বর্তমানে ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য টনপ্রতি ১ হাজার ৬০০ টাকা হলেও বাজারে কিনতে হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। এ অবস্থায় কমিশন ও পরিবহন খরচ সমন্বয় না করলে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া ডিলারদের পক্ষে সম্ভব হবে না। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় সারের দাম বেশি হওয়ায় ক্রয়-বিক্রয়ে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সার আনতে পরিবহন সংকট ও বাড়তি খরচ বহন করতে হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে কৃষকের কাছে সময়মতো সার পৌঁছানো ব্যাহত হতে পারে। পাঁচ দফা দাবি সমূহঃ ১। ডিলারদের পরিবহন খরচ ও কমিশন বৃদ্ধি করতে হবে। জ্বালানী তেলের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধি পাওয়ার পরও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি হয়নি, তা ছাড়া ব্যাংক সুদ, গুদাম ভাড়া, কর্মচারী ব্যায়, লোড-আনলোডসহ আনুষঙ্গিক যাবতীয় খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার পরও বিক্রয় কমিশন বৃদ্ধি হয়নি। পরিবহন খরচ ও বিক্রয় কমিশন বৃদ্ধি করা হোক। ২। বিদ্যমান সার ডিলারদের ডিলারশীপ বহাল রাখতে হবে। একই পরিবারে যদি বাবা-ছেলে, আমী-স্ত্রী, ভাই-ভাই যদি পৃথক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান থাকে এবং সরকারের চাহিদা মাফিক প্রয়োজনীয় দলিল দস্তাবেজ উপস্থাপন/সরবরাহ করতে সক্ষম হয়, তবে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক নিয়ম মোতাবেক ডিলারশীপ বহাল রাখতে হবে। যদি তা না করা হয় তাহলে ৩০ বছর ধরে তারা যে ব্যবসা করছে তাদের সরকারের কাছে কোটি কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। ৩। বিসিআইসি ডিলার ১৯৯৫-৯৬ইং সাল হইতে নিয়োগ প্রাপ্ত। সরকারী নিয়ম নীতি মেনে সুনামের সাথে ৩০ বছর যাবৎ ব্যবসা পরিচালনা করছে। বিসিআইসি ডিলার ১০০% ইউরিয়া সার উত্তোলন করে। ইউরিয়া সারের সরকারী মূল্য ১৩৫০ টাকা থাকলেও বর্তমানে ১২৯০ থেকে ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে বোঝা যায় ইউরিয়া সারের দাম বৃদ্ধি পায় নাই। পক্ষান্তরে নন-ইউরিয়া সারের দাম উর্দ্ধোমুখী বলা হচ্ছে, এই খানে বিএডিসি ডিলার ১৮২ জন ও বিসিআইসি ১০৬ জন। তবে কেন দাম বৃদ্ধির কথা উঠছে, কারন ভেবে দেখার ভার আপনাদের জানালাম। ৪। সরকার কর্তৃক ভর্তুকি মূল্যে কৃষক পর্যায়ে সার বিক্রয় করা হয়। এধরনের সারের উপর কোন ভাবেই উৎস কর নির্ধারণ করা যাবে না এবং পূর্বেও ছিলো না। বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। অন্যথায় সারের বাজার অস্থিতিশীল হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সারের মূল্য বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে। ৫। আমদানিকারকদের বরাদ্দকৃত সার আমদানিকারকরা বিভিন্ন স্থান হতে সরবরাহ করে। যেমন- নোয়াপাড়া, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও নগরবাড়ী ঘাট হইতে। বরাদ্দকৃত সার ডিলার পর্যায়ে পৌঁছাতে পরিবহন করতে গিয়ে পরিবহন সমস্যা, প্রাকৃতিক সমস্যা, শ্রমিক সমস্যা সহ বহুমুখী সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর কারণে কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ করতে বিঘ্ন ঘটে। সেই কারণে নিজ নিজ জেলা পর্যায়ে আমদানিকারকদের সার পৌঁছানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হউক।

Read More »