সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 11, 2025

ঢাকায় ককটেল হামলা: আন্তঃধর্মীয় ঐক্য রক্ষায় সরকারের কঠোর বার্তা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১০ নভেম্বর, ২০২৫ খৃ. – আন্তঃধর্মীয় ঐক্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকার তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। সরকার জানিয়েছে, ধর্মীয় সহাবস্থানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা হলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হবে। আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের এমন অবস্থান তুলে ধরে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীতে সাম্প্রতিক ককটেল হামলার ঘটনায় ২৮ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। প্রাথমিক তদন্তে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কাকরাইলের সেন্ট মেরি’স ক্যাথেড্রাল এবং সেন্ট জোসেফ স্কুল প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণসহ একাধিক ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ডিএমপি এই জঘন্য ও কাপুরুষোচিত হামলায় জড়িত প্রত্যেককে গ্রেপ্তারের জন্য র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সাথে সমন্বয় করে শহরজুড়ে অভিযান জোরদার করেছে। পাশাপাশি, রাজধানীর সব গির্জা ও বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

Read More »

আমাদের দেশের চিকিৎসা সেবা বিশ্বমানের: নিটোর পরিচালক 

ডেস্ক রিপোর্ট / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১০ নভেম্বর, ২০২৫ খৃ. – হাঁটু বা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য ভিটেমাটি বিক্রি করে বিদেশে যাওয়ার আর কোন প্রয়োজন নেই। দেশের চিকিৎসকরাই জটিল সব অস্ত্রোপচার সফলভাবে করতে সক্ষম। আমাদের চিকিৎসা সেবা এখন বিশ্বমানের।  বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুর্নবাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর)-এর পরিচালক ডা. মো. আবুল কেনান।  তিনি বলেন, ‘এ জাতীয় চিকিৎসা বা পরিবেশ পরিস্থিতি সব দিক বিবেচনা করলে নিটোরের চিকিৎসা ব্যবস্থা খুব ভালো বলে আমি মনে করি। এখানে আমরা প্রতিদিন হিপ রিপ্লেসমেন্ট, হাঁটু প্রতিস্থাপন, হাতের জটিল সার্জারি, শিশুদের হাড়ের অপারেশন এবং মেরুদণ্ডের অস্ত্রোপচার করছি। এসব চিকিৎসার জন্য অনেকেই পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, সিঙ্গাপুর কিংবা ব্যাংককে যান। সামর্থ্যবান যারা তাদের বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে এসব অপারেশন দেশে সফলভাবে করা যায়, তাই তারা বাড়ি, গাড়ি, জমিজমা কিংবা গরু বিক্রি করে বিদেশগামী হন। তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, এসব অপারেশনের জন্য এখন আর বিদেশ যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।’ ডা. আবুল কেনান আরো বলেন, ‘ইউকে, আমেরিকা, চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্যাংকক থেকে অনেক চিকিৎসক আমাদের এখানে এসেছেন। তারা সবাই নিটোরের চিকিৎসা সেবার প্রশংসা করেছেন। তাদের ভাষায়, প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান অত্যন্ত সন্তোষজনক। এখানকার অপারেশন সিস্টেম, ওটির ধরণ খুবই ভালো। ফলে এখান থেকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার কোন দরকার নেই বলেও মনে করেন তারা। নিটোর পরিচালক বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার জন্য আমরা বিদেশ থেকে চিকিৎসক এনেছিলাম। তারা বলেছেন, ‘আমাদের অনর্থক ঢাকায় নিয়ে এসেছেন। আমাদের এখানে আনার কোনো প্রয়োজন ছিল না। আপনাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা ও মান আন্তর্জাতিক মানের।’ সড়ক দুর্ঘটনা কেন বাড়ছে? এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আবুল কেনান বলেন, ‘বাংলাদেশের সড়কগুলোর যে ইনফ্রাস্ট্রাকচার (অবকাঠামো), সেগুলো অনেক জায়গায় ঠিক নেই। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা ভাঙা থাকে যেগুলো পরে ঠিকমতো মেরামত করা হয় না। এমন অবস্থায় গাড়ি চলাচল করলে চালকদের জন্য গতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এটি দুর্ঘটনার একটা কারণ হতে পারে। তাছাড়া অধিকাংশ গাড়ির ফিটনেস প্রায়ই খারাপ থাকে। গাড়িগুলো যে রকম ভাবে ফিট থাকার কথা সেভাবে ফিট থাকে না এবং এগুলোর ফিটনেস ঠিকমত যাচাইও করা হয় না। ফলে কোনোরকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই গাড়িগুলো রাস্তায় চলে। আর আনফিট গাড়ি যখন রাস্তায় থাকে সেখানে তার গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। সেগুলোই অনেক সময় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’   তিনি বলেন, সকল ড্রাইভারকে যদি চেক করা হয়, তাহলে দেখা যাবে যে অনেকের লাইসেন্সই নেই। এমনকি মাঝে মাঝে এমনও দেখা যায়, যে লাইসেন্সটি তার সাথে আছে সেটাও অন্যজনের। আরেকটি সমস্যা আমাদের দেশে রয়েছে সেটা হলো একই রাস্তায় নানা ধরনের যানবাহন চলার বিষয়টি। যেমন, যে রাস্তা দিয়ে রিকশা চলছে, সেই রাস্তা দিয়েই চলছে অটোরিকশা, প্রাইভেট কার, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন। এই ভিন্ন ধরনের যানবাহন যখন একসঙ্গে বিভিন্ন গতিতে চলে, তখন প্রতিযোগিতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এছাড়া হাইওয়েতে সব জায়গায় ডিভাইডার নেই। ডিভাইডার না থাকার কারণে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে, যা ভয়াবহ দুর্ঘটনার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে ঈদ বা উৎসবের সময় এ ধরনের দুর্ঘটনা বেশি ঘটে এবং ইমার্জেন্সি রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।  সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. কেনান বলেন, সবাইকে অনুরোধ করবো, চলাফেরায় সচেতন হোন। আর যারা গাড়ি চালক তাদেরকে বলবো, সাবধানে গাড়ি চালান। অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাবেন না। এসব বিষয় মেনে চললে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটা কমে আসবে। হাসপাতালের উন্নয়ন প্রসঙ্গে নিটোর পরিচালক বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বিশ্বায়নের এই যুগে নিটোর হাসপাতালকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবো। যদি আমরা সেটা করতে পারি, তবে ইনশাআল্লাহ দেশের অর্থোপেডিক চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা অনেক কমে যাবে। দৃশ্যমান কোন পরিবর্তনের জন্য এক বছর খুব বেশি সময় না। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে অনেক কাজ করেছি।’ তিনি বলেন, ‘গত একটি বছর কেটে গেছে জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে একদিকে যেমন সময়ও কম, আবার নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও কাজ করতে হচ্ছে। তবুও হাসপাতাল সচল রাখা, জরুরি সেবায় উন্নতি আনা, রোগীর সংখ্যা ও উপস্থিতি বাড়ানো এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ইমারজেন্সি অপারেশনসহ মোট অপারেশনের সংখ্যাও বেড়েছে।’ হাসপাতালের সেবা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আগে শুধুমাত্র আউটডোরে সাধারণ চিকিৎসা দেওয়া হতো। এখন সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জরুরি চিকিৎসাকেও আমরা সরাসরি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এনেছি, যেখানে প্রফেসর পর্যায়ের ডাক্তাররা দায়িত্বে থাকছেন। এসব পরিবর্তন আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিফিকেশন দিয়ে কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া ওটিতেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধান ছাড়া অপারেশন হচ্ছে না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিক দিয়েও হাসপাতালের পরিবেশ এখন আগের চেয়ে অনেক উন্নত ও সুন্দর হয়েছে।’ কেবলমাত্র পঙ্গু হাসপাতাল বা নিটোরে গেলেই ভালো চিকিৎসা পাওয়া যাবে মানুষের এই ধারণাকে আপনি কীভাবে দেখেন? এ প্রসঙ্গে ডা. মো. আবুল কেনান বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, শুধু নিটোরেই হাড় ভাঙা বা অর্থোপেডিক্স চিকিৎসা হয় এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বাংলাদেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অর্থোপেডিক্স বিভাগ এবং জরুরি বিভাগ আছে। জেলা সদর হাসপাতালগুলোতেও অর্থোপেডিক্স এবং জরুরি বিভাগ আছে। অনেক উপজেলা হাসপাতালে এখন অর্থোপেডিক্স ডাক্তারসহ জরুরি বিভাগ রয়েছে। সুতরাং হাড় ভাঙলে বা এক্সিডেন্ট করলেই সারাদেশ থেকে সবাই নিটোরে আসবে এটা রোগীদের ভুল ধারণা।’ পঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় দেশে বিশেষায়িত হাসপাতালের প্রয়োজন আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিটোর শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় হাসপাতাল। কিন্তু এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালটি দেশের সব দুর্ঘটনাগ্রস্ত বা ট্রমা রোগীদের চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়। আমরা মনে করি, সময়ের সাথে সাথে এই সেবা আরও বাড়ানো দরকার। অন্তত দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে ৫০০ শয্যার ট্রমা হাসপাতাল থাকা প্রয়োজন। এতে রোগীরা দ্রুত চিকিৎসা পাবে, কষ্ট কমবে এবং নিটোরের ওপরও চাপ হ্রাস পাবে। বর্তমানে এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ২০০টির বেশি অপারেশন হয়। প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী জরুরি বিভাগে আসেন, আর ৮০ থেকে ১০০টি জরুরি অপারেশন করতে হয়। এই বিশাল কাজের চাপ চিকিৎসকদের জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং। তাই যদি প্রতিটি বিভাগে আলাদা ট্রমা হাসপাতাল স্থাপন করা যায়, জনগণ আরও ভালো সেবা পাবে এবং উপকৃত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ বাংলাদেশে অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংখ্যা যথেষ্ট কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে নিটোর পরিচালক বলেন, ‘বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কিছু ঘাটতি আছে, এটা সত্য। তবে এখন ডাক্তারদের মধ্যে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রবণতা খুব বেশি। আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানের যুগে সবাই বিশেষজ্ঞ হতে চায়। প্রতি বছরই অর্থোপেডিক্স বিভাগে নতুন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি হচ্ছে। সুতরাং আমরা মনে করি, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ট্রমা হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেওয়া সম্ভব হবে।’  বিভিন্ন দেশে এআই বা রোবটিক ট্রিটমেন্ট শুরু হয়েছে, আপনাদের এ ধরনের কোন ট্রিটমেন্ট চালু করার পরিকল্পনা আছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. কেনান বলেন, ‘রোবটিক চিকিৎসার চিন্তা আমাদের নেই, এ কথাটা ঠিক না। বর্তমানে আমরা সেই মাত্রায় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করতে

Read More »

রংপুর কারমাইকেল কলেজের ১০৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: উত্তরের অক্সফোর্ড খ্যাত ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজের ১০৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ২ দিন ব্যাপী তারুণ্য মেলা সহ বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে কারমাইকেল কলেজ প্রশাসনের আয়োজনে শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় । এরপর বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কারমাইকেল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রেজাউল হক। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ইসমাইল হোসেন, সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বোরহান উদ্দিন, কারমাইকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর হাবিবুর রহমান, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর দিলিপ কুমার, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও তারুণ্য মেলা আয়োজন কমিটি-২০২৫ এর আহবায়ক প্রফেসর ড. সাইফুর রহমানসহ কলেজের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সম্মিলিত একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে অতিথিদের মঞ্চে আসন গ্রহণ, অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা, প্রধান অতিথির অভিভাষণ ও কেক কাটা। দুই দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, কলেজের ঐতিহ্য নিয়ে ৩০ টি স্টল যা দুপুর হতে রাত ৮ পর্যন্ত চলবে, এছাড়াও রয়েছে তারুণ্যের মেলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।

Read More »

রংপুরে গণপ্রকৌশল দিবস উদযাপন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ‘দক্ষ জনশক্তি দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ ও (আইডিইবি)-এর গৌরবোজ্জ্বল ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে রংপুরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইডিইবি রংপুর জেলা শাখার আয়োজনে গতকাল (১০ নভেম্বর) সোমবার রংপুর টাউন হল মঞ্চে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ আবু হামেদ মোঃ জাকারিয়া শাহীদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইডিইবি রংপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোঃ আফজালুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইডিইবি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সাত্তার শাহ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইডিইবি রংপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব প্রকৌশলী মোঃ খসরু সরকার, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোঃ সাহিদুল আলম, সদস্য সচিব প্রকৌশলী মামুন মিয়া, উপদেষ্টা প্রকৌশলী সাফিউজ্জামান সরকার এবং যূগ্ম সদস্য সচিব প্রকৌশলী ফাইজুল ইসলাম রাজুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন করা হয়। র‌্যালিটি রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে শুরু হয়ে রংপুর সিটি কর্পোরেশন, সিটি বাজার, কাটারী বাজার, ডিসির মোড় হয়ে পুনরায় পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে এসে শেষ হয়।

Read More »

রংপুরে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন পুলিশ সুপার মোঃ আবু সাইম

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে রবিবার এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ-কে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আবু সাইম। এসময় খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের কাঁধে তাঁর পিতা খন্দকার সাব্বির আহমেদ র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়ে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), রংপুর। খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বি.কম (অনার্স) ও এমবিএস (ব্যবস্থাপনা) ডিগ্রিধারী। তিনি ২০১২ সালে ৩৩তম আউটসাইড ক্যাডেট এসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে এক বছর মেয়াদি কঠোর প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করে ২০১৩ সালে লালমনিরহাট জেলায় শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টর (পিএসআই) হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। ২০২১ সালে তিনি রংপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যোগদান করেন এবং বর্তমানে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং ও মিডিয়া সেলে দায়িত্ব পালন করছেন। সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ গত ৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা থেকে জারি করা এক আদেশে তাকে এসআই (নিরস্ত্র) থেকে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়। রংপুর জেলা পুলিশ পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে তাঁর সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

Read More »

একনেক সভায় ৭ হাজার ১৫০ কোটি টাকার ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১০ নভেম্বর, ২০২৫ খৃ. – জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ মোট ৭ হাজার ১৫০ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পগুলোর অর্থের সংস্থান হবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে। চলতি অর্থবছর (২০২৫-২৬)-এর পঞ্চম একনেক সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। আজ পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক -এর চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে আটটি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং দুটি প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়া শুধু সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অর্থ উপদেষ্টা ড. সেলেহউদ্দিন আহমেদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা একনেক সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। অনুমোদিত ১২টি প্রকল্প হলো- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ) – ২টি প্রকল্প : ১. ‘মানিকগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্প, ব্যয় ৪৫০ কোটি টাকা। ২. ‘সাতক্ষীরা জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্প, ব্যয় ১,৯৩০ কোটি টাকা। কৃষি মন্ত্রণালয় – ১টি প্রকল্প : ৩. ‘কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণা জেলার হাওর এলাকায় ক্ষুদ্রসেচ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন’ প্রকল্প, ব্যয় ১৬৪.৯৪ কোটি টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় – ২টি প্রকল্প : ৪. ‘গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ প্রকল্প, ব্যয় ৫৬৭.২৯ কোটি টাকা। ৫. ‘চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে একটি করে ইঞ্জনিয়ারিং কলেজ স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প, অতিরিক্ত ব্যয় ৩৯৪.৮৪ কোটি টাকা। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় – ১টি প্রকল্প : ৬. ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকায় স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধ নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় – ৩টি প্রকল্প : ৭. ‘চতুর্থ সেক্টর কর্মসূচির অত্যাবশ্যকীয় পারিবারিক পরিকল্পনা, মা, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার অসমাপ্ত কার্যাবলি বাস্তবায়ন (প্রথম সংশোধিত)” প্রকল্প। ৮. ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, নিপোর্ট এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উন্নয়ন’ প্রকল্প, ব্যয় ২১১.৯০ কোটি টাকা। ৯. ‘পিএফডি, এইচইএফ, আইএফএম, এইচআরডি এবং এসডব্লিউপিএমএম-এর অত্যাবশ্যকীয় অসমাপ্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন’ প্রকল্প, ব্যয় ১,৫৪৬.৪৫ কোটি টাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় – ১টি প্রকল্প : ১০. ‘ঢাকা সেনানিবাসের নির্ঝর আবাসিক এলাকায় ‘বি’ টাইপ অফিসারদের বাসস্থান নির্মাণ’ প্রকল্প, ব্যয় ১৭৭.৮০ কোটি টাকা। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় – ১টি প্রকল্প : ১১. ‘নড়াইল-কালিয়া জেলা মহাসড়কের ২১তম কিলোমিটারে কালিয়া নামক স্থানে নবগঙ্গা নদীর ওপর কালিয়া সেতু নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় সংশোধিত, চতুর্থবার সময় বৃদ্ধি)’। শিল্প মন্ত্রণালয় – ১টি প্রকল্প : ১২. ‘বিসিক শিল্প পার্ক, টাঙ্গাইল (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প, অতিরিক্ত ব্যয় ৩৯.৪৩ কোটি টাকা। সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টা কর্তৃক পূর্বে অনুমোদিত নয়টি প্রকল্প সম্পর্কেও অবহিত করা হয়।

Read More »