জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস। রংপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে নগরীর বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নুরে আলম মিনা, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান, রংপুর জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন, রংপুর জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, রংপুর সিটি করপোরেশনের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মিঞা, রংপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সহ রংপুর বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর গার্ড অব অনার প্রদান ও জাতির পিতার ম্যুরালের সামনে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে মোনাজাত করা হয়। পরে শিশু কিশোরদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়। র্যালীটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউনহল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষে যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক মাজেদ আলী বাবুল, জয়নাল আবেদীন, এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের পক্ষে আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাশেমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সকল সরকারি, আধা-সরকারি, বে-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ। রংপুর নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, শিশু-কিশোরদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতির জনকের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালন করছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে রয়েছে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন।