সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: January 21, 2023

Lawmakers urge to launch ‘health insurance’ for extreme poor

Parliament Reporter / Thelegalvoice24 : DHAKA, Jan 19, 2023 – Lawmakers today urged the government to launch ‘health insurance’ aiming to facilitate free healthcare service to the poor. The government led by the ruling Awami League(AL) although has enforced various programmes for the poor people and the government should to implement health insurance for the poor, they said while taking part in the discussion on thanksgiving motion of the President’s speech at the Jatiya Sangsad here with Deputy Speaker Shamsul Haque Tuku in the chair. Taking part in the discussion, the lawmakers highlighted different development activities in various sectors including communication, socio-economic, education, youth and sports, information and communication technology (ICT) under the leadership of Prime Minister Sheikh Hasina. The President in his 168-page speech on January 5 last, on the first day of the maiden session in 2023 of the 11th parliament, focused on the country’s massive successes in different sectors. “The government led by Prime Minister Sheikh Hasina has taken various initiatives for the health sector ….the government should introduce health insurance for the poor so that the lower income people and extreme poor people get free treatment easily for critical diseases”, said Major (retd) Rafiqul Islam of Chandpur-5. The poor people usually unable to afford treatment for critical diseases as they have to lose everything for getting such expensive treatment, said the lawmaker. “We hope the country will become a militant and corruption free smart Bangladesh before the stipulated timeframe of 2041 under the leadership of Prime Minister Sheikh Hasina”, said Dr AFM Ruhul Haque of Satkhira-3. Participating in the discussion, Shirin Akhter of Feni-1 said BNP-Jammat clique is trying to create impediment against the ongoing development, adding, “We could not resolve 50 years long problem with Pakistan due to their heinous conspiracy”. Opposing the activities of BNP-Jammat, the Jatiya Samajtantrik Dal lawmaker said they are staging movement demanding for democracy which is absurd as the country has democracy and that’s why they are getting privilege of staging movement. Earlier, the chief whip Nur-E Alam Chowdhury came up with a proposal for holding discussion on thanksgiving motion of the President’s speech in the House and then it was seconded by treasury bench lawmaker Shamsul Huq Tuku. Treasury bench lawmakers including Abdus Salam Murshedi of Khulna-4, Tahzeeb Alam Siddique of Jhenaidah-2, Adiba Anjum Mita of women seat-37, Mahfuzur Rahman of Chattogram-3, M A Matin of Kurigram-3, Md. Aftab Uddin Sarker of Nilphamari-1, Md. Zillul Hakim of Rajbari-2 and Tanvir Shakil Joy of Sirajganj-1, attended the discussion. The lawmakers also thanked the President for giving a timely speech highlighting the success stories of the government and guiding the nation towards peace, progress and prosperity. Earlier, they paid a rich tribute to the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman for his contribution to establishing an independent Bangladesh

Read More »

সাকিব দলের সবাইকে এক সুতোয় গেঁথে রেখেছেন

বিনোদন ডেস্ক / লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম : জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর। স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বছরের পুরো সময়। তার সঙ্গে স্টেজে যে কজন মিউজিশিয়ান কাজ করেন তাদের মধ্যে মেহেদী হাসান শাকিবের সঙ্গেই কেটেছে দেড় যুগেরও বেশি সময়। এ দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করতে পেরে বেশ আনন্দিত শাকিব। তার প্রসঙ্গে আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আমার শোবিষয়ক সবকিছু তিনিই সামলান। দীর্ঘদিন আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। খুব ভালো বাজান তিনি। মোট কথা দলের সবাইকে তিনি এক সুতায় গেঁথে রেখেছেন।’

Read More »

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল অসহায় মানুষের স্বল্প খরচে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা : আইনমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম : ঢাকা, ২১ জানুয়ারি, ২০২৩ : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমন একটি স্বাধীন বিচার বিভাগের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে শোষিত-বঞ্চিত-নির্যাতিত এবং অসহায় মানুষগুলো স্বল্প খরচে দ্রুত ন্যায়বিচার পাবেন। ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ/সমপর্যায়ের বিচারকদের জন্য আয়োজিত ১০ম ওরিয়েন্টেশন কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আজ এসব কথা বলেন তিনি। বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সাওয়ার ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) শেখ আশফাকুর রহমান বক্তৃতা করেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার খাদ্য ও বস্ত্রের মতোই জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য উপাদান। কেননা খাদ্য ছাড়া যেমন জীবন বেঁচে থাকতে পারেনা, বস্ত্র ছাড়া যেমন মানুষ জনসম্মুখে বের হতে পারে না, তেমনি ন্যায়বিচার ছাড়া মানুষ সমাজে শান্তিতে বসবাস করতে পারেনা। তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের অনুপস্থিতিতে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, সামাজিক অস্থিরতা বা অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়। আর সমাজ নিয়েই যেহেতু রাষ্ট্র, তাই অস্থিতিশীল সমাজ মানেই অস্থিতিশীল রাষ্ট্র। এরূপ রাষ্ট্রের সঙ্গে বিদেশি রাষ্ট্রসমূহ বন্ধুত্ব বা সম্পর্ক স্থাপন করতে অনীহা দেখায়, তারা বিনিয়োগ করতে ভয় পায়। পরিণতিতে ওই রাষ্ট্র বিশ্ব সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, উন্নয়ন বিঘিœত হয়। আইনমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সবসময় তৎপর থেকেছেন। এমনকি পাকিস্তানি শাসন আমলে তিনি যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও সুযোগের সমতা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরে কথা বলেছেন। মন্ত্রী বলেন, কোন দেশে সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শক্তিশালী আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে অপরাধকর্মে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। এসব বিচার যথাসম্ভব দ্রুতগতিতে হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শুরু থেকেই বিচার বিভাগকে সবধরণের সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার ও সুপ্রীম কোর্ট দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে দেশের দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত মামলাজট কমানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। যার সুফল ইতোমধ্যেই জনগণ পেতে শুরু করেছে। প্রায়শই খবর পাওয়া যাচ্ছে, দেশের অনেক আদালতেই এখন, একক সময়ে মামলা দায়েরের সংখ্যার চেয়ে মামলা নিষ্পত্তির হার বেশি হচ্ছে। যা আমাদেরকে আশান্বিত করছে। সরকার ও সুপ্রীম কোর্টের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি বিচারকদের উদ্ভাবনীমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ, কর্মঘন্টার সঠিক প্রয়োগ, মামলা ও আদালত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং সুদক্ষ নেতৃত্বের সমন্বয়ের মাধ্যমে মামলার বোঝা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী। আইনমন্ত্রী একথাও স্মরণ করিয়ে দেন, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে একটি মামলার অনেকগুলো পক্ষ তৈরি হয়ে যায়। কোন পক্ষ চায়, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। কোন পক্ষ চায়, মামলা নিষ্পত্তির সময় প্রলম্বিত হোক। কেউ কেউ হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে আদালতের কালক্ষেপন করে থাকেন। এসব বিষয়কে মাথায় নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দ্রুত গতিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আবার এক্ষেত্রে ভুলে গেলে চলবে না “Justice Hurried is Justice Buried”; বদান্যতা, মহানুভবতা, কৃতজ্ঞতা, বন্ধুত্ব ও করুণা থেকে ন্যায়বিচার আলাদা। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার মর্মমূলে রয়েছে নিরপেক্ষতার ধারণা। আনিসুল হক বলেন, আমরা রাষ্ট্রের যে, যে দায়িত্বই পালন করি না কেন, প্রত্যেকের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সব সময় সাধারণ জনগণ বিশেষ করে কৃষক-শ্রমিক-মেহনতী মানুষের নিকট দায়বদ্ধতার বিষয়টি স্মরণ রাখা উচিত।

Read More »

“সরকার বদলের নামে বিএনপি বাংলাদেশকে আবারও পশ্চাতে টেনে নিয়ে যেতে চায়”- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম : সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্প্রসারিত প্রশাসনিক নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, সরকার বদলের নামে বিএনপি আবারও দেশকে পশ্চাতে টেনে নিতে চায়। পাকিস্তানের মত ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি ৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। তারা এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি। খাদ্য ঘাটতি সৃষ্টি করেছিলো ৫০ লক্ষ মেট্রিকটন৷ মাথাপিছু আয় ছিল ৭৫০ ডলার। ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি করে হত্যা করেছে আহসানউল্লাহ মাস্টারকে, হত্যা করেছে শাহ এম এস কিবরিয়াকে, সবশেষে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে নেতৃত্ব শূন্য করতে চেয়েছিলো আওয়ামীলীগকে, হত্যা করতে চেয়েছিলো জননেত্রী শেখ হাসিনাকে৷ পক্ষান্তরে, ৯৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে মাত্র সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়; আর বর্তমানে তাঁর নেতৃত্বে গত চৌদ্দ বছরের শাসনামলে দেশে একটি দানা খাদ্য ঘাটতি নেই৷ দেশে কোন মানুষ এখন অভুক্ত নেই৷ কৃষি, মৎস্য ও মাংস উৎপাদনে ঘটেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। জনগণের মাথাপিছু আয় বেড়ে হয়েছে ২৮২৪ মার্কিন ডলার। বর্তমানে প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দেশে এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ঘটেছে যুগান্তকারী উন্নয়ন। পাহাড়ি দূর্গম এলাকা থেকে শুরু করে ফেঞ্চুগঞ্জের হাওড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানুষ ইন্টারনেট সেবা পাচ্ছে৷ এই ইন্টারনেট সেবাকে কাজে লাগিয়ে ঢাকা শহরের মত ফেঞ্চুগঞ্জের তরুণ-তরুণীরাও অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে পারছে। জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবর রহমান-এর সভাপতিত্বে উক্ত সুধী সমাবেশে বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ,কে, আব্দুল মোমেন, এমপি, সিলেট-০৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মহসিন আলী প্রমুখ।

Read More »