সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 27, 2026

ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে রায়েরবাজার কবরস্থানে ৮ অজ্ঞাতনামা শহীদের পরিচয় শনাক্ত

ডেস্ক রিপোর্ট / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পর জুলাই অভ্যুত্থানের অজ্ঞাতনামা আট শহীদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আয়োজিত ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে অজ্ঞাতনামা শহীদদের মরদেহ পরিচয় শনাক্তকরন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যূত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য দেন। শনাক্তকৃত শহীদরা হলেন: ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার ফুলপুর গ্রামের গাজী মামুদ এবং জোসনা বেগমের ছেলে মো. মাহিন মিয়া (২৫)। তিনি ১৮ জুলাই, ২০২৪ সালে মারা যান। শেরপুরের শ্রীবরদীর আব্দুল মালেক এবং আয়েশা বেগমের ছেলে আসাদুল্লাহ। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মারা যান। চাঁদপুরের মতলব থানার বারোহাতিয়া গ্রামের সবুজ বেপারী ও শামসুন্নাহারের ছেলে পারভেজ বেপারী। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মারা যান। রফিকুল ইসলাম, সাতকাছিমা গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার সিকদারের ছেলে, নাজিরপুর থানা, পিরোজপুর। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মারা যান। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-এর মো. লাল মিয়া ও রাশেদা বেগমের ছেলে সোহেল রানা। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে মারা যান। রফিকুল ইসলাম, ফেনী সদর, ফেনীর মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মারা যান। ফয়সাল সরকার, কাচিমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে, দেবিদ্বার থানা, কুমিল্লা। তিনি ২২ জুলাই, ২০২৪ সালে মারা যান। কাবিল হোসেন (৫৮), ঢাকার মুগদা থানা লেনের বাসিন্দা মৃত বুলু মিয়া এবং শামেনা বেগমের ছেলে। তিনি ২ আগস্ট, ২০২৪ সালে মারা যান। রাজধানীর মোহাম্মদপুর রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে এ পর্যন্ত ১১৪ জনের অজ্ঞাত মরদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ সম্পন্ন করা হয়। কবর শনাক্তের পর আটটি পরিবারের কাছে তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অনেক অজ্ঞাত মরদেহ দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা এতোদিন জানতেন না নিহতদের কবর কোথায়। ১৮ মাস পর নিহতের কবর দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং আদালতের নির্দেশে পরিচালিত এই কার্যক্রমের আওতায় ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৯টি ভুক্তভোগী পরিবারের দেওয়া নমুনার ভিত্তিতে ৮ জন শহীদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট একটি মরদেহের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। এর আগে অজ্ঞাত নিহতদের শনাক্ত করার জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। সিআইডির তথ্যমতে, নয়টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, যার ফলে আটজন শহীদের শনাক্তকরণ সফলভাবে করা সম্ভব হয়েছে। বাকি মৃতদেহের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া চলছে। সিআইডি জানিয়েছে যে পুরো অভিযানটি আইন, মানবাধিকার নীতি এবং আন্তর্জাতিক মান মেনে পরিচালিত হয়েছে, যা মর্যাদা, স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করেছে। এ উদ্যোগ নিখোঁজ শহীদদের পরিবারের অনিশ্চয়তা দূর করতে সাহায্য এবং ভবিষ্যতের বিচারিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণ করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে নিহত বেশ কয়েকজন পুরুষ ও নারী শহীদের লাশ প্রাথমিকভাবে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। সরকারের সিদ্ধান্তের পর, তাদের পরিচয় নির্ধারণে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডিকে এই কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দিয়েছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. মরিস টিডবল-বিঞ্জ দুই দিনের কর্মশালার মাধ্যমে সিআইডি ফরেনসিক, ডিএনএ এবং মেডিকেল টিমকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সহায়তায় এবং মিনেসোটা প্রোটোকল অনুসারে আরেক আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. লুইস ফন্ডেব্রিডারের নেতৃত্বে মৃতদেহ উত্তোলন এবং শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হয়। মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা একটি সাধারণ ডায়েরি শেষে আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর, মোট ১১৪টি মৃতদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ বিশ্লেষণের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রায়েরবাজার কবরস্থানে একটি অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করা হয়। যেখানে ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত ফরেনসিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সিআইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সকল নিহতের হিসাব না পাওয়া এবং মর্যাদার সাথে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত বাকি শহীদদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে শহীদ বহু ব্যক্তির মরদেহ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরবর্তী সময়ে শহীদ পরিবারের দাবি ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে মরদেহ উত্তোলন ও শনাক্তকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিহতের পরিচয় শনাক্তে আন্তর্জাতিক মান ও বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ততা এবং এই সংবেদনশীল কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পায় সিআইডি। কার্যক্রমটির নেতৃত্বে ছিলেন সিআইডি প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফরেনসিক অ্যানথ্রোপোলজিস্ট ও ফরেনসিক কনসালটেন্ট ড. লুইস ফনডেরিডার-এর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় গত বছরের ৭ ডিসেম্বর থেকে মরদেহ উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি মি. মরিস টিডবাল বিঞ্জ যিনি বিচারবহির্ভূত ও নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার, তিনি বাংলাদেশে এসে সিআইডির ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিকেল ফরেনসিক টিমকে দুই দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। মিনেসোটা প্রটোকল অনুসরণ মরদেহ উত্তোলন, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ, প্রোফাইলিং এবং পুনঃসমাধিস্থকরণ—সমগ্র প্রক্রিয়াটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পন্থা অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়েছে। এই প্রটোকল সম্ভাব্য বিচারবহির্ভূত মৃত্যুর তদন্তে মানবাধিকার ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা হিসেবে স্বীকৃত। এই কার্যক্রমে সিআইডির পাশাপাশি ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি), ঢাকা জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে। রায়েরবাজারে পরিচালিত বৃহৎ পরিসরের এই ফরেনসিক কার্যক্রম বাংলাদেশে মানবাধিকারভিত্তিক তদন্তের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর মাধ্যমে শহীদ পরিবারের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ বিচারিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষিত হয়েছে।

Read More »

আমাদের স্লোগান হবে তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৭ মার্চ ২০২৬ খৃ.- সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে স্লোগান তুলবো তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে পরিমাণ আইন আছে, এত আইন অন্য দেশে নেই। আইনের প্রতি আমাদের সচেতন হতে হবে, তবেই আমরা আইনকে সম্মান করতে পারবো। আজ ঢাকায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান রুমে ‘ইয়্যুথ কনফারেন্স অন প্রোটেক্টিং হেলথ অব ওমেন, চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়্যুথ ফ্রম টোবাকো হার্মস’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি অনকোলজিস্ট-এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক, টিচার্স ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকোর সদস্য সাবিনা আকতার আরজু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য এবং বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন নারী মৈত্রীর টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রজেক্ট-এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাছরিন আকতার। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, কিন্তু আমাদের দেশে কি ধর্ষণ কমেছে? তামাক বিরোধী আইন আছে। ২০০৫ সালে এই আইন করা হয়। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেছে, তাহলে কেন তামাক সেবন বন্ধ হয়নি? এখনো দেখা যায় মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছেন। তাই দেশকে তামাকমুক্ত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিগারেট খাওয়া, তামাক সেবন করা মানুষের জীবনকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। বিভিন্ন নিষিদ্ধ ড্রাগ কিডনিসহ নানা ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। যারা মাদককে ‘না’ বলে-আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, আমাদের তরুণদেরকে বোঝাতে হবে, সচেতন করে তুলতে হবে। তাদেরকে বলতে হবে- এ ধরনের ড্রাগ থেকে শরীরে নানা রোগের সৃষ্টি হয়। শরীর দুর্বল হয়, মেধার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, আজকে যারা আমার সামনে বসে আছে, এই টগবগে তরুণদের কাছ থেকে অনেক কিছু আমাদের শেখার আছে। এই তরুণরা আমাদের কাছে বটবৃক্ষের মতো। তাদের কাছ থেকে আমাদের শেখার অনেক কিছু আছে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের তরুণ, যুবক, নারী ও শিশুকে রক্ষা করতে হবে, কেউ পথভ্রষ্ট হলে তাকে আমাদের ফিরিয়ে আনতে। এজন্য তিনি প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক থেকে শুরু করে তাদের ছেলে-মেয়েদের সচেতন করে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

Read More »

অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ পেয়েছেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল

ল’ ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার (২৫ মার্চ) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এই সদস্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এ ছাড়া তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ছিলেন। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য ছিলেন। পরে তাকে টিম লিডার করে আইনি সহায়তা সাব-কমিটি গঠন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র ব্যারিস্টার কাজল ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। এ ছাড়া তিনি কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেছেন।

Read More »

মোট ১২ হাজার ৯৫১টি পদে নিয়োগের লক্ষ্যে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

সি রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৬ মার্চ, ২০২৬ খৃ.৷ – বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের লক্ষ্যে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে শতভাগ অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনটি অধিদপ্তরের অধীনে মোট ১২ হাজার ৯৫১টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা- ২০২৬’- এর মাধ্যমে এসব পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে। এনটিআরসিএ’র পরিচালক (পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়। একই সাথে গত ২৯ জানুয়ারি জারিকৃত পূর্বের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। অধিদপ্তরভিত্তিক শূন্য পদের সংখ্যা : সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ১২ হাজার ৯৫১টি পদের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে ৯ হাজার ৭০৮টি পদ। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৮১টি প্রধান শিক্ষক, ৩ হাজার ২৯৬টি সহকারী প্রধান শিক্ষক, ৩৭৫টি অধ্যক্ষ (স্নাতক পাস কলেজ), ৪১৩টি উপাধ্যক্ষ (স্নাতক পাস কলেজ), ৪০৮টি অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ) এবং ১৫৩টি অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়) পদসহ অন্যান্য পদ রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৩ হাজার ১৩১টি শূন্য পদের মধ্যে রয়েছে ৮৯৯টি সুপার (দাখিল), ১ হাজার ৪টি সহকারী সুপার (দাখিল), ২০২টি অধ্যক্ষ (ফাজিল), ৩৪৩টি উপাধ্যক্ষ (ফাজিল), ২১৯টি অধ্যক্ষ (আলিম) এবং ৩৭৭টি উপাধ্যক্ষ (আলিম) পদ। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপারসহ মোট ১১২টি শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন কার্যক্রম আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হয়ে চলবে ৪ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫০ টাকা, যা ৫ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে। পরীক্ষার পদ্ধতি ও নম্বর বণ্টন : নিয়োগের জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৮০ নম্বরের এমসিকিউ, ১২ নম্বর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং ৮ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ শতাংশ। পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ এপ্রিল। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নিয়োগ : এনটিআরসিএ জানিয়েছে, এমসিকিউ ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম ও প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের সফটওয়্যারের সাহায্যে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) পদ্ধতিতে এই নিয়োগ সুপারিশ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইতিপূর্বে যারা আবেদন করেছিলেন, তাদের ফি অনলাইন ব্যাংকিং চার্জ ও টেলিটক ফি কর্তনপূর্বক ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

Read More »

স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরলেন সালাহউদ্দিন আহমদ

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১২ চৈত্র (২৬ মার্চ) ২০২৬ খৃ. – রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার প্রথম ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনেই প্রথম গণহত্যা শুরু হয়েছিল এবং এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান এই গণহত্যার খবর পেয়েই চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে ২৭শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন। একেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ বলে অভিহিত করেন। শহিদদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুলিশ বাহিনীর রক্তদানই স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার সূচনা। দীর্ঘ কয়েক বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ শুরু হওয়াকে মন্ত্রী আনন্দের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শহিদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দেশে নতুনভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে। ভারত থেকে ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের হস্তান্তরের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। বন্দি বিনিময় চুক্তি (Extradition Treaty) অনুযায়ী তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীকে আরো সমৃদ্ধ ও আধুনিক করতে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত রাষ্ট্রের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাথে গতকাল এ বিষয়ে ফলপ্রসূ কথা হয়েছে বলে তিনি জানান। ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকিরসহ বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ পেয়েছেন ফাহমিদা আখতার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফাহমিদা আখতার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ফাহমিদা আখতার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব নাসরীন জাহানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে এবং অবিলম্বে তা কার্যকর হবে হবে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

Read More »

অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভযেস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১২ চৈত্র (২৬ মার্চ): অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ২৯তম সভা জুম অ্যাপের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত অস্থিতিশীলতায় দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবিত AP Energy Investments Limited-এর নিকট থেকে এক লক্ষ মেট্রিক টন En590-10 PPM মাত্রার ডিজেল এবং Superstar International (Group) Limited-এর নিকট থেকে দুই লক্ষ মেট্রিক টন En590 EURO 5 (10 PPM) মাত্রার ডিজেল ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

Read More »