সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 12, 2026

সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ খৃ. – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একজন নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার তা নিশ্চিত করা সরকার প্রধান হিসেবে আমার দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে নয়, দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’ আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূর্জা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধিগণ দেখা করে তাঁকে পূজার আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান। মতবিনিময়কালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের কল্যাণে সরকারের নানা উদ্যোগের প্রশংসা করেন নেতৃবৃন্দ। পূজার ছুটি ও অনুদান বাড়িয়ে দেওয়ায় তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিজেরাই বলেছেন এই অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু কাজ হয়েছে, আমরা তা করেছি। আরও কিছু বিষয়ে আমরা চেষ্টা করছি। এ থেকেই প্রমাণ হয়, আমাদের সদিচ্ছা রয়েছে।’ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তখন অন্য কাজে কেন ধর্মকে বিবেচনা করব? দেশটা সবাই মিলে স্বাধীন করেছি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই অংশ নিয়েছি।’ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাঁর মুসলমান কর্মীরা যেমন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তেমনি হিন্দু কর্মীরাও একইভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। সেখানে ধর্মের কোনো পার্থক্য ছিল না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আল্লাহতালা আমাকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করব, ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেককে আমার ক্ষমতার মধ্যে যতটুকু নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব, তা নিশ্চিত করতে।’ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন দেশের নাগরিক হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে আপনার যে অধিকার, আপনার যা প্রাপ্য, সরকারপ্রধান হিসেবে আমার যে কর্তব্য, আমি সেটাই পালন করার চেষ্টা করছি।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিজের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা থেকে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন বলে জানান। তাঁরা বলেন, তাঁদের কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না। বিএনপিকে ভোট দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন যে ভুল করেনি, তা এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপর বারবার প্রমাণ হচ্ছে। সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের মধ্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূর্জা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলক সাহা, বারিধারা ডিওএইচ পূজা কমিটির সভাপতি জীবন কানাই দাস, ব্রিটিশ চন্দ্র কর্মকার, নারায়ণ চন্দ্র সাহা, প্রদীপ চন্দ্র দাস, শিখা রানী দাস, শ্যামল কুমার দাস, রাজিব কুমার আচার্য উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মতবিনিময়কালে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য তারেক রহমানের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি ও বনানী সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ সফিকুজ্জামান রতনও উপস্থিত ছিলেন। সুত্র. বাসস //

Read More »

লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের কার্যালয়ে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ”লায়ন্স ক্লাব অব রংপুর ও রংপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ” রংপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য সেবামূলক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও সুনামের সাথে শিক্ষা ও সামাজিক সেবা প্রদান করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানে গত ১০ অক্টোবর অনাকাঙ্খিত হামলা-ভাংচুরের ঘটনা ঘটে, এরই প্রেক্ষিত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১ টায় রংপুর নগরীর আরকে রোডস্থ হোটেল স্কাই লর্ন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের প্রেসিডেন্ট লায়ন মনজিল মুরাদ লাভলু এমজেএফম, এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কনভেনশন কো চেয়ারম্যান, রিজিওনাল চেয়ারপার্সন হেডকোয়াটার ও লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বোডির চেয়ারম্যন লায়ন মোঃ এনামুল হক সোহেল,এমজেএফ, নর্থ বেঙ্গল কো অডিনেটর ও অক্টোবর সেবাপক্ষ ২০২৬ এর চেয়ারম্যান একেএম বানিউল আদম বাবু, লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ শরিফুল ইসলাম বাবু, এমজেএফ। তারা বলেন, উক্ত প্রতিষ্ঠান হইতে অন্যায় সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ হইয়া প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার জন্য অরাজকতা তৈরিসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কিছুদিন পূর্ব হইতে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা গভর্ণিং বডির সমস্য ও শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলীকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করিয়া আসিতে থাকে। ফলশ্রুতিতে গত ২১/০৯/২০২৬ ইং তারিখ থানায় আমরা সাধারন ডায়েরী করি । তথাপিও বন্ধ হয়নি ষড়যন্ত্র। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০/১০/২০২৬ ইং তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার সময় আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুর এ শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলাকালীন সময় কয়েকজন চিহ্ণিত ব্যাক্তিসহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির মানুষ হাতে লাঠি সোঠা, লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ইত্যাদি অস্ত্রে সজ্জিত হইয়া বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হইয়া প্রতিষ্ঠানের মূল ফটক দিয়া প্রবেশের চেষ্টা করে। তখন সিকিউরিটি গার্ড পলাশ (২৬), আশরাফুল (৪১), সিকিউরিটি ইনচার্জ রব্বানী (৪৭) তাদের বাধা দেয়। পরে তারা দেওয়াল টপকাইয়া প্রতিষ্ঠানের ভিতর অনধিকার প্রবেশ করিয়া তাদের বাধা দেওয়া সিকিউরিটিসহ সিকিউরিটি ইনচার্জকে এলোপাতাড়িভাবে সর্ব শরীরে লাঠি সোনা দিয়া আঘাত করিয়া ছিলা ফুলা জখম করে। তখন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সহ অভিভাবকগণ ভীত হইয়া এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকে এবং হামলাকারীরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের সহ অভিভাবকগণকে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করতে বলে। তারপর হামলাকারীরা প্রতিষ্টানের ৬ষ্ঠ তলায় থাকা লায়ন্স ক্লাবের অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে ক্লাবের ভিতর প্রবেশ করে চেয়ার টেবিল ভাংচুর করিয়া অনুমান ১ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ক্লাবের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মূল্যাবান বিভিন্ন দলিলাদি বাহির করিয়া দেয় এবং সাক্ষ্য প্রমাণ বিনষ্টের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা স্থাপন করা সিসি ক্যামেরাসহ হার্ডডিস্ক খুলিয়া চুরি করিয়া নেয়। পরবর্তীতে জখমীরা স্থানীয় আবে প্রাথমিক চিকিৎল করে। সংবাদ সম্মেলনে তারা আরো বলেন, আমরাই প্রকৃত লায়ন্স ক্লাবের সদস্য বহিরাগতরা ঢুকে এই হামলা-ভাংচুর চালিয়েছে আমরা অতিসত্বর ন্যায় বিচার কামনা করি অন্যথায় আমরা এর ব্যবস্থা নিবো এখানে প্রমান স্বরুপ সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। তা দেখে যারা জরিত তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। এসময় উপস্থিত ছিলেন, লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের সেক্রেটারী এ্যাড. আহসানুল হাবিব মিলন, এমজেএফ, জোন চেয়ারপার্সান ও আইপিপি লায়ন নাসরিন হক ববি,এমজেএফ, ক্লাব পরিচালক মোঃ শাহীন পারভেজ ,এমজেএফ, ক্লাব পরিচালক মোঃ মাহামুদ এলাহী বিপ্লব, ক্লাব পরিচালক লায়ন মোয়াজ্জেম হোসেন কিন্তু, ক্লাব পরিচালক লায়ন জেবুন্নেছা জেবিন, ক্লাব পরিচালক অনিন্দ আউয়াল, লায়ন জেসমিন আক্তার প্রমুখ।

Read More »

রংপুরে লায়ন্স ক্লাবের অনৈতিক কার্যক্রমের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

রংপুরে লায়ন্স ক্লাবের অনৈতিক কার্যক্রমের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জালাল উদ্দিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : লায়ন্স ক্লব রংপুরের নির্মান কাজ , আর্থিক লেনদেনে অনিয়াম, ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও সদস্য পদ সংক্রান্ত অনৈতিক কার্যক্রমের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন । সোমবার ( অক্টোবর) দুপুরে হোটেল ক্যাসপিয়া মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন রংপুর লায়ন্স ক্লাবের প্রেসিডেন্ট (২০২৬-২৭) লায়ন ফরিদ আহমেদ রুমি, ক্লাব সেক্রেটারী (২০২৬-২৭) লায়ন আকলাকুল ইসলাম তারেক, ক্লাব ট্রেজারার (২০২৬-২৭) লায়ন শফিকুল ইসলাম স্বপন ও ক্লাব পরিচালক লায়ন নাজমুল আলম নাজু । সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, আপনারা অবগত আছেন যে, ‘লায়ন্স ক্লাব রংপুর ও ‘রংপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ উত্তরাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য সেবামূলক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও সুনামের সাথে শিক্ষা ও সামাজিক সেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে যে, বর্তমানে একটি স্বার্থান্বেষী, সদস্যপদহীন ও তথাকথিত অবৈধ কমিটি ক্লাবের মূল উদ্দেশ্যকে চরমভাবে ব্যাহত করে নানাবিধ অপকর্ম, নজিরবিহীন দুর্নীতি ও বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতে লিপ্ত রয়েছে। ক্লাবে ভুয়া ও মনগড়া কমিটি ক্লাবের মূল প্রতিষ্ঠাতা, প্রকৃত সদস্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিবর্গকে নানাভাবে হেনস্তা করছে। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত তথ্য গোপন রেখে নিজেদের হীন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যে তথ্য প্রচার করছে। তারা আমাদের নামে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা বলতে চাই, রংপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণ কমিটির আহ্বায়ক এনামুল হক সোহেলের সীমাহীন দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও কোটি কোটি টাকা অর্থ আত্মসাতের তথ্যভিত্তিক বিবরণ। রংপুর লায়ন্স ক্লাবের সদস্যপদহীন ও তথাকথিত সভাপতি মনজিল মুরাদ লাভলু এবং ক্লাব সেক্রেটারী আহসানুল হাবীব মিলনের অবৈধ ক্লাব কার্যক্রম, তথ্য গোপন ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার করে আসছে। একটি জমি ক্রয় করে যার, জমির রেজিস্ট্রি দলিল মূলা ১,৫৬,০০,০০০ টাকা দেখানো হলেও সেখানে সরকারি গেইন ট্যাক্স ও আয়কর বাবদ ৯,৩৮,০০০ টাকা এনামূল হক সোহেল ও তার চক্র অসদুপায়ে আত্মসাৎ করে। টেন্ডার ও এস্টিমেট ছাড়া ২২টি চেকে ৫,১১,২১,৪৬২ টাকা উত্তোলন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশ ও নিয়মকানুনের তোয়াজা না করে কোনো প্রকার উন্মুক্ত দরপত্র (টেন্ডার) ও প্রাক্কলন ছাড়াই নির্মাণকাজ ও লিফট ক্রয়ের নামে ২২টি চেকে মোট ৫,১১,২১,৪৬২ (পাঁচ কোটি এগারো লাখ একুশ হাজার চারশত বাষট্টি) টাকা উত্তোলন করা হয়। লিফট ক্রয় বাবদ (চটি চেক) ২৩,০০,০০০/- টাকা। নির্মাণকাজ বাবদ (১৮টি চেক) ৪,৮৮,২১,৪৬২/- টাকা (যার মধ্যে ভুয়া বিলে ১৩,৬০,৬৬২ টাকা উত্তোলন অন্তর্ভুক্ত)। সহ সরকারি ভ্যাট, ট্যাক্স ও ঠিকাদারি লভ্যাংশ আত্মসাৎ: নিরপেক্ষ সি.এ ফার্মের অডিট রিপোর্টে অনিয়মের প্রমাণ: লিফট ক্রয়ে দরপত্র জালিয়াতি: এল.সি ফাউন্ডেশনের অর্থ আত্মসাৎ: প্ল্যান ও অনুমোদনে জালিয়াতি এবং অবৈধ বহুতল ভবন নির্মাণ: শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য। তারা আরো বলেন, এই সমস্ত দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় এবং ক্লাব ও স্কুলের আধিপত্য ধরে রাখতে নিয়মবহির্ভূতভাবে আমাদের ৬ জন সাবেক ক্লাব প্রেসিডেন্টসহ মোট ২৯ জন সদস্যকে বেআইনিভাবে বহিষ্কার করা হয়। আমাদের বোর্ড মিটিংয়ে দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় সৃষ্ট গোলযোগের সূত্র ধরে জিআর ৩৯০/২৪ মামলা হয় যা বর্তমানে সিআইডি তদন্তাধীন। এ সময় তারা দাবি করে বলেন, ১. লায়ন্স ক্লাব অব রংপুর ও রংপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজকে দুর্নীতিবাজ ও অবৈধ দখলদার চক্রের হাত থেকে মুক্ত করা হোক। ২. এনামুল হক সোহেল, মনজিল মুরাদ লাভলু ও আহসানুল হাবীব মিলনসহ সকল দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান ও আত্মসাৎকৃত কোটি কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করা হোক। ৩. সমস্ত অবৈধ নিয়োগ বাতিল করা হোক। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

Read More »

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে ইইউ প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ঢাকা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন বিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার (Magnus Brunner)-এর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছেন। আজ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে উভয়পক্ষ অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধ, বৈধ উপায়ে দক্ষ জনশক্তি রফতানি, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার অবৈধ অভিবাসনের ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ পথে মানবপাচার রোধে এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সুরক্ষায় বাংলাদেশ ইইউর সাথে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসন শূন্যের কোঠায় নামিয়ে এনে ইউরোপের বাজারে শতভাগ বৈধ ও দক্ষকর্মী প্রেরণের সুযোগ তৈরি করতে চায় বাংলাদেশ। ইইউ কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বাংলাদেশের সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং অবৈধ অভিবাসন পথ পুরোপুরি বন্ধ করা উভয় পক্ষেরই অগ্রাধিকার। অবৈধ অভিবাসন হ্রাস পেলে বৈধ উপায়ে বাংলাদেশি কর্মীদের ইউরোপের শ্রমবাজারে প্রবেশ সহজতর হবে। বৈঠকে বৈধ অভিবাসনের গতি ত্বরান্বিত করতে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশি কর্মীদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রায় সাড়ে সাতশত দক্ষকর্মীর ইউরোপিয়ান সার্টিফিকেশন জটিলতা দূর করতে ইইউভুক্ত দেশের প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে এসে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ইইউ প্রতিনিধি দল ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। মন্ত্রী আরো জানান, দেশের বিমান, সমুদ্র ও স্থলবন্দরে ট্রাফিক মনিটরিং এবং অপরাধী চিহ্নিতকরণে এ বছরের শেষ নাগাদ ‘অ্যাডভান্সড প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন অ্যান্ড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ কার্যকর করা হবে। এটি ইন্টারপোল ডেটাবেজের সাথে সংযুক্ত থাকবে। এছাড়া, ইউরোপিয়ান বর্ডার অ্যান্ড কোস্ট গার্ড এজেন্সির (FRONTEX) সাথে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক সমঝোতা স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়, যা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সাম্প্রতিক আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার কারণে রোহিঙ্গা সংকট এখন কেবল বাংলাদেশ নয়, বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে ইইউর সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। ইইউ প্রতিনিধি দল এ ইস্যুতে যৌথ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার আশ্বাস প্রদান করে। প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ডিরেক্টর হেনরিক নিলসেন, ক্যাবিনেট সদস্য গ্রিগোরিওস ডেলাভেকোরাস, ইইউর ডেপুটি হেড অব মিশন বাইবা জারিনা (Baiba Zarina) প্রমুখ। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

সংসদ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর : ঢাকা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক আজ সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ, কে, এম, সেলিম রেজা হাবিব, এমপি। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদ, শেখ ফরিদ আহমেদ, সেলিনা সুলতানা, এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবং মোঃ রফিকুল ইসলাম খান অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। এরপর কমিটির সদস্যদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের প্রধানদের সঙ্গে কমিটির সদস্যদের পরিচিতি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের বিগত একশত আশি দিনের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়। কমিটির সভাপতি তাঁর স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহত ছাত্র-জনতাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আন্দোলনে আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বৈঠকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আর্সেনিকযুক্ত এলাকা চিহ্নিত করে নিরাপদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট নির্মাণকাজের গুণগত মান, স্থায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঠিকাদারদের কাছ থেকে তিন বছরের ওয়ারেন্টি হিসেবে জামানত গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের তদারকি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান তদারকি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত আচরণ ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে অনলাইনভিত্তিক হাজিরা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশি-বিদেশি অর্থায়নে গৃহীত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলোর অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে কমিটি। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবদ্বয়, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবগণ, বিভিন্ন সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধানগণ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা ও রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থার বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা দূর করার উপায় নিয়ে একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। (৮ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠকটি শুরু হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মশিউর রহমান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা দূর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

Read More »