সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: December 22, 2025

রংপুর জেলার সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময়সূচি চুড়ান্ত

লিগ্যাল ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি অনুযায়ী রংপুর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১৪ অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ এনামুল আহসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সময়সূচি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। রংপুর-১ ও রংপুর-২ আসনের মনোনয়ন বাছাই ১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার), রংপুর-৩ ও রংপুর-৪ নং আসনের মনোনয়ন যাছাই ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) এবং রংপুর-৫ ও রংপুর-৬ আসনের মনোনয়ন যাছাই ৩ জানুয়ারি (শনিবার), ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে প্রার্থী নিজে, তার প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারী বা প্রার্থী কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি (আইনজীবীসহ) উপস্থিত থাকতে পারবেন। মনোনয়নপত্র গ্রহণের সময় সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা প্রাপ্তি স্বীকার রশিদ প্রদান করবেন এবং বাছাইয়ের নোটিশে উল্লিখিত তারিখ, সময় ও স্থান নিশ্চিত করবেন। প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ বিশেষ পরিস্থিতিতে সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবেন। উল্লেখ্য, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ছয়টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়।

Read More »

ত্রয়দশ জাতীয় নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ খৃ. – আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি দেশের মালিক। এদেশ আগামী পাঁচ বছর আপনার পক্ষে কে চালাবে সেটা আপনি ঠিক করুন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নিন। চিন্তা-ভাবনা করে ভোট দিন।’ আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘ভোটের গাড়ি’ শীর্ষক প্রচারণার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০২৬ সালের গণভোট সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বিশেষভাবে তরুণ সমাজ, নারী ভোটার ও প্রথমবারের মতো হওয়া ভোটারদের এগিয়ে আসতে বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি তরুণ সমাজ, নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের প্রতি- আপনারা এগিয়ে আসুন। প্রশ্ন করুন, জানুন, বুঝুন এবং ভোট দিন। আপনার সিদ্ধান্তে গড়ে উঠবে আগামী দিনের বাংলাদেশ, নতুন বাংলাদেশ।’ ভয়হীন ও মুক্ত পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে থাকবে না ভয়, থাকবে না বাধা-থাকবে কেবল জনগণের মুক্ত ও নির্ভীক মত প্রকাশ। সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি নাগরিকেরও দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার কারো দয়া নয়- এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই আমরা ঠিক করি, আমাদের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, ‘চলুন, ভোট দিই- নিজের জন্য, দেশের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, নতুন পৃথিবীর জন্য।’ ‘ভোটের গাড়ি’ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই সুপার ক্যারাভান কেবল একটি গাড়ি নয়, এটি গণতন্ত্রের আনন্দ বাণী বহনকারী বহর। এটি জানিয়ে দেবে, আপনার একটি ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা মনে করিয়ে দেবে নিষ্ক্রিয়তা নয়, অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘ নয় মাস ধরে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে এই সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। জনগণ এই সনদে সমর্থন দিলে দেশের ভবিষ্যৎ দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ ও স্থিতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সনদের পক্ষে থাকলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সামনে আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে ১০টি ভোটের গাড়ি- সুপার ক্যারাভান। এসব গাড়ি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে। তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে, ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে এবং গণতন্ত্রের বার্তা ছড়িয়ে দেবে। গণতান্ত্রিক এই যাত্রাকে সফল করতে তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

Read More »

“বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন অধ্যাদেশ–২০২৫” এর খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার

শিক্ষা ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিলুপ্ত করে “বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন” গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উপযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা, পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা দেওয়া, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে একক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করে এই কমিশন গঠন করা হবে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় “বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন অধ্যাদেশ–২০২৫” এর খসড়া প্রকাশ করেছে। এতে ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন রহিত করে বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন, ২০২৫ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ গত ১০ ডিসেম্বর খসড়াটি প্রকাশ করে। পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে মতামত দেওয়ার জন্য এটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীন ও সক্ষম সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে দাঁড় করাতেই উচ্চশিক্ষা কমিশন করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। উচ্চশিক্ষা কমিশন কার্যকর হলে রাষ্ট্রপতি সরাসরি কমিশনকে অর্থ বরাদ্দ দেবেন। ফলে কমিশন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিতে সক্ষম হবে। খসড়া অনুযায়ী, অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের ওপর উচ্চশিক্ষা কমিশনকে আর নির্ভর করতে হবে না। খসড়া উচ্চশিক্ষা কমিশন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কমিশনের চেয়ারম্যান মন্ত্রীর পদমর্যাদা পাবেন। আর কমিশনাররা পাবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতির পদমর্যাদা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের উপরের পদে থাকবেন উচ্চশিক্ষা কমিশনের কমিশনাররা। বিদ্যমান ব্যবস্থার তুলনায় পদমর্যাদা বাড়ানো হয়েছে অধ্যাদেশে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদমর্যাদা বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ইউজিসিকে বরাদ্দ দেওয়া হয় কম। বিদ্যমান ব্যবস্থায় টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। গবেষণা কিংবা শিক্ষার মানোন্নয়ন হচ্ছে না। বাজেট অনুযায়ী বরাদ্দ পেতে শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়, কিন্তু বাস্তবে তা পাওয়া যায় না। খসড়া অধ্যাদেশে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। সরাসরি রাষ্ট্রপতি বরাদ্দ দেবেন।” কমিশন প্রতিষ্ঠা অধ্যাদেশ জারি হলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বিলুপ্ত হবে এবং এর স্থলে বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে গণ্য হবে। কমিশন একটি একক সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হবে। কমিশন স্থাবর ও অস্থাবর উভয় ধরনের সম্পত্তি অর্জন, অধিকারে রাখা ও হস্তান্তর করতে পারবে। কমিশনের নিজস্ব পতাকা থাকবে। কমিশন স্বীয় নামে মামলা দায়ের করতে পারবে এবং কমিশনের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাবে। কমিশনের কার্যালয় কমিশনের কার্যালয় ঢাকায় থাকবে। প্রয়োজনে বিভাগীয় পর্যায়ে আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করা যাবে। তবে প্রধান কার্যালয় ঢাকাতেই থাকবে। কমিশন গঠন অধ্যাদেশের খসড়ায় বলা হয়েছে, একজন চেয়ারম্যান, আটজন কমিশনার এবং ১০ জন খণ্ডকালীন সদস্য নিয়ে কমিশন গঠিত হবে। চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়োগ পাবেন। খণ্ডকালীন সদস্য খণ্ডকালীন সদস্য হবেন সরকার মনোনীত তিনজন— শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিকল্পনা কমিশনের একজন সদস্য এবং সচিব পদমর্যাদার নিচে নন এমন অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি। এছাড়া কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ভিত্তিতে মনোনীত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের মধ্য থেকে তিনজন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী সনদপ্রাপ্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের মধ্য থেকে দুইজন এবং যেসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত হননি, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রথিতযশা অধ্যাপকদের মধ্য থেকে কমিশন মনোনীত দুইজন অধ্যাপক থাকবেন। নিয়োগ ও পদমর্যাদা সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্ধারিত শর্তে চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা চার বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ পাবেন। তারা প্রত্যেকে দ্বিতীয় মেয়াদে পুনর্নিয়োগের জন্য বিবেচিত হতে পারবেন। চেয়ারম্যান হতে হলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতিমান পিএইচডিধারী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার কমপক্ষে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যার মধ্যে অধ্যাপক হিসেবে ন্যূনতম ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চেয়ারম্যান ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমপর্যায়ের পদমর্যাদা পাবেন, তবে তিনি ক্যাবিনেট মন্ত্রী হবেন না। সে অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন। চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠতম কমিশনার সাময়িকভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনার হতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যার মধ্যে অধ্যাপক হিসেবে ন্যূনতম ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কমিশনাররা আপিল বিভাগের বিচারপতির সমপদমর্যাদা পাবেন। কমিশনাররা চেয়ারম্যানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তার কাছে জবাবদিহি করবেন। সরকার ও কমিশন মনোনীত খণ্ডকালীন সদস্যরা দুই বছর মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হবেন। তবে যারা যে পদ বা প্রতিষ্ঠান থেকে মনোনীত হয়েছেন, সেখানে কর্মরত না থাকলে তারা আর খণ্ডকালীন সদস্য থাকবেন না। সার্চ কমিটি চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সভাপতি হবেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। অন্য দুই সদস্য হবেন প্রাক্তন চেয়ারম্যানদের মধ্য থেকে একজন এবং জাতীয় অধ্যাপক বা প্রাক্তন জাতীয় অধ্যাপক একজন। সুত্র বাংলা ট্র//

Read More »

রংপুর সদর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি.এম কাদেরের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর সদর ও আংশিক রংপুর সিটি কর্পোরেশন নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন রংপুর সদর-৩ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি.এম কাদেরের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জাতীয় পার্টি রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। গত ২১ ডিসেম্বর (রোববার) দুপুরে রংপুর সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ শোয়েব সিদ্দিকীর কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান, রংপুর মহানগর সভাপতি ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস.এম ইয়াসির, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর জেলা আহ্বায়ক মো. আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও রংপুর জেলা সদস্য সচিব হাজী আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. লোকমান হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহেদুল ইসলাম, রংপুর মহানগর সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামান নাজিম এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান আনিস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি রংপুর মহানগর আহ্বায়ক মো. ফারুক হোসেন মন্ডল, জাতীয় ছাত্র সমাজ রংপুর মহানগর সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জসিম, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি রংপুর জেলা আহ্বায়ক সুমন ও সদস্য সচিব মো. আরিফুল ইসলাম, জাতীয় যুব সংহতি রংপুর মহানগর আহ্বায়ক ইউসুফ আহমেদ ও সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা হীরা, জাতীয় শ্রমিক পার্টি রংপুর মহানগর আহ্বায়ক রাজু আহমেদ ও সদস্য সচিব মোজাহারুল ইসলাম মন্টু, জাতীয় রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলসহ জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

Read More »