সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: April 14, 2026

সংসদে বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধনী) বিল ২০২৬ পাস

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস সংসদ ভবন, ১০ এপ্রিল, ২০২৬ খৃ. – বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৭ বছর বাতিলের লক্ষ্যে একটি বিল আজ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর ফলে বয়স নির্বিশেষে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্ব দেওয়ার আইনি পথ উন্মুক্ত হলো। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধনী) বিল, ২০২৬ পাস হয়। বিলটির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ধারাগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় বিলটি মূল আকারেই পাস হয়। নতুন আইনে গভর্নরের চার বছরের মেয়াদ এবং পুনর্নিয়োগের সুযোগ বহাল রাখা হয়েছে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর ১০ অনুচ্ছেদের ৫ নম্বর ধারায় থাকা ৬৭ বছর বয়সসীমার শর্তটি স্পষ্টভাবে বাতিল করা হয়েছে, যেখানে বলা ছিল— কেউ ৬৭ বছর পূর্ণ করার পর আর গভর্নর পদে থাকতে পারবেন না। আগের আইনে গভর্নর চার বছরের জন্য নিয়োগ পেতেন এবং পুনর্নিয়োগের সুযোগ থাকলেও ৬৭ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক অবসর নির্ধারিত ছিল। নতুন সংশোধনের মাধ্যমে এই বয়সসীমা তুলে দেওয়ায় এখন থেকে যোগ্যতা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে সরকার গভর্নর নিয়োগ বা বহাল রাখতে পারবে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, ব্যাংক তদারকি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ে গভর্নরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যুক্তি দেন, বিদ্যমান বয়সসীমা অনেক সময় অভিজ্ঞ, দক্ষ ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, নেপাল ও পাকিস্তান ছাড়া অনেক দেশেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা নেই। ফলে, এই সংশোধন আন্তর্জাতিক চর্চার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Read More »

কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : টাঙ্গাইল, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ খৃ. – প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে, কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেইজন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’ দেশের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেয়ার মাধ্যমে সারাদেশে প্রি-পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ১২টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই অবগত হয়েছেন যে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব ইনশআল্লাহ। ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তার অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।’ বিএনপির চেয়ারম্যান দলের নির্বাচনি ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই মঞ্চে যত মানুষ উপস্থিত আছেন হয়তো সবাই সরাসরিভাবে কৃষক বা কৃষির সাথে সম্পৃক্ত নন। কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছেন, যে মানুষটি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশে আমরা যত মানুষ আছি তার মধ্যে চার কোটি পরিবার আছে তাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি।’ তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, বর্তমান নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে যে, এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এই দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, এই দেশের কৃষক যদি ভালো থাকে তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।’ প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লক্ষ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে। ঢাকা থেকে থেকে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম আসেন। বেলা ১২ টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্ল্যাসের সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে ১৪শ’ ৫৩ জন কৃষক-কৃষাণীরা এই অর্থ পেয়েছেন। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড এবং গাছের চারা তুলে দেন। তিনি কৃষক-কৃষাণীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এই যে গাছের চারা দিচ্ছি, তা বড় হলে ফল কিন্তু আমার জন্য পাঠাবেন।’ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে কৃষক ও কৃষি ক্ষেত্রে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যার মাধ্যমে আমরা দেখেছিলাম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষিতে মোটামুটিভাবে শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। আমরা দেখেছি দেশে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল। সেই বাংলাদেশে আমরা দেখেছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুধুমাত্র খাল খনন করার ফলে, কৃষক সেচ সুবিধা পাওয়ার ফলে কৃষির উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিল। সেই সময় এই বাংলাদেশ থেকে অল্প পরিমাণে হলেও বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছিল।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, বিএনপি সরকার কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। আপনারা বিএনপির ওপরে বিগত নির্বাচনে আস্থা রেখেছেন ইনশাআল্লাহ এই সরকার আপনাদের সেই আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দেবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, এখন আমাদের দেশ গড়ার সময়। কৃষক ভাইদের পাশে আমরা যেমন দাঁড়াবো, একই সাথে দেশের কৃষাণী বোনসহ দেশের যে নারী সমাজ আছেন তাদের পাশে দাঁড়াবো।’ দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নারী সমাজকে যদি আমরা স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না। সেই কারণেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই তাহলে বাংলাদেশের মা-বোনদের জন্য, নারীদের জন্য, পরিবারের নারী প্রধানের জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করবো। আল্লাহর রহমতে সেই কাজটি পাইলট প্রজেক্ট আকারে আমরা শুরু করতে সক্ষম হয়েছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে আগামী পাঁচ বছরের ভিতরে আমরা পরিবারের সকল নারী প্রধানের কাছে এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। এই সরকার কৃষক বলুন, দেশের মা-বোনদের কথা বলুন, মসজিদের ইমাম-খতিব সাহেব সহ অন্যান্য ধর্মীয় গুরু যারা আছেন তাদের কথা বলুন, ছাত্রদের কথা বলুন, দল-শ্রেণী-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে।’ তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। সেজন্যই আমরা বলে থাকি, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আসুন আমরা এই দেশের প্রত্যেকটি নাগরিক আমরা রাজনীতি করি বা না করি, আমরা কৃষক হই বা না হই, আমরা ছাত্র হই না হই, আমরা ব্যবসায়ী হই বা না হই, যে মানুষই হয়ে থাকি না কেন, যে পেশার মানুষ হয়ে থাকি না কেন, প্রত্যেকের আমাদের একটি আকাঙ্ক্ষা আছে… নিজের দেশটিকে আমরা ভালো দেখতে চাই। নিজের দেশটিকে আমরা সুন্দর দেখতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘আমরার দেখতে চাই দেশের মানুষ নিরাপদে বসবাস করছে। এই দেশের সন্তানেরা এদেশেই বড় হচ্ছে ,স্বাচ্ছন্দে বড় হচ্ছে, খেয়ে পড়ে, ব্যবসা বাণিজ্য, চাকরি বাকরি করে নিরাপদ ও নিরাপত্তার সাথে বড় হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য সেটাই। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। কিন্তু সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব একমাত্র যদি জনগণের সহযোগিতা থাকে। সেজন্যই আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে চলতে চাই, জনগণকে পাশে রেখে চলতে চাই, জনগণকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, দেশ গঠন করতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এই কৃষক কার্ড উদ্বোধন করার মাধ্যমে আবারো আমি বাংলাদেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’ প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘এই যে পহেলা বৈশাখ আজকের এই অনুষ্ঠানটি, পহেলা বৈশাখ কিভাবে আসল নিশ্চয়ই অনেকেরই আপনাদের ধারণা আছে। যদিও বর্তমানে এটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখটি আসলে আমাদের এই বাংলাদেশের কৃষকদের সাথে সম্পৃক্ত। কৃষির ক্ষেত্রে হোক, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে হোক, কৃষকরা তাদের হিসাবের খাতাটি নতুন করে পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করেন। সেখান থেকে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানটি এসেছে। যেহেতু পহেলা বৈশাখের মূল বিষয়টি আমাদের কৃষক ভাইদের সাথে জড়িত, কৃষাণী বোনদের সাথে জড়িত- সেজন্যই আমরা কৃষক কার্ড প্রদানের এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করলাম।’ প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণ ও কৃষকদের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ করে উত্তর অঞ্চল সহ বাংলাদেশের যেসব অঞ্চল কৃষি নির্ভরশীল এলাকা সেই সকল অঞ্চলে কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব, কৃষাণী বোনদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব, আমরা কৃষিতে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করব। একই সাথে আমাদের চেষ্টা থাকবে

Read More »

ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া মেধাবীদের জন্য বার কাউন্সিল পরীক্ষা যেন ‘কঠিন বাস্তবতা’ না হয় – আইনমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৩০ চৈত্র (১৩ এপ্রিল) ২০২৬ খৃ. – ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া ও বিদেশে লেখাপড়া করা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান বার কাউন্সিল পরীক্ষার পদ্ধতি যেন একটি কঠিন বাস্তবতা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে নজর দেওয়ার জন্য বার কাউন্সিলের কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। রাজধানীর সুপ্রীম কোর্ট অডিটোরিয়ামে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) অর্থায়নে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস আয়োজিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ছয়মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের প্রথম পর্বের সমাপ্তি ও দ্বিতীয় পর্বের আগমন উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক মেধাবী ছেলেমেয়ে যারা ইংলিশ মিডিয়ামে পড়েছেন কিংবা বিদেশে লেখাপড়া করে এসেছেন, তাদের জন্য বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রশ্ন পদ্ধতি বাংলায় হওয়ায় প্রতিকূল বাস্তবতা পার হতে হয়। এই জায়গাটি যুগোপযোগী করা যায় কি না, তা বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখতে পারে। তিনি ‘যার নেই কোন গতি, সে করে ওকালতি’—এই ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আইন পেশার সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন এবং আইন পেশার মান উন্নয়নে সবার এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। আইনমন্ত্রী অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, তাকে এই কর্মসূচি অনেক উৎসাহিত করেছে। তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সদস্যদের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একজন করে ইন্টার্ন দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তাব করেছেন। ইন্টার্নরা সংসদ সদস্যদের গবেষণামূলক কাজ করবে, যা আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হবে। এছাড়া, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের আধুনিকায়ন ও বসার জায়গার সংকট নিরসনে বাজেটে বরাদ্দ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান আইনমন্ত্রী। আইন কমিশন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গত দুই যুগে ১৫০ কোটি টাকার বেশি খরচ করে আইন কমিশন ১৬৯টি আইনের সুপারিশ করলেও গৃহীত হয়েছে মাত্র ৮টি। প্রতিবছর ৮-১০ কোটি টাকা জনগণের অর্থ ব্যয় করেও প্রত্যাশিত ইনপুট আসছে না। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লাইনাস র্যাগনার উইকস, ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ, আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া, ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম কোর্ডিনেটর ও ডেপুটি অ্যাটর্নি ব্যারিস্টার তাসনুভা শেলী প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রথম ব্যাচের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২৫ শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান ও নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো হয়।

Read More »

রংপুরে লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান সপ্তাহ ২০২৬ মেলা উদ্বোধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে বিজ্ঞান সপ্তাহ ২০২৬ মেলা উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৩ এপ্রিল) সোমবার বেলা ১২টায় নগরীর জিএলরায় রোডস্থ লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ হলরুমে বিজ্ঞান সপ্তাহ ২০২৬ মেলা উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এ্যাড. মাহাফুজ উন নবী চৌধুরী ডন। অনুষ্ঠানে লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ এনামুল হক সোহেল এমজেএফ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের প্রেসিডেন্ট লায়ন নাসরিন হব ববি এমজেএফ, ১ম ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন মনজিল মুরাদ লাভলু এমজেএফ, পরিচালক লায়ন এ্যাডভোকেট আহসানুল হাবিব মিলন এমজেএফ, পরিচালক একেএম বানিউল আদম বাবু, এলসিআই কো চেয়ারপার্সন লায়ন উম্মে হাবিবা মাহফুজা আখতারী স্মৃতি, লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ রংপুরের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ইনামুল হাসান। এছাড়াও অন্যান্য লায়নবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে বিজ্ঞান সপ্তাহ ২০২৬ মেলায় অংশ গ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

Read More »