সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 25, 2024

রংপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা ও মহানগরের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা ও মহানগরের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। রবিবার (২৪ নভেম্বর) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সমন্বয়ক ও আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব আরিফ সোহেলের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটি প্রকাশ করা হয়। এতে জেলা কমিটিতে কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান আহমেদকে আহ্বায়ক ও রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ডাঃ আসফাক আহমেদ জামিলকে সদস্য সচিব করে ১৫৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী রিফাত হাসানকে মূখ্য সংগঠক ও সিটি কলেজের ইয়াসির আরাফাতকে মুখপাত্র করা হয়েছে। অপরদিকে মহানগর কমিটিতে ইউল্যাবের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতিকে আহ্বায়ক ও বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রহমত আলীকে সদস্য সচিব করে ১১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি প্রকাশ করা হয়। এতে কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের আলী মিলনকে মূখ্য সংগঠক ও রংপুর ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলজির নাহিদ হাসান খন্দকারকে মূখপাত্র করা হয়েছে। উভয় কমিটি আগামী ৬ মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

Read More »

প্রধান বিচারপতি ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ খৃ. – প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ গত ১১ আগস্ট ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর ১২ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে অভিষেক বক্তৃতায় রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রধান বিচারপতি তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন যে, সারাদেশের ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারিসমূহ বিচার বিভাগের বিস্তৃত ক্ষেত্র। এ কারণে স্বচ্ছ, স্বাধীন ও জবাবদিহিতামূলক বিচার বিভাগ গড়ার প্রত্যয়ে গত ২১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে দেশের বিচারকদের উপস্থিতিতে রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ তুলে ধরেন, যাতে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্বতন্ত্রীকরণ ও বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক পৃথকীকরণের বিষয়ে আলোকপাত করেন। প্রধান বিচারপতি তাঁর অভিভাষণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকল্পে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের বাস্তবায়নে পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় আইনি ও কাঠামোগত সংস্কার আনয়ন বিষয় তুলে ধরেন। বিচার বিভাগের জন্য স্বতন্ত্র ও পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দকরণ, অধস্তন আদালতের বিচারকগণের বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকল্পে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিচার বিভাগে মেধার চর্চার উন্মেষ, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ন, সকল প্রকার দুর্নীতি বিলোপের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক বিচারসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কারে উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন রোডম্যাপে। আজ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতি তাঁর ঘোষিত বিচার বিভাগীয় রোডম্যাপের বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে গত ২৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট হতে পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। ওই প্রস্তাবে সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে হাইকোর্ট বিভাগ, অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ যথাযথরূপে পালনের উদ্দেশ্যে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি অধ্যাদেশের খসড়া, প্রস্তাবিত সচিবালয়ের অর্গানোগ্রাম এবং সম্ভাব্য সংস্কার সম্পর্কে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণকে রাষ্ট্রের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, সংবিধানের ৪র্থ তফসিলের অন্তর্গত ‘অন্তবর্তীকালীন ও সাময়িক বিধানাবলী’র দফা ৬(৬) অনুযায়ী অধস্তন আদালত সম্পর্কিত সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের ২য় পরিচ্ছেদের বিধানাবলী যথাশীঘ্রই সম্ভব বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’ তাই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার আলোকে সুপ্রিম কোর্ট প্রস্তাবিত পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হলে অধস্তন আদালতের বিচারকগণের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলা, ছুটি ইত্যাদি বিষয়ে প্রচলিত দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটবে এবং বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। প্রধান বিচারপতি ঘোষিত রোডম্যাপে অধস্তন আদালতের বিচারকগণের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে। বদলি ও পদায়ন নীতিমালার একটি খসড়া প্রস্তুত করে তা সম্পর্কে সারা দেশের অধস্তন আদালতের বিচারকগণের মতামত আহবান করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি পত্র দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চিফ মেট্রোপলিটন আদালতসহ সব ট্রাইব্যুনালে ৩ নভেম্বর প্রেরণ করা হয়েছে। খসড়া নীতিমালা সম্পর্কে অধস্তন আদালতের বিচারকগণের মতামত গত ৭ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রহণ করা হয় এবং মতামত গ্রহণের সুবিধার্থে খসড়া নীতিমালাটি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হয়। গত ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলা ও দায়রা জজ আদালত হতে মোট ৫২টি মতামত পাওয়া গেছে। এগুলো যাচাই-বাছাইক্রম করে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করে অচিরেই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে।  ঘোষিত রোডম্যাপের ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে দেশের উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।  প্রতিবেশী দেশসমূহসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে যে সব প্রক্রিয়া অনুসৃত হয় তা বিশ্লেষণ করে এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এই খসড়া সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিবৃন্দের মতামত গ্রহণের জন্য ১৪ নভেম্বর প্রেরণ করা হয়েছে। প্রস্তুতকৃত খসড়ায় উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য একটি জুডিসিয়াল এপোয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত প্রস্তাবিত জুডিসিয়াল এপোয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল সম্পর্কে বিচারপতিগণের ১৮টি লিখিত মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে মোট ১৮টি লিখিত মতামত পাওয়া গেছে। প্রধান বিচারপতির সার্বিক তত্ত্বাবধানে মতামতসমূহ নিরীক্ষাপূর্বক খসড়া অধ্যাদেশটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের অপেক্ষায় রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের বিচার সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতি গত ১৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তৃতা দেন। সুপ্রিম কোর্টের সেবা সহজীকরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং  দুর্নীতি প্রতিরোধে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধান বিচারপতির উপস্থিতিতে ১২ দফা বাস্তবায়নে সুপ্রমি কোর্ট রেজিস্ট্রির বিভিন্ন শাখার গৃহীত পদক্ষেপ ও দাখিলকৃত অগ্রগতি প্রতিবেদন আজ মূল্যায়ন করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে আগত কোনো বিচারপ্রার্থী বা সেবাগ্রহীতা সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কোনো শাখায় সেবা গ্রহণে কোনো প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হলে বা সেবা গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো অসুবিধার মুখোমুখি হলে উক্ত সেবাগ্রহীতাকে সহায়তা করার নিমিত্ত একটি হেল্পলাইন নাম্বার (+৮৮ ০১৩১৬১৫৪২১৬) চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা হেল্পলাইন পরিচালনা করেন এবং সেবাগ্রহীতাকে প্রয়োজনীয় সাহায্য প্রদান করেন।  সরকারি ছুটির দিন ব্যতিরেকে প্রতি রোববার হতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উক্ত হেল্পলাইন সার্ভিস চালু থাকে।  এ পর্যন্ত হেল্পলাইন নাম্বারে আইনি পরামর্শ, মামলা সম্পর্কিত তথ্য ও অভিযোগ দাখিল সংক্রান্ত মোট ৭২৩টি কল গ্রহণ করা হয়েছে। ৪২৬টি কলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কলদাতা আইনি পরামর্শ গ্রহণ করেছেন। ২৪৩টি কলের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাগণের মামলা সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন অনিয়ম, কাজে অবহেলা, সেবা প্রাপ্তিতে বিলম্ব ও  দুর্নীতি সংক্রান্ত ৪২টি কল গ্রহণ করা হয়েছে এবং অভিযোগসমূহ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর কারণে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের পরিবর্তে সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষিত হলেও এ সংক্রান্ত রিভিউ দরখাস্তটি অনিষ্পন্ন ছিলো। গত ২০ অক্টোবর আপিল বিভাগ বিষয়টি নিয়ে রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি হলে বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হয়। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতি রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে নিজ স্বাক্ষর যুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করা ইচ্ছা পোষণ করলে ১৯ নভেম্বর তাদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রধান বিচারপতি ঘোষিত বিচার বিভাগ সংক্রান্ত রোডম্যাপের আওতায় বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কার্যক্রমসমূহ বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং বিচার বিভাগের কার্যকর পৃথকীকরণের মাধ্যমে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

Read More »

রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ্রাম্যমান মা ও শিশু ক্লিনিকের উদ্বোধন

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে গর্ভবতী মা ও শিশুর মাঠ পর্যায়ে প্রসব পূর্বক চেকআপ ও প্রসবোত্তর সেবা প্রদানে এবং গর্ভবতী মায়েদের নরমাল ডেলিভারীতে সচেতনা বৃদ্ধি এবং উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে “ভ্রাম্যমান মা ও শিশু ক্লিনিক”। গতকাল সোমবার বিকেলে রংপুর নগরীর পূর্বগেট এলাকায় রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উদ্যাগে এই ভ্রাম্যামান মা ও শিশু ক্লিনিকের উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আহসান সরকারের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসিবুল হাসান রুমী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রংপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোস্তফা জামান চৌধুরী, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, রংপুর গ্রুপের অতিরিক্ত পরিচালক মিরাজুল মুহসিন, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নরমাল ডেলিভারী ইউনিট প্রধান সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মিতালী ভট্টাচার্য, গাইনী বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ আনিসা বেগম, সাবেক গাইনী বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ আজিজা বেগম লুসি প্রমুখ। জানাগেছে, উত্তরবঙ্গের সর্বাধুনিক হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (ডক্টরর্স হসপিটাল প্রা: লি:)রংপুরের উদ্যাগে বাংলাদেশে এই প্রথম “ভ্রাম্যমান মা ও শিশু ক্লিনিক” যাত্রা শুরু করল। এখানে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে এ থাকছেন দক্ষ গাইনী চিকিৎসক এবং নার্স। অত্যাধুনিক মানের ভ্রাম্যমান আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন,নরমাল ডেলিভারীর জন্য সুপ্রসন্ত কেবিন রয়েছে। এছাড়াও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য রয়েছে দক্ষ শিশু বিশেষজ্ঞ। এছাড়াও রোগীদের দ্রুততম রোগ নির্ণয়, সর্বোচ্চ চিকিৎসা, শ্রেষ্ঠ সার্ভিস ও প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

Read More »

সভাপতি: শাহেদ কামাল: সম্পাদক: আফতাব উদ্দিন রংপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর আইনজীবী সমিতির কার্যকরি পরিষদের (২০২৪- ২০২৬) দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন গত ২৪ নভেম্বর রংপুর আদালতে আইনজীবী সমিতির হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মোট ১২টি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন প্রার্থীরা। ভোট গননা শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির রিটার্নিং অফিসার এ্যাড. মোঃ আব্দুর রউফ ফলাফল প্রকাশ করেন। নব নির্বাচিত সভাপতি এ্যাড. শাহেদ কামাল ইবনে খতিব, সিনিঃ সহ সভাপতি এ্যাড. আব্দুর রউফ, সহ সভাপতি এ্যাড. আবু তাহের আলী নিউটন, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আফতাব উদ্দিন, সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. একেএম হারুন উর রশিদ, এ্যাড. আলহাজ্ব মিসেস সুফিয়া খাতুন, কোষাধক্ষ এ্যাড. আনোয়ার হোসেন কোরাইশী, বার ভবন এ্যাড. জাহিদুর রহমান দুলাল, এ্যাড. লতিফুর রহমান প্রামানিক ডাবলু, লাইব্রেরী বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. সায়েম সরকার তুলিপ, দপ্তর সম্পাদক এ্যাড. নাজিরা খাতুন বিথী, ধর্ম ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. কাওছার আলী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. রবিউল ইসলাম রবি, সদস্য এ্যাড. তারেকুজ্জামান তারেক, এ্যাড. রায়হানুজ্জামান রায়হান, এ্যাড. শহিদুল ইসলাম স্বপন, এ্যাড. শীতাংশু কুমার মন্ডল সোহাগ।

Read More »

একনেকে ৫ হাজার ৯১৫ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভযেস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ৫ হাজার ৯১৫ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। সোমবার (২৫ নভেম্বর) পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও একনেকের চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভা শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছেন, একনেক সভায় প্রায় ৫ হাজার ৯১৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৫টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৯৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, বৈদেশিক অর্থায়ন ৪ হাজার ৭৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিড নেটওয়ার্কের পরিবর্ধন এবং ক্ষমতাবর্ধন’ প্রকল্প; শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘যুব উদ্যোক্তাদের উন্নীত করার জন্য বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্প; নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ‘মোংলা বন্দরে আধুনিক বর্জ্য ও নিঃসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘চট্টগ্রাম পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প (ক্যাচমেন্ট-২ ও ৪)’ প্রকল্প এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ইমার্জেন্সি মাল্টি-সেক্টর রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্রজেক্ট (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প। এ ছাড়া ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে ২টি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

Read More »

একদিনই তিন শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ইসরাইলের ভিত নড়বড়ে করে দিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ খৃ. – লেবাননের হিজবুল্লাহ্ গেরিলারা একদিনই তিন শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ইসরাইলের ভিত নড়বড়ে করে দিয়েছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই ইসরাইল ভূখণ্ডে তিন শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর একটি মাত্র কারণ হচ্ছে হিজবুল্লাহ্রা ইসরাইলকে আর বিশ্বাস করতে পারছিলো না।  এ কারণেই রোববার ইসরাইলের দক্ষিণে ও তেল আবিবের একটি নৌ ঘাঁটিতে এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র চালানো হয়েছে। অন্যদিকে বৈরুতে ব্যাপক বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। সোমবার ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ আলজাজিরার প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি এএফপি এই খবর জানিয়েছে। এএফপি জানিয়েছে, রোববার ইসরাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ৩শ’ ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে হিজবুল্লাহ। এসব ঘটনায় অন্তত ১১জন আহত ও অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, প্রথমবারের মতো তারা ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে আশদোদ নৌঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। পরে সংগঠনটি আবার জানায়, অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে তেল আবিবের একটি ‘সামরিক স্থাপনাতে’ মুহুর্মুহু হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া তেল আবিবের উপকণ্ঠে গ্লিলট সেনাবাহিনী গোয়েন্দা ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা। আলজাজিরা বলেছে, হিজবুল্লাহর হামলায় মালোন শহরের একটি কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেতুলা শহরও ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় প্রশাসন। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল আবিবের উপকণ্ঠসহ উত্তর-পূর্ব ও মধ্য ইসরাইলের একাধিক জায়গায় সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে। আকাশপথে হামলা হলে এমন সাইরেন বাজানো হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর ছোড়া প্রায় আড়াইশ’ ক্ষেপণাস্ত্র লেবানন থেকে ইসরাইল প্রবেশ করেছে। এর আগে রোববারই ১৬০টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছিল তারা। ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, এর মধ্যে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে থাকতেই ধ্বংস করা হয়েছে। পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরাইলও। লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে তারা। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের ৫টি এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইলি সরকার। লেবাননজুড়ে চালানো এসব হামলায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় লেবাননের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত বৈরুতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  বন্ধ ঘোষণা করেছে। এদিকে, গাজা ও লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী যুদ্ধ চালিয়ে গেলেও সংঘাত বন্ধ চান দেশটির সাধারণ মানুষ। এক জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ইসরাইলের ৫৪ শতাংশ বাসিন্দা যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। আর ২৮ শতাংশ মানুষ যুদ্ধ বন্ধের বিপক্ষে মত দিয়েছেন।

Read More »

ইসলামিক ফাউন্ডেশন’র বোর্ড অফ গভর্নর নির্বাচিত হওয়ায় অধ্যক্ষ সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানীকে চরমোনাই জামেয়ার শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রবৃন্দের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা দেন

বেলাল হোসেন সিকদার/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: চরমোনাই জামেয়া আহসানাবাদ রশীদিয়া কামিল মাদরাসার স্বনামধন্য অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর বোর্ড অফ গভর্নর এর সদস্য মনোনীত হওয়ায় চরমোনাই জামেয়ার শিক্ষক,কর্মচারী ও ছাত্র দের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা দেন। গত ১৮ই নভেম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ১১ সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড অফ গভর্নরের প্রজ্ঞাপন জারি করেন রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। চরমোনাই কামিল মাদ্রাসার স্বনামধন্য অধ্যক্ষ বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও গবেষক সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল- মাদানী বলেন আমাকে বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ের সর্বোচ্চ জায়গা হল ধর্ম মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর বোর্ড অফ গভর্নরের সদস্য হিসাবে আমাকে নিয়োগ দেয় বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার ও তার প্রশাসন, এর জন্য আমি সর্বপ্রথম আল্লাহ পাকের শুকরিয়া আদায় করছি এবং যারা আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।সেই সাথে তিনি আরো বলেন আমার উপরে যে দায়িত্ব আসছে সে দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারি সেজন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়ার আহবান জানিয়েছেন। সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী চরমোনাইর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদাররিসিন এর সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য। উপরোক্তা দায়িত্ব ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

Read More »