সর্বশেষ
সর্বশেষ

Author: Desk Reporter

জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিতে ৭১ পুরানা পল্টন,

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, দেশের ভূমি সংক্রান্ত সেবাকে আধুনিক, সম্পূর্ণ হয়রানিমুক্ত এবং জনবান্ধব করে তুলতে আজ রাজধানীর ৭১ পুরানা পল্টনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। ভূমি ভবনে অবস্থিত প্রথম নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্রের অভাবনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এই দ্বিতীয় কেন্দ্রটি চালুর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে দ্রুত ভূমিসেবা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ভূমি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, আর ভূমির অধিকার রক্ষা ও সেবা প্রাপ্তি প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। আমাদের দেশে ভূমিসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে জটিলতা ও নানা অভিযোগ যুগ যুগ ধরে ছিল। সাধারণ মানুষকে এক টুকরো জমির জন্য বছরের পর বছর ভূমি অফিসের বারান্দায় ঘুরে বেড়াতে হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার গণমানুষের কষ্ট দূর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভূমিমন্ত্রী বলেন, এই ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো—নাগরিকদের সুবিধাজনক স্থানে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া, দ্রুততম সময়ে হয়রানিমুক্তভাবে ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়া। এই কেন্দ্রে এসে একজন নাগরিক পাবেন সঠিক পরামর্শ, খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও সেবা। কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর উপস্থিতি এখানে বরদাশত করা হবে না। ভূমিসেবায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, অতীতে ভূমিসেবাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষকে নানাবিধ ভোগান্তি ও জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হতো। ভূমিসেবাকে আরো জনবান্ধব করতে সরকার একের পর এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তিনি আরো বলেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যত সহজ হবে, জনগণের আস্থা ততই বৃদ্ধি পাবে। ভূমিসেবায় অনিয়ম ও হয়রানি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে এই কেন্দ্রটি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। সরকার এই সেবাগুলোর পরিধি ও মান বৃদ্ধি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্যের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রয়োজনে স্বাস্থ্য বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৩ কার্তিক (১৯ অক্টোবর) ২০২৬ খৃ. – স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সিংহভাগ ক্যানসার চিকিৎসায় বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন ও চালুর ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা হবে। পাশাপাশি এসব যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় উদ্যোগ নেওয়া হবে। মন্ত্রী আজ ঢাকায় মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ‘জাতীয় ক্যান্সার সম্মেলন ২০২৬’ -এ ‘সবার জন্য ক্যান্সার সেবা: প্রতিরোধ, নির্ভুল চিকিৎসা, উপশমমূলক পরিচর্যা ও নীতিনির্ধারনের সমন্বয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে দ্রুত রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে রোগীরা নিজ দেশেই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন। তিনি বলেন, দেশে এসব আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও টেকনোলজিস্ট রয়েছে। প্রয়োজনে আগামী তিন মাস তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে নতুন প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। স্বাস্থ্য খাতে অতীতের অব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরের শাসনামল স্বাস্থ্য খাতকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে। এখন এখাতে কারো গাফিলতি সহ্য করা হবে না। দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চাকরি থাকবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফারহাদ হালিম ডালিম, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ খালেকুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান প্রমুখ।

Read More »

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে ঢাকা মহানগরীর ২০টি জোনে গঠিত হচ্ছে বিশেষ কমিটি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অনুশাসন অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদারকরণ, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক মোট ২০টি জোনে ২০টি বিশেষ তদারকি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তরে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণে ১০টি কমিটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন। জোনাল কমিটিগুলোতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা, মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মেডিকেল উইং ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধি যুক্ত থাকবেন। কমিটির সাথে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদারকরণ, খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনঃখনন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে এক পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। এছাড়া, ২০টি জোনাল কমিটির সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে এক উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। এই মনিটরিং কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা, ঢাকা ওয়াসা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এ সকল কমিটি সরেজমিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খালের সীমানা চিহ্নিতকরণ ও খননকাজ জোরদার করার পাশাপাশি মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। উক্ত পর্যালোচনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ শহীদুল হাসান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

ঢাকার শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপন/স্থানান্তরের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২ কার্তিক (১৮ অক্টোবর) ২০২৬ খৃ. – বাংলাদেশ সচিবালয়ের বর্তমান অবস্থানে ১৭.৫৭ একর জায়গায় মোট ১৩টি ভবন আছে, তন্মধ্যে ৮টি ভবন স্বাধীনতা-পূর্বকালে নির্মিত। সচিবালয়ের পুরোনো ১ ও ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবনসমূহ ১৯৩৭ হইতে ১৯৩৯ সালে, ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হওয়ায় ভূমিকম্প সহনীয় হিসেবে নির্মিত হয়নি। ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় উক্ত স্থাপনাসমূহে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, ভবনসমূহে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারযোগ্য পর্যাপ্ত স্পেস না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। ভবনসমূহে পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়াশ-ব্লক নেই, ধারণক্ষমতার অধিকসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক ব্যবহৃত হওয়ায় স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যমান বাংলাদেশ সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮.৭৬ লক্ষ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত অফিস স্পেসের চাহিদা এবং সচিবালয়ের কমপাউন্ডের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থান সংকুলানের জন্য আরো প্রায় ১০ লক্ষ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন। এ বিষয়ে একনেক সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে, লুই আই কান-এর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর কর্তৃক ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করা হয়। প্রণীত নকশা অনুযায়ী শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠের প্রায় ৩১.৫৮ একর জায়গায় মোট প্রায় ৩৩.১৬ লক্ষ বর্গফুট স্পেস সংবলিত ৩টি বেজমেন্টসহ (২০০টি ভূ-উপরিস্থ পার্কিংসহ ৩,৮০০টি গাড়ি পার্কিং) ১৪টি ১২ তলা ভবন [মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ২টি মাল্টিপারপাস হল, ১টি ক্যাফেটেরিয়া, ১টি ডাকঘর ইত্যাদি] নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প এলাকায় প্রায় ৩০% জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধারের সংস্থান রাখা হয়েছে। আজ মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছে।

Read More »

তৃণমূলে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার – স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২ কার্তিক (১৮ অক্টোবর): তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং কার্যক্রম শুরু করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এলক্ষ্যে স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দ্রুত নতুন চিকিৎসক ও মিডওয়াইফ নিয়োগ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। মন্ত্রী আজ রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‘ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে স্তন ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে। শুধু শহর নয়, গ্রামাঞ্চলেও নারীরা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সচেতনতা ও চিকিৎসার অভাবে অনেক নারী সময়মতো রোগ শনাক্ত করতে পারেন না। ফলে যথাযথ চিকিৎসার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন অনেকে। স্তন ক্যান্সার একজন নারীর শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তাঁর মানসিক সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়ও গভীর প্রভাব ফেলে। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শুধু সভা-সেমিনার আয়োজন কিংবা টেলিভিশনে প্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত সচেতনতা তৈরি সম্ভব নয়। এজন্য চিকিৎসকদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। চিকিৎসকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনারা দেশের সবচেয়ে মেধাবী সন্তান। বছরে অন্তত দুই-তিন দিন নিজের গ্রামে ফিরে যান। স্থানীয় নারীদের একত্র করে স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ এবং কীভাবে এরোগ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়, তা শেখান। এটি মানবতার সেবা এবং মহৎ কাজ। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, একসময় দেশে সংক্রামক ব্যাধিতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটলেও বর্তমানে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ থেকে ৭৩ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের মতো রোগ মোকাবিলায় প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ সহকারী জানান, দেশে প্রতি এক লাখ নারীর মধ্যে ১৫ জনের স্তন ক্যান্সার শনাক্ত হয়। আক্রান্ত নারীদের প্রায় ৬৩ শতাংশ কোনো ধরনের স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আসেন না। ফলে অনেকক্ষেত্রে রোগটি দেরিতে শনাক্ত হয়, যা চিকিৎসাকে জটিল করে তোলে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

রংপুর মেডিকেল মোড়ে মাদকমুক্ত সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর মেডিকেল মোড় ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাদ এশা মেডিকেল মোড় জামে মসজিদ মাঠে ‘মেডিকেল মোড় শান্তি সুরক্ষা কমিটি’ ও ‘সমৃদ্ধ রংপুর’-এর সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. শামসুজ্জামান সামু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র সদস্য মো. সুলতান আলম বুলবুল, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনজুর আহমেদ আজাদ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. খোন্দকার মাহফুজ এলাহী খসরু। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরপিএমপি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (চলতি দায়িত্ব) মিলন কুমার চ্যাটার্জী, মেডিকেল মোড় ব্যবসায়ী সমিতি লিমিটেডের সভাপতি খোন্দকার মারুফ এলাহী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া। সভাটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করেন মেডিকেল মোড় ব্যবসায়ী সমিতি লিমিটেডের সহ-সভাপতি খোন্দকার মারুফ ইলাহী বিপ্লব ও সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুর রহমান লিটন। এতে মেডিকেল মোড়ের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করেন। সভায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাকে মাদকমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে হাসপাতালের দক্ষিণ গেট সংস্কার করে রোগী ও তাদের স্বজনদের যাতায়াতের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।###

Read More »

রংপুরে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল ঘোষণা

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, প্রিপেইড মিটার অপসারণ ও প্রকল্প বাতিলসহ তিন দফা দাবি আদায়ে আগামী ৩০ নভেম্বর সোমবার রংপুরে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বাত্মক অর্ধদিবস হরতালের ঘোষণা দিয়েছে বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলা কমিটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর জেলার আহ্বায়ক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আহসানুল আরেফিন তিতু। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন বাবলু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মীরজা বাবর বাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সোহেল, সদস্য শফিউল আযম, শহিদুল ইসলাম সুমন, নুরপুর অঞ্চল কমিটির আহ্বায়ক শান্ত মিয়াসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার অপসারণ ও প্রকল্প বাতিল, নতুন গ্রাহকদের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার প্রদান, নেসকোর দুর্নীতি ও সেবার নামে গ্রাহক হয়রানি বন্ধ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, জনস্বার্থবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রংপুরবাসী আন্দোলন করে আসছে। দাবি আদায়ে জেলা প্রশাসকের কাছে একাধিকবার স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সর্বশেষ ‘স্তব্ধ রংপুর’ প্রতীকী কর্মসূচি ও নেসকোর প্রধান কার্যালয় ঘেরাও করা হলেও কর্তৃপক্ষ জনগণের দাবি উপেক্ষা করে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, রংপুর দেশের অন্যতম দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চল। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন এমনিতেই কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম, অব্যাহত লোডশেডিং, অতিরিক্ত বিল ও প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তারা অভিযোগ করেন, প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নতুন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও নেসকো কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া এবং দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৩০ নভেম্বর সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রংপুরে সর্বাত্মক অর্ধদিবস হরতাল পালন করা হবে। ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র-জনতাসহ রংপুরের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ কামনা করেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের নেতৃবৃন্দ।

Read More »

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে গত নয় মাসে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে : প্রেস সচিব

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)। তিনি বলেন, একই সময়ে বিএনপিকে ঘিরে ১১৮টি এবং বর্তমান সরকারকে ঘিরে ৪৫১টি অপতথ্য ছড়ানোর তথ্য পাওয়া গেছে। একটি তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনের বরাতে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে সংগঠনটির নতুন সদস্যদের বরণ অনুষ্ঠান-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সালেহ শিবলী বলেন, অপতথ্য ও গুজব সাংবাদিকতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়লেও সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ কারণে মানুষ এখনো গুরুত্বপূর্ণ খবরের সত্যতা যাচাই করতে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার ঘটেছে, তবে এর সঙ্গে দায়িত্বহীন আচরণও বেড়েছে। এর বিপরীতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এখনো মানুষের আস্থা ধরে রেখেছে। মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো খবর দেখার পর সেটি সঠিক কিনা, তা যাচাই করতে টেলিভিশন ও প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্রের খবরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, অপতথ্য ও গুজব মোকাবিলায় সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিটি টেলিভিশন চ্যানেল ও গণমাধ্যমে নিয়মিত তথ্য যাচাইবিষয়ক অনুষ্ঠান চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিটের একটি অনুষ্ঠানও মানুষকে সঠিক তথ্য শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও’র সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, কখনো কখনো বড় সংবাদমাধ্যমও যাচাই না করে ভুয়া ছবি বা তথ্য প্রচারের ঝুঁকিতে পড়ে। তাই কোনো তথ্য প্রচারের আগে সেটির সত্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। সালেহ শিবলী বলেন, অপতথ্য ও গুজব মোকাবিলায় একটি কার্যকর আইন থাকা প্রয়োজন। তবে সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। সময়ের প্রয়োজনে আইনের সংশোধন, সংযোজন বা পরিবর্তনের সুযোগও থাকতে হবে। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে না জানা অনেক মানুষও অপতথ্যের শিকার হন। তারা নিজেরা এর প্রতিবাদ জানাতে বা প্রতিকার চাইতে সক্ষম নাও হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সরকারকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সবার জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ডিআরইউ’র নতুন সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, সংগঠনের ঐক্য ধরে রাখা জরুরি। মতভিন্নতা থাকতেই পারে, কিন্তু পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার মধ্যদিয়ে অভিন্ন লক্ষ্যে পৌঁছানোই একটি সংগঠনের সৌন্দর্য। সাংবাদিকদের রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল বা আদর্শকে সমর্থন করা সাংবাদিকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। তবে ব্যক্তিগত বা দলীয় বিশ্বাস যেন সত্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের দায়িত্ব হচ্ছে যা সত্য, তা তুলে ধরা। সরকারের ভালো উদ্যোগের ইতিবাচক দিক যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি কোথাও অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সেটিও প্রকাশ করতে হবে। তবে কোনো বিচ্ছিন্ন অনিয়মকে কেন্দ্র করে সামগ্রিক উদ্যোগের ইতিবাচক দিক আড়াল করা উচিত নয়। সালেহ শিবলী আরও বলেন, দেশে এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন, যেখানে ধর্ম, মতাদর্শ কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবেন না। সব নাগরিকের সমান অধিকার, মানবিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে ডিআরইউ’র নতুন সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি সংগঠনটির ঐতিহ্য ও ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানান। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাইনুল হাসান সোহেল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম। আরও বক্তব্য রাখেন ডিআরইউ’র সহ-সভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান, সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, দপ্তর সম্পাদক মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা), ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আকতার হোসেন, আলী আজম, মাহফুজ সাদি, আল-আমিন আজাদ, সুমন চৌধুরী ও মো. আব্দুল আলীম। সুত্র. বাসস

Read More »

রংপুর জেলা হোটেল ও রেস্তোরা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দীন, রংপুর / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর জেলা হোটেল ও রেস্তোরা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল ১৬ অক্টোবর শুক্রবার রংপুর নগরীর পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৩২৬ জন। নির্বাচনে মোট পদসংখ্যা ২৩ টি। এর মধ্যে সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মোট ৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । বাকি ২০টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে প্রার্থীরা। নির্বাচন পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মো, আব্দুল খালেক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সাহাব উদ্দিন, সদস্য মজাহারুল ইসলাম মন্টু, মোঃ আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ ইসলাম, প্রিজাইডিং অফিসার জাহিরুল ইসলাম, পুলিং অফিসার মনোয়ার হোসেন ঝন্টু। ভোট চলাকালীন সময়ে নির্বাচন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন রংপুর মহানগর জাতীয় শ্রমিক পার্টির সভাপতি মো, রাজু আহমেদ রাজু, সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Read More »

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

ধর্ম ও দর্শণ / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম • অর্থ , “পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)”। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম একটি আয়াত। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, জিবরাইল (আ.) সর্বপ্রথম মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি অবতীর্ণ করেছেন, জিবরাইল (আ.) বললেন, হে মুহাম্মদ! আপনি আশ্রয় চান। হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বললেন, “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” আমি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞাতা আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তান থেকে আশ্রয় চাই। অতঃপর জিবরাইল (আ.) বললেন, হে নবী! আপনি বলুন, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। অতঃপর জিবরাঈল (আ.) বললেন, ইকরা’ বিসমি… অর্থাৎ আপনি পড়ুন, আপনার প্রতিপালকের নামে, যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন। তথ্য ও তাৎপর্য • আরবি শব্দ বিশ্লেষণ: ‘বিসম’ অর্থ আল্লাহর নামে, ‘আর-রাহমান’ অর্থ পরম করুণাময় এবং ‘আর-রাহিম’ অর্থ অসীম দয়ালু। • কোরআনে ব্যবহার: পবিত্র কোরআনের ১১৪টি সূরার মধ্যে সূরা আত-তাওবা (৯ নম্বর সূরা) ব্যতীত বাকি ১১৩টি সূরার শুরুতেই এটি লেখা আছে। এছাড়া সূরা আন-নামলের ৩০ নম্বর আয়াতে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বিদ্যমান। • ইসলামী বিধান: যে কোনো ভালো ও বৈধ কাজ (যেমন—খাওয়া, পড়াশোনা, ঘর থেকে বের হওয়া বা যেকোনো ভালো কাজ) শুরু করার আগে এটি পাঠ করা সুন্নত বা মুস্তাহাব। এতে কাজে বরকত হয় এবং শয়তান থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। • পশু জবাই: শরিয়ত অনুযায়ী পশু জবাই করার সময় বিসমিল্লাহ পাঠ করা আবশ্যক, এটি ছাড়া জবাইকৃত প্রাণী হালাল হয় না। চলমান……

Read More »