সর্বশেষ
সর্বশেষ

Author: Desk Reporter

সৌদি আরবে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে আছেন : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, সৌদি আরবে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে বন্দি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহমেদ আশিকের মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন অভিযোগে সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে আনুমানিক সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন। সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির নাম এই তালিকায় ছিল কি না, আমরা তা যাচাই করে দেখছি। তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কোনো তথ্য পাইনি। রায়ের অনুলিপি দেওয়ার জন্য আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি। অনুলিপি পেলে আমরা বিস্তারিত জানতে পারব। প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একা কাজ করে না উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়াগুলো পরিচালনায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও যুক্ত থাকে। তিনি আরও বলেন, যখনই আমরা জানতে পারি কোনো বাংলাদেশি সৌদি আরবে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তখনই আমরা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সাজা কমানো বা ক্ষমা চাওয়ার কোনো সুযোগ আছে কি না, তা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি। অন্য দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই সরকার নিজের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায় বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই অন্য কোনো দেশের বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করব না, তবে এমন ঘটনার খবর পেলেই সরকার নিজের নাগরিকদের রক্ষায় সাধ্যমতো চেষ্টা করে। শামা ওবায়েদ আরও বলেন, মূল সমস্যা হলো, যে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাদের দণ্ডাদেশের বিষয়টি আমাদের জানানো হয়নি। সম্প্রতি সৌদি আরবে নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে গত ১৮ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক গোপন নথির তথ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে দেশটিতে আটক ছিলেন। নথিতে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বা পরে কোনো সময়ই সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি। গত ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বক্তব্যের বরাত দিয়ে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এই তথ্যটি জানা যায়। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, মক্কার একটি মসজিদে ‘অশালীন কাজের’ অভিযোগে মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সুত্র. ইউএনবি //

Read More »

ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পার্টির আলোচনা সভা

জালাল উদ্দীন, রংপুর প্রতিনিধি দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস উপলক্ষে রংপুরে জাতীয় পার্টির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মো. আজমল হোসেন লেবু। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ও রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব হাজী আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও বর্তমান সদস্য মো. শাহিনুর হক কমেট এবং যুব নেতা মহিদুল ইসলাম মুহিত। সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মাসুদার রহমান মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন মমিনপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম, সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম, চন্দনপাট ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক হাফিজার রহমান, সদস্য সচিব মো. ছগির আলম প্রামাণিক জসিম, সদস্য তারিকুল চৌধুরী ও ফজলুল হক। এছাড়া হরিদেবপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, সদস্য এমদাদুল ইসলামসহ জাতীয় পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ঐতিহাসিক উপজেলা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।###

Read More »

এবি পার্টি রংপুর জেলা ও মহানগর সংগঠকদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, আগামীতে এবি পার্টিকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে রংপুর বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির আয়োজনে এবি পার্টি রংপুর জেলা ও মহানগর সংগঠকদের নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১১ টায় রংপুর নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে মত বিনিময় সভায় এবি পার্টির রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক মো. মাহবুবুর রহমান মাহাবুব এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস ইসলাম খান। আরোও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আবু বকর সিদ্দিক, এবি পার্টি রংপুর মহানগর শাখার আহবায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, এবি পার্টি রংপুর জেলা শাখার আহ্বায় মো. আখতারুজ্জামান, এবি পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর এর যুগ্ন আহবায়ক ফিরোজ কোবির, লালমনিরহাট জেলা কমিটির আহবায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু রায়হান আশয়ারী রচি, রংপুর মহানগর শাখার সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক গোলজার হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভায় আগামীতে সংগঠনকে শক্তিশালী এবং জেলা, মহানগর ও উপজেলা কমিটির জনবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক আলোচনা করা হয়।

Read More »

রংপুরে জেলা প্রশাসকের বৈঠকেও মেটেনি জমি বিরোধ, আটকে আছে প্রতিমা বিসর্জন

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঁ রংপুর নগরীর ঠিকাদারপাড়া মোড়ে একটি অস্থায়ী দুর্গামন্দিরের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন না দেওয়ার ঘটনায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক হলেও জমি নিয়ে বিরোধের চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।তবে বৈঠক শেষে প্রতিমা বিসর্জনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিচারকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। রাত ৮টার দিকে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে জমির মালিকানা দাবিদার রীতা রানী রায় অভিযোগ করেন, জেলা আওয়ামী কৃষক লীগ নেতা প্রাণকৃষ্ণ গোস্বামী প্রান্নু তাদের পারিবারিক জমি জোর করে দখলের চেষ্টা করছেন। সেখানে অস্থায়ী পূজামণ্ডপকে স্থায়ী মন্দিরে রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। রীতা রানী বলেন, এখানে এসে (ডিসি অফিসে) আমরা ন্যায়বিচার পেলাম না। আমাদের জমিতে ভাঙাগড়ার পূজামণ্ডপকে মন্দির বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজয়া দশমীর পরও দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন না দিয়ে সেখানে রেখে জমিটি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী কমল গোস্বামী বলেন, আদালত যে রায় দেবেন, আমরা সেই রায় মেনে নেব।বৈঠক শেষে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, ঠিকাদারপাড়া মোড়ে দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জন না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সমস্যা নিয়ে দুইপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়েছে। এখন প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। আগামী রোববার বিচারকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে রংপুরে সবাই শান্তিতে বসবাস করতে পারেন। এর আগে, বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে অস্থায়ী মন্দিরটির জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। একপর্যায়ে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। উ. পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। পরে সেখানে এসআরবি সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়। জমির মালিকানা দাবিদার পক্ষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্গাপূজার জন্য অস্থায়ীভাবে ব্যবহৃত পারিবারিক জমিটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে মন্দির কমিটির দাবি, জমিটি মন্দিরের নামে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে কেনার জন্য বায়না করা হলেও মালিকপক্ষ দলিল নিবন্ধন করে দিচ্ছে না। এ বিরোধের মধ্যেই স্থায়ীভাবে কালীমন্দির স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উল্লেখ্য বুধবার রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশ দেওয়া হলেও মন্দির কমিটি তাতে সম্মত হয়নি। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠকের পর প্রতিমা বিসর্জনের সিদ্ধান্ত জানানো হলেও জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো বাকি রয়েছে।

Read More »

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

জালাল উদ্দীন রংপুর / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনায় ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতাল । বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ত্রুটি মেরামত শেষে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়। তবে হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা-সংলগ্ন একটি সুইচ বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কর্তব্যরত এক নার্স ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় সুইচ বোর্ডের সার্কিট ব্রেকার ও বৈদ্যুতিক তার পুড়ে যায়। ফলে পুরো হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আকস্মিক এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাময়িকভাবে চিকিৎসাসেবা গ্রহণে ভোগান্তিতে পড়েন ভর্তি রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা। দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যুতের লাইনের ত্রুটি মেরামত করা সম্ভব হয়। এরপর হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হওয়ার পর ডায়ালাইসিস, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এবং অন্যান্য জরুরি চিকিৎসাসেবার কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চালু হয়েছে। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. কানিজ সাবিহা বলেন, প্রশাসনিক ভবনের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তাঁরা। তিনি আরও জানান, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও এতে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

Read More »

জমি বিরোধে দুই দিনেও প্রতিমা বিসর্জন হয়নি ঠিকাদারপাড়ায় সড়ক অবরোধ, উত্তেজনা; মণ্ডপে বিজিবি মোতায়েন

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি : দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর মহানগরীর ঠিকাদারপাড়া পূজা মণ্ডপের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিজয়া দশমীর দুই দিন পরও প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ, হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে মণ্ডপের সামনে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে মণ্ডপের জমির মালিক রীতা রানী রায় মন্দির কমিটির লোকজনকে মণ্ডপে থাকা সব প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নিয়ে যেতে বলেন। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে লক্ষ্মী প্রতিমা মণ্ডপে রেখে যাওয়ার কথা বলা হলে এতে আপত্তি জানান জমির মালিক। তিনি সব প্রতিমা সরিয়ে নেওয়ার দাবি করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে মন্দির কমিটির লোকজন ঠিকাদারপাড়া মোড়ে স্টেশন রোড অবরোধ করেন। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. তোফায়েল আহমেদ এবং কোতোয়ালি মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন কুমার চ্যাটার্জী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশ কর্মকর্তারা পূজা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। পরে উভয় পক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সমাধান হয়নি। রাত পর্যন্ত কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। এদিকে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্র জানায়, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী ডনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে। সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মণ্ডপ এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত জমির মালিক রীতা রানী রায়কে মণ্ডপের সামনে অবস্থান করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মণ্ডপের সামনে প্রায় দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। দুই দিনেও প্রতিমা বিসর্জন না হওয়ায় মণ্ডপ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত বিরোধের নিষ্পত্তি হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা

Read More »

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী

ভোলা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ খৃ. – সাইবার সুরক্ষা আইনসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইন আমরা সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছি। এই প্রক্রিয়া আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে স্টেকহোল্ডার, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের মালিক ও পত্রিকা সম্পাদকদের সঙ্গে বসে আলোচনা করা হচ্ছে।’ বুধবার রাতে নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা সদরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এমনভাবে একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করতে চাই— যাতে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষ সবাই সমানভাবে সুরক্ষা পান। আইন সংশোধনের এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অচিরেই এ বিষয়ে আরও ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ভোলা সদরের মোট ২৯টি মণ্ডপে ২৯ লাখ টাকা ব্যক্তিগত অনুদান প্রদান করেন তথ্যমন্ত্রী। বুধবার রাতভর তিনি জেলা শহরের বিকাশ মজুমদার বাড়ির পূজামণ্ডপ, অনুজকাহালী লেনের পূজামণ্ডপ, মদনমোহন মন্দির, ওয়েস্টার্ন পাড়ার শতদল বিকাশ ক্লাব সংলগ্ন পূজামণ্ডপ, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ, লক্ষ্মী গোবিন্দ মন্দির, বাপ্তা মহাজনের পোল পূজামণ্ডপ, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজামণ্ডপ এবং সার্কুলার রোড পূজা মণ্ডপসহ মোট ৯টি মন্দির পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এবার অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ও সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন। হিন্দু, মুসলমানসহ দেশের সব নাগরিক এখন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাচ্ছেন—এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দের বরাতে তিনি আরও জানান, এবার পূজা চলাকালে ভোলায় কোথাও কোনো নিরাপত্তার শঙ্কা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সম্প্রতি নেত্রকোনায় এক সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেবল সাংবাদিক বা নির্দিষ্ট কোনো পেশাজীবী নয়—রাষ্ট্রীয় আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অপরাধমূলক ঘটনা ঘটলে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ীই বিচার করা হবে। ভোলা জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অসীম কুমার সাহা বাসসকে জানান, তথ্যমন্ত্রী ও জেলার স্থানীয় সংসদ সদস্যদের কঠোর তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার কারণে এবার জেলার ১১৮টি পূজামণ্ডপে ভক্তরা নির্বিঘ্নে পূজার্চনা করতে পেরেছেন। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখায় তিনি জেলা পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। সুত্র. বাসস //

Read More »

অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর

তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ খৃ৷ – অবৈধভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদন, চোরাচালান এবং অনুমোদনহীন বিক্রির মাধ্যমে বছরে সরকারের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ লক্ষ্যে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি বন্ধেরও লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়ন অনুযায়ী, অবৈধ মোবাইল ফোনের কারণে সরকার বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্রে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রমগুলো চালু করা হবে। তবে এ পর্যায়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে না। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সচল থাকা হ্যান্ডসেটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। পাশাপাশি অনুমোদিত আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে অবিক্রিত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বরের তথ্যও ব্যবস্থাটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিদেশ থেকে আনা অবৈধ, চোরাচালানের মাধ্যমে প্রবেশ করা এবং শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা হ্যান্ডসেট শনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থাও থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত সময়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ফোনের মালিকানা যাচাই, ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় সংস্থাটির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগের মহাপরিচালক এনইআইআর পুনরায় চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো চালু করা হয়নি। ফলে এনইআইআর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করবে বিটিআরসির এসএম বিভাগ। দুই ধাপে ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সরকারের পূর্বানুমোদন পেতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। রাজস্ব ফাঁকি রোধ, টেলিযোগাযোগ খাতের শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর তাগিদ দিয়ে আসছে। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর এনবিআর অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে বিটিআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়। পরে ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এ ব্যবস্থা পুনরায় চালুর পরিকল্পনায় প্রাথমিক অনুমোদন দেয়। ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় দেশের সব নেটওয়ার্কে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি থাকলেও জনভোগান্তি এড়ানোর কথা বিবেচনায় নিয়ে ফোন বন্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো কার্যকর করা হয়নি। ২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিক চিঠিতে অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় তুলে ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা জানায়। একই বছরের ২ জুলাই আইএমইআই, সিম নিবন্ধন এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির ঝুঁকি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়ও ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুপারিশ করা হয়। সর্বশেষ গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর সুপারিশ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, অনিবন্ধিত, চোরাই ও ক্লোন হ্যান্ডসেট সংঘবদ্ধ অপরাধ, মোবাইল ফোন চুরি এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি যন্ত্রের পরিচয় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। এদিকে, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শুধু দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধে পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি। এ পরিকল্পনার আওতায় এ ধরনের ফোনের অনুমোদন, উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

Read More »

রংপুরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় রংপুর নগরীর কালেক্টরেট সুরভী উদ্যানের সামনে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উপলক্ষে এ আলোচনা সভা ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. সামসুজ্জামান সামু। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মু. মাহবুবুর রশীদ, পিপিএম-সেবা। এ ছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব কমিটির সদস্য অরূপ দত্ত ও সিতু মোহন্ত, গুপ্তপাড়া দুর্গামন্দিরের সভাপতি সুব্রত সরকার মুকুল, রংপুর ধর্মসভার সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার এবং রংপুর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক নুরন্নবী চৌধুরী মিলনসহ বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে বিজয়া দশমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীকে ঘিরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ ফুটে ওঠে।

Read More »

সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-জাপান, টোকিওতে বৈঠকে বসছেন দুই প্রধানমন্ত্রী : পররাষ্ট্র সচিব

ইবি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ জোরদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। চার দিনের আসন্ন সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। তিনি বলেন, আশা করা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে, দুই দেশের সম্পর্কে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে এবং জাপান থেকে বাংলাদেশে নতুন বেসরকারি বিনিয়োগ আসবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপানে সরকারি সফর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলে থাকবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। অন্যদিকে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এদিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফরের মাধ্যমে জাপান ও বাংলাদেশের ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি হালনাগাদ মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) বাস্তবায়নে সমন্বয়ও বাড়বে। বাংলাদেশ এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, যার সঙ্গে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো মূল্যবোধ ও নীতির মিল রয়েছে। এক কূটনৈতিক সূত্র ইউএনবিকে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরকে কেন্দ্র করে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের ঘোষণা দিতে পারে অথবা নতুন কার্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা জানাতে পারে। সূত্রটি আরও বলে, চ্যালেঞ্জিং সময়েও জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে কার্যক্রম চালিয়ে গেছে এবং এ বাজার থেকে সরে যায়নি। কয়েকটি কোম্পানি সফরকালে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। পররাষ্ট্র সচিব সিয়াম বলেন, সফরের সময় কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন বিষয়ে সমঝোতা স্মারকের খসড়া নিয়ে বর্তমানে আলোচনা হচ্ছে। সফরের সময় এসব সমঝোতা স্মারকের অনেকগুলোই সই হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র সচিব। সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে পরবর্তী পররাষ্ট্র সচিব হতে যাওয়া সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (জনকূটনীতি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক বিষয়) এ কে এম শহীদুল করিম এবং চিফ অব প্রটোকল এ এফ এম জাহিদ উল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জাপান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে সরকারি সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। একই সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে টোকিওর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে দেশটি। গত এপ্রিলে এশিয়াজুড়ে জ্বালানি-সংক্রান্ত সমস্যা আরও কার্যকরভাবে মোকাবিলায় জাপানের নেতৃত্বাধীন একটি উদ্যোগকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ। সে সময় বাংলাদেশ বলেছিল, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, কারণ কোনো একক দেশের পক্ষে একা তা সমাধান করা সম্ভব নয়। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অনলাইনে ওই বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবার এ সফরের মাধ্যমে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া ও সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হবে বলেও সিয়াম আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার হবে, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহায়তার পরিমাণ বাড়বে এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনে জাপানের সহায়তার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি, যার ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্ভব হবে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বাইরেও দুই নেতা বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত অবসানে যৌথ ভূমিকা রাখার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন সিয়াম। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দেশটি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। সিয়াম বলেন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, যোগাযোগ, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের বর্তমান সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্ব হিসেবেও বর্ণনা করেন তিনি। এই কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম চলছে। এ সফরের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন সচিব। বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত করার জন্য আসন্ন সফরকে সময়োপযোগী সুযোগ হিসেবেও বর্ণনা করেন তিনি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সই হওয়ায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সফরকালে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া জাপানের চিবা প্রিফেকচারের কাৎসুরা শহরে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লো সদর দপ্তর এবং নাগোয়া শহরে টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার। সুত্র. ইউএনবি/

Read More »