সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 19, 2026

লায়ন্স ক্লাবের ডিস্ট্রিক গভর্নর ক্লাব ভিজিট অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: লায়ন্স ক্লাবের ডিস্ট্রিক গভর্নর ক্লাব ভিজিট অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর নগরীর আরকে রোডস্থ স্কাই লন হোটেল অডিটরিয়ামে ডিস্ট্রিক গভর্নর ক্লাব ভিজিট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার ডিস্ট্রিক গভর্নর শংকর কুমার রায় মনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেবিনেট সেক্রেটারী সঞ্জয় কান্তি সাহা, কেবিনেট ট্রেজারার এ্যাড. এনায়েতুল্লাহ শফিক, ইনফরমেশন চেয়াপার্সন রাকিব হোসেন, রিজিয়ন চেয়ারপার্সন এ.কে আজাদ, রিজিয়ন চেয়ারপার্সন আতিকুল্লাহ, রিজিয়ন কো অডিনেটর রবিউল আলম মৃদুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের প্রেসিডেন্ট লায়ন নাসরিন হক ববি এমজেএফ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লব অব রংপুরের পরিচালক ও লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ এনামুল হক সোহেল এমজেএফ, লায়ন্স ক্লাব অব রংপুর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন মনজিল মুরাদ লাভলু এমজেএফ, ২য় ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন মেজর (অব.) মোঃ নাসিম উদ্দিন, সেক্রেটারী মোঃ শরিফুল ইসলাম বাবু এমজেএফ, পরিচালক লায়ন একেএম বানিউল আদম বাবু এমজেএফ, আইপিপি ড. সঞ্জিত কুমার দুরন্ত এমজেএফ, ট্রেজারার মোঃ তৌহিদ হোসেন, পরিচালক লায়ন শাহীন পারভেজ এমজেএফ, পরিচালক লায়ন এ্যাড. আহসানুল হাবিব মিলন এমজেএফ, পরিচালক মাহামুদ এলাহী বিপ্লব, এলসিআই কো চেয়ারপার্সন লায়ন উম্মে হাবিবা মাহফুজা আখতারী স্মৃতি, পরিচালক মোঃ আব্দুল হালিম বুলু, লিও এডভাইজার লায়ন অনিন্দ আউয়াল, পরিচালক লায়ন আনোয়ারুল হক, পরিচালক মোঃ আরমান, পরিচালক জেবুন্নেছা জেবিন, লায়ন্স ক্লাব অব জলঢাকার প্রেসিডেন্ট সুমাইয়া চৌধুরী স্বার্থক, সদস্য লায়ন মাহমুদা আখতার মিতু, লায়ন সাবা পারভীন নেহা প্রমুখ ।

Read More »

রংপুরে চিহ্নিত মা-দ-ক ব্যবসায়ী গ্রেফ -তারের দা-বিতে বি-ক্ষো-ভ মি-ছিল ও সমা-বেশ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ ওঠা আঞ্জুমান আক্তার শিউলিকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং শালবন মিস্ত্রিপাড়া যুব সামাজিক সংগঠন। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর ২টায় নগরীর আরসিসিআই পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ইন্দিরা মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “শিউলি হটাও, দেশ বাঁচাও”, “মাদক সম্রাজ্ঞী শিউলিকে গ্রেফতার করতে হবে”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, আঞ্জুমান আক্তার শিউলি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিলেন। তার কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে তিনি একসময় এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হলেও সম্প্রতি পুনরায় এলাকায় ফিরে আসার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামাজিক পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে শিউলির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে গ্রেফতার করতে হবে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগসমূহ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা। সমাবেশে বক্তব্য দেন শিউলি হটাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি ও পূর্ব শালবন জামে মসজিদের সভাপতি এনামুল হক হাজী, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নুরনবী ফুলু, রেভিটা বাংলাদেশের বিভাগীয় আহ্বায়ক ও সাবেক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ হাসনান এবং পূর্ব শালবন জামে মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক। সাবেক কাউন্সিলর নুরনবী ফুলু বলেন, “এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক, যাতে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকে।” সভাপতির বক্তব্যে এনামুল হক হাজী বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। এলাকার শান্তি, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষার স্বার্থে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এলাকাবাসী বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।” সমাবেশ শেষে এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে তাদের কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।

Read More »

কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে চাইগোলাম মাজেদপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অঞ্চল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রফেসর মো. গোলাম মাজেদ। নতুন দায়িত্বে তাঁর পরিকল্পনা, শিক্ষার মানোন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তোলাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতাকে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক মানবসম্পদই টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি। শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। একজন দক্ষ শিক্ষকই একজন দক্ষ শিক্ষার্থী তৈরি করতে পারেন। ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা ও অহংকার। তবে আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করতে হলে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন জরুরি। এর মাধ্যমে দেশের তরুণরা বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারবে। কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি ওয়েল্ডিং, রেফ্রিজারেশন, প্লাম্বিং, মোবাইল সার্ভিসিং ও ইলেকট্রিক্যালসহ বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং বেকারত্ব কমবে। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের মেধাবী অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগে তাদের শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয়ে সহায়তা করা সম্ভব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিক, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতায় এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহণকারী প্রফেসর মো. গোলাম মাজেদ ২০০৩ সালে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। নীলফামারী সরকারি কলেজে কর্মজীবন শুরু করে পরবর্তীতে রংপুর সরকারি কলেজ ও নীলফামারী সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালের ১৯ মে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রংপুর অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং দুই কন্যা সন্তানের জনক।

Read More »

জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৮ জুন, ২০২৬ খৃ. প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আজ ১৮ জুন জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইনটির খসড়া উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়েছে, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ হওয়ায় অনলাইন ও অফলাইন নানা ধরনের জুয়া কার্যক্রম বিস্তার লাভ করছে। ফলে জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থসামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধকল্পে এ সকল জুয়া কার্যক্রমের উপর সমসাময়িক উৎকর্ষিত প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করে যথাযথ তত্ত্বাবধান ও আইনগত কাঠামো প্রদানপূর্বক রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়। প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ : (ক) জুয়া খেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর (বুকমেকার), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। (খ) অপরাধের প্রকৃতি ভেদে বিভিন্ন ধরনের সাজার (অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয়দণ্ড) বিধান রাখা হয়েছে। পরে মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। সভায় ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এই আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। দেশের পাবলিক পরীক্ষাসমূহে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণীত হয়। তবে, বর্তমান প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়। পাবলিক পরীক্ষাসমূহে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধসমূহ এবং এর দণ্ড আইনের আওতায় আনয়নের উদ্দেশ্যে বিদ্যমান আইনে সংশোধন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ : (ক) পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ শিরোনামে নতুন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। (খ) ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। (গ) পাবলিক পরীক্ষায় সংগঠিতভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি বা চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তি এবং জরিমানার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদিন সভায়, ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনটির উদ্যোক্তাও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এই আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ গত ১৫ জুলাই ২০০১ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কার্যকর করা হয় নাই। বর্তমানে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নিয়োগ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ইত্যাদিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, জ্ঞান চর্চা ও দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়। একইসাথে সভায় ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আইনে বলা হয়েছে- মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে ২০১৮ সালের ৬৩ নম্বর আইন’ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত, ২০২০)’ প্রণয়ন করা হয়। বর্তমান, মাদক পাচার ও অপব্যবহারের পরিবর্তিত ধরণ মাদকসংক্রান্ত প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার এবং বিচারিক কার্যক্রমে উদ্ভূত বাস্তব সমস্যাসমূহ নিরসনকল্পে আইনটির কতিপয় ধারা সংযোজন ও সংশোধন করে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়। প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ : (ক) বিচারিক কার্যক্রম জোরদার করণে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। (খ) মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণের নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে। (গ) সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধ, অভিযান পরিচালনা ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের বিধান সংযোজন করা হয়েছে। (ঘ) মাদকদ্রব্য সহজেই শনাক্তকরণে ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান সংযোজন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

Read More »